ঢাকা   মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩   বিকাল ৫:৪৮ 

Home Blog Page 2

৬১ জেলায় শুরু হচ্ছে অনলাইন ভূমি নিবন্ধন কার্যক্রম,কমবে জাল জালিয়াতি

0

পার্বত্য তিন জেলা বাদে দেশের ৬১ জেলায় অনলাইনে ভূমি নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। নিবন্ধন অধিদপ্তরের অধীন ৪৮৮টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কাগজের ভলিউমে দলিল রেজিস্ট্রির পরিবর্তে অনলাইনে দলিল রেজিস্ট্রি ও রেকর্ড সংরক্ষণের কার্যক্রম শুরু হবে।
ইতিমধ্যে এ-সংক্রান্ত প্রকল্প প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের সভায় (একনেক) পাঠানো হয়েছে। এজন্য ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে আইন মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন খাতে রাখা হয়েছে বিশেষ বরাদ্দ।
আইন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০২০-২১ অর্থবছরে ‘ভূমি নিবন্ধন ব্যবস্থাপনা ডিজিটাইজেশনে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রকল্প’ শীর্ষক একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ কোটি ৬০ লাখ ৩২ হাজার টাকা।
পরে এর আওতায় ২০২১ সালে দেশের ১৭টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে পরীক্ষামূলকভাবে অনলাইনে ভূমি নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়। পাইলট প্রকল্পের অগ্রগতি সন্তোষজনক হওয়ায় এবার ৪৮৮টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অনলাইনে ভূমি নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করার যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০২১ সালের ১০ জুন থেকে ২০২৩ সালের ১৩ জুন পর্যন্ত পাইলট প্রকল্পের আওতায় ১৭টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ৭৮ হাজার ১৯৫টি দলিল ই-রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতিতে নিবন্ধিত হয়েছে। বর্তমানে ঢাকার উত্তরা, খিলগাঁও, গুলশান ও সাভার, চট্টগ্রামের আনোয়ারা ও পাহাড়তলী, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা, কুষ্টিয়ার কুমারখালী, টাঙ্গাইলের বাসাইল ও নাগরপুর, রাজশাহীর চারঘাট, সিলেটের তাজপুর, দিনাজপুরের চিরিরবন্দর, ময়মনসিংহের নান্দাইল এবং বরিশালের হিজলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অনলাইনে ভূমি নিবন্ধন কার্যক্রম কার্যকর রয়েছে। দেশে বর্তমানে ৪৯৫টি উপজেলায় ৫০৫টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস রয়েছে।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, অনলাইনে ভূমি নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হলে সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়ে শৃঙ্খলা আসবে ও জাল-জালিয়াতি প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। এতে রেজিস্ট্রি সেবা নিতে মানুষের হয়রানি, সময় ও অর্থ ব্যয় এবং আদালতে জমিসংক্রান্ত মামলা-মোকদ্দমা কমে যাবে।
পাইলট প্রকল্পের আওতায় গৃহীত ১৭টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অগ্রগতি সন্তোষজনক মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, অনলাইনে ভূমি নিবন্ধনের ফলে ভূমির শ্রেণি পরিবর্তন ও জাল খতিয়ানের মাধ্যমে দলিল নিবন্ধন বন্ধ হবে। জটিলতা ছাড়াই নির্ভুলভাবে দলিলদাতা এবং গ্রহীতার রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হচ্ছে। রাজস্ব আদায়ও গতিশীল হয়েছে।
তিনি জানান, সারাদেশের রেকর্ডরুমে রক্ষিত বালাম বইগুলো আর্কাইভে সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এটি হলে সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়ে শৃঙ্খলা আসবে এবং জাল-জালিয়াতি প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।
প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি প্রসঙ্গে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার বলেন, মন্ত্রণালয় থেকে অনলাইনে ভূমি নিবন্ধন-সংক্রান্ত একটি প্রকল্প প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। তাতে পাইলট প্রকল্পের অগ্রগতিসহ সার্বিক বিষয়ে সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হয়েছে।
সচিব বলেন, আশা করছি, এটি শিগগিরই একনেকে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। তিনি জানান, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসকে নিজ নিজ প্রশাসনিক এখতিয়ারের মধ্যে রেখে এরই মধ্যে আন্তঃসংযোগ স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অনলাইনে ভূমি নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
বাংলাদেশ রেজিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ও ঢাকার খিলগাঁওয়ের সাব-রেজিস্ট্রার এস এম শফিউল বারী বলেন, সারাদেশে ই-রেজিস্ট্রেশন চালু হলে একজনের জমি প্রতারণার মাধ্যমে একাধিকবার বিক্রি বন্ধ হবে। ভূমি অফিসের সার্ভারের সঙ্গে সংযোগ থাকায় সরকারি জমির তালিকা সার্ভারে থাকবে। এর ফলে কোনো প্রতারক সরকারি জমি বিক্রি করে দেয়ার সুযোগ পাবে না। ম্যানুয়ালি দলিল হলে বালাম তিন বছর পর পেত। কিন্তু ই-রেজিস্ট্রেশন হওয়ায় খিলগাঁওয়ে এখন দলিল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এটি সার্ভারে চলে যাচ্ছে।
নিবন্ধন অধিদপ্তর সূত্র জানায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে সারাদেশে ৩৫ লাখ ৯৮ হাজার ১৯৭টি দলিল রেজিস্ট্রি হয়েছে এবং মোট রাজস্ব আয় হয়েছে ১১ হাজার ৬০১ কোটি ৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ আয় হয়েছে ৮ হাজার ১১১ কোটি ১৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও স্থানীয় সরকার কর বাবদ আয় হয়েছে ৩ হাজার ৪৮৯ কোটি ৯৩ লাখ টাকা।
এর আগে ২০২০-২১ অর্থবছরে সারাদেশে ৩৪ লাখ ৭৪ হাজার ৬৯৬টি দলিল রেজিস্ট্রি হয়েছে এবং এ খাত থেকে মোট রাজস্ব আয় হয়েছে ১২ হাজার ২৯২ কোটি ৮৬ লাখ ২৯ হাজার টাকা। এর মধ্যে রেজিস্ট্রেশন বাবদ আয় ৯ হাজার ৩৩৯ কোটি ৪১ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং স্থানীয় সরকার কর বাবদ আয় ২ হাজার ৯৫৩ কোটি ৪৪ লাখ ৮৯ হাজার টাকা।

ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা: পুলিশের এএসআইসহ ৩ জনের বিচার শুরু

0

১০০ পিস ইয়াবা রাখার অভিযোগে করা মামলায় পুলিশের সাময়িক বরখাস্ত সহকারী উপ-পরিদর্শকসহ (এএসআই) ৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত।
আসামিরা হলেন—পল্লবী থানার সাময়িক বরখাস্ত এএসআই মাহবুব আলম এবং তার তথ্যদাতা মোহাম্মদ রুবেল ও সোহেল রানা।
মঙ্গলবার(৭ আগস্ট) ঢাকা মহানগর হাকিম তাহমিনা হক আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র পাঠ করেন।
এরপর বর্তমানে জামিনে থাকা এই ৩ জন নিজেদের নির্দোষ উল্লেখ করে ন্যায়বিচার দাবি করেন।
এর আগে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার তদন্ত থেকে অব্যাহতি চেয়ে তাদের করা আবেদন খারিজ করে দেন।
আগামী ২৬ ডিসেম্বর মামলার শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ক্যান্টনমেন্ট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এতে বলা হয়, এই ৩ আসামি অবৈধভাবে ইয়াবা বহন করতেন।
অভিযোগপত্রে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, গত বছরের সেপ্টেম্বরে ব্যবসায়ী মোহাম্মদ খলিলকে গ্রেপ্তার করা এএসআই মাহবুব আলম অবৈধভাবে ১০০ পিস ইয়াবা বহন করছিলেন। তার দুই তথ্যদাতা রুবেল ও রানা তাকে এ অপরাধে সহায়তা করেছেন।
তদন্ত কর্মকর্তা জানান, এএসআই মাহবুব এসআই কামরুল ইসলামকে মিথ্যা তথ্য দেন ও বানোয়াট জব্দ তালিকা তৈরি করেন, যার ভিত্তিতে এসআই কামরুল খলিলের বিরুদ্ধে ১০০ পিস ইয়াবা রাখার অভিযোগে মামলা করেন।
একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের ফুটেজে দেখা যায়, ক্যান্টনমেন্ট রেলস্টেশনের কাছে সাদা পোশাকে এএসআই মাহবুব খলিলকে থামিয়ে তাকে তল্লাশি করছেন। সে সময় মাহবুব রুবেলের কাছ থেকে এক প্যাকেট ইয়াবা নিয়ে খলিলের পকেটে ঢুকিয়ে দেন। এরপর তিনি খলিলকে ইয়াবাসহ ধরেছেন বলে দাবি করেন।
খলিলকে ৭ সেপ্টেম্বর কারাগারে পাঠানো হয় এবং পরে তদন্তে নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। সূত্র-ডেইলি স্টার।

কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা: খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ২৬ সেপ্টেম্বর

0

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ১০ আসামির বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলার চার্জ গঠনের বিষয়ে শুনানির তারিখ পিছিয়েছে। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর শুনানির পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন আদালত।
আজ মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) কেরানীগঞ্জ কারাগারে নবনির্মিত ভবনে স্থাপিত ঢাকার অস্থায়ী বিশেষ জজ আদালত-২ এর বিচারক আকতারুজ্জামান এদিন ধার্য করেন।
এদিন মামলাটির অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য ছিল। কিন্তু খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকায় আদালতে হাজির হতে পারেননি। এজন্য আসামির পক্ষে তার আইনজীবীরা সময়ের আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত নতুন এদিন ধার্য করেন।
খালেদা জিয়ার আইনজীবী হান্নান ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি শাহবাগ থানায় খালেদা জিয়াসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। পরে ওই বছরের ৫ অক্টোবর পুলিশ তদন্ত করে ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। এ মামলা দায়েরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন খালেদা জিয়া। ২০০৮ সালের ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন।সূত্র-ইত্তেফাক।

ভারত সফরে আওয়ামী লীগ প্রতিনিধি দল: বিজেপি’র সঙ্গে বৈঠক,রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা,জঙ্গিবাদ দমনে কাজ হবে একযোগে

0

দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, জঙ্গিবাদ দমন, উন্নয়নে ভারতীয় জনতা পার্টি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের লক্ষ্য অভিন্ন। দক্ষিণ এশিয়ার দুই ঐতিহ্যবাহী দল এ বিষয়ে একযোগে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন ভারতীয় জনতা পার্টির সভাপতি জগৎ প্রকাশ নাড্ডা। বিজেপির কেন্দ্রীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা বাংলাদেশ থেকে বিজেপির আমন্ত্রণে আসা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক মতবিনিময়ে একথা বলেন।
তিনি বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের আমলে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এখন এক নতুন উচ্চতায়। দুই দেশের স্বার্থ রক্ষায় ভারতীয় জনতা পার্টি ও আওয়ামী লীগ একসঙ্গে কাজ করতে চায়।
আজ (৭ আগস্ট) সকালে বিজেপির কেন্দ্রীয় সভাপতি নয়াদিল্লির নিজ বাসভবনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সঙ্গে দেড় ঘন্টাব্যাপি আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেন। এসময় গত প্রায় ১৫ বছরে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশের বিস্ময়কর উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বৈঠক সূত্রে এ্রমন তথ্য জানা গেছে।
দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, জঙ্গিবাদ দমন, উন্নয়নে ভারতীয় জনতা পার্টি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের লক্ষ্য অভিন্ন। দক্ষিণ এশিয়ার দুই ঐতিহ্যবাহী দল এ বিষয়ে একযোগে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন ভারতীয় জনতা পার্টির সভাপতি জগৎ প্রকাশ নাড্ডা।
বিজেপির কেন্দ্রীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা বাংলাদেশ থেকে বিজেপির আমন্ত্রণে আসা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক মতবিনিময়ে একথা বলেন।
তিনি বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের আমলে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এখন এক নতুন উচ্চতায়। দুই দেশের স্বার্থ রক্ষায় ভারতীয় জনতা পার্টি ও আওয়ামী লীগ একসঙ্গে কাজ করতে চায়।
আজ (৭ আগস্ট) সকালে বিজেপির কেন্দ্রীয় সভাপতি নয়াদিল্লির নিজ বাসভবনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সঙ্গে দেড় ঘন্টাব্যাপি আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেন। এসময় গত প্রায় ১৫ বছরে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশের বিস্ময়কর উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বাংলাদেশ সরকারের কৃষি মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, সংসদ সদস্য অ্যারোমা দত্ত ও মেরিনা জামান।
ভারতের ক্ষমতাসীন দলের সভাপতি ও প্রবীন রাজনীতিবীদ জে পি নাড্ডার সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে অত্যন্ত সৌহার্দপূর্ণ ও আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত আলোচনায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু স্থান পায় বলে সূত্র জানিয়েছে। জে পি নাড্ডা শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশ এখন সব উন্নয়ন সূচকে দক্ষিণ এশিয়ায় দৃষ্টান্ত যা দেখে আমরাও খুশি। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকারের আমলে বাংলাদেশেই নয় ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলেরও শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। বর্তমান সরকারের আমলে দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুর সমাধান হয়েছে, সীমান্ত এলাকায় শান্তি বিরাজ করছে, যা দুই দেশের বন্ধুত্বের মাত্রাকে করেছে আরো শক্তিশালী। আমরা এ সম্পর্ক ধরে রাখতে দুই দেশের মধ্যকার সরকারের চলমান সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চাই।
বিজিপি সভাপতির এই আশাবাদকে বাস্তবে রুপ দিতে সফররত আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের সদস্যরাও একই কথা বলেন। আওয়ামী লীগ নেতারা বলেন, বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন আসন্ন। এই নির্বাচন বাংলাদেশের মানুষের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, জঙ্গি দমন এবং উন্নয়নে আগামী নির্বাচনের ফলাফল প্রভাব ফেলবে। বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয় আমাদের কাছে প্রতিবেশী প্রথম। বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অনেকটা আবেগ ও বন্ধুত্বের। আমাদের মধ্যে সম্পর্কটা ঐতিহাসিক।
আমরা চাইবো আঞ্চলিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং জঙ্গিবাদ প্রতিবেশী বন্ধু রাষ্ট্রের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে। বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের এই সফর ভারতের রাজনীতি পর্যবেক্ষক মহলে বেশ গুরুত্ব বহন করছে।
বিজেপির সভাপতির সঙ্গে পূর্ব নির্ধারিত বৈঠকের আগে দিল্লীর বিজেপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে আওয়ামীলীগ প্রতিনিধি দলের আলাদা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেও অত্যন্ত খোলামেলা আলোচনায় দুই দেশ ও দুই রাজনৈতিক দলের বন্ধুত্বের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
পরে জাতীয় সংসদ ভবনে ভারত সরকারের বিদেশ মন্ত্রী ড. এস জয় শংকরের সঙ্গেও সফররত আওয়ামী লীগ প্রতিনিধিদলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বাংলাদেশ সরকারের কৃষি মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, সংসদ সদস্য অ্যারোমা দত্ত ও মেরিনা জামান।
ভারতের ক্ষমতাসীন দলের সভাপতি ও প্রবীন রাজনীতিবীদ জে পি নাড্ডার সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে অত্যন্ত সৌহার্দপূর্ণ ও আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত আলোচনায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু স্থান পায় বলে সূত্র জানিয়েছে। জে পি নাড্ডা শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশ এখন সব উন্নয়ন সূচকে দক্ষিণ এশিয়ায় দৃষ্টান্ত যা দেখে আমরাও খুশি। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকারের আমলে বাংলাদেশেই নয় ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলেরও শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। বর্তমান সরকারের আমলে দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুর সমাধান হয়েছে, সীমান্ত এলাকায় শান্তি বিরাজ করছে, যা দুই দেশের বন্ধুত্বের মাত্রাকে করেছে আরো শক্তিশালী। আমরা এ সম্পর্ক ধরে রাখতে দুই দেশের মধ্যকার সরকারের চলমান সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চাই।
বিজিপি সভাপতির এই আশাবাদকে বাস্তবে রুপ দিতে সফররত আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের সদস্যরাও একই কথা বলেন। আওয়ামী লীগ নেতারা বলেন, বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন আসন্ন। এই নির্বাচন বাংলাদেশের মানুষের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, জঙ্গি দমন এবং উন্নয়নে আগামী নির্বাচনের ফলাফল প্রভাব ফেলবে। বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয় আমাদের কাছে প্রতিবেশী প্রথম। বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অনেকটা আবেগ ও বন্ধুত্বের। আমাদের মধ্যে সম্পর্কটা ঐতিহাসিক।
আমরা চাইবো আঞ্চলিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং জঙ্গিবাদ প্রতিবেশী বন্ধু রাষ্ট্রের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে। বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের এই সফর ভারতের রাজনীতি পর্যবেক্ষক মহলে বেশ গুরুত্ব বহন করছে।
বিজেপির সভাপতির সঙ্গে পূর্ব নির্ধারিত বৈঠকের আগে দিল্লীর বিজেপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে আওয়ামীলীগ প্রতিনিধি দলের আলাদা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেও অত্যন্ত খোলামেলা আলোচনায় দুই দেশ ও দুই রাজনৈতিক দলের বন্ধুত্বের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
পরে জাতীয় সংসদ ভবনে ভারত সরকারের বিদেশ মন্ত্রী ড. এস জয় শংকরের সঙ্গেও সফররত আওয়ামী লীগ প্রতিনিধিদলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল হয়ে আসছে সাইবার আইন: মানহানিতে শাস্তি হবে জরিমানা

0

মানহানিকর তথ্য প্রকাশ ও প্রচারের অপরাধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে থাকা কারদণ্ডের বিধান বাতিল করে নতুন আইনে শুধু জরিমানার বিধান করতে যাচ্ছে সরকার।
মানহানির মামলায় দণ্ডিত হয়ে কেউ জরিমানার অর্থ পরিশোধ না করতে পারলে তখন ৩ থেকে ৬ মাসের কারদণ্ড দেয়া যাবে।
মানহানির জন্য সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পরিবর্তন করে সাইবার সিকিউরিটি আইন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে সাইবার সিকিউরিটি আইনের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়।
পরে আইনমন্ত্রী সচিবালয়ে তার দপ্তরে এক ব্রিফিংয়ে বলেন, “২৯ ধারা সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত করা হয়েছে। শুধু শাস্তি হবে জরিমানা, সেই জরিমানা অনাদায়ে ৩ থেকে ৬ মাসের কারাদণ্ড থাকবে। সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা জরিমানা করা যাবে।
“কারাদণ্ড উঠিয়ে দিয়ে শুধু সাজা রাখা হয়েছে। দেওয়ানী আইনে যদি মানুষ ক্ষতিপূরণ চায় সেখানে কিন্তু ক্ষতিপূরণের কোনো লিমিট নেই। ১০০ কোটি টাকাও ক্ষতিপূরণ চাইতে পারে। সেইসব ক্যালকুলেশনে অনধিক ২৫ লাখ টাকা জরিমানা করা যাবে। সর্বনিম্ন যে কোনো পরিমাণ জরিমানা করা যাবে। এক টাকাও জরিমানা করা যাবে কিন্তু ২৫ লাখ এক টাকা জরিমানা করা যাবে না।”
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৮ ধারায় সাজা পাঁচ বছরের কারাদণ্ড থেকে কমিয়ে নতুন আইনে দুই বছর করা হচ্ছে জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, এটা আগে অজামিনযোগ্য ছিল, সেটিকে জামিনযোগ্য করা হচ্ছে।
সংসদের আগামী সেপ্টেম্বর মাসের অধিবেশনে সাইবার সিকিউরিটি আইন পাস করা হবে জানান আইনমন্ত্রী।
আইনমন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত আইনে অনেকগুলো ধারাকে জামিনযোগ্য করা হয়েছে, যা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অজামিনযোগ্য ছিল।
বিভিন্ন অপরাধের জন্য শাস্তি কমানো হয়েছে বলেও জানান আইনমন্ত্রী। এ ক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে তিনি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ধারা-২১-এর কথা উল্লেখ করেন।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এই ধারায় (২১) মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার প্রোপাগান্ডা বা প্রচারণার জন্য দণ্ডের বিধান রয়েছে। যদি কোনো ব্যক্তি এই অপরাধ করেন, তাহলে তিনি অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ডে বা অনধিক ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, এই সাজা কমিয়ে এখন করা হয়েছে সাত বছর। এ ছাড়া অনেকগুলো ধারায় দ্বিতীয়বার অপরাধের জন্য সাজা দ্বিগুণ বা সাজা বাড়ানো ছিল। প্রস্তাবিত আইনে প্রত্যেকটি ধারায় যেখানে দ্বিতীয়বার অপরাধের ক্ষেত্রে বাড়তি সাজার কথা আছে, সেগুলো বাতিল করা হয়েছে।
ডিজিটাল নিরাপত্তা ২৮ ধারা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে ধর্মীয় মূল্যবোধ বা অনুভূতিতে আঘাত করার বা উসকানি অভিপ্রায়ে ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা প্রচার করেন বা করান, যা ধর্মীয় অনুভূতি বা ধর্মীয় মূল্যবোধের ওপর আঘাত করে, তাহলে এই ব্যক্তির এই কাজ হবে একটি অপরাধ।
কোনো ব্যক্তি এই অপরাধ সংঘটন করলে তিনি অনধিক পাঁচ বছর কারাদণ্ডে বা অনধিক ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। আর এই অপরাধ দ্বিতীয় বার করলে সাজা আরও বেশি হবে।
প্রস্তাবিত আইনে এটি (২৮ ধারা) পরিবর্তন করে জামিনযোগ্য করা হয়েছে (আগে অজামিনযোগ্য ছিল) এবং সাজা কমানো হয়েছে। এখন এই অপরাধে সাজা হবে সর্বোচ্চ দুই বছর।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৩১ ধারাও পরিবর্তন করা হচ্ছে প্রস্তাবিত আইনে। এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইট বা ডিজিটাল বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন বা করান, যা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শ্রেণি বা সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা, ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করে বা অস্থিরতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে অথবা আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটায় বা ঘটার উপক্রম হয়, তাহলে ওই ব্যক্তির অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড, বা অনধিক পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
প্রস্তাবিত আইনে সাজা কমিয়ে ৫ বছর করা হয়েছে। দ্বিতীয়বার একই অপরাধের বাড়তি সাজা বাতিল করা হয়েছে।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৩২ ধারায় সরকারি গোপনীয়তা ভঙ্গের অপরাধের জন্য অনধিক ১৪ বছর কারাদণ্ড বা অনধিক ২৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান ছিল। এটি কমিয়ে সাত বছর করা হয়েছে।
হ্যাকিংয়ের জন্য অনধিক ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অনধিক এক কোটি টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে একটি ধারায়।
এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন প্রস্তাবিত আইনে গণমাধ্যমের জন্য আলাদা কোনো বিধান রাখা হয়নি। আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিদম্যান মামলাগুলো সাইবার নিরাপত্তা আইনে চলবে বলে জানান মন্ত্রী।
কবে নাগাদ নতুন আইনটি হবে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আগেও বলেছি, এখনো বলছি আগামী সেপ্টেম্বরে জাতীয় সংসদের অধিবেশন বসবে, সেই অধিবেশনে বিলটি সংসদে পেশ করা হবে।’ সেই অধিবেশনে আইনটি পাস হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। তখন চলমান মামলাগুলো স্বাভাবিকভাবে সাইবার নিরাপত্তা আইনের অধীনে যাবে।
আইনমন্ত্রী বলেন, সাইবার অপরাধসংক্রান্ত কারিগরি বিষয়ের অপরাধের ক্ষেত্রে আইনে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।
নতুন আইনে কোনো বিতর্কিত ধারা থাকবে কি না, সেটি পরে সংশোধন হবে কি না, জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, নতুন আইনটি নিয়ে কোনো বিতর্ক হবে না এবং এটি সংশোধনের প্রয়োজন হবে না বলে মনে করেন তিনি।

আমান দম্পতিকে ১৫ দিনের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ : হাইকোর্ট রায় প্রকাশ

0

দুর্নীতির মামলায় বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমানের ১৩ বছরের কারাদণ্ড ও তার স্ত্রী সাবেরা আমানের ৩ বছরের দণ্ডের রায় বহাল রেখে রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট।
বিচারিক আদালতে রায় পৌঁছানোর ১৫ দিনের মধ্যে তাদেরকে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে।
বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ ২৮১ পৃষ্ঠার প্রকাশিত রায়ে এ নির্দেশনা এসেছে। রায়টি সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে আজ প্রকাশ করা হয়েছে।
দুর্নীতির মামলায় বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমানের ১৩ বছরের কারাদণ্ড বহাল রেখে হাইকোর্ট গত ৩০ মে রায় দেয়। একই সঙ্গে তার স্ত্রী সাবেরা আমানের ৩ বছরের সাজাও বহাল রাখেন আদালত। আজ (৭ আগস্ট) পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হলো।
সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আমান দম্পতির বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ৬ মার্চ রাজধানীর কাফরুল থানায় মামলা করে দুদক। ওই বছরের ২১ জুন বিশেষ জজ আদালতের রায়ে আমানকে ১৩ বছরের ও সাবেরাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে তারা হাইকোর্টে আপিল করেন। ২০১০ সালের ১৬ আগস্ট হাইকোর্ট সেই আপিল মঞ্জুর করে তাদের খালাস দেন। হাইকোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে দুদক আপিল করলে ২০১৪ সালের ২৬ মে আপিল বিভাগ ওই রায় বাতিল করে হাইকোর্টকে মামলাটির আপিল পুনঃশুনানির নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী হাইকোর্টে মামলাটির পুনঃশুনানি শেষে রায় হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১৯৯২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত আমান দম্পতি ৯ কোটি ৯৪ লাখ ৬৩ হাজার টাকার সম্পত্তি অবৈধভাবে অর্জন করেন। এর মধ্যে আমান জ্ঞাত আয়ের বাইরে ৩ কোটি ৩১ লাখ ৭৫ হাজার ৯ টাকা এবং সাবেরা আমান ৬ কোটি ৬২ লাখ ৮৮ হাজার টাকার সম্পত্তি অর্জন করেন। বাসস।

সুপ্রিম কোর্টে বারে ভাঙচুর, বিএনপিপন্থী ১৪ আইনজীবীর জামিন ৪ জনকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

0

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সম্পাদকের কক্ষে ভাঙচুর ও হামলার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিএনপিপন্থী ১৪ আইনজীবীর আগাম জামিন ও ৪ জনকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পনের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। যারা আগাম জামিন পেয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, সাবেক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সুপ্রিম কোর্ট শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলামসহ ১৪ জন। তাদের ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
একইসঙ্গে ভাঙচুরের ঘটনায় সরাসরি যুক্ত থাকায় আইনজীবী নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ, মোস্তাফিজুর রহমান আহাদ, আব্দুল কাইয়ুম ও উজ্জল হোসেনকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
সোমবার (৭ আগস্ট) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী ও অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।
গত ৩ আগস্ট সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সম্পাদকের কক্ষে ভাঙচুর ও আওয়ামী লীগপন্থী আইনজীবীদের ওপর হামলার অভিযোগে বিএনপির ১৮ আইনজীবীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। রাজধানীর শাহবাগ থানায় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সহকারী সুপাররিনটেনডেন্ট মো. রফিকুল্লাহ বাদী হয়ে এ মামলা করেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৯ বছর ও তারেকের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানের তিন বছরের কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। সরকারের পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন তারা।
এদিকে বিএনপির নৈরাজ্যের প্রতিবাদে আওয়ামীপন্থী আইনজীবীরাও সুপ্রিম কোর্টে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। সভাপতি-সম্পাদকের কক্ষের সামনে আওয়ামীপন্থী ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের মিছিল মুখোমুখি হয়। পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ চলাকালে দুই পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোল ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্ট বারের সম্পাদক আব্দুন নূর দুলালের কক্ষ ভাঙচুর করেন এবং তার নেমপ্লেট খুলে ফেলেন। এরপর সভাপতির কক্ষের নেমপ্লেটও খুলে ফেলা হয়।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সব মামলা চলমান থাকবে: অ্যাটর্নি জেনারেল

0

বহুল আলোচিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ পরিবর্তন করে নতুন আইন করার সিদ্ধান্ত নিলেও এই আইনে চলমান মামলাগুলো বাতিল হবে না। মামলাগুলোর বিচার আগের আইনেই চলবে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।
সোমবার (৭ আগস্ট) দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে তার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের কাছে তিনি একথা বলেন। রাষ্ট্রের প্রধান এ আইন কর্মকর্তা বলেন, যখন কোনো আইন বাতিল বা পরিবর্তন করা হয় সেখানে একটা সেভিং ক্লোজ দেয়া হয়। সেখানে বলা হয়, যে মামলাগুলো চলমান আছে সেই মামলাগুলোর ক্ষেত্রে ধরে নিতে হবে এই আইনটা বিলুপ্ত হয়নি। এখন পর্যন্ত যত আইন বাতিল বা পরিবর্তন করা হয়েছে সবগুলোর ক্ষেত্রে একই অবস্থা হয়েছে। আইন পরিবর্তনের সিদ্ধান্তকে তিনি ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন।
সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে বহুল আলোচিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ পরিবর্তনে নতুন খসড়া আইনের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এটি ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’ নামে প্রতিস্থাপিত হবে।

সোনিয়া-শোয়েবের বিচ্ছেদ কি হয়েই গেল?

0

সোনিয়া মির্জা ও শোয়েব মালিকের বিচ্ছেদ নিয়ে জল্পনা চলছে বছর খানেক ধরেই। তবে এবার চর্চা তুঙ্গে উঠল পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক নিজেই বিরাট ইঙ্গিত দেয়ায়। শোয়েব নিজের ইনস্টাগ্রাম বায়োতে পরিবর্তন এনেছেন। যা নেটিজনদের নজর এড়ায়নি। সোনিয়া বা শোয়েব কেউই নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খোলেননি। তবে শোয়েবের বায়োতে বিচ্ছেদেরই ইঙ্গিত স্পষ্ট।
সোনিয়া ও শোয়েবের বিয়ে হয়েছিল ২০১০ সালে। ২০১৮ সালে তাঁদের সন্তান ইজহানের জন্ম। শোয়েব মালিকের সঙ্গে অভিনেত্রী আয়েশা ওমরের ছবি ভাইরাল হয়েছিল। সুইমিং পুলে শোয়েবের বক্ষলগ্না অবস্থায় আয়েশাকে দেখা যায়। সোনিয়া ও শোয়েব এই বিষয়ে মুখ খোলেননি। তবে আয়েশা দাবি করেন, এটি পুরোনো ছবি। রোমান্টিক ফোটোশ্যুট মাত্র, তার বেশি কিছু নয়। আয়েশার সঙ্গে শোয়েবের নয়া সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা চলাকালীনই সোনিয়া ও শোয়েবকে দেখা গিয়েছিল পাকিস্তানের টিভি রিয়ালিটি শো, যার নাম ছিল দ্য মির্জা মালিক শো। এই অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের সেলিব্রিটিদের সাক্ষাৎকার নেন সোনিয়া ও শোয়েব। নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে জল্পনার কোনও প্রভাব পড়তে দেননি সোনিয়া-শোয়েব, চূড়ান্ত পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েই। এরই মধ্যে ৪১ বছরের পাকিস্তানি অলরাউন্ডার শোয়েব মালিক ইনস্টাগ্রাম বায়োতে পরিবর্তন এনেছেন। আগে সেখানে লেখা ছিল “Husband to a superwoman Sania Mirza”, অর্থাৎ সোনিয়ার স্বামী হিসেবে নিজের পরিচয় দিয়েছিলেন। এই অংশটি মুছে দিয়েছেন শোয়েব। এখন শুধু ইজহানের পিতৃপরিচয় দিয়ে “Father to One True Blessing” লেখা রয়েছে। এর জেরেই সোনিয়া-শোয়েবের তালাক নিয়ে জল্পনা জোরদার হয়েছে। সোনিয়া আগেই নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে শোয়েবের ছবি ও ভিডিওগুলি ডিলিট করে দিয়েছিলেন। তবে শোয়েবের অ্যাকাউন্টে এখনও সোনিয়ার ছবি রয়েছে। ৩৬ বছরের সোনিয়া গত মার্চে হায়দরাবাদে প্রদর্শনী ম্যাচ খেলে টেনিসকে গুডবাই জানিয়েছেন।
সোনিয়ার পরিবারের এক ঘনিষ্ঠ সংবাদসংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন, যেহেতু বিষয়টি তাঁদের একান্তই ব্যক্তিগত সে কারণে সোনিয়া ও শোয়েব একসঙ্গে বা আলাদা করে নিজেদের সম্পর্কের কথা জনসমক্ষে আনতে চাইছেন না। ছেলে ইজহানের কথা ভেবেই। ফলে সকলের উচিত তাঁদের এই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে ব্যক্তিগত পরিসরে প্রবেশ না করা। যদিও তাতে জল্পনা থামার কোনও ইঙ্গিতই নেই।

চন্দ্র জয়ের পথে ভারত

0

আর খুব বেশি দূরে নয় ডেস্টিনেশন চাঁদ। চন্দ্রযান ৩ চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছেছে গত ৫ই আগস্ট। বর্তমানে চাঁদের কক্ষপথে এটির অবস্থান ১৭০ কিলোমিটার × ৪৩১৩ কিলোমিটার। প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১৯০০ কিমি বেগে ঘুরছে। এই চন্দ্রযান ৩ পাঠিয়েছে চাঁদের প্রথম ছবি। সেই ছবিতে ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন একটি সোনালী রঙের যন্ত্র। এই সোনালী যন্ত্রটি হল চন্দ্রযানের সোলার প্যানেল। এই ছবিতে চাঁদের গর্ত ও তার পৃষ্ঠদেশ বেশ ভালোভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চন্দ্রযান ৩ চার হাজার থেকে পাঁচ হাজার কিলোমিটার কক্ষপথে অগ্রগতি লাভ করবে ৯ আগস্ট দুপুর ২.৪৫ মিনিটে।
তখন এই চাঁদের ছবি আরো বড় ভাবে দেখতে পাওয়া যাবে। ইতিমধ্যেই, চাঁদের গা-ঘেঁষে থাকা অবস্থায় সেই ছবি পাঠিয়েছে ইসরোর মহাকাশযান। রবিবারে সেই ছবি টুইট করেছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।চন্দ্রযান ৩ চন্দ্রের ১০০০ কিলোমিটারের মধ্যে নেমে আসবে ১৪ই আগস্ট। প্রপালশন মডিউল এবং ল্যান্ডার মডিউল আলাদা হয়ে যাবে ১৭ই আগস্ট। ডিওরবিটিং হবে ১৮ ই ও ১৯ শে আগস্ট। অর্থাৎ আরো কমে যাবে চাঁদের কক্ষপথের সাথে দূরত্ব। ১০০×৩৫ কিমি কক্ষপথে যাবে ল্যান্ডার মডিউলটি। এরপর চাঁদের মাটিতে চন্দ্রের অবতরণ হবে ২৩ তারিখ বিকেল ৫.৪৭ মিনিটে। চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশের জন্য চন্দ্রযান-৩-এর গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় ৩৬০০ কিলোমিটার বাড়ানো হয়েছিল। তবে কক্ষপথে প্রবেশের পর এর গতি দুই থেকে এক কিলোমিটার কমানো হয়। কারণ চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি পৃথিবীর ৬ ভাগের এক ভাগ। তাই গতি বেশি থাকলে সেটি চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করতে অক্ষম হত।