ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩   দুপুর ১:১০ 

Home Blog Page 36

দণ্ডবিধিতে ধর্ষণের সংজ্ঞা কেন সংশোধন হবে না, প্রশ্ন হাই কোর্টের

0

নারীদের ক্ষেত্রে যে নিপীড়নকে আইনে ‘ধর্ষণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, পুরুষসহ অন্যদের সঙ্গে একই ধরনের অপরাধ ঘটলে তাকেও ‘ধর্ষণ’ হিসেবে বিবেচনা করতে দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারায় ধর্ষণের সংজ্ঞা কেন সংশোধন করা হবে না, সেই প্রশ্ন রেখেছে হাই কোর্ট।
এক আইনজীবীসহ তিনজনের করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাই কোর্ট বেঞ্চ রোববার এই রুল জারি করে।
ধর্ষণ সংক্রান্ত দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারায় লিঙ্গ সমতা বিধান করে সংশোধন করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।
আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব ও পুলিশ মহাপরিদর্শককে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে এর জবাব দিতে বলা হয়েছে। গাজীপুরের বাসিন্দা সৌমেন ভৌমিক, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তাসমিয়া নূহিয়া আহমেদ এবং সমাজকর্মী মাসুম বিল্লাহ হাই কোর্টে এই রিট আবেদন করেন।
আদালতে তাদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী তাপস কান্তি বল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।
দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো পুরুষ কোনো নারীর সাথে যৌন সঙ্গম করলে সেটা ধর্ষণ হিসেবে বিবেচিত হবে, যদি নিচের পাঁচটি ঘটনার কোনো একটি ঘটে থাকে।
এক. তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে;
দুই. তার সম্মতি ছাড়া;
তিন. হত্যা বা আহত করার ভয় দেখিয়ে রাজি করিয়ে;
চার. ওই পুরুষ যদি জানেন যে তিনি ওই নারীর স্বামী নন, আর ওই নারী সম্মতি দিয়েছেন কারণ তিনি বিশ্বাস করেন, ওই পুরুষ তার আইনসম্মতভাবে বিয়ে করা স্বামী;
পাঁচ. সম্মতি দেয়া হোক বা না হোক, ওই নারীর বয়স যদি ১৪ বছরের কম হয়। (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বয়সের এই সীমা দেওয়া আছে ১৬ বছর)

সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, ধর্ষণের ক্ষেত্রে যৌন সঙ্গম বিবেচনা করার জন্য ‘পেনিট্রেশনই’ (প্রবিষ্ট করা) যথেষ্ট হবে।

আইনজীবী তাপস কান্তি বল বলেন, “দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারাকে আমরা চ্যালেঞ্জ করেছি, সেখানে ডেফিনিশনটা কেবল ভ্যাজাইনাল পেনিট্রেশনকে রিকগনাইজ করে৷
“কিন্তু শব্দটা যদি কেবল পেনিট্রেশন হয়, সেক্ষেত্রে শরীরের যে কোনো জায়গায়, তা ওরালও হতে পারে, পেনিট্রেট করলেই সেটা ধর্ষণ হিসেবে বিবেচিত হবে৷ আমরা আইনে থাকা ধর্ষণের সংজ্ঞার জেন্ডার নিউট্রালাইজেশন দাবি করেছি।”
এ রিট আবেদনটি করা হয়েছিল গত বছরের ১১ জানুয়ারি। ওই সময় ছেলে শিশু এবং পুরুষ যৌন নির্যাতনের ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে গিয়েছিল জানিয়ে তাপস কান্তি বল বলেন, “এ ধরনের নির্যাতনকে ধর্ষণের অপরাধ হিসেবে বিচার করা যাচ্ছে না। এ কারণে দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারায় সংশোধন এনে ‘নারী ধর্ষণ’ এর অপরাধের পাশাপাশি অপরাধ হিসেবে ‘পুরুষ ধর্ষণ’ বিষয়টিকে যুক্ত করার আবেদন করা হয়েছে।”
আবেদনে বলা হয়েছে, দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারায় শুধু পুরুষ দ্বারা নারীদের ধর্ষণের বিষয়ে বলা আছে। এখানে সম্মতি ছাড়া নারীদের দ্বারা নারী, নারীর দ্বারা পুরুষ, পুরুষ দ্বারা পুরুষ এবং একজন ট্রান্সজেন্ডার আরেক ট্রান্সজেন্ডারের দ্বারা যৌন নিপীড়নের মত বিষয়গুলো নেই।
ফলে পুরুষের ওপর পুরুষের এ ধরনের অপরাধের অভিযোগ এলে এতদিন দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারায় মামলা নিত পুলিশ।
দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারায় বলা হয়েছে, ‘প্রকৃতির নিয়মের বিরুদ্ধে’ গিয়ে কেউ পুরুষ, নারী বা জন্তুর সঙ্গে যৌনসঙ্গম করলে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বছরের জেল হতে পারে। সেই সঙ্গে হতে পারে জরিমানা।
আর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (১) ধারায় বলা আছে, যদি কোনো পুরুষ কোনো নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তাহলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন।’বিডি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম।

অনাস্থা ভোটে হেরে পাকিস্তানে ইমরানের শাসনের অবসান

0

বহু নাটকীয়তার পর পাকিস্তানের পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোটে হেরে প্রধানমন্ত্রীর পদ হারিয়েছেন ইমরান খান।
শনিবার সারাদিন জাতীয় পরিষদের অধিবেশন তিন চার দফা মুলতুবি হবার পর পাকিস্তানে মধ্যরাতের পর অনাস্থা ভোট অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় পরিষদের ৩৪২জন সদস্যের মধ্যে ১৭৪ জন সদস্য তার প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করে ভোট দেন।
পাকিস্তানের ইতিহাসে এই প্রথম একজন প্রধানমন্ত্রীকে অনাস্থা ভোটে পরাজিত হয়ে ক্ষমতা ছাড়তে হল।
সুপ্রিম কোর্টের আদেশের পর শনিবার সকালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন বসে। কিন্তু ভোটাভুটি গড়ায় মধ্যরাতের পর।
এর মাধ্যমে পাকিস্তানে সাবেক ক্রিকেটার ইমরান খানের সরকারের শাসনামল শেষ হয়ে গেল।
জাতীয় পরিষদ নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করতে সোমবার আবার অধিবেশনে বসবে।
অক্টোবর ২০২৩এ পরবর্তী নির্বাচন হবার কথা। তার আগে নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় থাকবেন।
মি. ইমরান খান অনাস্থা ভোটের আগে বলেন, তিনি বিরোধী সরকারকে স্বীকৃতি দেবেন না। তিনি বলেন আমেরিকার নেতৃত্বে ষড়যন্ত্র করে তাকে ক্ষমতা থেকে সরানো হচ্ছে। যদিও এর পক্ষে কোন তথ্যপ্রমাণ তিনি দিতে পারেননি।
ভোট অনুষ্ঠানের কয়েক মিনিট আগে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার, ইমরান খানের ঘনিষ্ঠ, আসাদ কায়সার পদত্যাগ করেন।
মি. খানের পার্টির সদস্যরা ভবন ত্যাগ করে যান এবং জোর দিয়ে বলতে থাকেন যে ইমরান খান আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শিকার।
ভোটাভুটি পরিচালনা করেন নাওয়াজ শরীফের পাকিস্তান মুসলিম লিগ, পিএমএল-এন-এর আইয়ায সাদিক।
বিরোধী নেতা শাহবাজ শরীফ এক টুইট বার্তায় বলেন পাকিস্তান এবং পাকিস্তানের সংসদ “অবশেষে গভীর সঙ্কট থেকে মুক্তি পেল”।
তিনি আরও বলেন: “পাকিস্তানে নতুন প্রভাতের লগ্নকে অভিনন্দন।
অনাস্থা ভোট হল যে পটভূমিতে
গত রবিবার এই প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ইমরান খানের নিজের দল এই প্রস্তাব আটকে দেয়।
এর বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ বিরোধী দলগুলো সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় এবং আবেদন জানায়, যেভাবে অনাস্থা প্রস্তাবটি ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে আটকে দেয়া হয়েছে, তা ছিল বেআইনি ও অসাংবিধানিক।
এরপর প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পরামর্শে পার্লামেন্ট ভেঙ্গে দেন দেশটির প্রেসিডেন্ট।
কিন্তু তার প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট সুয়ো মোটো রুল জারি করে। সেই রুলের শুনানির পর সুপ্রিম কোর্ট আদেশ দেয়, প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে বিরোধীদলের আনা অনাস্থা প্রস্তাবটি খারিজ করে জাতীয় পরিষদের ডেপুটি স্পিকার কাসিম সুরি বেআইনি কাজ করেছেন, এবং এতে পাকিস্তানের সংবিধানের ৯৫ ধারা লঙ্ঘিত হয়েছে।
গত ৩রা এপ্রিল বিরোধী দলের এমপিরা জাতীয় পরিষদে ইমরান খানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পেশ করেছিলেন, উদ্দেশ্য ছিল তাকে ক্ষমতা থেকে সরানো। বিরোধীরা আশা করছিলেন, পার্লামেন্টে যেহেতু তারাই সংখ্যাগরিষ্ঠ, তাই কাজটা সফল হবে।
কিন্তু সেদিন ঘটনা নাটকীয় মোড় নেয় যখন জাতীয় পরিষদেরর ডেপুটি স্পিকার কাসিম সুরি দ্রুত এই প্রস্তাব আটকে দেন। তিনি বলেন, সরকার ফেলে দেয়ার জন্য ‘একটা বিদেশি রাষ্ট্রের’ সঙ্গে ‘পরিষ্কার আঁতাত’ দেখা যাচ্ছে।
সংকট শুরু যেভাবে:
পাকিস্তানের ২২তম প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ইমরান খান ক্ষমতায় এসেছিলেন ২০১৮ সালের জুলাইয়ে নির্বাচনের মাধ্যমে। তখনও দেশটির সেনাবাহিনীর ভূমিকা তার বিজয়ের পথ তৈরি করে দিয়েছে- এমন কথাই প্রচলিত ছিলো।
পাকিস্তানকে ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট জয়ে নেতৃত্ব দেয়া মি. খান ব্যাপক দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই আর অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে।
কিন্তু বাস্তবতা হলো অর্থনৈতিক সংকটের কারণেই ধীরে ধীরে বিপাকে পড়তে শুরু করে তার সরকার। এক পর্যায়ে গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের প্রধান নিয়োগ নিয়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গেও দ্বন্দ্বে জড়ান তিনি।
আবার রাশিয়া যখন ইউক্রেনে হামলা শুরু করে, তখন তার মস্কো সফরও পশ্চিমা বিশ্ব বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ভালো ভাবে নেয়নি।
এর মধ্যেই তার ক্ষমতাসীন জোটের বড় অংশ এমকিউএম তাকে ছেড়ে বিরোধী জোটে যোগ দিলে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারায় তার সরকার।
এ-ঘটনার কয়েকদিন আগে থেকেই ইমরান খান বিরোধী দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছিলেন, এরা ‘বিদেশি রাষ্ট্রের’ সঙ্গে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তিনি আরও অভিযোগ করেছিলেন, এই ষড়যন্ত্রের পেছনে আছে যুক্তরাষ্ট্র, কারণ তিনি রাশিয়া এবং এবং চীনের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। এজন্যেই তাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র চলছে বলে তিনি দাবি করেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে এসব অভিযোগের কোন ভিত্তি নেই।
তবে ডেপুটি স্পিকার কাসেম সুরি রুল জারি করেন যে, এই অনাস্থা প্রস্তাব পাকিস্তানের সংবিধানের পঞ্চম অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করেছে, যেটিতে রাষ্ট্র এবং সংবিধানের প্রতি আনুগত্যের কথা আছে।
এরপর ইমরান খান পার্লামেন্ট ভেঙ্গে দেয়ার কথা ঘোষণা করেন। এর ফলে ৯০ দিনের মধ্যে পাকিস্তানের পরবর্তী নির্বাচন হওয়ার কথা।
কিন্তু এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান বিরোধী নেতারা। তারা প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সংবিধানের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ আনেন। এরপরই তারা সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করতে যান এই বলে যে, অনাস্থা ভোট আটকে দিয়ে সরকার তার সাংবিধানিক ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছে।
এর বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ বিরোধী দলগুলো সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় এবং তাদের আবেদনে বলা হয় যেভাবে অনাস্থা প্রস্তাবটি ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে আটকে দেয়া হয় তা ছিল বেআইনি ও অসাংবিধানিক। বিবিসি বাংলা।

বার কাউন্সিল নির্বাচন ২৫ মে : সরগরম দেশের আইনজীবী সমিতিগুলো

0

দেশের আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচন আগামী ২৫ মে বুধবার অনুষ্ঠিত হবে। বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন স্বাক্ষরিত নির্বাচন সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়েছে, ২৫ মে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে। সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবন, দেশের সব দেওয়ানি আদালত প্রাঙ্গণসহ বাজিতপুর, ঈশ্বরগঞ্জ, দুর্গাপুর, ভাংগা, চিকন্দি, পটিয়া, সাতকানিয়া, বাঁশখালী, ফটিকছড়ি, সন্দ্বীপ, হাতিয়া, নবীনগর ও পাইকগাছা দেওয়ানি আদালতসমূহে একটি করে ভোটকেন্দ্র থাকবে।
বার কাউন্সিল নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের নেতৃত্বে রয়েছেন বিশিষ্ট আইনজীবী ও ঢাকা আইনজীবী সমিতির (ঢাকা বার) সাবেক সভাপতি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর অন্যতম সদস্য এডভোকেট সৈয়দ রেজাউর রহমান।
এডভোকেট সৈয়দ রেজাউর রহমানের নেতৃত্বে প্যানেলের প্রার্থীরা ৬ এপ্রিল মনোয়নপত্র দাখিল করেন। সৈয়দ রেজাউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। তিনি এ পর্যন্ত বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে নয় বার নির্বাচিত হয়েছেন। দেশের ইতিহাসে ‘ভয়াবহ নৃশংস ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা’ মামলার রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌসুঁলি ছিলেন তিনি।
বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের প্রার্থীরা হলেন, সাধারণ আসনে এডভোকেট সৈয়দ রেজাউর রহমান, সাবেক মন্ত্রী এডভোকেট মো. কামরুল ইসলাম, ঢাকা বার-এর সাবেক সভাপতি এডভোকেট মোখলেছুর রহমান বাদল, এডভোকেট শাহ মো. খসরুজ্জামান, এডভোকেট শাহ মো. জিকরুল আহমেদ, এডভোকেট মো. রবিউল আলম (বুদু), এডভোকেট মোহাম্মদ সাঈদ আহমেদ (রাজা)। অঞ্চলভিত্তিক গ্রুপ আসনে-ঢাকা অঞ্চলের জন্য এডভোকেট আবদুল বাতেন, ময়মনসিংহ টাঙ্গাইল ও ফরিদপুর অঞ্চলের জন্য এডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন খান, চট্রগ্রাম ও নোয়াখালীর জন্য এডভোকেট মোহাম্মদ মুজিবুল হক, কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলের জন্য এডভোকেট এ এফ এম রুহুল এনাম চৌধুরী (মিন্টু), খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর জন্য এডভোকেট আনিস উদ্দিন আহমেদ শহীদ, রাজশাহী, যশোর ও কুষ্টিয়ার জন্য এডভোকেট মো. ইকরামুল হক এবং দিনাজপুর, বগুড়া, রংপুর ও পাবনার জন্য এডভোকেট মো. আবদুর রহমান।
অপরদিকে, বার কাউন্সিল নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য সমর্থিত প্রার্থীদের নামও প্রকাশ করা হয়েছে। জাতীয়তাবাদী ঐক্য প্যানেলের প্রার্থীগণ হলেন,সাধারণ আসনে সাবেক এটর্নি জেনারেল এডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী, সিনিয়র এডভোকেট জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন, এডভোকেট জসিম উদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল ও এডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুল মতিন। অঞ্চল ভিত্তিক গ্রুপ আসনে-ঢাকা অঞ্চলের জন্য এডভোকেট মোহাম্মদ মহসিন মিয়া, ময়মনসিংহ টাঙ্গাইল ও ফরিদপুর অঞ্চলের জন্য-এডভোকেট আব্দুল বাকী মিয়া, চট্টগ্রাম নোয়াখালীর জন্য-এডভোকেট এএসএন বদরুল আনোয়ার, কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলের জন্য-এডভোকেট এটিএম ফয়েজ উদ্দিন, খুলনা বরিশাল ও পটুয়াখালীর জন্য-এডভোকেট মোহাম্মদ এনায়েত হোসেন বাচ্চু, রাজশাহী যশোর কুষ্টিয়ার জন্য এডভোকেট মোহাম্মদ মাইনুল আহসান এবং দিনাজপুর বগুড়া রংপুর পাবনা এডভোকেট শফিকুল ইসলাম টুকু।
বার কাউন্সিল নির্বাচন ১৪ পদে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এর মধ্যে সাধারণ আসন ৭টি। এখানে সারাদেশের আইনজীবীদের প্রত্যক্ষ ভোটে ৭ জন নির্বাচিত হন। দেশকে ৭ টি অঞ্চলে ভাগ করে এই ৭ গ্রুপে এলাকাভিত্তিক আইনজীবীদের ভোটে ৭ জন নির্বাচিত হন। এর মধ্যে ‘এ’ গ্রুপে বৃহত্তর (পূর্ববর্তী) ঢাকা জেলার অন্তর্গত সব স্থানীয় আইনজীবী সমিতি, ‘বি’ গ্রুপে বৃহত্তর (পূর্ববর্তী) ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও ফরিদপুর জেলার অন্তর্গত সব স্থানীয় আইনজীবী সমিতি, ‘সি’গ্রুপে বৃহত্তর (পূর্ববর্তী) চট্রগ্রাম ও নোয়াখালী জেলার অন্তর্গত সব স্থানীয় আইনজীবী সমিতি, ‘ডি’ গ্রুপে বৃহত্তর (পূর্ববর্তী) কুমিল্লা ও সিলেট জেলার অন্তর্গত সব স্থানীয় আইনজীবী সমিতি, ‘ই’ গ্রুপে বৃহত্তর (পূর্ববর্তী) খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলার অন্তর্গত সব স্থানীয় আইনজীবী সমিতি, ‘এফ’ গ্রুপে বৃহত্তর (পূর্ববর্তী) রাজশাহী, যশোর ও কুষ্টিয়া জেলার অন্তর্গত সব স্থানীয় আইনজীবী সমিতি এবং ‘জি’ গ্রুপে বৃহত্তর (পূর্ববর্তী) দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া ও পাবনা জেলার অন্তর্গত সব স্থানীয় আইনজীবী সমিতি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
গেজেট অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলের দিন ছিল ৬ এপ্রিল পর্যন্ত। সে অনুযায়ী প্রার্থীগণ মনোয়নপত্র দাখিল করেছেন। তফসিল অনুযায়ি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ১৩ এপ্রিল এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ এপ্রিল ।
করোনা মহামারি জনিত পরিস্থিতির কারণে বার কাউন্সিল নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে না পারায় বর্তমানে একটি এ্যাডহক কমিটি দায়িত্ব পালন করছে। এই কমিটি ৩০ জুন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন। আগামী ১ জুলাই নির্বাচিত কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
১৯৭২ সালের বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার অনুসারে, ১৫ জন সদস্যকে নিয়ে বার কাউন্সিল গঠিত হয়। এর মধ্যে কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হন পদাধিকারবলে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা এটর্নি জেনারেল। বাকি ১৪ জন সদস্য সারা দেশের আইনজীবীদের ভোটে নির্বাচিত হন। নির্বাচিত ১৪ সদস্য ভোটাভুটির মাধ্যমে একজনকে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করবেন।
সর্বশেষ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ সংখ্যাগরিষ্টতা লাভ করে। সিনিয়র এডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ূন ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাসস।

স্কুলশিক্ষক হৃদয় মন্ডলের মুক্তি দাবি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের

0

যুক্তরাজ্যভিত্তিক বৈশ্বিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষকে “অবিলম্বে ও নিঃশর্তভাবে” স্কুলশিক্ষক হৃদয় চন্দ্র মন্ডলকে মুক্তি দেয়ার অনুরোধ করেছে।
হৃদয় মন্ডল ক্লাসরুমে ধর্ম ও বিজ্ঞানের মধ্যে পার্থক্য নিয়ে আলোচনা করার পরে “ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার” অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের পক্ষ থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে দক্ষিণ এশিয়ার উপ-আঞ্চলিক পরিচালক স্মৃতি সিং বলেন, “হৃদয় চন্দ্র মন্ডলকে অবিলম্বে এবং নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে”।
তিনি বলেন, “হৃদয় চন্দ্র মন্ডলকে গ্রেপ্তার করা বাংলাদেশের চলমান উদ্বেগজনক প্রবণতার প্রতীক, যেখানে ক্রমশই স্বাধীন মত প্রকাশের সুযোগ সঙ্কুচিত হয়ে আসছে। শ্রেণিকক্ষে আলোচনার জন্য একজন শিক্ষকের গ্রেপ্তার হওয়া বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে, যেখানে শিক্ষার্থীদের সমালোচনামূলক চিন্তা-ধারায় উদ্বুদ্ধ করার জন্য কাউকে জেলে যেতে হতে পারে”।
স্মৃতি সিং বলেন, “অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে নির্বিচারে আটক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারকে অপরাধীকরণ করার ফলে জনগণের মধ্যে উদ্ভূত ভীতি সঞ্চারের পরিস্থিতি নথিভুক্ত করছে”।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “হৃদয় চন্দ্র মন্ডলের এই ঘটনা বিদ্যমান সংকটের পরিস্থিতিকে আরও ঘনীভূত করেছে, একটি দেশের স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য হুমকিস্বরূপ এই ঘটনা”।
বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন এবং সেন্টার ফর উইমেন জার্নালিস্টসহ বেশ কয়েকটি সুশীল সমাজ ও একাডেমিক সংগঠন শিক্ষক হৃদয় চন্দ্র মন্ডলের গ্রেপ্তারের নিন্দা করেছে এবং শিক্ষকদের শিক্ষা দেওয়ার ক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
একইভাবে, সারাদেশে মানবাধিকার রক্ষক, আইনজীবী ও শিক্ষকেরা গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তারা এটাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করছেন।
স্মৃতি সিং বলেছেন, “হৃদয় চন্দ্র মন্ডলকে আটক করা বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির অবক্ষয়ের লজ্জাজনক উদাহরণ। এ পরিস্থিতি উন্নয়নে কর্তৃপক্ষের জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে যাতে মানুষ মুক্তভাবে ও নিরাপদে মত প্রকাশ করতে পারে। কোনো ধরনের ভয় ছাড়াই শিক্ষকেরা ক্লাসে কথা বলতে পারবেন তা নিশ্চিত করতে হবে”।
এক শিক্ষার্থীর রেকর্ড করা অডিও ফাইল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, বিজ্ঞানের একটি ক্লাসে “ধর্ম বিশ্বাসের ব্যাপার”; “বিজ্ঞান পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণিত”-এ নিয়ে কথা বলেছিলেন গ্রেপ্তার ওই শিক্ষক।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সংগ্রহ করা অডিও রেকর্ডিংটিতে ওই শিক্ষককে বলতে শোনা যায়, “ধর্মের কোনো প্রমাণ নেই। শেষমেশ ধর্মের ব্যখ্যা কোথায় যায় জানো? শেষমেশ ওই ঈশ্বর দেখে, ঈশ্বর সমাধান দেবেন, পরকালে বিচার হবে। এসব বিশ্বাসের বিষয়। কোনো প্রমাণ নেই৷ আর বিজ্ঞান প্রমাণ সাপেক্ষ”।
রেকর্ড করার দুই দিন পর ২২ মার্চ স্কুলটির প্রধান শিক্ষক সংবাদমাধ্যমকে জানান, হৃদয় মন্ডলের শাস্তি চেয়ে শিক্ষার্থী ও অন্যরা স্কুলের বাইরে বিক্ষোভ করছেন। সেদিনই স্কুলটির একজন অফিস সহকারী হৃদয় মন্ডলের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
গ্রেপ্তারের পর থেকেই কারাগারে আছেন তিনি। দুবার তার জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে। পরবর্তী জামিন শুনানি হবে ১০ এপ্রিল। খবর ভয়েস অব আমেরিকা।

যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী বিচারপতি ব্রাউন জ্যাকসন

0

যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি পদে এই প্রথমবারের মতো একজন কৃষ্ণাঙ্গ নারী নিয়োগ পেলেন। কেতানজি ব্রাউন জ্যাকসন নামে এই বিচারপতি সিনেটে ৫২-৪৭ ভোটে মনোনয়ন অনুমোদন করেছে। বৃহস্পতিবার সিনেট এই অনুমোদনের মাধ্যমে তিনি এখন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালতে প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান বা প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী বিচারপতি হলেন।
ভাইস প্রেসিডেন্ট কামালা হ্যারিস এই ঐতিহাসিক মূহুর্তে সভাপতিত্ব করেন, যদিও জ্যাকসনকে নিশ্চিত করার জন্য সমানভাবে বিভক্ত সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের টাই-ব্রেকিং ভোটের প্রয়োজন ছিল না।
তিনজন রিপাবলিকান সদস্য – সুসান কলিন্স, লিসা মুরকোস্কি এবং মিট রমনি – সকলেই এই ৫১ বছর বয়সী বিচারপতির অনুমোদনের পক্ষে ভোট দিয়েছেন, তিনি সুপ্রিম কোর্টের ইতিহাসে তৃতীয় আফ্রিকান আমেরিকান বিচারপতি।
গত মাসে সিনেট জুডিশিয়ারি কমিটির সামনে চার দিনের শুনানিতে, ডেমোক্র্যাটরা জ্যাকসনকে তাঁর অভিজ্ঞতার গভীরতার জন্য প্রশংসা করেছিলেন। তিনি প্রায় ১০ বছর ধরে ফেডারেল এবং আপিল স্তরে বিচারক হিসাবে কাজ করেছেন এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি স্টিফেন ব্রেয়ারের জন্য কাজ করেছেন। বিচারপতি ব্রেয়ারের স্থলে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জ্যাকসনকে মনোনীত করেন।
সিনেট জুডিশিয়ারি চেয়ারম্যান ডিক ডারবিন বৃহস্পতিবার তার নিশ্চিতকরণ ভোটের আগে বলেন, “তিনি প্রজন্মের একজন আইনী প্রতিভা”।
ডারবিন বলেন, “দেশের সর্বোচ্চ আদালতে বিচারক কেতানজি ব্রাউন জ্যাকসনের নিশ্চিতকরণের সাথে, আমরা কেবল ইতিহাসই তৈরি করছি না, আমরা একটি মহান আমেরিকান ঐতিহ্য বহন করছি — আমাদের দেশের আইন জগতের সেরা এবং উজ্জ্বলতম একজনকে পরিষেবার এই সম্মানিত অবস্থানে উন্নীত করছি৷ এই উচ্চ সম্মানের যোগ্য আর কেউ নেই । গত মাসে আমরা যেমনটি জেনেছি ,তিনি আমাদের মধ্যে সেরা। তিনি আমাদের দেশের সেবায় তার জীবন উৎসর্গ করেছেন। তিনি ফেডারেল বিচার বিভাগের প্রতিটি স্তরে এটি করেছেন এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি নিজেকে বিশিষ্ট করেছেন।” খবর ভয়েস অব আমেরিকা।

বিদেশিদের কাছে বাড়ি বিক্রি বন্ধ করে দিচ্ছে কানাডা সরকার, বাংলাদেশের দুর্নীতিবাজদের মাথায় হাত

0

বাংলাদেশের দুর্নীতিবাজ যারা দুর্নীতির টাকা কানাডায় পাচার করে বেগম পাড়ার বাসিন্দা হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তাদের জন্য দু:সংবাদ আসছে। কানাডায় বিদেশিদের কাছে বাড়ি বিক্রি আগামী দু’বছরের জন্য বন্ধ থাকবে বলে দেশটির সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি অর্থমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ডের বাজেট পরিকল্পনার মধ্যে রাখা হবে বলে জানাচ্ছে নিউইয়র্ক-ভিত্তিক অর্থনৈতিক খবরের চ্যানেল ব্লুমবার্গ।
খবরে বলা হয়েছে, কানাডার হাউজিং মার্কেট যেভাবে ফুলে ফেঁপে উঠছে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সরকার তাকে সামাল দেয়ার চেষ্টা করছে।
গত দু’বছরে কানাডায় বাড়ির দাম ৫০% বেড়েছে। ব্যাংক অফ কানাডা সুদের হার বাড়ানোর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে সে দেশের বিভিন্ন শহরে রেকর্ড সংখ্যক বাড়ি বিক্রি হয়েছে।

আর বাড়ির দাম আকাশ-মুখী হওয়ার পেছনে একটি কারণ হিসেবে দায়ী করা হচ্ছে পাচার হওয়া কালো টাকা।
তবে কানাডায় পড়াশুনো করছেন এমন ছাত্র, কানাডিয়ান কোম্পানির বিদেশি কর্মী এবং সে দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী বিদেশিদের ওপর বাড়ি কেনার নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না।
কালো টাকা সাদা
ব্লুমবার্গ জানাচ্ছে, কিন্তু এরপরও বাড়ির দাম কমবে বলে মনে হয় না। রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টমেন্ট ফার্ম আরইসি’র কর্মকর্তা সিমিয়ন ফিলিপস বলছেন, “কানাডার হাউজিং খাতের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় প্রতিযোগিতা এখন চলছে। তাই, সরকারের এই পদক্ষেপের পর সেই প্রতিযোগিতায় হয়তো কিছুটা ভাটা পড়বে, কিন্তু বাড়ির দাম কমবে বলে আমি মনে করি না।”
কানাডা থেকে প্রকাশিত অর্থনীতি বিষয়ক সংবাদপত্র ফিনানশিয়াল পোস্টের এক নিবন্ধে ডায়ান ফ্রান্সিস লিখেছেন, কালো টাকা সাদা করার জন্য কানাডা এক নম্বর দেশে পরিণত হয়েছে।
সে দেশে ‘স্নো ওয়াশিং’ শব্দ চালু হয়েছে যা দিয়ে কালো টাকা বরফের মতো সাদা করা। আর এর জন্য ব্যবহার করা হয় হাউজিং খাত।
এই কাজে জড়িত এক শ্রেণির রিয়েলটর, হাউজিং ডেভেলপার, মর্টগেজ ব্রোকার এবং ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠানকে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফাইনানশিয়াল ইনটেগ্রেটি (জিএফআই) অটাওয়ার সরকারের সমালোচনাও করেছে।
বাংলাদেশীদের অবদান?
কানাডার হাউজিং খাতের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির পেছনে এক শ্রেণির বাংলাদেশীর অবদান রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
সে দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী প্রবাসীদের বাইরে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশী নগদ অর্থ দিয়ে বাড়ি কিনেছেন বলে এর আগে সংবাদমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করছেন, এসব সম্পত্তির অনেকগুলোই কেনা হয়েছে বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়ার দুর্নীতির অর্থ দিয়ে। ছবি ও খবর বিবিসি বাংলা।

বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফিরিয়ে দিতে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সহযোগিতা চাইলেন আইনমন্ত্রী

0

দ্বিপক্ষীয় সব সমস্যা মিটিয়ে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় করার পথে হাঁটবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। আইনমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্প্রতি বাংলাদেশের বন্ধুত্বের ৫০ বছর পূর্তি হলো। সে সম্পর্ক রক্ষার জন্য আগামীতে দুই দেশের মধ্যে এখন যেসব সমস্যা আছে, তা মিটিয়ে নতুন করে বন্ধুত্ব গাঢ় করার পথে হাঁটবে দুই দেশ। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হ্যাসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।এসময় নতুন রাষ্ট্রদূতকে তাঁর দেশে পালিয়ে থাকা বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর খুনী রাশেদ চৌধুরীকে ফিরিয়ে দিতে সহযোগিতার অনুরোধ জানান আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
বৈঠকের বিষয়ে আইনমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার সম্প্রতি দায়িত্ব নিয়ে ঢাকায় এসেছেন। এটি ছিল তাঁর সঙ্গে প্রথম বৈঠক। বৈঠকে দুটি নির্ধারিত এজেন্ডা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী তাকে জানান, এই আইন কখনোই বাক-স্বাধীনতা বা সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করার জন্য করা হয়নি। এটা সাইবার ক্রাইম নিয়ন্ত্রণ করার জন্য করা হয়েছে। তিনি জানান, এর কিছু অপব্যবহার হয়েছে। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, অনেক দেশের সংবিধানের তুলনায় বাংলাদেশের সংবিধান আলাদা। বাংলাদেশের সংবিধানে সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতাকে আলাদাভাবে গ্যারান্টি প্রদান করা হয়েছে মৌলিক অধিকারের মাধ্যমে। আনিসুল হক বলেন, ‘আমরা যে জতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই-কমিশনারের অফিসের সাথে বেস্ট প্র্যাকটিসের ব্যাপারে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরামর্শক এসেছিলেন তার সঙ্গে যে আলাপ করেছি, সেগুলো উল্লেখ করেছি। এরপর মার্কিন রাষ্ট্রদূত আমাকে বললেন, যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়ে আমাদের সহায়তা করতে চায়। আমি বলেছি, এটা অবশ্যই বিবেচনাধীন থাকবে।’ প্রশিক্ষণের ব্যাপারে আলাপ-আলোচনা করেছেন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের আইনজীবীদের যদি এ ব্যাপারে প্রশিক্ষিত করা যায়, তাহলে সেটা ভালো হবে। তারা যে জজ ও আইনজীবীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে এসেছেন, সেটাও আমি উল্লেখ করেছি। সেখানে যে বিষয়টি উঠে এসেছে তা হচ্ছে মানব পাচার ট্রাইব্যুনালের কাজে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যে অত্যন্ত সন্তুষ্ট, সেটা তিনি বলেছেন।’যুক্তরাষ্ট্র মানব পাচার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অব্যাহত রাখবেন জানিয়ে আনিসুল হক বলেন, ‘আর সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও আইনজীবীদের প্রশিক্ষণ দেবেন তারা।’ আনিসুল হক বলেন, সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত বার্নিকাটের দায়ের করা একটি মামলা নিয়েও আলোচনা হয়েছে, যেটা আদালতে বিচারাধীন। এ বিষয়ে বলেছি, ‘আদালত স্বাধীন, বিচার বিভাগ স্বাধীন। এ মামলায় প্রসিকিউশনের দায়িত্ব যাতে সঠিকভাবে পালন করে সেটা আমরা দেখবো।’আইনমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি (রাষ্ট্রদূত) উল্লেখ করেছেন, দূতাবাস হয়তো তাদের একজন আইনজীবী সেখানে নিয়োগ করতে পারেন। সেই রকম একটা পারমিশন হয়তো চাইবেন। আমি বলেছি, সেখানে আমাদের কোন আপত্তি নেই।’ আইনমন্ত্রী আরও বলেন, আলোচনার এক পর্যায়ে বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফিরিয়ে দিতে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে । তিনি বলেন, রাশেদ চৌধুরীকে ফিরিয়ে আনতে আরও আলোচনা করা হবে এবং এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে আবারও চিঠি দেয়া হবে। শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে আইএলও’র সঙ্গে বাংলাদেশের কিছু বিষয় আছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সেক্ষেত্রে কী অগ্রগতি হয়েছে সেটাও আলোচনা করেছি।’ বৈঠকে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব মো. মইনুল কবির এবং আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব উম্মে কুলসুম উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে না : প্রধানমন্ত্রী

0

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে না।
তিনি বলেন, ‘বিএনপির একজন সংসদ সদস্যের জয় বাংলা স্লোগান জাতীয়করণ নিয়ে সংসদে দেয়া বক্তব্য প্রমাণ করেছে তারা দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিশ্বাস করে না। তাদের অন্তরে এখনো পেয়ারে পাকিস্তান রয়ে গেছে এবং তারা পাকিস্তানের গোলামীটাই পছন্দ করে। তাদের হৃদয়ে যে পেয়ারে পাকিস্তান বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদের বক্তব্যে এটাই প্রকাশিত হয়েছে।’
বুধবার সংসদে ‘জয় বাংলা’ জাতীয় স্লোগান হিসেবে প্রতিষ্ঠায় বলিষ্ঠ ভূমিকার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রিপরিষদকে এই বলিষ্ঠ ভূমিকার জন্য আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের উপর আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন।
মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি শাজাহান খান কার্যপ্রণালী বিধির ১৪৭ অনুযায়ী জাতীয় সংসদে এই প্রস্তাবটি সংসদে উত্থাপন করেন। প্রস্তাবের ওপর আলোচনা শেষে তা সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়। প্রস্তাবটি পাস হওয়ার সময় সংসদ সদস্যরা অধিবেশন কক্ষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন।
শাজাহান খানের প্রস্তাবে বলা হয়, ‘সংসদের অভিমত এই যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার ঘোষণার মধ্য দিয়ে ‘জয় বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান হিসেবে ঘোষণার যে প্রত্যাশ্যা দীর্ঘদিন এ জাতির ছিল তা পূরণ হওয়ায় বাঙালি জাতির পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রিপরিষদকে এই বলিষ্ঠ ভূমিকার জন্য আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হোক।’
আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর ক্ষমতায় আসার পর, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যে কাজগুলো করেছিল রহমানও একই কাজ করেছিলেন যখন ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেয়া হত। তারা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান নিয়ে বিভিন্ন অপপ্রচার চালায়। জিয়ার অনুসারীরা এখনো সেই পুরনো কাজই করছে।

ফৌজদারি মামলায় সরকারি কর্মচারী গ্রেফতারের কারণে সাময়িক বরখাস্তের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের রুল

0

ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত সরকারি কর্মচারীর গ্রেফতার বা হাজতবাসের কারণে সাময়িক বরখাস্তের বিধান কেন অসাংবিধানিক হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।
বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া এবং বিচারপতি এ এ আহমেদ সোহেল সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ বুধবার এ আদেশ দেন।
সাময়িক বরখাস্ত হওয়া এক স্কুল শিক্ষকের আনা রিট পিটিশনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেয় আদালত।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির পল্লব। আদালতে রিটটি দায়ের করেন ফরিদপুরের সদরপুর থানার চর চাঁদপুর নব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এম এ আজিজ খান।
আইনজীবী হুমায়ুন কবির পল্লব জানান, ২০১০ সালের সদরপুর থানার একটি ফৌজদারি মামলায় গ্রেফতার হয়ে প্রায় তিন মাস হাজতবাসের পর জামিনে মুক্ত হন শিক্ষক এম এ আজিজ খান। এ মামলায় হাজতবাসের কারণে ২০১৩ সালে তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয় এবং নিয়মানুযায়ী তিনি খোরপোষ ভাতা পেয়ে আসছিলেন। বাংলাদেশ সরকারি চাকরি বিধি ১৯৭৩ এর পার্ট ১,বিধি ৭৩ এর নোট ১ অনুযায়ী তাকে চাকরি হতে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে ওই ফৌজদারি মামলা চলমান থাকায় তার সাময়িক বরখাস্তের আদেশ চলমান রয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে সরকারি চাকরি বিধি ১৯৭৩, পার্ট ১, বিধি ৭৩ এর নোট ২, সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং আবেদনকারীর মৌলিক অধিকারের পরিপন্থি দাবী করে রিটটি দাখিল করা হয়।
এই আইনজীবী বলেন, কোনো উপযুক্ত আদালতে অপরাধী প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত কোনো ব্যক্তিকে অপরাধী হিসেবে গণ্য করা আইন বিজ্ঞানের মূলনীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং সংবিধানের ৪০ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত চাকরির অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এছাড়াও বিভাগীয় কোনো কার্য ধারা গ্রহণ ব্যতীত অনির্দিষ্টকাল পর্যন্ত আবেদনকারীকে সাময়িক বরখাস্তের অধীন রাখা সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩১ এবং ৩২ এর পরিপন্থি। একইসঙ্গে এই বিধানটি নিপীড়নমূলক এবং ন্যায়বিচারের পরিপন্থি।
পল্লব বলেন, এসব বিষয় বিবেচনা করে বাংলাদেশ সরকারি চাকরি বিধি ১৯৭৩, পার্ট ১, বিধি ৭৩ এর নোট ২, কেন সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক এবং বাতিল ঘোষণা করা হবে না এবং আবেদনকারীর সাময়িক বরখাস্তের আদেশ কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন।
শিক্ষা সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি),ডেপুটি পরিচালক (ঢাকা বিভাগ),ফরিদপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, সদরপুর উপজেলার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে ১০ দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।বাসস।

মুক্তি পেলেন ইভ্যালি চেয়ারম্যান শামীমা

0

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরীন জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বের হন তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেন কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার হালিমা খাতুন।
হালিমা খাতুন বলেন, গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামিমা নাসরিনকে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়। তার হাজতি নং-২৪১৬/২১। মঙ্গলবার মুক্তির আদেশ কারাগারে পৌঁছায়। পরে ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সন্ধ্যায় তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেয়া হয়।
উল্লেখ্য, ইভ্যালির চেয়ারম্যান ও নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেলকে গেল বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়। প্রতারণার অভিযোগে এর আগের দিন বুধবার রাতে শামীমা নাসরিন ও মোহাম্মদ রাসেলের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা দায়ের করেন মো. আরিফ বাকের নামে একজন গ্রাহক, যিনি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার পূর্বগ্রাম এলাকার বাসিন্দা। সূত্র-আমাদের সময়।