ঢাকা   শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩   সকাল ৮:২৫ 

Home Blog Page 50

স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দুই মন জিলাপি বিতরণ

0

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে গোলাম মোস্তফা নামে এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে এলাকায় দুই মন জিলাপি বিতরণ করেছেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গত রোববার দিবাগত রাতে উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের ভবানীপুর বাসুদেবপুর গ্রামে স্থানীয় শাহ্‌ আলম কাজীর উপস্থিতিতে এ তালাক সম্পন্ন হয়। গোলাম মোস্তফা বাসুদেবপুর গ্রামের ডা. নজির হোসেনের ছেলে।
জানা যায়, ১২ বছর আগে বরিশাল ইউনিয়নের বাসুদেবপুর গ্রামের বিউটি বেগমের সঙ্গে বিয়ে হয় গোলাম মোস্তফার। বিয়ের পর কয়েকবছর তাদের সংসার ভালোই চলছিল। তাদের সংসারে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। এক সময় তাদের মধ্যে মনোমালিন্য শুরু হয়। পরে তা ব্যাপক দাম্পত্য কলহে রূপ নেয়।
স্থানীয়ভাবে অনেকবার সালিশ করা হলেও তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকতো। অবশেষে দু’জনের সম্মতিতেই রোববার রাতে তাদের মধ্যে তালাক সম্পন্ন হয়। এ ব্যাপারে গোলাম মোস্তফা জানান, আমার স্ত্রী কিছুদিন থেকে আমার একেবারেই অবাধ্য ছিল। জীবনটা অতিষ্ঠ করেছিল। ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে আমাদের তালাক হয়েছে। আমি মুক্ত হয়েছি। তাই আজকে খুশি হয়ে গ্রামে দুই মন জিলাপি বিতরণ করেছি। গ্রামের সকল লোককে খাওয়াতে আরও জিলাপির দরকার হলে তাও বিতরণ করবো। সূত্র -মানবজমিন।

মানুষ বিচারের জন্য হাহাকার করছে, মামলা জট না কমালে রাস্তায় নামবে, বিচারকদের প্রতি আইনমন্ত্রী

0

আদালতে মামলাজট কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন , মানুষ বিচারের জন্য হাহাকার করছে। যখন তারা আদালতে বিচার পাবেন না, তখন কিন্তু বিচারের জন্য রাস্তায় নামবেন। আমরা কেউই এমন অবস্থা চাই না।
রোববার ঢাকায় বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে জেলা ও দায়রা জজ এবং মহানগর দায়রা জজদের ২৬তম জুডিসিয়াল এডমিনিস্ট্রেশন ট্রেনিং কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠান শেষে শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) এবং সংস্থাটির সাবেক ও বর্তমান সাত কর্মকর্তার ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি বলেন, যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে, যারা আইনের শাসনে বিশ্বাস করে, তাদের একটা কর্তব্য থাকে, সেটা হচ্ছে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা এবং যাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়, তাদের আত্মপক্ষ বক্তব্য শোনার। মন্ত্রী বলেন, এটা দুঃখজনক যে, কোনো প্রকার আত্মপক্ষ সমর্থন করার সুযোগ না দিয়েই এমন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, আমি এটাও দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই, যে সব দোষে র‌্যাব বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে দোষী করা হয়েছে তা ঠিক নয় এবং এটা কল্পনাপ্রসূত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট কর্তৃক বাংলাদেশে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়ে আনিসুল হক বলেন, বাংলাদেশে কোন বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হয়নি। ১৯৭১ সালে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের দায়ে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুজন আসামী যুক্তরাজ্যে পালিয়ে আছে, তাদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কি উদ্যোগ নেয়া হয়েছে- এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, গত দুদিন আগে তাঁর সাথে বৃটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ হয়। সেখানে তিনি ওই দুজনকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার দাবী জানালে বৃটিশ হাইকমিশনার তাদেরকে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক দাবী করতে বলেছেন। আইনমন্ত্রী জানান, ওই দুজনকে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য আনুষ্ঠানিক দাবী জানানো হবে। এ সময় বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়ার আবেদন নিষ্পত্তির বিষয়ে আইনমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, আপনারা একটু অপেক্ষা করুন, দেখবেন। বিচারকদের মামলা নিষ্পত্তির হার বাড়াতে দুপুরে একঘন্টা বিরতি দিয়ে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত সময়কে যথাযথ কাজে লাগানোর তাগিদ দেন। বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক গোলাম কিবরিয়া বক্তৃতা করেন।

বঙ্গবন্ধুর উদ্যোগগুলোই ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের মূল প্রেরণা : আইনমন্ত্রী

0

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ডিজিটাল বিপ্লবে শামিল হওয়ার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর গৃহীত ও বাস্তবায়িত উদ্যোগগুলোই ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের মূল প্রেরণা। রোববার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস ২০২১ উপলক্ষ্যে আয়োজিত “ডিজিটাল বাংলাদেশের অর্জন, উপকৃত সকল জনগণ” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি। আনিসুল হক বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বপ্ন দেখেছিলেন একটি সুখী সমৃদ্ধশালী সোনার বাংলার। মাত্র সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে এ স্বপ্নের বাস্তবায়নে তিনি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জ্বালানি, সমুদ্রসহ প্রায় সকল খাতে নানা উদ্যোগ ও কার্যক্রমের বাস্তবায়ন করেন । তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতটি ছিল তম্মধ্যে একটি উজ্জ্বলতম দৃষ্টান্ত। বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল বিপ্লবে শামিল হওয়ার দূরদর্শী চিন্তা থেকে সদ্য স্বাধীন যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর আইটিইউ’র সদস্যপদ লাভ করে। এরই ধারাবাহিকতায় মহাকাশে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের লক্ষ্যে ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন বেতবুনিয়ায় তিনি ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন। আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার বিগত ১২ বছরে দেশে একটি শক্তিশালী আইসিটির ভিত্তি তৈরি হয়েছে, যা গ্রাম এলাকা পর্যন্ত তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তির সম্প্রসারণ ঘটিয়েছে। দেশের ৩ হাজার ৮০০ ইউনিয়ন এখন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কানেক্টিভিটির আওতায়। সারাদেশে ৫ হাজার ২শ’ ৭৫টি ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন এবং ৬শ’রও বেশি সেবা ডিজিটালাইজ করা হয়েছে । ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার হতে প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত নাগরিকদের ১০৬ ধরনের সরকারি ও বেসরকারি ই-সেবা প্রদান করা হচ্ছে। দেশের প্রায় ৯৯ শতাংশ এখন মোবাইল নেটওয়ার্ক কভারেজের আওতায়। মোবাইল ফোন গ্রাহকসংখ্যা ১৮ কোটি ১৩ লাখ ০২ হাজারে উন্নীত হয় একই সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১২ কোটি ৯১ লাখ ৮ হাজার- এই তথ্য তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিচার বিভাগে শুরু হয়েছে অনলাইনে বিচার কার্যক্রম। ভার্চুয়াল কোর্ট সিস্টেম (MyCourt) প্ল্যাটফর্মে বর্তমানে ২২৫টি আদালতের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ফলে বিচারিক কার্যক্রমে ই-গর্ভনেন্সের সুফল ইতিমধ্যে জাতি পেতে শুরু করেছে। যা ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন। দুই হাজার ২০০ কোটি টাকার ই-জুডিশিয়ারি প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কম্পিউটারাইজড প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়া আরও সহজ, স্বচ্ছ এবং গতিশীল হবে। সবগুলো উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে ভবিষ্যতে নিয়মিত আদালতের পাশাপাশি ভার্চুয়াল আদালতেও বাদী-বিবাদীর সম্মতিতে বিচার কাজ অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, কনফিগ ভিআর এন্ড কনফিগ আরবট এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী রুদমিলা নওশীন, চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের বিজ্ঞানী ড. সেঁজুতি সাহা বক্তৃতা করেন।

বেনজির ও র‍্যাব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে যা জানা গেলো

0

মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নিপীড়নের কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) ছয়জন বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাবেন না। এরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য অযোগ্য বলেও বিবেচিত হবেন। একইসঙ্গে নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত বেনজির আহমেদ ও র‍্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনসহ র‍্যাবের আরও চারজন বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তার বিদেশে সম্পদ থাকলে সেগুলো বাজেয়াপ্ত হতে পারে।
শুক্রবার মার্কিন অর্থ দপ্তরের ফরেন অ্যাসেটস কনট্রোল অফিস (ওএফএসি) বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের মোট ১০টি প্রতিষ্ঠান ও ১৫ জন ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে- যারা মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং নিপীড়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে নিষেধাজ্ঞায় উল্লেখ করা হয়েছে।
হঠাৎ করে বাংলাদেশের পুলিশ ও র‍্যাবের প্রধান ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে র‍্যাবের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ছয় কর্মকর্তার ওপর এমন নিষেধাজ্ঞার প্রতিক্রিয়া কেমন হতে পারে তা নিয়ে নানা বিশ্লেষণ চলছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এমন সিদ্ধান্তের কারণ কী
ঢাকায় র‍্যাব সদর দপ্তরে ১১টি উইংয়ের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করে র‍্যাব এবং দেশজুড়ে প্রতিষ্ঠানটির ১৫টি ব্যাটালিয়ান আছে সশস্ত্র বাহিনৗ ও পুলিশ সদস্যদের সমন্বয়ে। এর আগে গুম খুনের মতো ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর তখনকার সেনা কর্মকর্তাকেও আটকের উদাহরণ আছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলছেন দীর্ঘদিন যাবৎ র‍্যাবের বিরুদ্ধে এমন ধরণের অভিযোগের কথা যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের কাছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছিলেন।
তার চেয়ে বড় কথা হলো গত বছর অক্টোবর মাসে ট্রাম্প প্রশাসনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর কাছে সিনেটের আটজন সদস্য চিঠি দিয়ে র‍্যাবের বিরুদ্ধে কিছু সুস্পষ্ট অভিযোগ করেছিলেন। তারই ভিত্তিতে এমন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বলে আমরা ধরে নিতে পারি।
সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব বিষয়ে একত্রে কাজ করে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে বলা হচ্ছে অর্থ বা ট্রেজারি বিভাগের বক্তব্য থেকে।
এ নিষেধাজ্ঞার ফল কেমন হবে
বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে র‍্যাব নামে এলিট ফোর্সটি যাত্রা শুরু করেছিল ২০০৪ সালে বিএনপি সরকারের সময়ে। শুরু থেকেই মানবাধিকার সংগঠনগুলো এর কাজের ধরণ ও কর্মকাণ্ড নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে আসছে। কিন্তু এতদিন যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন গুম খুন নিয়ে নানা ধরণের বিবৃতি দিলেও সুনির্দিষ্টভাবে এই প্রথম কোনো ব্যবস্থা নিল। সে কারণেই এর প্রতিক্রিয়া কেমন হবে তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে নানা মহলে।
বিশ্লেষক আলী রীয়াজ বলছেন, এর একটা হলো প্রশাসনিক। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠান হিসেবে র‍্যাব যেসব সহায়তা পাচ্ছিল বা বিভিন্ন কার্যক্রমে যুক্ত ছিল বা বিদেশ থেকে সহযোগিতা পাচ্ছিল নিষেধাজ্ঞার কারণে সেগুলো বাতিল হতে পারে।
তার মতে সেটাই স্বাভাবিক, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা এ নিষেধাজ্ঞার পর তাদের আর সহযোগিতা করবে না। সাধারণত এ ধরনের ব্যবস্থার মাধ্যমে কিছু বার্তা দেওয়া হয়। সেটা হলো প্রতিষ্ঠান হিসেবে র‍্যাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ ধর্তব্যের মধ্যে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সুনির্দিষ্টভাবে কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে অর্থাৎ নিষেধাজ্ঞা।
তাদের যদি সম্পদ থাকে যুক্তরাষ্ট্রে সেগুলো বাজেয়াপ্ত করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। বেনজির আহমেদ যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারবেন না। সুনির্দিষ্টভাবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশের ক্ষেত্রে তাকে অযোগ্য বলে বিবেচনা করা হবে, বলছিলেন রীয়াজ।
তবে তিনি মনে করেন যে সবচেয়ে বড় বিষয় হলো কূটনৈতিক চাপ। নিষেধাজ্ঞার ফলে এখন বাংলাদেশ সরকারের ওপর বড় ধরনের কূটনৈতিক চাপ তৈরি হল।
এখন কেন এমন পদক্ষেপ
বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে গুম-খুনসহ নানা অভিযোগ তুলে ধরছিলো র‍্যাবের বিরুদ্ধে। কক্সবাজারে কাউন্সিলর একরাম হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর তা নিয়ে আলোচনার ঝড় উঠেছিল আন্তর্জাতিক মহলে।
তারও আগে নারায়ণগঞ্জে সাতজনকে অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় র‍্যাবের ১৬ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয় আদালত যা এখনো উচ্চ আদালতে বিচারাধীন আছে। যদিও বাংলাদেশে জঙ্গি সংগঠন জেএমবির উত্থান যখন হয়েছিল, তখন শায়খ আব্দুর রহমান এবং বাংলা ভাই নামে পরিচিত সিদ্দিকুল ইসলামসহ মূল জঙ্গিদের গ্রেপ্তারের বিষয়কে র‍্যাবের সাফল্য হিসেবে দেখা হতো।
কিন্তু র‍্যাব প্রতিষ্ঠার ১৭ বছরে বিভিন্ন সময় বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা গুমের অনেক ঘটনা বাহিনীটিকে বিতর্কে ফেলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ বলছে অন্তত ছয়শ মানুষকে গুমের অভিযোগ আছে বাংলাদেশে পুলিশের এ এলিট ফোর্সের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার ট্রেজারি বিভাগে রিপোর্টে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে মাদকবিরোধী অভিযানের সময় র‍্যাবের বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ব্যাপক অভিযোগ- আইনের শাসন, মানবাধিকার, মৌলিক স্বাধীনতা, ও বাংলাদেশের জনগণের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে হেয় করার মাধ্যমে- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা স্বার্থকে হুমকির মুখে ফেলছে।
আলী রীয়াজ বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান বাইডেন প্রশাসন বারবার মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের কথা বলছেন এবং এ মুহূর্তে ওয়াশিংটনে গণতন্ত্র নিয়ে ভার্চুয়াল সম্মেলন হচ্ছে। যেখানে একটা বিষয় মানবাধিকার। আবার যুক্তরাষ্ট্র পররাষ্ট্র দপ্তরের ওপর চাপ তৈরি হয়েছিলো সেনেট থেকে। সেখানে আটজন সদস্য চাপ দিয়েছিলেন।
ফলে কংগ্রেসের পর থেকে চাপ ছিল ও আছে। আর দ্বিতীয় নতুন প্রশাসন শুরু থেকেই বলার চেষ্টা করেছিলেন যে মানবাধিকার, গণতন্ত্র ও কর্তৃত্ববাদের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে। তার সঙ্গে সঙ্গতি নিয়েই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আর এটা শুধু বাংলাদেশ নয়, অনেক দেশ নিয়েই নেওয়া হচ্ছে। এখনকার কারণ সম্পর্কে রীয়াজ মনে করেন যে নতুন প্রশাসন আসলে একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাচ্ছেন যে তারা কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছেন। বিবিসি বাংলা।

ইভ্যালির প্রতারণা; নজরদারিতে অভিনয়শিল্পী তাহসান-মিথিলা-ফারিয়া

0

আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির কর্মকাণ্ডে সহযোগিতার অভিযোগে অভিনয়শিল্পী তাহসান খান, রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও শবনম ফারিয়াসহ নয়জনের বিরুদ্ধে করা প্রতারণার মামলায় তাদের নজরদারিতে রেখেছে পুলিশ।
মামলার তদন্তের স্বার্থে যে কোনো সময় আসামিদের গ্রেফতার করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদুর রহমান।
শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ধানমন্ডি থানায় ইভ্যালির একজন গ্রাহকের করা মামলায় তারা নজরদারিতে রয়েছেন। তদন্তের স্বার্থে যে কোনো সময় তাদের গ্রেফতার করা হতে পারে।’
উল্লেখ্য, ইভ্যালির শুভেচ্ছাদূত ছিলেন তাহসান। মিথিলা ছিলেন ফেস অব ইভ্যালি লাইফস্টাইলের শুভেচ্ছাদূত। এছাড়া শবনম ফারিয়া ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা। এই অভিনয়শিল্পীদের চটকদার কথায় সাধারণ মানুষ ই ভ্যালির পণ্য কিনতে উদ্বুদ্ধ হন বলে মামলায় বলা হয়েছে।

ডিসি সাজ্জাদুর রহমান বলেন, ‘চটকদার বিজ্ঞাপন ও বেশি মুনাফার লোভ দেখিয়ে হাজারো গ্রাহককে পথে বসিয়েছে ইভ্যালি- এমন অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।’
পুলিশের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটির প্রতারণার শুরু থেকে সংযুক্ত করা হয়েছিল নামি-দামি তারকাদের। অনেকের অভিযোগ জনপ্রিয় এসব তারকাদের দেওয়া মিথ্যা প্রতিশ্রুতির ফাঁদে পা দিয়েই সর্বস্বান্ত হয়েছেন তারা। এবার তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন সাদ স্যাম রহমান নামে একজন ভুক্তভোগী। তদন্তের স্বার্থে যে কোনো সময় তাহসান, মিথিলা ও শবনম ফারিয়াসহ অন্য আসামিরা গ্রেফতার হতে পারে।’
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, তাহসান, মিথিলা ও শবনম ফারিয়া ইভ্যালির বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন। তাদের উপস্থিতি এবং তাদের বিভিন্ন প্রমোশনাল কথাবার্তার কারণে আস্থা রেখে বিনিয়োগ করেন সাদ স্যাম রহমান। এসব তারকার কারণে মামলার বাদী প্রতারিত হয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

আন্দোলনের মাধ্যমে মানবিকতা হয় না, আইন আইনের গতিতে চলবে, বিএনপির প্রতি আইনমন্ত্রী আনিসুল হক

0

‘আইন আইনের গতিতে চলবে, জিয়াউর রহমানের গতিতে চলবে না, বিএনপির গতিতে চলবে না। আইনের বইয়ে আইন যেভাবে চলে, সেভাবে চলবে।’ খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য বিদেশ গমন প্রসঙ্গে বলেছেন এসব কতঅ বলেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
শুক্রবার সকালে আইনমন্ত্রীর ব্যক্তিগত অর্থায়নে আখাউড়া পৌরশহরের সড়ক বাজারে বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট সিরাজুল হক পৌর মুক্তমঞ্চে অসহায়, দুস্থ, শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘মানবিক কারণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়াকে দণ্ডাদেশ স্থগিত রেখে মুক্তি দেয়া হয়েছে। এখন বলছে বিদেশে যেতে দিতে হবে, না হলে আন্দোলন। একটা কথা আছে না, দাঁড়াতে দিলে বসতে চায়, বসতে দিলে শুতে চায় আর শুতে দিলে ঘুমাইতে চায়। বিএনপির হয়েছে সেই অবস্থা। মনে রাখবেন, মানবিকতা আন্দোলনের মাধ্যমে কামাই করা যায় না।’
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট বাংলাদেশের অসংবাদিত নেতা,বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানকে তার পরিবারের ১৭ জনসহ নৃশংভাবে হত্যা করা হয়েছিল। এ সত্য কথাটা জানার পরও খালেদা জিয়া মিথ্যা জন্মদিন সাজিয়ে কেক কাটে। তারপরও জননেত্রী শেখ হাসিনা, বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থ হওয়ায় দুটি শর্তে সাজা স্থগিত রেখে তাকে মুক্তি দেন। একটি হচ্ছে তিনি বিদেশ যেতে পারবেন না এবং বাসায় থেকে চিকিৎসা করবেন। কিন্তু আমরা বলি নাই তিনি হাসপাতালে যেতে পারবেন না। তিনি তিন বার হাসপাতালে গেছেন। এখন বলছে বিদেশ যেতে দিতে হবে।’
আনিসুল হক বলেন, ‘বাংলাদেশে উন্নয়ন হচ্ছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শেখ হাসিনার সেবার সরকার বাংলাদেশের মানুষের ভবিষ্যৎ পাল্টে দেবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুজিববর্ষ এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর প্রাক্কালে ঘোষণা দিয়েছেন, যার ঘর নাই, তাকে ঘর বানিয়ে দিবেন। যাদের ঘর নাই, তাদের জমিও লাগবে না। খাস জমি লিখে দিয়ে তাদেরকে ঘর বানিয়ে দেয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং এটা করে দেয়া হবে।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনা ১ লক্ষ ৮৩ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা দিয়েছেন যাতে কেউ চাকরিচ্যুত না হয়, কারও কর্মস্থল যাতে বন্ধ না হয়ে যায়। যত দিন বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জনগণকে সেবা দিবেন, ততদিন বাংলাদেশের মানুষের কোনো চিন্তা নাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা করোনাভাইরাস পার করেছি, আমরা আবার এদেশের উন্নয়নের চাকা ঘুরাতে শুরু করে দেব। করোনা ভাইরাসের জন্য যে উন্নয়ন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল করোনাভাইরাস কমে যাওয়ায় এখন সে কাজগুলি শুরু হবে। করোনাভাইরাস এখনো যায় নাই মন্তব্য করে তিনি সকলকে করোনা ভাইরাসের টিকা নেয়া এবং মাস্ক পরিধান করার পরামর্শ দেন।’
পৌর আওয়ামী লীগের আয়োজনে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইন সচিব গোলাম সারওয়ার, জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খান, পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান, আখাউড়া পৌরসভার মেয়র তাকজিল খলিফা কাজল, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুমানা আক্তার, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মো. জয়নাল আবেদীন, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল্লাহ ভূইয়া বাদল, সাধারণ সম্পাদক কাজী লিটন খাদেম, যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল মমিন বাবুল, ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাব উদ্দিন বেগ শাপলু।

চীনে উইঘুর মুসলিমদের বিরুদ্ধে গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে : যুক্তরাজ্যের স্বাধীন ট্রাইব্যুনাল

0

চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিম জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দেশটির কর্তৃপক্ষ গণহত্যা সংঘটিত করেছে- এমন রুল দিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি অনানুষ্ঠানিক স্বাধীন ট্রাইব্যুনাল। বৃহস্পতিবার এই রুল জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
বিবিসি জানিয়েছে, ট্রাইব্যুনালের প্যানেলটি আইনজীবী ও শিক্ষাবিদদের নিয়ে গঠিত। ওই ট্রাইব্যুনালের শুনানিতে সভাপতিত্ব করেন প্রখ্যাত ব্রিটিশ আইনজীবী স্যার জিওফ্রে নাইস। তিনিই ট্রাইব্যুনালের রুল পড়ে শোনান।
ট্রাইব্যুনালের রুলে এমন সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার প্রাথমিক কারণ হিসেবে উইঘুরদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র কর্তৃক পরিচালিত জন্মনিয়ন্ত্রণ ও বন্ধ্যাকরণ ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
জিওফ্রে নাইস বলেন, উইঘুর ও অন্যান্য জাতিগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর সংখ্যা দীর্ঘ মেয়াদে কমানোর জন্য চীন একটি ইচ্ছাকৃত, পদ্ধতিগত ও সমন্বিত নীতির প্রয়োগ করেছে বলে তার প্যানেলের কাছে সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে।
জিওফ্রে নাইস বলেন, ট্রাইব্যুনালের প্যানেল বিশ্বাস করে, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংসহ দেশটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জিনজিয়াং অঞ্চলে মুসলিম সংখ্যালঘুদের নির্যাতন-নিপীড়নের প্রাথমিকভাবে দায়ভার বহন করেন।
জিওফ্রে নাইস আরও জানান, জিনজিয়াংয়ে নির্বিচারে মানুষ হত্যার কোনো প্রমাণ তারা পাননি। কিন্তু সেখানে জন্মরোধের যে কথিত রাষ্ট্রীয় প্রচেষ্টা, তা গণহত্যার শামিল।
ট্রাইব্যুনালের প্যানেল বলছে, তারা উইঘুর জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ, নির্যাতন ও যৌন সহিংসতা সংগঠনের প্রমাণ পেয়েছেন। তবে ট্রাইব্যুনালের এ রুলের কোনো আইনগত বাধ্যবাধকতা নেই।
এই ট্রাইব্যুনালের রুলিংয়ের প্রতিক্রিয়ায় চীনের এক মুখপাত্র বিবিসিকে বলেন, এটি একটি মেকি ট্রাইব্যুনাল। এ ট্রাইব্যুনাল জনগণকে প্রতারিত ও বিভ্রান্ত করার জন্য কিছু চীনবিরোধী গোষ্ঠীর ব্যবহৃত একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার। প্রথম থেকেই চীন সরকার জিনজিয়াংয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
অন্যদিকে, ট্রাইব্যুনালের রুলিংয়ের পর বিবিসির সঙ্গে কথা বলেন যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ পার্টির সাবেক নেতা ও চীনবিষয়ক ইন্টার-পার্লামেন্টারি অ্যালায়েন্সের কো-চেয়ার স্যার ইয়ান ডানকান স্মিথ। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য সরকারের চীনকে গণহত্যার জন্য অভিযুক্ত করার সময় এসেছে।

হারুণের ৫ বছরের কারাদণ্ড হাইকোর্টে বহাল,তবে জেলে যেতে হবে না: সংসদ সদস্য পদ থাকা নিয়ে বিভ্রান্তি

0

পাঁচ বছর কারাদণ্ড বহাল থাকায় বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য হারুণ অর রশিদ সংসদ সদস্য পদ হারাচ্ছেন কী না তা স্পষ্ট নয়। সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন সংবিধানের ৬৬ (২) (ঘ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সদস্য পদে থাকার যেসব অযোগ্যতার কথা বলা হয়েছে সেটা মি. হারুণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। তবে কোন আদালতের রায়ের পর তা কার্যকর হবে তা অস্পষ্ট। এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘নৈতিক স্খলনজনিত কোনো ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্যূন দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে তিনি সদস্যপদ হারাবেন এবং তার মুক্তিলাভের পর পাঁচ বছর অতিবাহিত না হলে সংসদ সদস্যপদে নির্বাচন করতে পারবেন না।‘
মি. হারুণ যেহেতু পাঁচবছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন ফলে সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি অযোগ্য হয়ে গিয়েছেন। তবে সেটা কি বিচারিক আদালতের রায়, হাইকোর্টের রায় না আপিল বিভাগের চূড়ান্ত নিস্পত্তির পর কার্যকর হবে তা সুস্পষ্ট করে সংবিধানে বলা হয়নি। যদি বিচারিক আদালতের রায় গ্রহণ করা হতো তা হলে ২০১৯ সালের ১৯ অক্টোবর থেকে সেটা কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কারণ ওই দিন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত মি. হারুণকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু এই রায়ের বিরুদ্ধে এমপি হারুণ হাইকোর্টে আপিল করায় তার সদস্যপদ বাতিলের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। বৃহস্পতিবার নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে মি. হারুণের আপিলের রায় হাইকোর্ট ঘোষণা করে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বহাল রাখেন। হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার কথা জানিয়েছেন এমপি হারুণের আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। ফলে এবারও যুক্তি থাকবে আপিল বিভাগে আপিল নিস্পত্তি না হলে সংবিধানের বিধান কার্যকর হবে না। যদিও দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান মনে করেন সংবিধান অনুযায়ি মি .হারুণ সংসদ সদস্য পদে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন।
উল্লেখ্য শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও সংসদ সদস্য হারুন অর রশিদের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। তবে তাকে নতুন করে আর জেলে যেতে হবে না। তিনি যে ১৬ মাস হাজতবাস করেছেন সেই সময়কালটাই সাজা হিসেবে গণ্য হবে বলে রায়ে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. সেলিমের একক বেঞ্চ এমপি হারুনের আপিল আবেদনটি খারিজ করে আদেশ দেন। এ মামলায় তিন আসামির কারাভোগের সময়কালকে (১৬ মাস) সাজা হিসেবে গণ্য করে তাদের আপিল খারিজ করেন হাইকোর্ট। ফলে সাজা বহাল থাকলেও এমপি হারুনকে নতুন করে কারাভোগ করতে হবে না।
এদিন আদালতে এমপি হারুনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। তার সঙ্গে ছিলেন সৈয়দ মিজানুর রহমান ও এইচ এম সানজীদ সিদ্দিকী। অন্যদিকে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো.খুরশীদ আলম খান।
২০১৯ সালের ২১ অক্টোবর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় এমপি হারুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। একইসঙ্গে ওই রায়ে তাকে ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন আদালত।
বিচারিক আদালতের ওই রায়ে এমপি হারুন ছাড়াও চ্যানেল নাইনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসামি এনায়েতুর রহমান বাপ্পীকে (এমডি, চ্যানেল ৯) ৪০৯ ও ১০৯ ধারায় দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অপর আসামি ইশতিয়াক সাদেককে তিন বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৪০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছিল।
বিচারিক আদালতের দেওয়া পাঁচ বছরের সাজার বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ২৮ অক্টোবর হাইকোর্টে আপিল করেন বিএনপি নেতা হারুন অর রশীদ। পরে উচ্চ আদালত আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে অর্থদণ্ড স্থগিত এবং আসামিদের জামিন আদেশ দেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, হারুন চার দলীয় জোট সরকারের সময় ২০০৫ সালে ব্রিটেন থেকে একটি হ্যামার ব্র্যান্ডের গাড়ি শুল্কমুক্তভাবে ক্রয় করে। গাড়িটি তিনি পরে আরেক আসামি ইশতিয়াক সাদেকের কাছে ৯৮ লাখ টাকায় বিক্রি করে দেন। এরপর সাদেক গাড়িটি চ্যানেল নাইনের এমডি বাপ্পীর কাছে বিক্রি করেন।
নিয়ম অনুযায়ী শুল্কমুক্ত গাড়ি তিন বছরের মধ্যে বিক্রি করলে শুল্ক দিতে হয়, কিন্তু আসামি হারুন শুল্ক না দিয়ে বিশ্বাস ভঙ্গ করেন। এ অভিযোগে ২০০৭ সালের ৭ মার্চ তেজগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক ইউনুছ আলী এমপি হারুনসহ তিনজনের নামে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলায় ২০০৭ সালের ১৮ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া হয়। ওই বছরই তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয় এবং আদালত ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। হারুন অর রশীদ ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচিত হন।

বলাৎকারের চেষ্টা, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমামকে গণপিটুনি

0

এক কিশোরকে বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) বন ও পরিবেশ বিদ্যা ইনস্টিটিউট (ফরেস্ট্রি) মসজিদের ইমাম শহিদুল ইসলামকে গণপিটুনি দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
গত বুধবার সন্ধ্যায় এই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রবিউল হাসান ভূঁইয়া। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের এ এফ রহমান হলের ইমামের দায়িত্বে থাকাকালীন সময়েও শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ছাত্রদের যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠে।
জানা যায়, বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্য সেন হলের ক্যান্টিন থেকে এক কিশোরকে বলৎকারের উদ্দেশে বাগানে ডেকে নিয়ে যায় শহিদুল। কিছুক্ষণ পর কিশোরটি চিৎকার করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্র হাতেনাতে শহিদুলকে আটক করে। পরে উপস্থিত কয়েকজন ছাত্র শহিদুলকে মারধর করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে বলৎকারের চেষ্টার বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলেও জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, শিক্ষার্থীরা অভিযোগ দিয়েছে। পরে আমাদের সহকারী প্রক্টররা ও পুলিশ মিলে তাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে আনে। তার গায়ে কিছু আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। চিকিৎসার জন্য মেডিকেল সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব। ঘটনা তদন্তে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বিশ্বের ৪৩তম ক্ষমতাধর নারী শেখ হাসিনা

0

মার্কিন অর্থ ও বাণিজ্যবিষয়ক সাময়িকী ফোর্বসের ২০২১ সালের বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ নারীর তালিকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৪৩ তম স্থানে রয়েছেন। বিশ্বজুড়ে রাজনীতি, মানবসেবা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং গণমাধ্যম খাতে নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করে আসা প্রভাবশালী নারীদের মাঝ থেকে ১০০ জনকে বেছে নিয়ে মঙ্গলবার এই তালিকা প্রকাশ করেছে ফোর্বস। তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন ই–কমার্স জায়ান্ট আমাজনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জেফ বেজোসের সাবেক স্ত্রী ও সমাজসেবক ও লেখক ম্যাকেঞ্জি স্কট এবং দ্বতীয় স্থানে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ- ভাইস-প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবারের এই তালিকায় ৪৩তম স্থানে আছেন। এর আগে ২০২০ সালে ফোর্বসের প্রভাবশালী নারীর তালিকায় ৩৯তম স্থানে ছিলেন তিনি।
শেখ হাসিনা সম্পর্কে ফোর্বস লিখেছে, বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘসময় ধরে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা শেখ হাসিনা ওয়াজেদ চতুর্থ মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন। চতুর্থ মেয়াদে জয়ী হয়েছেন তিনি; যা তার মেয়াদেই টানা তৃতীয়বার। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৮৮টিতে জিতে তার দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
ফোর্বস বলছে, এবারের মেয়াদই নিজের জন্য শেষ হিসেবে মনে করেন শেখ হাসিনা। এই মেয়াদে জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তিতে গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন তিনি।
মার্কিন এই সাময়িকী লিখেছে, ‘শেখ হাসিনার চলমান লড়াই বাংলাদেশে শক্তিশালী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করছে। বাংলাদেশি নির্বাচনে ভোটারদের দমনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শেখ হাসিনা ও তার দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।’
২০০৪ সাল থেকে প্রত্যেক বছর বিশ্বের ক্ষমতাধর নারীদের তালিকা প্রকাশ করে আসছে ফোর্বস। এবারের ১৮তম সংস্করণে মার্কিন এই সাময়িকী বিশ্বের ৪০ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), ১৯ বিশ্ব নেতা, একজন ইমিউনোলজিস্ট রয়েছেন। এক দশকের বেশি সময় পর এবারই প্রথম নতুন প্রভাবশালী নারী বেছে নিয়েছে ফোর্বস।
ই–কমার্স জায়ান্ট আমাজনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জেফ বেজোসের সাবেক স্ত্রী ও সমাজসেবক ও লেখক ম্যাকেঞ্জি স্কট ফোর্বসের শীর্ষ ক্ষমতাধর নারী নির্বাচিত হয়েছেন। ২৫ বছরের দাম্পত্য জীবনের অবসানের পর ২০১৯ সালে আমাজনের ২৫ শতাংশ শেয়ারের মালিক হন ম্যাকেঞ্জি স্কট। বর্তমানে বিশ্বের তৃতীয় ধনী নারী তিনি। কিন্তু সেই সম্পদে তার নিরবচ্ছিন্ন প্রবেশাধিকার—এবং অর্থবহ ও বৈপ্লবিক উপায়ে দান করার দৃঢ় সংকল্প তাকে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে রেখেছে।
ফোর্বসের শত প্রভাবশালী নারীর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ-এশীয় নারী হিসেবে ভাইস-প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়া ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিস। ফোর্বস বলছে, অনেক প্রথমের জন্ম দেওয়া কমলা হ্যারিস ২০১৬ সালে প্রথম ভারতীয়-আমেরিকান হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের সদস্য নির্বাচিত হন। তারও আগে ২০১০ সালে প্রথম আফ্রো-আমেরিকান এবং প্রথম নারী হিসেবে ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
ফোর্বসের এই তালিকায় গত বছর ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ক্রিশ্চিন লাগার্দ দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও এবার ৩ নম্বরে নেমে গেছেন তিনি। গত মে মাসে স্বামী বিল গেটসের সঙ্গে ডিভোর্সের পর বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী নারীতে পরিণত হওয়া মেলিন্ডা ফ্রেঞ্চ গেটস ফোর্বসের ক্ষমতাধর নারীর তালিকায় পঞ্চম স্থানে আছেন।
মানবাধিকার ও নারী অধিকার রক্ষায় কাজ করে আসছেন তিনি। বিচ্ছেদ হলেও দাতব্য সংস্থা বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের কো-চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা মেলিন্ডা গেটসের সম্পদের পরিমাণ ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
ফোর্বসের ক্ষমতাধর নারীদের এই তালিকায় ভারতের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন আছেন ৩৭তম স্থানে। গত বছর এই তালিকায় ৪১তম স্থানে ছিলেন ২০১৯ সালে ভারতের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়া সীতা। তিনিই ভারতের প্রথম পূর্ণ নারী অর্থমন্ত্রী। খবর বিবিসি/রয়টার্স।