ঢাকা   , ,     

সর্বশেষ সংবাদ

শীতলক্ষ্যা নদী দূষণে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ জানাতে সরকারকে হাইকোর্টের নির্দেশ

 

শীতলক্ষা নদীর তীরে  বিভিন্ন শিল্প কারখানায় নদীতে শিল্প বর্জ্য ফেলে পানি দূষণের ফলে কি পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে তার পরিমাণ জানাতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর  বাংলাদেশ জনস্বার্থে একটি রিট  পিটিশনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই নির্দেশ দেয়।

৬ মে ২০২৫ তারিখে হাইকোর্ট রুল জারি করে নির্দেশনা দেন,  যে সমস্ত শিল্প কারখানা থেকে দূষণ হচ্ছে সেগুলো মনিটরিং কমিটি গঠন করা ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং কি পরিমাণ আর্থিক  ক্ষতি হয়েছে তার  হিসাব করে আদালতে দাখিল করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।
যে সকল শিল্প কারখানার বিরুদ্ধে নদী দূষণের অভিযোগ আছে তাদের মধ্যে অন্যতম হলো খালেক টেক্সটাইল,, লীনা পেপার মিল, আর এস কে ডাইং,  খান ব্রাদার্স টেক্সটাইল, এসআরএস নিড ডাইং,  মেসার্স রুবেল ডাইং, বাংলাদেশ ডাইয়িং এন্ড প্রসেসিং,  এশিয়ান ফেব্রিক,  জিলানী ডাইং, গাজীপুর বোর্ড মিলস, নিউ আলম ডাইং৷ মায়ের দোয়া ডাইং,  এম আর ডাইং,  আব্দুর রব ডাইং,  বিসমিল্লা নিড ডাইং, শিমুল ডাইং,  রাজ্জাক ওয়াশিং এবং হাজী রাসুল ডাইং।

ইতিপূর্বে দেয়া আদালতে নির্দেশনা অনুসারে ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এইচ আর পি বি এর পক্ষে আবেদন করলে বৃহস্পতিবার  আদালত শুনানি শেষে আগামী তিন মাসের মধ্যে শীতলক্ষ্যা নদীর পানি দূষণের জন্য বিভিন্ন শিল্প কারখানা এর বর্জ্য ফেলে কি পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে সে সম্পর্কে প্রতিবেদন আগামী ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
বিচারপতি আহমেদ সোহেল  এবং বিচারপতি এস এম ইফতেখার মাহামুদ  এর আদালত এই আদেশ প্রদান করেন।
শুনানিতে এইচআরপিপি পক্ষের সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেন পরিবেশ আইন অনুসারে পরিবেশের লাইসেন্স ছাড়া কোন শিল্পকারখানা পরিচালনা করা পরিবেশ আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। কিন্তু শিল্প মালিকরা আইনের তোয়াক্কা না করে দীর্ঘদিন থেকে ইটিপি ছাড়াই তাদের শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে শীতলক্ষ্যা নদীর দূষণ করছে।এর মাধ্যমে ওই এলাকার পরিবেশ ধ্বংস হচ্ছে। তিনি বলেন আদালত রিপোর্ট দাখিলের জন্য প্রায় এক বছর আগে আদেশ দিলেও এখন পর্যন্ত  প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়নি।
এইচ আর পি পক্ষে পিটিশনার হলেন এডভোকেট মোহাম্মদ সারোয়ার আহাদ চৌধুরী, এডভোকেট রিপন বাড়ই। বিবাদীরা হলেন নৌপরিবহন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান, মহাপরিচালক পরিবেশ অধিদপ্তর,  পুলিশ সুপার এবং জেলা প্রশাসক নারায়ণগঞ্জ এবং ১১৭ টি শিল্প কারখানার মালিক।
আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ তাকে সহায়তা করেন অ্যাডভোকেট সঞ্জয় মন্ডল। সরকার পক্ষে ছিলেন  ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল  খান জিয়াউর রহমান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সবচেয়ে আলোচিত