তিন দিনের সফরে শনিবার ঢাকায় এসেছেন ভারতীয় বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল রাকেশ কুমার সিং ভদৌরিয়া।
বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রধানের আমন্ত্রণে তার এই সফর বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশন।
ভারতীয় বিমানবাহিনী প্রধান বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী এবং বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
সফরকালে তিনি বাংলাদেশের প্রধান বিএএফ বিমান ঘাঁটিগুলোও পরিদর্শন করবেন।
ভারতীয় বিমান বাহিনী প্রধান ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করবেন।
হাই কমিশন বলছে, ভদৌরিয়ার বর্তমান সফরের প্রধান দিক হলো- ভারতীয় বিমানবাহিনী প্রধান যশোরে অবস্থিত বাংলাদেশ বিমানবাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি প্যারেড-২০২১ উপলক্ষে কমিশন প্রদান অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত হয়েছেন।
”এই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ বিমানবাহিনী একাডেমিতে কোনও ভারতীয় বিমানবাহিনী প্রধান প্যারেড পর্যালোচনা করার অনন্য সম্মান অর্জন করবেন, যা দুই বিমানবাহিনীর পারস্পরিক দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধতা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন করে।”
ভদৌরিয়ার এই সফর দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান ঘনিষ্ঠ ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও জোরদার করবে বলে আশা প্রকাশ করছে ভারতীয় হাই কমিশন।
ঢাকায় ভারতীয় বিমানবাহিনী প্রধান
এএসপি পরিচয়ে প্রেম, বিয়ে; পরে জানা গেলো প্রতারক বাদাম বিক্রেতা, গ্রেপ্তারের পর স্থান হয়েছে শ্রীঘরে
সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) পরিচয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে এক তরুণীকে বিয়ে করেন এক তরুণ। শ্বশুর বাড়িতেই শুরু করেন ঘর সংসার। কিন্তু সপ্তাহ যেতে না যেতেই বের হয় থলের বেড়াল। জানা যায় তিনি এএসপিতো ননই,কনস্টেবলও নন। তিনি এক জন প্রতারক এবং বাদাম বিক্রেতা। পরে আসল পরিচয় বেরিয়ে আসতেই তরুণীর পরিবারের মামলায় জেল হাজতে ওই বাদামওয়ালা। ঘটনাটি ঘটেছে বগুড়ায়।
জানা যায়, মুঠোফোনে যোগাযোগ। এরপর নিজেকে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পরিচয় দিয়ে কলেজছাত্রীর (১৭) সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন এক যুবক। টানা দেড় বছর ধরে মুঠোফোনে যোগাযোগ চালিয়ে যান। একপর্যায়ে সেই সম্পর্ক বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়। কিন্তু এক সপ্তাহের মাথায় জানা যায় তিনি ফেরি করে বাদাম বিক্রি করেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে বগুড়া সদর উপজেলার গোকুল ইউনিয়নের পলাশবাড়ি গ্রাম থেকে আবদুল আলিম (৩২) নামের ওই যুবককে আটক করে পুলিশ। তিনি পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার ঢাকিয়াপাড়া গ্রামের মৃত ফজলুল হকের ছেলে। প্রতারণার মাধ্যমে বিয়ে করে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনসহ প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাঁকে আজ শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বছর দেড়েক আগে বগুড়া সদরের গোকুল ইউনিয়নের বাসিন্দা ও ছাত্রীর সঙ্গে আলিমের মুঠোফোনে যোগাযোগ হয়। ওই সময়ে তিনি নিজেকে পুলিশের এএসপি পরিচয় দেন এবং রংপুর রেঞ্জে কর্মরত বলেন। নিজের নাম বলেন রাসেল (৩২) এবং বাসা রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায়। এরপর মুঠোফোনে ওই কলেজছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন।
একপর্যায়ে বিয়ের কথা বলেন। ওই ছাত্রী তাকে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে বাড়িতে আসতে বলেন। এরপর ১৮ জুন সকালে হঠাৎ করে ছাত্রীর বাড়িতে এসে হাজির হন ওই যুবক। তার সঙ্গে ছিল পুলিশের মনোগ্রামসংবলিত একটি ব্যাগও। এ সময় তরুণীর পরিবারকে বলেন, পুলিশে নতুন চাকরি, বাহিনী থেকে এখনো বিয়ের অনুমতি মিলেনি। এ কারণে গোপনে বিয়ে করতে হবে। ওই যুবকের কথা বিশ্বাস করে ১৮ জুন রাতে মৌলভি ডেকে ঘরোয়াভাবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে ছাত্রীর পরিবার।
এরপর কলেজছাত্রীর সঙ্গে স্বামী–স্ত্রী হিসেবে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করতে থাকেন ওই যুবক। সপ্তাহ ঘুরতে না ঘুরতে ওই যুবকের কথাবার্তায় সন্দেহ হয়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর প্রতিবেশীরাও ওই যুবককে চ্যালেঞ্জ করে। চাপে পড়ে স্বীকার করেন তিনি ‘ভুয়া পুলিশ কর্মকর্তা’। পরে খবর দেওয়া হয় বগুড়া সদর মডেল থানায়।
সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক বেদার উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বগুড়া সদরের পলাশবাড়ি গ্রাম থেকে ওই যুবককে আটক করে থানায় নেওয়া হয়। এরপর জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে তার নাম, ঠিকানা, পরিচয় সবই ভুয়া। জিজ্ঞাসাবাদে ওই যুবক আরও স্বীকার করেন, তিনি পেশাদার প্রতারক। মাঝেমধ্যে ফেরি করে বাদাম বিক্রি করেন। প্রতারণা করে কিশোরী ও তরুণীদের বিয়ে করা তার নেশা। এ পর্যন্ত প্রতারণার মাধ্যমে তিনি পাঁচটি বিয়ে করেছেন। প্রথম স্ত্রীর পক্ষে দুটি সন্তানও রয়েছে তার। তবে স্ত্রীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়েছে।
বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ বলেন, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে বিয়ে করে ধর্ষণ এবং পুলিশের কর্মকর্তা পরিচয় দেওয়ায় ওই যুবকের বিরুদ্ধে তরুণীর বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ছাড়াও প্রতারণার অভিযোগে শুক্রবার সদর থানায় মামলা করেছেন। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
চট্টগ্রামে বাসে গণধর্ষণের শিকার তরুণী, আটক ৬
চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে বাসে এক তরুণীকে গণধর্ষণের অভিযোগে ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৫ জুন) রাতে নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। তবে এ ঘটনায় জড়িত আরও দু’জন পলাতক রয়েছে।
এর আগে, বুধবার (২৩ জুন) রাত থেকে বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) ভোর পর্যন্ত এ গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে শুক্রবার রাতে গণমাধ্যমকে জানান, ‘ভিকটিম ওই তরুণীকে মেডিকেল পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আর আটক হওয়া ৬ জনকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’
স্থানীয়রা জানায়, ঘটনার শিকার তরুণীর বাড়ি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে। বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে ভোর পর্যন্ত অধিকাংশ সময় বাসে এবং পরবর্তীতে আরও বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, রানা নামে বাসের একজন স্টাফ ছিল ওই তরুণীর পূর্ব পরিচিত। সে সম্পর্কের সুবাদে রানা তাকে ফুসলিয়ে মীরসরাইয়ে নিয়ে যায়। এরপর ছয়জন মিলে প্রথমে একটি বাসের ভেতর এবং পরে মীরসরাইয়ে আরও বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে জিম্মি করে ধর্ষণ করে। তাদের আরও দু’জন সহযোগী আছে। মোট আটজন ঘটনার সঙ্গে জড়িত।
পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হক বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েই আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে একাধিক টিমকে মাঠে নামানো হয়। একে একে ৬ জনকে আটক করা হয়েছে।’
বান্দরবানে ‘ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের মুসলিম’ ওমর ফারুক হত্যা নিয়ে বিতর্কে পাহাড়ি ও বাঙালি
বাংলাদেশের পার্বত্য জেলা বান্দরবানের রোয়াংছড়ির ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের মুসলিম মোহাম্মদ ওমর ফারুককে হত্যার এক সপ্তাহ পরেও এ বিষয়ে দায়ের করা মামলার কোন অগ্রগতি নেই বলে জানিয়েছে সেখানকার পুলিশ।
গত ১৮ই জুন রাতে মি. ফারুককে রোয়াংছড়িতে নিজের বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে গুলি করে হত্যার ঘটনার পর সেখানকার বাঙালি সংগঠনগুলো ঘটনার জন্য সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতিকে দায়ী করলেও জনসংহতি সমিতি বলছে পার্বত্য এলাকায় ধর্মকে ব্যবহার করে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল রাখতে একটি ”বিশেষ গোষ্ঠী” এটি করতে পারে বলে মনে করেন তারা।

জনসংহতি সমিতির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক কে এস মং মারমা বিবিসি বাংলাকে বলেন জনসংহতি সমিতি কারও ব্যক্তিগত ধর্ম পালন নিয়ে কৌতূহল দেখায় না, কারণ এখানে সব ধর্মের প্রতিনিধিত্ব আছে এবং সংগঠনটি ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাস করে।
“বিভিন্ন ঘটনা ঘটিয়ে পার্বত্য অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা কারা তৈরি করে এটা এ অঞ্চলের সবাই জানে। এবার তারা ধর্মকে ব্যবহার করে সেটি করতে চাইছে। কিন্তু যতটুকু জানি ওমর ফারুক তো নতুন করে মুসলিম হননি। পুলিশের উচিত খুঁজে বের করা যে কারা এগুলো ঘটিয়ে অস্থিতিশীলতা তৈরি করে পাহাড়িদের বিপদে ফেলার চেষ্টা করে,” বিবিসি বাংলাকে তিনি বলেন।
তবে পার্বত্য নাগরিক পরিষদের নেতা কাজী মুজিবুর রহমান ঘটনার জন্য জনসংহতি সমিতিকেই দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, “মুসলিম হওয়ার কারণেই ওমর ফারুককে হত্যা করেছে কারণ তিনি তার এলাকায় একটি মসজিদ প্রতিষ্ঠা করছিলেন।”
তবে রোয়াংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌহিদ কবীর বলছেন কেন ওমর ফারুক খুন হয়েছেন সেটি এখনো তাদের অজানা এবং এ নিয়ে তদন্তে কোন অগ্রগতি এখনো হয়নি।
যদিও স্থানীয় কয়েকজন পেশাজীবী বলছেন পার্বত্য অঞ্চলে মাঝেমধ্যেই এমন কিছু ঘটনা ঘটে যার পরপরই বাঙালি কিছু সংগঠন সোচ্চার হয়ে ওঠে এবং পাহাড়ি বিভিন্ন সংগঠনকে দায়ী করা হয়। কিন্তু এসব ঘটনার তদন্তে পুলিশকে খুব একটা উৎসাহ দেখাতে দেখা যায় না।
ওমর ফারুক কে , কীভাবে খুন হলেন
রোয়াংছড়ির ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের সদস্য মোহাম্মদ ওমর ফারুককে ১৮ই জুন শুক্রবার রাত আটটার দিকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে বাইরে মসজিদের সামনে গুলি করে হত্যা করে একদল লোক। ওই মসজিদটি তিনিই প্রতিষ্ঠা করছিলেন।
একসময় খ্রিস্টান ধর্ম পালন করা ওমর ফারুক ও তার পরিবারের সদস্যরা প্রায় সাত বছর আগে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন।
রোয়াংছড়ির স্থানীয় একজন ওয়ার্ড মেম্বার গান্ধীলাল তঞ্চংগা বলছেন ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের বেরণ চন্দ্র ত্রিপুরা ২০১৪ সালে থানচি থানার আলীকদমে গিয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নিজের নাম মোহাম্মদ ওমর ফারুক রাখেন। পরে তার পরিবারের সদস্যরাও ইসলাম গ্রহণ করে সেখানেই বসবাস করেন।
“কিন্তু সম্প্রতি কয়েক বছর আগে তিনি আবার রোয়াংছড়িতে ফিরে আসেন। তার শ্বশুরের কাছ থেকে পাওয়া জায়গায় তিনি মসজিদ তৈরি করছিলেন। কিন্তু তাকে নিয়ে কোন ধরনের কোন সমস্যার কথা তিনিও কখনো আমাদের জানাননি বা ওই সম্প্রদায়ের আরও অনেকেই যারা মুসলিম হয়েছেন বিভিন্ন সময়ে তারাও জানাননি,” জানান গান্ধীলাল তঞ্চংগা।
মি. তঞ্চংগা বলছেন ত্রিপুরা সম্প্রদায়ে ওমর ফারুকই একমাত্র মুসলিম নন এবং তিনি নতুন করেও মুসলিম হননি।
তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী এখন ওই সম্প্রদায়ে মোট ৩৩টি পরিবার আছে যার মধ্যে ৫টি পরিবার মুসলিম।
এছাড়া গত এক দশকেরও বেশি সময়ে আরও এগারোটি পরিবার মুসলিম হয়েছিলো কিন্তু তারমধ্যে ৫/৬টি পরিবার আবার খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়ে গেছে।
“এলাকাটি আসলে খুবই দরিদ্র মানুষের। নানা কারণে এখানে ধর্মান্তরিত হওয়ার প্রবণতা কম নয়। কিন্তু সেসব কারণে কেউ আক্রোশের শিকার হননি । ওমর ফারুকের ঘটনায় তাই আমরা বিব্রত। বুঝতে পারছি না যে কি হলো,” বলছিলেন তিনি।
রোয়াংছড়ি বাজারে রোয়াংছড়ি জামে মসজিদেও নামাজ পড়তেন ওমর ফারুক। তাছাড়া তুলাছড়ি ত্রিপুরা পাড়ায় তিনি যে মসজিদ নির্মাণ করছিলেন সেখানেও ইমামতি করতেন মিস্টার ফারুক। ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের মুসলিমদের জন্য স্থানীয় যাদুমনি পাড়াতেও আরেকটি মসজিদ আছে।
কিন্তু এসব মসজিদ নিয়ে বা ধর্মকর্ম পালন নিয়েও ওমর ফারুক কোন দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন বা কোন সমস্যায় পড়েছেন এমনটি কখনো তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা পুলিশ প্রশাসনকে জানাননি।
আবার তিনি যেখানে থাকতেন তার থেকে সেনা ক্যাম্পও খুব বেশি দূরে নয়।
এমন একটি জায়গাতেই ১৮ই জুন শুক্রবার রাতে একদল লোক তার বাড়ি ঘেরাও করে তাকে ডেকে বাইরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে।
এর পর বাঙালি কিছু সংগঠন ঘটনার জন্য মোহাম্মদ ওমর ফারুককে ‘নওমুসলিম’ আখ্যা দিয়ে তাকে হত্যার জন্য জনসংহতি সমিতিকে দায়ী করে নানা কর্মসূচি পালন করতে শুরু করে।
তবে সমিতির দিক থেকে হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানানো হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে আর কোন মন্তব্য এতোদিন করা হয়নি।বিবিসি বাংলা।
সাগর-রুনি হত্যা: ৮০ বারের মতো পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় ৮০ বারের মতো পিছিয়েছে। এবার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়ে আগামী ৬ জুলাই ধার্য করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু কোনো প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মহানগর হাকিম পরবর্তী এই দিন ধার্য করেন। এ নিয়ে ৮০ বার প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পেছানো হলো।
এর আগে গত বছর ২ মার্চ আলোচিত এ হত্যা মামলার অগ্রগতি প্রতিবেদন হাইকোর্টে জমা দেয় র্যাব। প্রতিবেদনে বলা হয়, এ হত্যাকাণ্ডে দু’জন অপরিচিত পুরুষ জড়িত ছিল। সাগর-রুনি ব্যবহূত কাপড়ের সঙ্গে তাদের ডিএনএর মিল পাওয়া গেছে।
২০১২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। দু’জনকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনার পর রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। প্রথমে মামলাটি শেরেবাংলা নগর থানার মাধ্যমে তদন্ত শুরু হয়। এর পর চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা হিসেবে এর তদন্তভার মহানগর ডিবি পুলিশকে দেওয়া হয়। দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে ডিবি রহস্য উদ্ঘাটনে ব্যর্থ হয়। পরে ২০১৪ সালের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্টের নির্দেশে হত্যা মামলার তদন্তভার র্যাবের ওপর ন্যস্ত করা হয়। মামলায় রুনির কথিত বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আসামি আটজন।
দুদকের আবেদনে বিমানের ১০ কর্মকর্তার বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১০ কর্মকর্তার বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর আদালতের সিনিয়র স্পেশাল জজ ওই আদেশ দেন।
বিদেশযাত্রায় যাদের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে তারা হলেন, পরিচালক (সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং) আশরাফুল আলম, বিমানের জিএম (কার্গো) আরিফ উল্লাহ, কার্গো শাখার সাবেক মহাব্যবস্থাপক আলী আহসান, সাবেক মহাব্যবস্থাপক (বিক্রয়) শামসুল করিম, নীলফামারী জেলা ব্যবস্থাপক মুহাম্মদ আসলাম পারভেজ, কমার্শিয়াল সুপারভাইজার প্রমিতোষ তালুকদার, কমার্শিয়াল অফিসার রিয়াদ সোলেমান, কমার্শিয়াল সুপারভাইজার (কপবাজার) জিয়া উদ্দীন খান ঠাকুর, যুক্তরাজ্যের সাবেক কান্ট্রি ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম ও সিলেটের জেলা ব্যবস্থাপক এনায়েত হোসেন।
বৃহস্পতিবার দুদকের একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, তাদের বিরুদ্ধে ওই নিষেধাজ্ঞা আগে থেকেই বলবৎ রয়েছে। আদালতের অনুমতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকায় এখন তা সম্পন্ন করা হয়েছে।
ক্ষমতার অপব্যবহার করে অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে ওই ১০ জন অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। এই সময়ে তারা দেশ থেকে পালানোর চেষ্টা করছেন বলেও দুদক জানতে পেরেছে। এ কারণে আদালতের মাধ্যমে তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলো।
করোনার রিপোর্ট কেলেঙ্কারি; সাবরিনার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ৪ জুলাই
করোনা পরীক্ষার জাল সনদ দেওয়ার অভিযোগে ডা. সাবরিনাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে করা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ৪ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত। এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম বৃহস্পতিবার এ তারিখ ধার্য করেন।
এ মামলায় সবশেষ ৩১ মার্চ উজ্জল সরকার নামে এক প্রকৌশলী সাক্ষ্য দেন। এরপর গত ২৭ এপ্রিল মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু এরই মধ্যে করোনা সংক্রমণ বাড়ায় লকডাউনের কারণে আদালত বন্ধ থাকায় আর সাক্ষ্য নেওয়া হয়নি।
গত বছর মহামারির শুরুতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে করোনা শনাক্তের জন্য নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা ছাড়াই ২৭ হাজার মানুষকে রিপোর্ট দেয় জেকেজি হেলথ কেয়ার। এর বেশিরভাগই ভুয়া বলে ধরা পড়ে। এ অভিযোগে ওই বছরের ২৩ জুন অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেওয়া হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলা করা হয়।
একই বছর ২০ আগস্ট সাবরিনাসহ ৯ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত। আসামিরা সবাই এখন কারাগারে।
করোনার টিকা সম্পর্কিত সর্বশেষ তথ্য জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট
করোনার টিকা সম্পর্কিত সর্বশেষ তথ্য জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। এ বিষয়ে সকল তথ্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছ থেকে জেনে আদালতকে অবহিত করতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীকেও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
এ ছাড়া করোনার টিকা প্রদানে আইনজীবীদেরকে অগ্রাধিকার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে জারি করা রুলের ওপর আগামী ২৭ জুন শুনানির দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, জেড আই খান পান্না ও সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।
করোনার টিকা প্রদানে অগ্রাধিকার তালিকায় ১৯ ধরনের পেশার ব্যক্তিদের নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই তালিকায় বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের অন্তর্ভুক্তি চেয়ে গত ১১ এপ্রিল রিট আবেদন করেন অ্যাডভোকেট মো. আবু তালেব। একই বিষয়ে গত ৩১ মার্চ তিনি সরকারের সংশ্লিষ্টদের আইনি নোটিশ দেন। কিন্তু সেই নোটিশের জবাব না পেয়ে তিনি রিট দায়ের করেন। এই রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ১৩ এপ্রিল রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট।
রুট পারমিট ছাড়া রাজধানীতে কোনো বাস চলবে না, ১ জুলাই থেকে অভিযান
রাজধানীতে দেড় হাজারের বেশী গাড়ি রুট পারমিট ছাড়া চলাচল করছে। ট্রাফিক পুলিশকে ম্যানেজ করে এই গাড়িগুলো চলছে এবং এসব গাড়ির মালিকরাও অনৈতিক সুযোগ সুবিধা দিয়ে গাড়ি চালাচ্ছেন। নির্ধারিত রুটের গাড়ি অন্য রুটে যাতায়াতের ফলে যানজট বাড়াচ্ছে, দূর্ঘটনাও হচ্ছে।
এসব দিক বিবেচনা করে সিটি করপোরেশন এলাকায় রুট পারমিট ছাড়া কোনো যানবাহন চলতে না দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটির ১৭তম সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস এবং উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, আমরা রিপোর্ট পেয়েছি ১ হাজার ৬৪৬টি গাড়ি রুট পারমিশন ছাড়া ঢাকায় চলাচল করে। যাদের কোনো রুট পারমিশন নেই। আগামী ১ জুলাই থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ঢাকা উত্তর এবং দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, বিআরটিএ মিলে আমরা যৌথ অভিযান চালাবো। এই অভিযানে যাদের রুট পারমিট নেই তারা কেউ ঢাকা শহরে ঢুকতে এবং ঢাকার ওপর দিয়ে যেতে পারবে না।
তিনি আরও বলেন, আমরা দেখেছি বাসগুলো প্রথমে রেজিস্ট্রেশন নেয়, এরপর রুট পারমিশন গ্রহণ করে। কিন্তু সেটা আর হবে না। আগে রুট পারমিট গ্রহণ করতে হবে। তারপরে গাড়ি রেজিস্ট্রেশন হবে। আমরা আজকে দুই সিটি করপোরেশন মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি ঢাকা শহরে যেসব গাড়ি চলাচল করবে তাদের রুট পারমিশন থাকতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে মেয়র তাপস বলেন, আগামী ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ঘাটারচর থেকে মতিঝিল হয়ে সাইনবোর্ড পর্যন্ত বাস রুট রেশনালাইজেশন কার্যক্রম শুরু করতে চাচ্ছি। এটা আমাদের আজকের সভার মূল সিদ্ধান্ত। ঘাটারচরে একটি বাস ডিপো নির্মাণের জন্য আমরা দুই মেয়র একটি জায়গা শনাক্ত করেছি। এই রুটে চলাচলকারী বাসের মালিক পক্ষের সঙ্গে আমাদের চুক্তির খসড়া প্রণয়ন হয়েছে। সেই চুক্তি ৮ জুলাইয়ের মধ্যে চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। আমরা আশা করছি, আগামী ২৯ জুলাই এই চুক্তি সম্পাদন করা হবে।
পণ্য ডেলিভারির পর টাকা পাবে ইভ্যালিসহ অন্যান্য ই-কমার্স, লেনদেন নিয়ন্ত্রণ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক
ইভ্যালিসহ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো এখন থেকে ক্রেতাদের কাছে পণ্য ডেলিভারির পরই টাকা পাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের এসব লেনদেন নিয়ন্ত্রণ করবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মহাপরিচালক, ডাব্লিউটিও সেল) হাফিজুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) দুপুরে বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষের সভাপতিত্বে ‘ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা’ বিষয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাশেষে মহাপরিচালক হাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে একটি এসওপি সার্ভিস ডেভেলপ করা হবে। যাতে পণ্য ডেলিভারির আগে পেমেন্ট নেয়া না হয়। ব্যাংক বা ক্রেডিট কার্ড যাদের আছে, তারা পেমেন্ট কন্ট্রোল করবে।’ অতিরিক্ত সচিব হাফিজুর রহমান বলেন, ‘পেমেন্ট দেয়ার পর পণ্য ডেলিভারি হলে তারা যদি মেসেজ পায়, তারপর সেই পেমেন্ট কনফার্ম করবে। এটাই মোটামুটি সিদ্ধান্ত হয়েছে। শিগগিরই এসওপি ডেভেলপ করা হবে। ইমিডিয়েট বিষয় হলো- পেমেন্ট সিস্টেম কন্ট্রোল করা হবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে।’

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানকে বিশ্বাসযোগ্য করার জন্য তাদের কাছ থেকে জামানত রাখার কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি, আলোচনাও হয়নি।’
এমএলএম কোম্পানির মতো ঝুঁকিতে থাকা ই-কমার্সের কোনো প্রতিষ্ঠান পালিয়ে যেতে পারে কি-না এমন প্রশ্নে হাফিজুর রহমান বলেন, ‘এ ব্যাপারে আলোচনা হয়নি, এটি দেখা হবে। তবে ঝুঁকি আছে।’
ট্যাক্স-ভ্যাট ফাঁকির কোনো অভিযোগ আছে কি-না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে ট্যাক্স সংক্রান্ত কিছু ছিল না, এটি দেখিনি। তাদের সম্পদের চেয়ে দায় বেশি, সেটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’
ক্রেতাদের পণ্য কেনা নিয়ে কোনো বার্তা আছে কি-না প্রশ্নের জবাবে অতিরিক্ত সচিব বলেন, ‘ক্রেতাদের সতর্ক থাকতে হবে। যারা অস্বাভাবিক অফার দেয়, তারা সন্দেহজনক আচরণ করতে পারে। তারপরও আমরা আশা করি- তারা যেন অনলাইনে কার্ড বা বিকাশ-নগদের মতো সিস্টেমে পেমেন্ট করে, তাহলে পেমেন্ট কন্ট্রোল করা যাবে। এর বাইরে ভিন্ন পন্থায় যদি তারা অ্যাডভান্স দিয়ে দেয়, তাহলে কিন্তু সমস্যা হতে পারে।’
আইনিভাবে তাদের ব্যবসাকে কোনো সিস্টেমে আনা যাবে কি-না জানতে চাইলে হাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমরা একটি এসওপি ডেভেলপ করছি, সেটি ফলো করার জন্য বলা হবে। এছাড়া অনেকগুলো আইন আছে, প্যানাল কোর্ট আছে, ভোক্ত অধিকার সংরক্ষণ আইন, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট তো বহাল আছেই। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ ও ডাক টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রতিনিধি, রাজস্ব বোর্ডের প্রতিনিধি, বিটিআরসির প্রতিনিধি, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের প্রতিনিধি, ই-ক্যাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন।











