ঢাকা   রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩   দুপুর ১২:২৭ 

Home Blog Page 108

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত মিন্টু ও হাসেম, ভোট হবে সিলেটে

0

ঢাকা-১৪ ও কুমিল্লা-৫ আসনের উপনির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের দুই প্রার্থী।
দুই রিটার্নিং কর্মকর্তা শুক্রবার গণবিজ্ঞপ্তি করে এবিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন।
তবে বৃহস্পতিবার শেষ দিন পর্যন্ত কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন চার প্রার্থী।
ঢাকা-১৪ উপনির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহফুজা আক্তার জানান, আওয়ামী লীগের আগা খান মিন্টু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
কুমিল্লা-৫ উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেটের আবুল হাসেম খানও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন বলে রিটার্নিং অফিসারকে উদ্ধৃত করে কুমিল্লা প্রতিনিধি জানিয়েছেন।
সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে ২৮ জুলাই ইভিএমে এ ভোট হবে; প্রচার শুরু ৬ জুলাই।
সিলেট-৩ উপনির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ইসরাইল হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার শেষ দিনে কেউ মনোনয়পত্র প্রত্যাহার করেননি। তাই চার প্রার্থীই রয়েছেন প্রতিদ্বন্দ্বিতায়।
শুক্রবার প্রতীক বরাদ্দ পেলেও ৬ জুলাই থেকে প্রচারণা করতে পারবেন তারা।
আওয়ামী লীগের হাবিবুর রহমান, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, বাংলাদেশ কংগ্রেসের জুনায়েদ মোহাম্মদ মিয়া, স্বতন্ত্র শফি আহমদ চৌধুরী রয়েছেন লড়াইয়ে। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

সেনাবাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন জেনারেল শফিউদ্দিন আহমেদ

0

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, বৃহস্পতিবার (২৪-০৬-২০২১) দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন । তিনি পূর্বতন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ এর কাছ থেকে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর নবনিযুক্ত সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ শিখা অনির্বাণে পুস্পস্তবক অর্পণ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শাহাদাত বরণকারী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এরপর সেনাকুঞ্জে সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল তাঁকে “গার্ড অব অনার’ প্রদান করে এবং সেখানে তিনি একটি গাছের চারা রোপন করেন।এর আগে সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম শাহীন ইকবাল এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান নবনিযুক্ত সেনাবাহিনী প্রধানকে ”জেনারেল” র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন।

জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ০১ ডিসেম্বর ১৯৬৩ সালে খুলনা জেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক শেখ মোহাম্মদ রোকন উদ্দিন আহমেদ স্বাধীনতা-পূর্বকালে একনাগারে দুই যুগ জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।জেনারেল শফিউদ্দিন আহমেদ ২৩ ডিসেম্বর ১৯৮৩ সালে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি হতে ৯ম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের সাথে কমিশন লাভ করেন। কমিশন পরবর্তী তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে অপারেশন এলাকায় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদানপূর্বক তার সামরিক কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড এ্যান্ড ষ্টাফ কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় হতে মাষ্টারস্ ইন ডিফেন্স ষ্টাডিজ এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস্ (বিইউপি) হতে ডেভেলপমেন্ট এ্যান্ড সিকিউরিটি ষ্টাডিজ -এ প্রথম বিভাগে অসামান্য ফলাফলসহ এমফিল সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি বিইউপি এর অধীনে পিএইচডি সম্পন্নের উদ্দেশ্যে অধ্যয়নরত আছেন ।জেনারেল শফিউদ্দিন আহমেদ প্রথম স্থান অধিকার এবং এমআইএসটি গোল্ড মেডেল অর্জনসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে এমবিএ ডিগ্রী অর্জন করেন।

তিনি ২০১০ সালে সফলতার সাথে চীনের ন্যাশনাল ডিফেন্স ইউনিভার্সিটি (এনডিইউ) হতে ডিফেন্স এ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক ষ্টাডিজ কোর্স এবং মিরপুরে ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড এ্যান্ড স্টাফ কলেজ হতে আর্মি স্টাফ কোর্স সম্পন্ন করেন। পাশাপাশি তিনি এনডিইউ, ওয়াশিংটন হতেও গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন।তাঁর বর্ণাঢ্য চাকুরি জীবনে তিনি জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) হিসেবে আর্মি ট্রেনিং এ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একমাত্র লজিষ্টিকস্ ফরমেশন এবং ১৯ পদাতিক ডিভিশন কমান্ড করেন। এছাড়াও তিনি একটি পদাতিক ব্রিগেডের ব্রিগেড কমান্ডার, বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে কাউন্টার ইন্সারজেন্সি অপারেশন এলাকায় একটি পদাতিক ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক হিসেবে কমান্ড নিযুক্তিতে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ ইনষ্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল ষ্টাডিজ (বিআইআইএস) এর মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

জেনারেল শফিউদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন পাইওনিয়ার ডেপুটি ফোর্স কমান্ডার হিসেবে ২০১৪-২০১৬ পর্যন্ত ইউনাইটেড ন্যাশনস্ মাল্টিডাইমেনশনাল ইন্টিগ্রেটেড স্ট্যাবিলাইজেশন মিশন ইন দ্যা সেন্ট্রাল আফ্রিকা (মিনুস্কা)তে বহুজাতিক বাহিনীর নেতৃত্ব প্রদান করেন এবং অসামান্য কর্মদক্ষতা প্রদর্শনের জন্য এসআরএসজি কর্তৃক সাইটেশন প্রাপ্ত হন। তিনি বিভিন্ন ফরমেশন সদর দপ্তরে সিনিয়র অপারেশনাল এবং প্রশাসনিক ষ্টাফ অফিসারসহ সিনিয়র ডাইরেক্টিং স্টাফ হিসেবে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ, প্রশিক্ষক হিসেবে ক্যাডেট কলেজ ও প্লাটুন কমান্ডার হিসেবে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সদর দপ্তর আর্মি ট্রেনিং এ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড (আর্টডক) এর চিফ অব ডকট্রিন ডিভিশন এবং সেনাবাহিনী সদর দপ্তরে সামরিক প্রশিক্ষণ পরিদপ্তরের পরিচালক হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে তিনি সেনাসদরে কোয়ার্টার মাষ্টার জেনারেল হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত ও দুই কন্যা সন্তানের গর্বিত পিতা। আইএসপিআর।

মানবপাচার মামলার আসামি মোশাররফের জামিন স্থগিত

0

লিবিয়ায় মানবপাচার এবং পাচারের শিকার ২৬ বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যার মামলার আসামি মোশাররফ হোসেনের জামিন স্থগিত করেছে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার চেম্বার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এ আদেশ দেন।
রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো.বশির উল্লাহ। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির উল্লাহ পরে সাংবাদিকদের বলেন, “১৭ জুন মোশাররফ হোসেনকে জামিন দিয়েছিল হাই কোর্ট। সেই জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করা হয়। চেম্বার আদালত হাই কোর্টের এই আদেশটি ৮ সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছেন।”

হুইপ সামশুল হক, এমপি রতনসহ ৬ জনের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা, দুর্নীতির অভিযোগ

0

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জাতীয় সংসদের হুইপ, আরো দুই সংসদ সদস্যসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। নিষেধাজ্ঞা প্রাপ্তরা হলেন- চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ সামশুল হক চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম প্রধান সাজ্জাদুল ইসলাম, সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুল হাই এবং ঢাকা ওয়ান্ডার্স ক্লাবের কর্মচারী আবুল কালাম আজাদ।
গত ৭ জুন তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন তাদের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন। যেখানে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মকর্তাদের শত শত কোটি টাকা ঘুষ দিয়ে বড় বড় ঠিকাদারী কাজ নিয়ে বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাত, ক্যাসিনো ব্যবসা করে শত শত কোটি টাকা অবৈধ প্রক্রিয়ায় অর্জনপূর্বক বিদেশে পাচার ও জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন সংক্রান্ত অভিযোগের অনুসন্ধান চলমান রয়েছে এবং অনুসন্ধানকালে প্রাপ্ত তথ্য প্রমাণে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা প্রমাণিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তিনি জানতে পারেন যে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দেশ ত্যাগ করে অন্য দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যাতে দেশ ত্যাগ করতে না পারেন সেজন্য ২০১৯ সালের ২২ অক্টোবর বিশেষ পুলিশ সুপার (ইমিগ্রেশন, ল্যান্ড অ্যান্ড সি পোর্ট) স্পেশাল ব্রাঞ্চ, বাংলাদেশ পুলিশ, মালিবাগ বরাবর অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা একটি পত্র প্রেরণ করেন। এছাড়া সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিদেশ গমন নিষেধাজ্ঞা প্রদানে মাননীয় হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন নং ৮২৪/২০২১ সংক্রান্তে গত ১৬/৩/২১ ইং তারিখে রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশ মোতাবেক আদালতের পূর্বানুমতি গ্রহণের আবশ্যকতা রয়েছে।
দুদকের পক্ষে আবেদনের ওপর শুনানি করেন কৌঁসুলী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর।
শুনানি শেষে আদালতের আদেশে বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বিদেশে পালিয়ে গেলে অনুসন্ধান কার্যক্রম দীর্ঘায়িত ও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা কর্তৃক দাখিলকৃত দরখাস্ত ও অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় দরখাস্তটি মঞ্জুরযোগ্য বলে প্রতীয়মান হয়। সেই সাথে বিশেষ পুলিশ সুপার (ইমিগ্রেশন), ল্যান্ড অ্যান্ড সি পোর্ট, স্পেশাল ব্রাঞ্চ, বাংলাদেশ পুলিশ, মালিবাগ এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর ঢাকাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করা হলো।

আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মকর্তাদের শত শত কোটি টাকা ঘুষ দিয়ে বড় বড় ঠিকাদারি কাজ নিয়ে অনিয়মের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাত, ক্যাসিনো ব্যবসা করে শত শত কোটি টাকা অবৈধ প্রক্রিয়ায় অর্জনপূর্বক বিদেশে পাচার ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনসংক্রান্ত অভিযোগের অনুসন্ধান চলমান রয়েছে এবং অনুসন্ধানকালে প্রাপ্ত তথ্য প্রমাণে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা প্রমাণিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে মর্মে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা তার আবেদনে উল্লেখ করেন।
গত কয়েক বছরে ক্যাসিনোকাণ্ডসহ বিভিন্ন উপায়ে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অনুসন্ধানে হুইপ সামশুল হকের নাম উঠে এসেছে। তার সম্পদের পরিমাণ এক হাজার ৫৪৬ শতাংশ বেড়েছে বলে অভিযোগ আছে। এর আগে অনুসন্ধান শুরুর পর ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর সামশুল হকের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে ইমিগ্রেশনে চিঠি দিয়েছিল দুদক।

কদমতলীতে তিন খুন: বড় মেয়ে ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা

0

রাজধানীর কদমতলীতে মা, বাবা ও বোনকে হত্যার ঘটনায় মেহজাবিন ইসলাম ও তার স্বামী শফিকুল ইসলামকে আসামি করে মামলা হয়েছে।
কদমতলী থানায় মেহজাবিনের চাচা সাখাওয়াত হোসেন শনিবার ভোররাতে মামলাটি দায়ের করেন।
মেহজাবিনকে ইতোমধ্যে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে জানিয়ে ওসি বলেন, “তাকে সাত দিনের রিমান্ডে চাওয়া হয়েছে। আর তার স্বামী শফিকুল ইসলাম পুলিশ হেফাজতে মিটফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায়, তাকে এখন জিজ্ঞাসাবাদ করা সম্ভব সম্ভব সহচ্ছে না।”
শনিবার জাতীয় জরুরি সেবার হটলাইন ৯৯৯ এ একটি ফোন পেয়ে ঢাকার জুরাইনের মুরাদপুরে গিয়ে গৃহকর্তা মাসুদ রানা (৫০), তার স্ত্রী মৌসুমী ইসলাম (৪২) ও মেয়ে জান্নাতুল ইসলামের (২০) লাশ পায় কদমতলী থানা পুলিশ।
মাসুদ রানার বড় মেয়ে মেহজাবিন ইসলাম নিজেই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে ৯৯৯ এ ফোন করেন। লাশ উদ্ধারের সময়ই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য, ৯৯৯ এ ফোন করে মেহজাবিন বলেছিলেন, “তিনজনকে খুন করেছি, তাড়াতাড়ি আসেন, তা না হলে আরও দুইজনকে খুন করব।”
এছাড়া ওই বাড়ি থেকে মেহজাবিনের স্বামী শফিকুল ইসলাম (৪০) এবং তাদের ৪ বছর বয়সী শিশু সন্তানকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।
পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, পরিবারের সবার প্রতি ‘ক্ষোভ থেকে’ সবাইকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে ‘শ্বাসরোধে হত্যা করেন’ ২৪ বছর বয়সী মেহজাবিন।
তার স্বামী শফিকুল হাসপাতালে সাংবাদিকদের বলেন, শুক্রবার রাতে তার স্ত্রী তাকে চা দিয়েছিলেন। সেই চা পান করার পর আর কিছু তার মনে নেই।
, মাসুদ রানা প্রবাসে থাকতেন। তিন মাস আগে ওমান থেকে দেশে ফেরেন তিনি।
“মেহজাবিনের সাথে কথা বলে জানতে পেরেছি, বাবা না থাকায় তার মা তাকে এবং তার ছোট বোনকে দিয়ে দেহ ব্যবসা করাত। এসব নিয়ে প্রতিবাদও করেছিল সে, কিন্তু কোনো ফল হয়নি।
“তার বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর ছোট বোনকে দিয়ে ব্যবসা চলছিল। এর মধ্যে তার স্বামী ছোট বোনের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে। এছাড়া মেহজাবিনের বাবা মাসুদ রানা ওমানে আরেকটি বিয়ে করেছেন।”
এসব মিলিয়ে দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভ থেকে পরিবারের ‘সবাইকে হত্যার পরিকল্পনা করেন’ বলে মেহজাবিন পুলিশকে জানিয়েছেন। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

টেকসই উন্নয়নের জন্য বৈষম্যহীন ও সমতাভিত্তিক আইনি কাঠামো অপরিহার্য– আইনমন্ত্রী

0

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, যে কোনো দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য একটি বৈষম্যহীন ও সমতাভিত্তিক আইনি কাঠামো অপরিহার্য। এজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) অন্যান্য গোলের (Goal) সঙ্গে বৈষম্যহীন আইন ও নীতি প্রয়োগ বিষয়ক গোল ১৬(বি) বাস্তবায়নে বৈষম্য বিরোধী আইন প্রণয়নের উদ্যোগসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।
রোববার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ আয়োজিত লেজিসলেটিভ রিসার্চ বিষয়ক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, এসডিজির গোল- ১৬(বি) বাস্তবায়নে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ মুখ্য ভূমিকা পালন করছে। এর অংশ হিসেবে “আইনি গবেষণার মাধ্যমে তারতম্যমূলক আইন ও নীতি চিহ্নিতকরণপূর্বক উহা সংস্কার বিষয়ক প্রকল্প’’ গ্রহণ করা হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় ১৭৯৯ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রণীত ১২৮৬টি আইনে কোনো বৈষম্যমূলক বিধান রয়েছে কিনা তা গবেষণার মাধ্যমে চিহ্নিতকরণের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ/বিভাগকে গবেষণার দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছিল।বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আজ তাদের গবেষণালব্ধ ফলাফল উপস্থাপন করেছেন। গবেষণার মাধ্যমে তারা বিভিন্ন আইনের বৈষম্যমূলক বিধান, বৈষম্যের বিভিন্নরূপ, যেমন- লিঙ্গ ভিত্তিক বৈষম্য, ভাষার ব্যবহারের মাধ্যমে বৈষম্য, প্রয়োগের মাধ্যমে বৈষম্য ইত্যাদির স্বরূপ উৎঘাটনপূর্বক বেশ কিছু সুপারিশ প্রদান করেছেন।আইন মন্ত্রণালয় এসব সুপারিশ বিশ্লেষণ করবে যাতে সংশ্লিষ্ট আইনে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনয়ন করা যায়।এ ছাড়া সরকার বৈষম্য বিরোধী আইন প্রণয়নের যে উদ্যোগ নিয়েছে সেখানে এসব সুপারিশ বিবেচনা করা হবে।
অন্যান্য সরকারের সময়ে বাংলাদেশে আইন প্রণয়নের বিষয়ে গবেষণার জন্য বিশেষ কোন অর্থ বরাদ্দ না থাকার কথা জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর তিনি গবেষণার উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ দিয়েছেন।
মন্ত্রী বলেন, আমরা কখনো কখনো দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করি যে, কেউ কেউ আইন বিষয়ে গবেষণা এবং ভালোভাবে পড়াশুনা ছাড়াই আইন সম্বন্ধে কথা বলে থাকেন, আইনের ব্যাখ্যা দিয়ে থাকেন। আইন এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে বিষয়ে ভালোভাবে পড়াশুনা ও গবেষণা না করে ব্যাখ্যা দেওয়া যায় না। দিলে জনগণ বিভ্রান্ত হন।
লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব মো. মইনুল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের যুগ্ম-সচিব মো. হাফিজ আহমেদ চৌধুরী, প্রকল্প পরিচালক ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দীন বক্তব্য রাখেন।
এছাড়া কর্মশালায় বৈষম্যহীন ও সমতাভিত্তিক আইনি গবেষণাকর্ম প্যাকেজ-১, ২, ৩ ও ৪ এর টিম লিডার যথাক্রমে প্রফেসর ড. এম. আহসান কবির (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়), প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ আল ফারুক (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়), প্রফেসর কে.শামসুদ্দিন মাহমুদ (ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়) ও প্রফেসর ড. মো. রহমত উল্লাহ (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) নিজ দলের গবেষণাকর্মের ফলাফল উপস্থাপন করেন।
এ সময় আইন মন্ত্রণালয়ের উভয় বিভাগের কর্মকর্তাগণ ছাড়াও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

রোববার থেকে অধস্তন আদালতে শারীরিক উপস্থিতিতে মামলার কার্যক্রম চলবে

0

করোনা ভাইরাসের কারণে দুই মাসেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পরে অধস্তন দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত এবং ট্রাইব্যুনালগুলোতে শারীরিক উপস্থিতিতে স্বাভাবিক বিচার কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। রোববার থেকে এই কার্যক্রম শুরু হবে। তবে দেশের কোথাও স্থানীয় প্রশাসনের বিধি-নিষেধ জারি থাকলে সেখানে শারীরিক উপস্থিতি ছাড়াই ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে জামিন ও জরুরি দরখাস্ত শুনানি করা যাবে বলেও জানানো হয়েছে।
শনিবার (১৯ জুন) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অধস্তন সকল দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত এবং ট্রাইব্যুনালগুলোতে রবিবার (২০ জুন) থেকে শারীরিক উপস্থিতিতে স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তবে স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক দেশের কোনও জেলা সদর বা মহানগরে করোনাভাইরাসজনিত রোগ কোডিড-১৯ এর বিস্তার রোধকল্পে সার্বিক কার্যাবলি বা চলাচলে বিধি-নিষেধ জারি করা হলে সংশ্লিষ্ট জেলার বা মহানগরের দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত এবং ট্রাইব্যুনালগুলোতে শারীরিক উপস্থিতি ছাড়াই ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে জামিন ও জরুরি দরখাস্ত শুনানি করা যাবে।

‘দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলায় যে ক্ষেত্রে আদালতে পক্ষগণের উপস্থিতির আবশ্যকতা নেই সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আইনজীবী আদালতে হাজিরা দাখিল করবেন। জামিন শুনানি এবং আমলি আদালতে ধার্য তারিখে হাজিরার জন্য কারাগারে থাকা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালত প্রাঙ্গণে বা এজলাস কক্ষে হাজির করার আবশ্যকতা নেই। আদালতের বিচারিক কর্মঘণ্টার প্রথম ভাগে (সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর সোয়া ১টা পর্যন্ত) সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক বা আপিল বা রিভিশন কিংবা রিভিউ শুনানি এবং দ্বিতীয় ভাগে (দুপুর ২টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত) জামিন সংক্রান্ত বিবিধ মামলা, জামিনের দরখাস্ত ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্তসহ অন্যান্য দরখাস্ত শুনানির জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ প্রদান করা হলো।‘
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ‘অধস্তন দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত এবং ট্রাইব্যুনালগুলোতে স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে আদালত প্রাঙ্গণ এবং এজলাস কক্ষে সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ সংক্রান্তে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত বিজ্ঞপ্তিতে বর্ণিত নির্দেশনা প্রতিপালনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ প্রদান করা হলো।’
প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে গত ১১ এপ্রিল থেকে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে অধস্তন আদালতে শুধুমাত্র জামিনের শুনানির চলে আসছিলো।

পরীমণি কেলেঙ্কারী; নাসির উদ্দিনের ৩ নারী সহযোগী কারাগারে

0

চিত্রনায়িকা পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যার চেষ্টা মামলার আসামি জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং কুঞ্জ ডেভেলপার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন মাহমুদের (৬৫) তিন নারী সহযোগীকে মাদক মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। অন্যদিকে, একই মামলার আসামি তুহিন সিদ্দিকী অমির দুই সহযোগী বাছির মিয়া ও মশিউর রহমানের প্রতারণার মামলায় জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। শনিবার ঢাকা মহানগর হাকিম ধীমান চন্দ্র মন্ডল এ আদেশ দেন।
কারাগারে যাওয়া তিন নারী হলেন লিপি আক্তার (১৮), সুমি আক্তার (১৯) ও নাজমা আমিন স্নিগ্ধা (২৪)। তাদের তিন দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান জোনাল টিমের পরিদর্শক উদয় কুমার মন্ডল।
আসামিদের পক্ষে তাদের আইনজীবী মুহাম্মদ জুয়েল জামিন আবেদন করেন। বিচারক শুনানি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়ে রোববার জামিন শুনানির দিন ধার্য করেন।
গত ১৫ জুন আসামিদের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ওই দিন নাসির উদ্দিন এবং তুহিন সিদ্দিকী অমির (৩৩) সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। তারা বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছে।
এর আগে গত ১৫ জুন তুহিন সিদ্দিকী অমির দুটি রিক্রুটিং অ্যাজেন্সিতে অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে দুই শতাধিক পাসপোর্ট জব্দ করা হয়। পাসপোর্ট জব্দের পর অমিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দক্ষিণখান থানায় পাসপোর্ট আইনে মামলা দায়ের করেন সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কামাল হোসেন। ওই মামলায় গত ১৬ জুন জামিন হওয়া দুই আসামির দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
শনিবার রিমান্ড শেষে তাদের আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মোহাম্মদ আফতাব উদ্দিন আসামিদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিদের পক্ষে ঢাকা বারের সভাপতি আবদুল বাতেন তাদের জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত ৫ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ১৪ জুন দুপুরে সাভার থানায় ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিনসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। মামলা দায়েরের পর অভিযানে নামে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। ওই দিনই নাসির উদ্দিন আহমেদসহ পাঁচজনকে উত্তরার একটি বাসা থেকে আটক করে ডিবি পুলিশ।
অভিযানে ওই বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মদ-বিয়ার ও ইয়াবা জব্দ করা হয়। পরের দিনগত রাত ১২টা ৫ মিনিটে ডিবির গুলশান জোনাল টিমের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মানিক কুমার শিকদার বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

সিলেট- ৩ আসনে উপনির্বাচনে অংশ নেয়ায় বিএনপি থেকে শফি আহমেদ চৌধুরী বহিস্কার

0

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও দলের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার অভিযোগে বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শফি আহমেদ চৌধুরীকে বহিস্কার করেছে দলটি। শনিবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানা হয়েছে। বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও দলীয় দপ্তরের দায়িত্বে থাকা এমরান সালেহ প্রিন্স স্বাক্ষরিত প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও দলের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার সুষ্পষ্ট অভিযোগে দলীয় গঠনতন্ত্রের ৫ (গ) ধারা মোতাবেক জনাব শফি আহমেদ চৌধুরীকে জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান পূর্বক দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। দলের সিদ্ধান্ত ও শৃঙ্খলা অমান্য করার প্রেক্ষিতে গত ১৫ই জুন শফি আহমেদ চৌধুরীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছিল। উক্ত নোটিশের জবাবে তার বক্তব্য গ্রহণযোগ্য ও সন্তোষজনক হয় নি বিধায় তাকে বহিস্কারের এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
উল্লেখ্য সিলেট ৩ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি দলীয়ভাবে অংশ নিচ্ছে না। কিন্তু দলের সিদ্ধান্তের বাইরে সেখানে নির্বাচনে স্বতন্ত্র ভাবে অংশ নিচ্ছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শফি আহমদ চৌধুরী। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করায় তাকে বহিস্কার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএনপি।

দুদকের মামলায় জামিন পেলেন বরখাস্ত ডিআইজি (প্রিজনস) পার্থ গোপাল

0

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কারা উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজনস) পার্থ গোপাল বণিক জামিন পেয়েছেন।
ভার্চ্যুয়াল শুনানি নিয়ে গত বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত–৫–এর বিচারক ইকবাল হোসেন ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেন। প্রথম আলোকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজল।
মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, দুদকের পক্ষ থেকে তিনি ডিআইজি প্রিজনস পার্থ গোপাল বণিকের জামিন আবেদনের আপত্তি জানিয়ে আদালতে যুক্তি তুলে ধরেন। আদালত আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি নিয়ে পার্থ গোপাল বণিকের জামিন মঞ্জুর করেন।
দুদক ও আদালত–সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, দুদকের এই মামলায় পার্থ গোপাল বণিকের বিরুদ্ধে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। এর আগে গত বছরের ৪ নভেম্বর তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।
মামলার বাদী দুদক কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দিন আদালতকে বলেছিলেন, ২০১৯ সালের ২৭ জুলাই ডিআইজি পার্থ গোপাল বণিক চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তখন তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ৮০ লাখ টাকা অর্জন করেন। সেই টাকা পার্থ গোপাল বণিক তাঁর নিজ বাসার ক্যাবিনেটে লুকিয়ে রাখেন। অনুসন্ধানকালে অভিযান পরিচালনা করে তাঁর বাসা থেকে ওই টাকা জব্দ করা হয়।
মামলার কাগজপত্রের তথ্য বলছে, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও পাচারের অভিযোগে পার্থ গোপাল বণিকের বিরুদ্ধে গত বছরের ২৯ জুলাই মামলা করে দুদক। মামলাটি তদন্ত করে গত বছরের ২৩ আগস্ট পার্থ গোপাল বণিকের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামি পার্থ গোপাল বণিক গত বছরের ২৮ জুলাই দুদকে হাজির হয়ে অনুসন্ধান টিমের কাছে বক্তব্য দেন। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে পার্থ গোপাল বণিক জানান, তাঁর বাসায় ৩০ লাখ টাকা নগদ আছে। এই টাকার বৈধ উৎস তিনি দেখাতে পারেননি। পরে অভিযান চালিয়ে তাঁর বাসা থেকে ৮০ লাখ টাকা জব্দ করা হয়।সূত্র- প্রথম আলো।