ঢাকা   শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩   রাত ১০:৫৩ 

Home Blog Page 117

আশুলিয়ায় চলন্ত বাসে তরুণীকে গণধর্ষণ : ৫ আসামি রিমান্ডে

0

রাজধানী ঢাকার উপকণ্ঠ সাভারের আশুলিয়ায় চলন্ত বাসে তরুণীকে (২২) গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত পাঁচ আসামিকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত।
শনিবার দুপুরে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে ছয় আসামিকে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। এ সময় আসামিদের মধ্যে সুমন দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। পরে আদালত বাকি আসামিদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ডে নেয়া আসামিরা হলেন- আরিয়ান, সাজু, সাইফুল, সোহাগ ও মনোয়ার।
আশুলিয়া থানা পুলিশ ও মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারীর বোন মানিকগঞ্জে থাকেন। শুক্রবার তিনি বোনের বাসায় যান। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড থেকে নারায়ণগঞ্জে নিজের বাসায় ফেরার জন্য তিনি বাসে ওঠেন। রাত ৮টার দিকে আশুলিয়ার নবীনগর বাসস্ট্যান্ডে তাকে নামিয়ে দেয়া হয়। এ সময় বাসের জন্য তিনি অপেক্ষা করতে থাকেন।
রাত ৯টার দিকে নিউ গ্রামবাংলা পরিবহনের একটি মিনিবাসের চালকের সহকারী মনোয়ার ও সুপারভাইজার সাইফুল ইসলাম এসে টঙ্গী স্টেশন রোডের কথা বলে তার কাছে ৩৫ টাকা ভাড়া চান। তিনি মিনিবাসে উঠলে গন্তব্যে যাওয়ার আগেই সব যাত্রীকে নামিয়ে দেয়া হয়। চালক বাসটি নিয়ে আবার নবীনগরের দিকে রওনা হন। এ সময় বাসের জানালা ও দরজা আটকে বাসের চালক, সহকারীসহ ছয়জন ওই নারীকে ধর্ষণ করেন।
এ সময় ওই নারীর চিৎকারে টহল পুলিশ বাসটি থামিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে। এ সময় ওই ছয়জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন ঢাকার তুরাগ থানার গুলবাগ ইন্দ্রপুর ভাসমান গ্রামের মো: আরিয়ান (১৮), কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার তারাগুনা এলাকার সাজু (২০), বগুড়ার ধুনট উপজেলার খাটিয়ামারি এলাকার সুমন (২৪) ও একই এলাকার সোহাগ (২৫), বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার জিয়ানগর গ্রামের সাইফুল ইসলাম (৪০) এবং নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার ধামঘর এলাকার মনোয়ার (২৪)।

গ্রেফতারকৃতরা সবাই তুরাগ থানার কামারপাড়া ভাসমান এলাকায় ভাড়া থেকে আবদুল্লাহপুর-বাইপাইল-নবীনগর মহাসড়কে মিনিবাস চালাতেন।
এদিকে নির্যাতিতা ওই তরুণীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।
ভুক্তভোগী নারী স্বামী-সন্তান নিয়ে নারায়ণগঞ্জে থাকেন। তিনি সেখানে একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক। তার স্বামীর বাড়ি লালমনিরহাট।

বাবুল আক্তারকে ফেনী কারাগারে স্থানান্তর

0

স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় গ্রেফতার সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারকে চট্টগ্রাম কারাগারে থেকে ফেনী কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে।
ফেনী কারাগারের জেলার শাহাদাত হোসেন জানান, শনিবার দুপুর দেড়টায় ফেনী কারাগারে পৌঁছান।
ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বাবুল আক্তারকে ফেনী কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে খুনের মামলায় গ্রেফতারের পর রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গত ১৭ মে থেকে বাবুল আক্তার চট্টগ্রাম কারাগারে ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে নগরীর পাঁচলাইশ থানার ও আর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে বাসার অদূরে গুলি ও ছুরিকাঘাত করে খুন করা হয় মাহমুদা খানম মিতুকে। স্ত্রীকে খুনের ঘটনায় পুলিশ সদর দফতরের তৎকালীন এসপি বাবুল আক্তার নগরীর পাঁচলাইশ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর খুনের সাথে বাবুল আক্তার জড়িত, এই গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।
গত ১১ মে বাবুল আক্তারকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পিবিআই। তদন্তে বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের লক্ষ্যে ১২ মে ওই মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয় পিবিআই।
গত ১২ মে দুপুরে মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন নগরীর পাঁচলাইশ থানায় বাবুল আক্তারসহ আটজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মোশাররফ হোসেনের মামলায় বাবুল আক্তারকে গ্রেফতার করে পিবিআই। তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
১৭ মে বাবুল আক্তারকে জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদালতে হাজির করা হয়। প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা ম্যাজিস্ট্রেটের খাস কামরায় বসে থেকেও শেষ পর্যন্ত জবানবন্দি দিতে সম্মত হননি বাবুল আক্তার। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
সূত্র : ইউএনবি

মানসম্মত ওষুধ উৎপাদনে নামছে সেনাবাহিনী; আর্মি ফার্মা লিমিটেডের যাত্রা শুরু

0

মানসম্মত ওষুধ উৎপাদন ও বিপণনের লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ মেশিন ট্যুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেডের (বিএমটিএফ) সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করল ‘আর্মি ফার্মা লিমিটেড’।
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ বৃহস্পতিবার গাজীপুরের জয়দেবপুরের শিমুলতলীতে এ ওষুধ তৈরির কারখানার উদ্বোধন করেন বলে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
সেখানে বলা হয়, শত বিঘা জমির ওপর ‘অত্যাধুনিক’ প্রযুক্তি সম্বলিত এই কারখানায় ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, ইনজেকশন, সিরাপ, সাসপেনশন, ক্রিম, অয়েনমেন্ট, অ্যান্টিবায়োটিক, সাপোজিটরি, ইনহেলার উৎপাদনের পাশাপাশি ভ্যাকসিন, বায়োটেক, হরমোন, অ্যান্টি- ক্যান্সার ওষুধ এবং হারবাল ও অ্যাগ্রোভেট সামগ্রী উৎপাদনের সুযোগ রয়েছে।
আর্মি ফার্মা লিমিটেডে চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদনেরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে আইএসপিআর জানিয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী ও স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তির এই সময়ে আর্মি ফার্মার যাত্রা শুরুর বিষয়টিকে একটি ‘ঐতিহাসিক ঘটনা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান।
“প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ দিক নির্দেশনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও আর্মি ফার্মা আগামী দিনে স্বাস্থ্য খাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে তিনি মত প্রকাশ করেন। এ প্রসঙ্গ তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এ প্রতিষ্ঠানটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশের অন্যতম শীর্ষ ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।”
সেনাপ্রধান আর্মি ফার্মাকে তার ‘স্বপ্নের প্রকল্প’ হিসেবে বর্ণনা করে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, “ব্লাড প্রেশার, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা, পেপটিক আলসারের মতো অসুখে সর্বসাধারণ ভুগে থাকেন। আর্মি ফার্মা লিমিটেড থেকে উৎপাদিত উক্ত রোগসমূহের ঔষধ যাতে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যসহ নিম্ন আয়ের প্রান্তিক জনসাধারণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকে এবং সকলের জন্য সহজপ্রাপ্য হয়, সেজন্য আমি আর্মি ফার্মার প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাই।”
আইএসপিআর জানিয়েছে, মহামারীর এই সময়ে ওষুধ প্রশাসনের অনুমোদন নিয়ে জার্মনিল ব্র্যান্ডের হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ফেইস মাস্ক, হ্যান্ডওয়াশ ও এন্টিসেপটিক সলিউশন উৎপাদন ও বিপণন করে আসছে আর্মি ফার্মা।

চট্টগ্রামে ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার

0

হেফজখানায় ৯ বছরের ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার। গ্রেপ্তারকৃত মাদ্রাসা শিক্ষক হাফেজ আব্দুল্লাহ মোজাহিদ (২১)কে বুধবার রাতে উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের দুর্লভের পাড়ার একটি হেফজখানা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। মোজাহিদ ওই এলাকার বাসিন্দা মো. দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।
এ বিষয়ে লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকের হোসাইন মাহমুদ জানান, মোজাহিদ গত রমজান থেকে এক ছাত্রকে বলাৎকার করে আসছিলেন। গত বুধবার সকালে ভুক্তভোগী ছাত্রকে মাদ্রাসায় যাওয়ার কথা বললে কান্নাকাটি শুরু করে দেয়। কান্নার কারণ জানতে চাইলে এক পর্যায়ে ছাত্রটি বলাৎকারের ঘটনা খুলে বলে তার পরিবারকে।
বিষয়টি ছাত্রের পরিবার প্রথমে স্থানীয় বড়হাতিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জুনাঈদ চৌধুরীকে অবহিত করেন। এরপর চেয়ারম্যান বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করার পর বুধবার রাত ১০টার দিকে ওই হেফজখানার শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ছাত্রটিকে জোরপূর্বক বলৎকারের বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
এ ব্যাপারে ছাত্রটির নানা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শিক্ষক আবদুল্লাহ মুজাহিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।
শিশুটির নানা জানান, গত রমজান থেকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে আমার নাতিকে হেফজখানার শিক্ষক আব্দুল্লাহ বলাৎকার করে আসছিলেন। হুজুরের ভয়-ভীতির কারণে এতোদিন সে কাউকে বিষয়টি জানায়নি। বুধবার সকালে মাদ্রাসায় যেতে বললে সে কান্নাকাটি করে। আর মাদ্রাসায় যাবে না বলে জানায়। কারণ জানতে চাইলে সে বলাৎকারের বিষয়টি তার মাকে জানায়। পরে বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে জানানো হয়।
স্থানীয় বড়হাতিয়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান জুনাইদ চৌধুরী জানান, শিশুটির ওপর মাদ্রাসার শিক্ষক যে অমানবিক নির্যাতন চালিয়েছে তা সত্যিই দুঃখজনক। বিষয়টি জানতে পেরে আমি তাৎক্ষণিক লোহাগাড়া থানার ওসিকে অবহিত করেছি। তিনি ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছেন।

তরুণীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ভারতে গ্রেপ্তার ৫, এরা ঢাকার মগবাজারের

0

বাংলাদেশি এক তরুণীকে ভারতে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল হওয়া পর অভিযুক্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে বেঙ্গালুরু পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. শহিদুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ভাইরাল হওয়া ভারতে নারী নির্যাতনের ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় দায়ের করা মামলায় বাংলাদেশি আসামিদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।
এর আগে পুলিশ জানায়, কিছুদিন থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। এতে দেখা যায়, প্রায় ২০-২২ বছর বয়সী একটি মেয়েকে বিবস্ত্র করে ৩-৪ জন যুবক অমানবিক নির্যাতন করছে। সাইবার পেট্রোলিং এর অংশ হিসেবে ভিডিওটি নজরে আসে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের।
এই প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. শহীদুল্লাহ বলেন, ‘অনলাইন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে তা ভারতে সংঘটিত হয়েছে। তবে, ভিকটিম বাংলাদেশি। আর যে ৩-৪ জন যুবক ভিকটিমকে নির্যাতন করেছে তার একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তার নাম রিফাতুল ইসলাম হৃদয় যিনি স্থানীয়ভাবে ‘টিকটক হৃদয় বাবু’ নামে পরিচিত। নির্যাতনকারী হৃদয় হাতিরঝিলের মগবাজার এলাকায় বসবাস করত। হৃদয়ের মা ও মামার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানায় উচ্ছৃঙ্খল কর্মকাণ্ডের কারণে গত চার মাস আগে তারা তাকে বাসা থেকে বের করে দেন।
তিনি আরও বলেন, কৌশলে হৃদয়ের মামার হোয়াটস অ্যাপ নম্বর থেকে যোগাযোগ করা হলে হৃদয় জানায় সে তিন মাস আগে ভারতে চলে গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি ১৫-১৬ দিন আগের এবং ভুক্তভোগী বাংলাদেশি। ভুক্তভোগীর বাসাও হাতিরঝিল এলাকায়। হৃদয়ের দেওয়া তথ্যমতে, আমরা নির্যাতিতার পরিবারের খোঁজ পাই। তার পরিবার নির্যাতিত মেয়েকে চিনতে পারে।
মো. শহীদুল্লাহ বলেন, হৃদয় বর্তমানে ভারতের পুনেতে অবস্থান করছে জানালেও তার প্রকৃত অবস্থান সনাক্তের পাশাপাশি সে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছে কিনা তা যাচাই-বাছাই করা হবে। তার সহযোগী হিসেবে নির্যাতনে যারা অংশগ্রহণ করেছে তাদের পরিচয়ও শনাক্ত হওয়ায় কাজ চলমান রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটিকে সংঘবদ্ধ মানব পাচারকারী চক্র হিসেবে মনে হচ্ছে। যারা প্রেমের ফাঁদে ফেলে অসহায় ও বিদেশ গমনে ইচ্ছুক নারীদের প্রলুব্ধ করে বিদেশে পাচার করে থাকে। তদন্তের প্রয়োজনে আমরা ভারতের পুলিশ ও ইন্টারপোলের সহায়তায় এই নৃশংস ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করব

ফুলগাছ খাওয়ায় ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে ছাগল আটক ও জরিমানা; সমালোচনার মুখে ছাগল ফেরত দিলেন ইউএনও

0

বগুড়ার আদমদীঘিতে ছাগলের ফুলগাছ খাওয়ার ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের করা জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সীমা শারমিন। ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল বিতর্কের মুখে বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটার দিকে ছাগলের মালিক সাহারা বেগমকে উপজেলা প্রশাসন কার্যালয়ে ডেকে ছাগল ফেরত দেওয়া হয়।
আদমদীঘি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বলেন, ছাগল ফুলগাছ খাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ইউএনও দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেছিলেন। তবে জরিমানার অর্থ মালিক দিতে না পারায় একজনের জিম্মায় ছাগলটি রাখা হয়েছিল। বিষয়টি জানতে পেরে জনপ্রতিনিধি হিসেবে মধ্যস্থতা করে মালিকের কাছে ছাগলটি আজ ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ নেন।

জরিমানা অর্থ কে শোধ দিয়েছেন, জানতে চাইলে উপজেলা চেয়ারম্যান বলেন, জরিমানা অর্থ শোধ দেওয়ার সামর্থ্য মালিকের নেই। ইউএনও ভ্রাম্যমাণ আদালতে কাগজে-কলমে দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেই ফেলেছেন। আপাতত জরিমানার অর্থ ইউএনওই দিয়েছেন। জনপ্রতিনিধি হিসেবে ওই টাকা পরে তিনি তাঁকে দিতে চেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার ছাগলের মালিক সাহারা বেগম বলেন, ১০ দিন আটকে রাখার পর আজ বিকেলে তাঁকে ডেকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলামের মধ্যস্থতায় ছাগলটি ফেরত দেওয়া হয়। তাঁর কাছ থেকে জরিমানার কোনো অর্থ আদায় করা হয়নি। তিনি বলেন, ‘আমার ছাগলটি ১০ দিনে না খেয়ে শুকে (শুকিয়ে) গেছে।’
ইউএনও সীমা শারমিন বলেন, ছাগল ফুলবাগানের ক্ষতি করায় জন-উপদ্রব সৃষ্টির দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মালিককে সতর্ক করতে ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছিল। জরিমানার টাকা আদায়ের জন্য তাঁকে বারবার ডাকা হলেও তিনি আসেননি। বাধ্য হয়ে সংশোধনের জন্য অর্থদণ্ড করেছিলেন, তাঁকে শাস্তি দেওয়ার জন্য নয়।

জরিমানার অর্থ শোধ না দেওয়ায় ছাগলটি একজনের জিম্মায় দেওয়া হয়েছিল, বিক্রি করা হয়নি উল্লেখ করে ইউএনও বলেন, ‘পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি ছাগলের মালিক অসহায়, জরিমানার অর্থ শোধ দেওয়ার মতো তাঁর সামর্থ্য নেই। মানবিক দিক বিবেচনা করে জরিমানার অর্থ আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে ওই নারীকে তাঁর ছাগলটিই ফেরত দেওয়া হয়েছে। বিক্রি করার অভিযোগ সত্যি হলে প্রকৃত ছাগলটিই তিনি ফেরত পেতেন না।’
ইউএনও বলেন, সামান্য ভুল-বোঝাবুঝি থেকে বিষয়টি নিয়ে ‘লঙ্কাকাণ্ড’ হয়েছে। ছাগল ফেরত দেওয়ার মধ্য দিয়ে বিষয়টির অবসান হয়েছে। খবরের সূত্র -প্রথম আলো।

শেখ হাসিনার বহরে হামলা: দণ্ডিত ৭ জনকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন চেম্বার আদালতে স্থগিত

0

ঊনিশ বছর আগে সাতক্ষীরায় শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় বিচারিক আদালতে সাজাপ্রাপ্ত বিএনপির সাত নেতাকর্মীকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত হয়ে গেছে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতির আদালতে।
রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দকীর ভার্চুয়াল চেম্বার আদালত এ স্থগিতাদেশ দিয়ে এ বিষয়ে রোববার আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য নির্ধারণ করেন। অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত মঙ্গলবার হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এক আদেশে আসামি গোলাস রসুল, আব্দুস সামাদ, আব্দুস সাত্তার, জহিরুল ইসলাম, রাকিব, শাহাবুদ্দিন ও মনিরুল ইসলামকে জামিনের আদেশ দেয়।
ঊনিশ বছর আগে ২০০২ সালে সাতক্ষীরায় তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় নিম্ন আদালতে সাজাপ্রাপ্ত ১৮ আসামির মধ্যে ৭ জনকে জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে চার মাসের জন্য জামিন পেয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার, গোলাস রসুল, আব্দুস সামাদ, আব্দুস সাত্তার, রাকিব, শাহাবুদ্দিন ও মনিরুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (২৫ মে) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। একইসঙ্গে মামলার অন্য ১১ আসামির জামিনের আদেশের জন্য আগামী রবিবার (৩০ মে) দিন ধার্য করেন।
যশোর-সাতক্ষীরা সড়কে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় সাবেক সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমানসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। ওই দিনই কলারোয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোসলেম উদ্দিন বাদী হয়ে মামলা করেন। এ মামলায় তদন্ত শেষে হাবিবুল ইসলামসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।
আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশে এই হামলা হয়েছে। এরপর মামলার আসামি রাকিবের আবেদনে ২০১৭ সালের ২৩ আগস্ট হাইকোর্ট মামলার কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। একইসঙ্গে রাকিবের ক্ষেত্রে মামলার কার্যক্রম কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়। পরে রাকিবকে জামিন দেওয়া হয়।
এদিকে রাকিবের জামিন আবেদনের মাধ্যমে হাইকোর্টকে জানানো হয়েছিল, ২০০২ সালে ঘটনার সময় তার বয়স ছিল ১০ বছর। সুতরাং তার বিচার হতে হলে শিশু আইনে হবে।পরে ২০২০ সালের ৮ অক্টোবর রাকিবের মামলার বিষয়ে জারি করা রুল খারিজ করে রায় দেন হাইকোর্ট। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে রাকিবুল।
রাকিবুলের আবেদনে আপিল বিভাগ তিন মাসের মধ্যে নিম্ন আদালতকে মামলাটির বিচার সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন। এরপর বিচার শেষে সাতক্ষীরার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত গত ৪ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় সব আসামিকে সাজা দিয়ে রায় দেন।
রায়ে হাবিবুল ইসলামকে কয়েকটি ধারায় ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন। এছাড়া সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তারসহ অপরাপর আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়।
পরে মামলা থেকে খালাস চেয় আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করে এবং জামিন চেয়ে আবেদন জানান।

কথিত শিশুবক্তা রফিকুল আরও ৩ দিনের রিমান্ডে

0

ধর্ম নিয়ে বিভ্রান্তি ও উগ্রবাদ ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার কথিত শিশুবক্তা মাওলানা রফিকুল ইসলামকে আরও ৩ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে। রাজধানীর পল্টন থানার নাশকতার মামলায় বৃহস্পতিবার তাকে রিমান্ডে পাঠানো হয়। পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারীর ভার্চুয়াল আদালত তার এ রিমান্ডের আবেদন মঞ্জুর করেন।
এদিন ভার্চুয়ালি মাধ্যমে কারাগার থেকে রফিকুলকে আদালতে হাজির দেখানো হয়। এরপর পল্টন থানার মামলায় (মামলা নম্বর : ৬০(৩)২১) তাকে গ্রেফতার দেখানোপূর্বক ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করে শুনানি শেষে ৩ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।
উল্লেখ্য, গত ৮ই এপ্রিল নেত্রকোনার নিজ বাড়ি থেকে আটকের পর গাছা থানায় তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করে র‌্যাব। এ সময় তার কাছ থেকে ৪টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এরপর থেকে তিনি কাশিমপুর কারাগারে আছেন। তার বিরুদ্ধে একই আইনে গাজীপুরের বাসন থানায় আরেকটি মামলা হয়েছে।

বাংলাদেশে অনুমোদন পেল ফাইজারের টিকা

0

যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি ফাইজার ও জার্মান জৈবপ্রযুক্তি কোম্পানি বায়োএনটেকের তৈরি করা করোনারভাইরাসের টিকা বাংলাদেশে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ নিয়ে বাংলাদেশ করোনাভাইরাসের মোট চারটি টিকা অনুমোদন পেল।
এর আগে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড, রাশিয়ার তৈরি স্পুৎনিক-ভি এবং চীনের সিনোফার্মের তৈরি টিকার অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
এর মধ্যে সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে কেনা কোভিশিল্ড দিয়েই গত ফেব্রুয়ারির শুরুতে দেশে গণটিকাদান শুরু করেছিল সরকার। চীনের সিনোফার্মের কাছ থেকে টিকা কেনার প্রস্তাবও মঙ্গলবার সরকারের অনুমোদন পেয়েছে। উপহার হিসেবে চীনের কাছ থেকে পাওয়া এ টিকা দেশে প্রয়োগও শুরু হয়েছে।
রাশিয়ার কাছ থেকে স্পুৎনিক-ভি কেনার জন্য সরকারি পর্যায়ে আলোচনা চলছে। আর ফাইজার-বায়োএনটেকের তৈরি এক লাখ ৬২০ ডোজ টিকা বাংলাদেশ পাচ্ছে টিকার আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম কোভ্যাক্স থেকে।
ফাইজারের টিকার ওই চালান আগামী ২ জুন দেশে এসে পৌঁছাবে বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ইতোমধ্যে জানিয়েছেন।
গত বছরের ২ ডিসেম্বর বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে যুক্তরাজ্য ফাইজারের টিকা জরুরি ব্যবহারের অনুমতি দেয়। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে এখন এ টিকা প্রয়োগ করা হচ্ছে।
গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও তাদের জরুরি ব্যবহার্য টিকার তালিকায় ফাইজারের ভ্যাকসিনকে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড বা সিনোফার্মের তৈরি টিকার মতই ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকাও নিতে হবে দুই ডোজ করে। প্রথম ডোজ দেওয়ার ৩ থেকে ৪ সপ্তাহ পর দিতে হবে দ্বিতীয় ডোজ।
১২ বছর বা তার বেশি বয়সীদের ওপর ফাইজারের টিকা প্রয়োগ করা যাবে। চূড়ান্ত ধাপের ট্রায়ালে এ টিকা ৯৫ শতাংশ কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে বলে উৎপাদকদের ভাষ্য।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমানের স্বাক্ষরে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফাইজারের টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদনের জন্য গত ২৪ মে আবেদন করেছিল স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর টিকার ডোশিয়ের মূল্যায়ন শেষে ২৫ মে কোভিড-১৯ চিকিৎসার জন্য পাবলিক হেলথ ইমার্জেন্সির ক্ষেত্রে ঔষধ, ইনভেস্টিগেশনাল ড্রাগ, ভ্যাকসিন এবং মেডিকেল ডিভাইস মূল্যায়নের জন্য গঠিত কমিটির কাছে উপস্থাপন করে।
ওই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার ফাইজারের কোভিড-১৯ এমআরএনএ ভ্যাকসিন জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
পরীক্ষামূলক প্রয়োগে তুলনামূলকভাবে বেশি কার্যকারিতা দেখালেও ফাইজারের টিকা সংরক্ষণ ও সরবরাহের কাজটি কোভিশিল্ডের মত সহজ নয়।
কোভিশিল্ড যেখানে সাধারণ রেফ্রিজারেটরে ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা সম্ভব, সেখানে ফাইজারের টিকা মাইনাস ৯০ ডিগ্রি থেকে মাইনাস ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সংরক্ষণ করতে হবে।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ টিকা ২ ডিগ্রি থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ৫ দিন রাখা যাবে। আর রেফ্রিজারেটরের বাইরে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এ টিকা দুই ঘণ্টা ভালো থাকবে।
বাংলাদেশে এই টিকা দেওয়া হবে সরকারের করোনাভাইরাসের টিকা প্রয়োগ পরিকল্পনা অনুযায়ী। সরকারের ভ্যাকসিন ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে এখন চল্লিশ বা কার বেশি বয়সীরা করোনাভাইরাসের টিকা পাচ্ছেন। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

অনলাইন হচ্ছে ভূমি নিবন্ধন ব্যবস্থাপনা

0

নিবন্ধন অধিদপ্তরের অধীন সাব-রেজিস্ট্রি অফিসগুলোতে কাগজের ভলিউমে দলিল রেজিস্ট্রির পরিবর্তে অনলাইনে দলিল রেজিস্ট্রি ও রেকর্ড সংরক্ষণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।
এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এমপির নির্দেশনায় “ভূমি নিবন্ধন ব্যবস্থাপনা ডিজিটাইজেশনে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রকল্প” শিরোনামে একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে ।প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ ৩২ হাজার টাকা।
প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে সারা দেশের ১৭টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কাজ চলবে।
এ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বৃহস্পতিবার (২৭ মে) বিকেলে রাজধানীর নিবন্ধন অধিদপ্তরে এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এতে নিবন্ধন অধিদপ্তরের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির মহা-পরিদর্শক ও প্রকল্প পরিচালক শহীদুল আলম ঝিনুক এবং প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান লজিকফোরাম লিমিটের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক লে. কর্নেল মোহাম্মদ তারিকুল হক (অব.) চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার ও যুগ্ম সচিব এ এইচ এম হাবিবুর রহমানসহ নিবন্ধন অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রকল্পের উদ্দেশ্য হচ্ছে, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে দলিল রেজিস্ট্রির পরিবর্তে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন বা ই-রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি প্রচলনের উপযোগিতা যাচাইকরণ, ভূমি নিবন্ধন ব্যবস্থা ডিজিটাইজেশনের জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়ারের প্রকৃতি যাচাইকরণ, ভূমি নিবন্ধন ব্যবস্থা ডিজিটাইজেশনের সফটওয়ার ব্যবহারের জন্য হার্ডওয়ারের প্রকৃতি যাচাই ও পরিমাণ নির্ধারণ করা, হাতে লেখা এলটি নোটিশ এর পরিবর্তে ই-এলটি নোটিশ জারীর পরীক্ষামূলক সফটওয়ার উন্নয়ন, হাতে লেখা বালাম বইর পরিবর্তে ডিজিটাল বালাম প্রচলনের সম্ভাব্যতা যাচাইকরণ, ডিজিটাল সূচিকরণ বা ই-ইন্ডেক্সিং পরীক্ষামূলক চালুকরণ ও বিদ্যমান ম্যানুয়াল দলিলসমূহ ডিজিটাল করার সম্ভাব্য ব্যয় নির্ধারণ করা।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক মনে করেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে জমির মালিকানা, খতিয়ান, জাতীয় পরিচয়পত্র ইত্যাদি অনলাইনে অটোমেটিক যাচাই হবে এবং বায়োমেট্রিক টীপ গ্রহণ করে দলিল অনলাইনে রেজিস্ট্রি ও রেকর্ড সংরক্ষণ করা যাবে। ফলে সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়ে শৃঙ্খলা আসবে ও জাল জালিয়াতি প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। এতে রেজিস্ট্রি সেবা গ্রহণে মানুষের হয়রানী, সময় ও খরচ এবং আদালতে জমি-জমা সংক্রান্ত মামলা-মোকদ্দমা কমে যাবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।