ঢাকা   শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩   রাত ৯:৩০ 

Home Blog Page 118

রাজধানীতে ১০ হাজার পিস ইয়াবা ও ৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার

0

রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকা থেকে ১০ হাজার পিস ইয়াবা এবং তুরাগ এলাকা থেকে ৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ।
ডিএমপির মুখপাত্র জানান গোপনসূত্রে খবর পেয়ে গোয়েন্দা পুলিশ বুধবার বেলা পৌনে তিনটার দিকে নিউইস্কাটন এলাকায় অভিযান চালিয়ে রুহুল আমিন (৩১)কে আটক করে।

এ সময় তার হেফাজত থেকে ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এসব ইয়াবা মিয়ানমার থেকে কক্সবাজার হয়ে ঢাকায় পৌঁছে। একই দিন তুরাগ থানার পুলিশ খালপাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম- মোঃ নয়ন সিকদার (৩১)। এ সময় তার হেফাজত হতে ছয় কেজি গাঁজা উদ্ধার করে।

এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল বাতিল চেয়ে করা রিট খারিজ,বিষয়টি দেখবে স্বাস্থ্য অধিদফতর

0

২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ত্রুটিপূর্ণ ফলাফল বাতিল করে নতুন মেধা তালিকা প্রণয়ন করে মেডিক্যাল কলেজগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিট আবেদনটি পর্যবেক্ষণসহ খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত তার পর্যবেক্ষণে বলেছেন, রিটকারীরা চাইলে এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের কাছে আবেদন জানাতে পারেন। আর তারা আবেদন জানালে স্বাস্থ্য অধিদফতর যেন আবেদনের বিষয়টি সাত দিনের মধ্যে সুরাহা করে।
বৃহস্পতিবার (২৭ মে) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব।
এর আগে, গত ১৯ মে ফেরদাউস জাহান মারিয়াসহ ৩২৪ পরীক্ষার্থীর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব এ রিট দায়ের করেছিলেন। রিট আবেদনে, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক ও পরিচালক এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালককে বিবাদী করা হয়েছিলো।
রিট আবেদনে বলা হয়, গত ৪ এপ্রিল প্রকাশিত ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা ফলাফলে অসংখ্য ভুল এবং বড় ধরনের অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের গত ৭ ফেব্রুয়ারি প্রচারিত ভর্তি পরীক্ষার নিয়ম অনুযায়ী একজন পরীক্ষার্থী কোনও মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি থাকা অবস্থায় যদি দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন, তবে তার মোট প্রাপ্ত নম্বর থেকে ৭.৫ নম্বর কাটার কথা রয়েছে। আবার কোনও পরীক্ষার্থী যদি গত বছর এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করে থাকেন, তাহলে তার ৫ নম্বর কাটা যাবে।
কিন্তু প্রকাশিত ফলাফল থেকে দেখা যায় অনেক পরীক্ষার্থীর ক্ষেত্রেই এই নিয়মটি পালন করা হয়নি। যেসব পরীক্ষার্থীদের ৭.৫ নম্বর কাটার কথা সেখানে মাত্র ৫ নম্বর বাদ দেওয়া হয়েছে। ফলে ওইসব ভর্তি পরীক্ষার্থীদের ২.৫ নম্বর বেশি দিয়ে মেধা তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। আবার প্রথমবার পরীক্ষায় যেখানে কোনও নম্বর কাটবার কথা নয়, সেখানে অনেক পরীক্ষার্থীর ৫ নম্বর কেটে মেধা তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে।
এছাড়া ভর্তি পরীক্ষায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত পাঠ্যপুস্তক অনুযায়ী অন্তত দুটি নৈর্ব্যত্তিক প্রশ্নের সঠিক উত্তর ছিল দুটি করে। সেইসঙ্গে অন্তত তিনটি নৈর্ব্যত্তিক প্রশ্নের কোনও সঠিক উত্তর ছিল না। সংরক্ষিত জেলা ও উপজাতি কোটার আসন পূরণেও ব্যাপক অসঙ্গতি দেখা গেছে। ঢাকা জেলা কোটা আবেদনকারী পরীক্ষার্থীকে দেখানো হয়েছে মেহেরপুর জেলার পরীক্ষার্থী হিসেবে। উপজাতি কোটায় সংরক্ষিত আসনে অসংখ্য সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীকে নির্বাচিত করা হয়েছে।
এসব ত্রুটি ও অসঙ্গতি রেখে মেধা তালিকা প্রণয়ন করার ফলে হাজারো যোগ্য ও মেধাবী পরীক্ষার্থী মেডিক্যাল কলেজগুলোতে ভর্তি হওয়া থেকে বঞ্চিত হওয়ার মুখে পড়েছেন। এসব কারণে প্রকাশিত ফলাফল বাতিল করে এবং এসব ত্রুটি ও অসঙ্গতি সংশোধন করে নতুন মেধা তালিকা প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হলেও দৃশ্যমান কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। বরং ত্রুটিপূর্ণ মেধাতালিকার ভিত্তিতেই মেডিক্যাল কলেজগুলোতে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ২২ মে থেকে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতর ভর্তি কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে।

রিট আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ত্রুটিপূর্ণ মেধা তালিকার ভিত্তিতে মেডিক্যাল কলেজগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তি করানোর অর্থই হলো প্রকৃত মেধাবী শিক্ষার্থীকে বঞ্চিত করা। তাদের আজীবন লালিত আকাঙ্ক্ষা চিকিৎসাকে পেশা হিসাবে গ্রহণ করা থেকে বঞ্চিত করা। সেইসঙ্গে দেশের সামগ্রিক জনগোষ্ঠীকে স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেওয়া, যা বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭, ৩১, ৩২ ও ৪০ এর পরিপন্থী।
প্রসঙ্গত, এর আগে এক আইনি নোটিশে তিন দিনের মধ্যে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতর কর্তৃক ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ত্রুটিপূর্ণ মেধা তালিকার ভিত্তিতে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত করা এবং ত্রুটিপূর্ণ মেধা তালিকা বাতিল করে ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণ করে নতুন মেধা তালিকা প্রণয়ন করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু সে নোটিশের জবাব না পাওয়ায় রিট দায়ের করা হয়

চুয়ান্ন বছর বয়েসি মসজিদের ইমামের পরকিয়া, প্রেমিকার স্বামীকে গলাকেটে হত্যা করে লাশ রাখেন সেপটিং ট্যাংকে

0

চুয়ান্ন বছর বয়েসি মসজিদের ইমাম পঁচিশ বছর বয়েসী এক নারীর সঙ্গে পরকিয়ায় জড়িয়ে পথের কাঁটা সরাতে ওই নারীর স্বামীকে ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন। শুধু হত্যাই নয়, ওই ব্যক্তির লাশ কেটে টুকরো টুকরো করে মসজিদের সেপটিক টেংকির ভেতরে ঢুকিয়ে রাখা হয়।পঁচা লাশের গন্ধে আশপাশের লোকজন র‍্যাবকে খবর দিলে জানাজানি হয় বিষয়টি। ভয়ঙ্কর এই খুনের ঘটনা ঘটেছে রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকায়।

বুধবার এক প্রেস ব্রিফিংএ র‍্যাব জানায়, রাজধানীর দক্ষিণখান জামে মসজিদের পাশেই পোশাকশ্রমিক আজহারুলের ইসলামের ভাড়া বাসা। মসজিদটির ইমাম আবদুর রহমান আজহারুল ও তাঁর ছেলেকে তাঁদের বাসায় গিয়ে আরবি পড়াতেন। গত ফেব্রুয়ারিতে রহমানের সঙ্গে আজহারুলের স্ত্রী আসমা বেগমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সন্দেহ হলে রহমানকে বাসায় আসতে নিষেধ করেন আজহারুল। এ নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে আজহারুলের দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। এরপর আজহারুলকে সরিয়ে দিতে ঈদুল ফিতরের সাত দিন আগে রহমানের সঙ্গে আসমা হত্যা পরিকল্পনা করেন। এরই অংশ হিসেবে আজহারুল ও ছেলেকে নিয়ে আসমা টাঙ্গাইলে গ্রামের বাড়িতে ঈদ করতে যান। মা–ছেলে থেকে গেলেও ২০ মে আজহারুল ঢাকায় ফিরে কাজে যোগ দেন। সেখান থেকে ফিরলে ওই দিন এশার নামাজের পর রহমান মসজিদের দোতলায় তাঁর ঘরে আজহারুলকে ডেকে নেন। এসময় তাদের মাঝে কথা কাটাকাটি হয়। হাতাহাতিরও ঘটনা ঘটে। তখন ক্ষিপ্ত হয়ে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে কোরবানির গরু জবাইয়ের ছুরি দিয়ে আজহারের গলায় আঘাত করেন ইমাম মাওলানা আব্দুর রহমান। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর আজহারের মরদেহ ছয় টুকরা করে তাঁর দুই হাত, পা ও মাথা বিচ্ছিন্ন করে মসজিদের সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে ফেলে দেন। ট্যাংকের ঢাকনার ওপর সিমেন্টের বস্তা দিয়ে ঢেকে রাখেন। মঙ্গলবার আসমা ও মাওলানা রহমান জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্য দিয়েছেন বলে র‍্যাব জানায়।
র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, গত সোমবার রাতে কয়েকজন মুসল্লি দক্ষিণখানের ওই মসজিদের দোতলায় ওঠার সিঁড়িতে রক্তের দাগ দেখতে পেয়ে র‍্যাব-১–কে জানান। পরে র‍্যাব সদস্যরা সেখানে গিয়ে মসজিদের পাশের বাড়ির বাসিন্দা আজহারুলের নিখোঁজ থাকার তথ্য জানতে পারেন। মসজিদ এলাকা থেকে তখন দুর্গন্ধও ছড়াচ্ছিল। এরপর রহমানকে আটক করা হয়। তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারিতে আসমার সঙ্গে রহমানের সম্পর্কের বিষয়টি আজহারুল জানার পর তাদের দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। রহমান একটি সিম কিনে দিয়ে আসমার সঙ্গে যোগাযোগ এবং বাসার বাইরে দেখা-সাক্ষাৎ করতে থাকেন। র‍্যাব জানায়, রহমান জিজ্ঞাসাবাদে এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনার কথা জানান। পরে রহমানকে সঙ্গে নিয়ে সেপটিক ট্যাংক থেকে আজহারুলের ছয় টুকরা লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে আসমা বেগমকে আটক করে র‍্যাব। হত্যায় ব্যবহৃত তিনটি ছুরিও উদ্ধার করে র‍্যাব। আটক দুজনকে দক্ষিণখান থানায় সোপর্দ করা হয়। ওই ঘটনায় আজহারুলের ছোট ভাই আবুল হাসান বাদী হয়ে আসমা ও রহমানকে আসামি করে দক্ষিণখান থানায় হত্যা মামলা করেন। দক্ষিণখান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজিজুল হক জানান, আসমা ও মাওলানা রহমানকে ১০ দিনের রিমান্ডে চেয়ে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে পাঠানো হয়। আদালত প্রত্যেকের পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পল্লবীর সাহিনুদ্দিন হত্যা; রিমান্ড শেষে সাবেক সাংসদ আউয়াল কারাগারে

0

রাজধানীর পল্লবীর সাহিনুদ্দিন খান (৩৩) হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সাবেক সাংসদ ও তরীকত ফেডারেশনের সাবেক মহাসচিব এম এ আউয়ালকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত এই আদেশ দেন।
আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, সাহিনুদ্দিন হত্যা মামলায় চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাবেক সাংসদ এম এ আউয়ালসহ তিনজনকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে আউয়ালের পক্ষে তাঁর আইনজীবীরা আদালতে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আসামি নূর মোহাম্মাদ হাসান আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। অপর আসামি জহিরুল ইসলাম ওরফে বাবুকেও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। এর আগে ২৪ মে সুমন ব্যাপারী নামের আরেক আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
সাহিনুদ্দিন ১৬ মে বিকেলে সাত বছরের ছেলেকে নিয়ে মোটরসাইকেলে ঘুরতে বের হন। এ সময় পূর্বপরিচিত দুই ব্যক্তি মুঠোফোনে সাহিনুদ্দিনকে পল্লবীর ডি ব্লকে ডাকেন জমিজমা নিয়ে বিবাদ মীমাংসার জন্য। সাহিনুদ্দিন সেখানে গেলে ছেলের সামনেই তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, পল্লবীর ডি ব্লকের ৩১ নম্বর রোডে দুই তরুণ দুই পাশ থেকে সাহিনুদ্দিনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাচ্ছেন। একপর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরপর হামলাকারীদের একজন চলে যান। অন্যজন ওই ব্যক্তির ঘাড়ে কোপাতে থাকেন মৃত্যু হওয়া পর্যন্ত। পরে পুলিশ ফুটেজ দেখে একজনকে মানিক ও অন্যজনকে মনির বলে শনাক্ত করে।
এ ঘটনায় সাহিনুদ্দিনের মা আকলিমা বেগম সাবেক সাংসদ আউয়ালসহ ২০ জনের নাম উল্লেখ করে পল্লবী থানায় হত্যা মামলা করেন। গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে রূপনগর থানার ইস্টার্ন হাউজিংয়ে র‍্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মানিক নিহত হন। আর গত শনিবার দিবাগত রাত সোয়া দুইটার দিকে সাগুফতা হাউজিং এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সন্ত্রাসীদের ‘গোলাগুলির’ সময় মনির নিহত হন।
পল্লবীর ১২ নম্বর সেকশনের বুড়িরটেকে (আলীনগর) সাহিনুদ্দিন ও তাঁদের স্বজনদের ১০ একর জমি রয়েছে। সাহিনের মা আকলিমা বেগমের অভিযোগ, তাঁদের জমি দখলে ব্যর্থ হয়ে আউয়াল ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে সাহিনুদ্দিনকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন। তিনি বলেন, গত বছরের নভেম্বরেও সন্ত্রাসীরা সাহিনুদ্দিনকে কুপিয়ে আহত করেছিল। সেই ঘটনায় করা মামলায় পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করেনি। উল্টো আউয়ালের দেওয়া মিথ্যা মামলায় সাহিনুদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। খুন হওয়ার কিছুদিন আগে সাহিনুদ্দিন জামিনে মুক্তি পান।

জঙ্গিবাদ ছড়ানোর অভিযোগ, মুফতি আমির হামজা ৫ দিনের রিমান্ডে

0

ধর্মীয় উগ্রবাদ ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেফতার মুফতি আমির হামজার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলাম এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক কাজী মিজানুর রহমান মুফতি আমির হামজাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে সংসদ ভবনে তলোয়ার নিয়ে হামলা পরিকল্পনার মামলার তদন্তের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। গত ৫ই মে তলোয়ার নিয়ে সাকিব নামের এক যুবক সংসদ ভবনে হামলার চেষ্টা চালায়। সাকিবকে আটকের পর রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা হয়। ওই মামলার তদন্তের জন্য মুফতি আমির হামজাকে রিমান্ড চাওয়া হয়। আসামি পক্ষের আইনজীবী রিমান্ডের বিরোধিতা করে জামিন আবেদন করেন।ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলাম উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মুফতি হামজার বিরুদ্ধে ওয়াজের মাধ্যমে ধর্মের অপব্যাখ্যা ও উগ্রবাদ ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। সোমবার কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ি ইউনিয়নের ডাবিরাভিটা গ্রামের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

মুনিয়ার মৃত্যু: বসুন্ধরা গ্রুপের এমডিকে গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

0

কলেজশিক্ষার্থী মোসারাত জাহানকে (মুনিয়া) আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলার আসামি বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটি। বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনটির নেতারা এ দাবি জানান।
মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মেহেদী হাসান বলেন, আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা হওয়ার পর মৃত মোসারাত জাহানের নামে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি মহল। মামলার বাদী মোসারাতের বোন ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এমনকি মামলা প্রত্যাহারের জন্য নানা ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।

মেহেদী হাসান অভিযোগ করেন, ‘মুনিয়া হত্যাকাণ্ডকে শুরু থেকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার জন্য একটি মহল খুবই তৎপর। কেউ আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নিলে তার খুব বিপদ বলে বড় বোনকে দ্রুত আসতে বলবে কি?’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা, মুনিয়ার বড় বোন ও মামলার বাদী নুসরাত জাহান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের আইনবিষয়ক সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম কেন্দ্রীয় সংসদের ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব হাসান, আইনজীবী মাসুদ সালাউদ্দিন, যুগ্ম মহাসচিব হাবিবুল্লাহ মেজবাহ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কুমিল্লা মহানগরের সভাপতি আইরিন আহমেদ প্রমুখ।

রাজধানীর গুলশান এলাকার একটি বাসা থেকে গত ২৬ এপ্রিল কলেজশিক্ষার্থী মোসারাত জাহান মুনিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মুনিয়ার বোন নুসরাত জাহান বাদী হয়ে সায়েম সোবহানের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করেন। এ ছাড়া মুনিয়ার মৃত্যুর ছয় দিন পর তাঁর বড় ভাই আশিকুর রহমান বাদী হয়ে ঢাকার একটি আদালতে হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর ছেলে নাজমুল করিম চৌধুরী শারুনের নামে হত্যা মামলা নেওয়ার আবেদন করেন।

ভারত সরকারের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টে হোয়াটসঅ্যাপের মামলা

0

ভারতে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোকে সরকার আজ থেকে যে নতুন শর্তাবলী মানার নির্দেশ দিয়েছে, তার বিরুদ্ধে হোয়াটসঅ্যাপ দিল্লিতে মামলা করেছে।
দিল্লি হাইকোর্টে দায়র করা ওই মামলায় হোয়াটসঅ্যাপ বলেছে, ভারতীয় সংবিধানে নাগরিকদের যে প্রাইভেসি বা গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার দেওয়া হয়েছে সরকারের নির্দেশ তার পরিপন্থী।
অন্য দিকে ভারতের তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় যুক্তি দিচ্ছে, সোশ্যাল মিডিয়াতে ”ফেক নিউজ” কারা ছড়াচ্ছে বা কোন উৎস থেকে তা সৃষ্টি হচ্ছে সেটা জানার পূর্ণ অধিকার তাদের আছে।
বিশেষজ্ঞরাও মনে করছেন, এই বিতর্কে দুপক্ষের কথাতেই কিছু যুক্তি আছে – এবং সম্ভবত মাঝামাঝি একটা জায়গাতেই তাদের রফা করতে হবে।
হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, টুইটার বা গুগলের পেরেন্ট সংস্থা অ্যালফাবেটের মতো টেক জায়ান্টগুলোকে ভারতে বুধবার (২৬শে মে) থেকে যে কিছু নতুন বিধিনিষেধ মেনেই চলতে হবে – সরকার তা জানিয়ে দিয়েছিল প্রায় মাসতিনেক আগেই।
দেশের আইনমন্ত্রী ও তথ্য-প্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত রবিশঙ্কর প্রসাদ পার্লামেন্টেই ঘোষণা করেছিলেন, ভারতের আইনকে পাশ কাটিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো এদেশে ব্যবসা করতে পারবে না।
গত ফেব্রুয়ারিতেই তিনি পার্লামেন্টে বলেন, “আমরা এই প্ল্যাটফর্মগুলোকে সমালোচনা করার অধিকারও দিয়েছি – প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সরকারের যে কাউকে আপনি সেখানে আক্রমণ করতে পারেন, ভারতের সংবিধানও সেই অধিকার দেয়।”
“কিন্তু যদি সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার করে কেউ হিংসা ছড়ায়, ফেক নিউজ প্রচার করে বা সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষে উসকানি দেয় তাহলে আমাদের তার তদন্ত করতেই হবে।”
“আপনারা ভারতে ব্যবসা করুন কোনও সমস্যা নেই, এখানে আপনাদের কোটি কোটি ফলোয়ার আছে, যত খুশি টাকাও কামান – কিন্তু দেশের সংবিধান ও আইনকেও আপনাদের মেনে চলতে হবে।”
এই নতুন বিধিনিষেধ বলবৎ হওয়ার কথা আজ থেকেই। কিন্তু ঠিক তার আগে হোয়াটসঅ্যাপ দিল্লি হাইকোর্টে এর বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দিয়েছে।
তারা যুক্তি দিচ্ছে, সরকারের দাবি অনুসারে যদি কোনও মেসেজের ”অরিজিনিটের” কে, অর্থাৎ কার হাতে সেটির সৃষ্টি তা জানাতে হয় – তাহলে তাদের এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন ভাঙতে হবে এবং গোপনীয়তা রক্ষার ক্ষেত্রে আপষ করতে হবে।
ভারতে নরেন্দ্র মোদী সরকারের বিরুদ্ধে কোনও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মামলা রুজু করার ঘটনা এই প্রথম।
তবে বিতর্কটাও যে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক, তা স্বীকার করতে দ্বিধা নেই ইন্ডিয়ান স্কুল অব এথিক্যাল হ্যাকিংয়ের অধিকর্তা সন্দীপ সেনগুপ্তর।
তিনি বিবিসিকে বলছিলেন, “আসলে দুতরফেই কিছু বৈধ যুক্তি আছে। সরকারকে যেমন ফেক নিউজ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে, এটা ভারতে একটা মারাত্মক সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে।”
“ফেক নিউজ থেকে দেশে দাঙ্গা শুরু হতে পারে, অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা তৈরি হতে পারে, এমন কী বিদেশি শত্রুরাও এটাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে ভারতে গন্ডগোল বাঁধিয়ে দিতে পারে।”
“এই জন্যই সরকার সোশ্যাল মিডিয়াগুলোকে দুতিনটে শর্ত দিচ্ছে – যেমন, কোনও পোস্টকে সরকার ফেক নিউজ বলে চিহ্নিত করা মাত্র সেটাকে সরিয়ে নিতে হবে।”
“আর সেই সঙ্গেই জানাতে হবে কে প্রথম সেটি আপলোড করেছিল, অর্থাৎ ওই পোস্টের অরিজিনেটর কে!”
এর পাশাপাশি প্রতিটি সংস্থায় একজন নোডাল অফিসার রাখার শর্তও দেওয়া হয়েছে – যার সঙ্গে ফেক নিউজ বা আপত্তিকর কোনও পোস্ট নিয়ে সরকার সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবে।
কিন্তু এই সব শর্তে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বিপন্ন হবে বলেই মনে করছে হোয়াটসঅ্যাপ বা টুইটার।
মি সেনগুপ্ত বলছিলেন, “সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্টগুলোর পাল্টা যুক্তি হল, আমরা যদি কোনও পোস্টের অরিজিনেটর কে, সেই নামধাম একটা বন্ধ খামে করে আপনাদের জানিয়ে দিই তাহলে বাকস্বাধীনতার সঙ্গে অবশ্যই আপোষ করা হবে।”

“ধরা যাক, কেউ কোনও পোস্টে সরকারের কিছু সমালোচনা করল – তাহলে নতুন শর্ত অনুসারে সরকারের কাছে তার পরিচয় জানাতে এই কোম্পানিগুলো বাধ্য থাকবে। আর স্বৈরতন্ত্রের শুরু তো এভাবেই হয়!”
বিজেপির ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও সিনিয়র এমপি বিনয় সহস্রবুদ্ধে আবার পাল্টা যুক্তি দিচ্ছেন, “সোশ্যাল মিডিয়ায় যে কেউ নিজের ইচ্ছেমতো স্বাধীনভাবে নিজের মত প্রকাশ করতে পারেন – প্রথাগত মিডিয়ার সঙ্গে তাদের এটাই মূল পার্থক্য।”
“কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাগুলো যদি শুধু প্ল্যাটফর্ম দেওয়ার বদলে কে কী বলছেন, কেন বলছেন তার খবরদারি করতে বসে তাহলে তারাও একরকম প্রথাগত মিডিয়াই হয়ে যায়।”
“সে ক্ষেত্রে প্রেস কাউন্সিলের নিয়মকানুন বা বিদেশি বিনিয়োগের শর্ত কেন তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না?”, প্রশ্ন তুলছেন তিনি।
ভারতের আগে চীন-সহ বিভিন্ন দেশেই এই ধরনের শর্ত আরোপ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্টরা সরকারের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়েছে।
কোনও দেশে তারা পাট গুটিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে, কোথাও বা ব্যবসা করছে কিছুটা আপস করেই।
কোটি কোটি ইউজারের বাজার ভারতেও শেষ পর্যন্ত তারা একটা মাঝামাঝি রাস্তায় আসবে বলেই পর্যবেক্ষকরা ধারণা করছেন।

বাবুনগরী, মামুনুলসহ ৪৬ হেফাজত নেতার সম্পদের তথ্য চেয়েছে দুদক, তদন্ত হচ্ছে উগ্রবাদে জড়িত ১৩ সংগঠনের

0

হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির আমির জুনায়েদ বাবুনগরীসহ সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের ৪৬ জন নেতা-কর্মীর সম্পদের তথ্য চেয়ে সরকারের ৪টি দপ্তরে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের পরিচালক মো. আকতার হোসেন গতকাল সোমবার এই চিঠি পাঠান।

সরকারি দপ্তরগুলো হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট (বিএফআইইউ), চার জেলার (ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও নেত্রকোনা) পুলিশ সুপার, তিন থানার (ফটিকছড়ি, হাটহাজারী ও পটিয়া) সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রার। সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রারকে পাঠানো চিঠিতে হেফাজত নেতাদের পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জমির দাগ, খতিয়ানসহ নথি চাওয়া হয়েছে। আর বিএফআইইউ-এর প্রধানকে পাঠানো চিঠিতে সবার ব্যাংক হিসাবের তথ্য-উপাত্ত চাওয়া হয়েছে।
হেফাজতে ইসলাম ছাড়াও আরো ১৩ সংগঠন ও মাদ্রাসার বিভিন্ন নেতা ও কর্মকর্তার ব্যাংক লেনদেনের তথ্য জানতে চেয়েছে বিএফআইইউ। সাথে ৩০টি মাদ্রাসার অর্থ আদান প্রদানের তথ্যও জমা দিতে হবে।

জুনায়েদ বাবুনগরী ছাড়া যেসব নেতার অবৈধ সম্পদের খোঁজে দুদকের এই তৎপরতা শুরু হয়েছে, তাঁরা হলেন হেফাজতে ইসলামের সাবেক কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির আহমেদ আবদুল কাদের ও মাহফুজুল হক, যুগ্ম মহাসচিব জুনাইদ আল হাবিব, মামুনুল হক, নাসির উদ্দিন মনির, জালাল উদ্দিন, অর্থ সম্পাদক মনির হোসাইন কাসেমী, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামবাদী, আইনবিষয়ক সম্পাদক শাহীনুর পাশা চৌধুরী, সহকারী মহাসচিব ফজলুল করিম কাসেমী ও আজাহারুল ইসলাম, মুসা বিন ইসহাক, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আতাউল্লাহ আমিন ও সাখাওয়াত হোসাইন রাজী, মীর মুহাম্মদ ইদ্রিস, সহকারী অর্থ সম্পাদক মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ, শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক হারুন ইজাহার, সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক শোয়াইব আহমেদ, সহকারী প্রচার সম্পাদক কামরুল ইসলাম কাসেমী, ইসলামি বক্তা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, নুর হোসাইন নুরানী, মাহমুদুল হাসান গুনবী, হেফাজত আমিরের ব্যক্তিগত সহকারী ইনামুল হাসান ফারুকী, কেন্দ্রীয় নেতা জাকারিয়া নোমান, আজহারুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম কাসেমী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার শিক্ষাসচিব আবদুর রহিম কাসেমী, ওই মাদ্রাসার শিক্ষক মুহসিনুল করিম, জামিয়া ইসলামিয়া হলিমিয়া মধুপুর মাদ্রাসার নায়েবে মুহতামীম ওবায়দুল্লাহ কাসেমী, মধুপুরের পীরের ছেলে আবু আম্মার আবদুল্লাহ, হেফাজতের কর্মী মো. আহম্মেদ কাশেমী, এহসানুল হক, রাবেতাতুল ওয়ায়েজিনের সাধারণ সম্পাদক হাসান জামিল, জাতীয় ওলামা মাশায়েখ পরিষদের সভাপতি খলিলুর রহমান মাদানি, আশরাফ উদ্দিন মাহদি (মুফতি ফজলুল হক আমিনীর নাতি, বর্তমানে মিশরপ্রবাসী), মোহাম্মদ উল্লাহ জামি, বাহিরদিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ শাহ আকরাম আলী, শামসুল উলুম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ কামরুজ্জামান, সদস্য কেফায়েত উল্লাহ, জয়নাল আবেদীন ও সামছুল ইসলাম জিলানী, গাজী ইয়াকুব ওসমানী, আসাদুল্লাহ আসাদ, আলী হাসান উসামা ও আসাদুল্লাহ অসাদ। তাঁদের মধ্যে অনেকে সহিংসতার মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন।

গত ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে শুরুতে বিক্ষোভের কর্মসূচি। বিক্ষোভ পরবর্তীতে রূপ নেয় ভাঙচুর ও সহিংসতায়। দেশজুড়ে হেফাজত কর্মীদের তাণ্ডবে মারা যান ১৩ জন। এরপরই সরকারি এক সংস্থার চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে, দেশের সব ব্যাংকের কাছে হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতাদের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চায় বিএফআইইউ।
বিএফআইইউ নিজস্ব উদ্যোগেও সন্দেহজনক ব্যাংক হিসাবের তথ্য চাইতে পারে। এছাড়া, সিআইডি, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং এনবিআর এই তিন সংস্থা বিএফআইইউর কাছে যে কোনও ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চাইতে পারে। মূল উদ্দেশ্য জঙ্গি অর্থায়ন আর অর্থ পাচারে জড়িত কী না দেখা।
হেফাজতে ইসলাম ছাড়াও আরো ১৩ সংগঠন ও মাদ্রাসার বিভিন্ন নেতা ও কর্মকর্তার ব্যাংক লেনদেনের তথ্য জানতে চেয়েছে বিএফআইইউ। সাথে ৩০টি মাদ্রাসার অর্থ আদান প্রদানের তথ্যও জমা দিতে হবে

দুদক সূত্রে জানা গেছে, এ বিষয়ে অনুসন্ধানের জন্য ১৭ মে দুদক পরিচালক মো. আকতার হোসেনকে প্রধান করে ছয় সদস্যের একটি দল গঠন করা হয়। অন্য সদস্যরা হলেন উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম ও মোহাম্মদ নুরুল হুদা, সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ ও মো. সাইদুজ্জামান, উপসহকারী পরিচালক মো. সহিদুর রহমান।
অনুসন্ধান দল তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই করবে। তারপর যেসব অভিযোগ সুনির্দিষ্টভাবে আসবে, সেগুলোর তদন্ত হবে। যত দ্রুত সম্ভব, তদন্ত শেষ করা হবে।

নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের ২ সদস্য গ্রেফতার

0

নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)।
গ্রেফতারকৃতরা হলো- মোঃ আব্দুল্লাহ (২৬) ও আনোয়ার হোসেন (৪৮)। এসময় তাদের হেফাজত হতে ০৯ টি মোবাইল ফোন, ১টি হার্ড ডিস্ক ও নগদ ২ লাখ ১ হাজার ১৮৫ টাকা উদ্ধার করা হয়।
২৩ মে, (শনিবার) চট্টগ্রাম নগরীতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে সিটিটিসির কাউন্টার টেরোরিজম ইনভেস্টিগেশন বিভাগ। সিটিটিসি সূত্রে জানা যায়, গত ৫ মে, রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে রুজুকৃত একটি মামলা তদন্ত শুরু করে কাউন্টার টেরোরিজম ইনভেস্টিগেশন বিভাগ। উক্ত মামলার ঘটনায় জড়িত আব্দুল্লাহ ও আনোয়ারকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃতরা আনসার আল ইসলামের সক্রিয় সদস্য। এর মধ্যে আব্দুল্লাহ একজন আইটি এক্সপার্ট। সে মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবসার আড়ালে আনসার আল ইসলাম সংগঠনের হয়ে কাজ করতো। কারাগারে আটক সদস্যদের জামিন, অর্থ সংগ্রহ, সংগঠনের প্রচার ও নতুন সদস্য সংগ্রহের জন্য কাজ করতো। গ্রেফতারকৃত আব্দুল্লাহর কাছ থেকে উদ্ধারকৃত হার্ড ডিস্কে উগ্রবাদী বার্তা সম্বলিত অডিও, ভিডিও, পিডিএফ বই এবং সংগঠনের অন্য সদস্যদের সঙ্গে গোপন যোগাযোগের তথ্য রয়েছে। উক্ত মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হারুন ইজাহার এর নির্দেশে তারা কার্যক্রম পরিচালনা করতো। এদের আদালতের মাধ্যমে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

ডিএমপির ৪ থানায় নতুন ওসি

0

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বংশাল, বাড্ডা, রুপনগর ও পল্লবী থানায় ৪ ওসিকে বদলি করা হয়েছে।
বদলিকৃত কর্মকর্তারা হলেন-মুগদা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল খায়েরকে অফিসার ইনচার্জ, বংশাল থানা; শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আরিফুর রহমান সরদারকে অফিসার ইনচার্জ, রুপনগর থানা; রূপনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল কালাম আজাদকে অফিসার ইনচার্জ, বাড্ডা থানা ও বাড্ডা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ পারভেজ ইসলাম পিপিএম (বার) কে পল্লবী থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ মে) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাঃ শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ বদলি করা হয়।
একই আদেশে পল্লবী থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী ওয়াজেদ আলীকে ডিবি গুলশান বিভাগ, ডিবি গুলশান বিভাগের পরিদর্শক মোঃ আব্দুল মালেককে ডিএমপির ডেভেলপমেন্ট বিভাগ ও রুপনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু মাহমুদ কাওসার হোসেনকে শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বংশাল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহীন ফকির বরিশাল র‌্যাঞ্জ এ বদলি হওয়ায় গত ১৮ মে থেকে পরিদর্শদক (তদন্ত) অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব পালন করছেন।