ঢাকা   শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩   রাত ৮:১০ 

Home Blog Page 119

শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা: দণ্ডিত ৭ আসামিকে হাইকোর্টের জামিন .

0

ঊনিশ বছর আগে ২০০২ সালে সাতক্ষীরায় তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় নিম্ন আদালতে সাজাপ্রাপ্ত ১৮ আসামির মধ্যে ৭ জনকে জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে চার মাসের জন্য জামিন পেয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার, গোলাস রসুল, আব্দুস সামাদ, আব্দুস সাত্তার, রাকিব, শাহাবুদ্দিন ও মনিরুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (২৫ মে) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। একইসঙ্গে মামলার অন্য ১১ আসামির জামিনের আদেশের জন্য আগামী রবিবার (৩০ মে) দিন ধার্য করেন।
আদালতে জামিন আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন ও অ্যাডভোকেট গাজী মহসীন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মুনীর, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইয়াহিয়া দুলাল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ শাহীন।
এর আগে যশোর-সাতক্ষীরা সড়কে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় সাবেক সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমানসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। ওই দিনই কলারোয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোসলেম উদ্দিন বাদী হয়ে মামলা করেন। এ মামলায় তদন্ত শেষে হাবিবুল ইসলামসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।
আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশে এই হামলা হয়েছে। এরপর মামলার আসামি রাকিবের আবেদনে ২০১৭ সালের ২৩ আগস্ট হাইকোর্ট মামলার কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। একইসঙ্গে রাকিবের ক্ষেত্রে মামলার কার্যক্রম কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়। পরে রাকিবকে জামিন দেওয়া হয়।
এদিকে রাকিবের জামিন আবেদনের মাধ্যমে হাইকোর্টকে জানানো হয়েছিল, ২০০২ সালে ঘটনার সময় তার বয়স ছিল ১০ বছর। সুতরাং তার বিচার হতে হলে শিশু আইনে হবে।পরে ২০২০ সালের ৮ অক্টোবর রাকিবের মামলার বিষয়ে জারি করা রুল খারিজ করে রায় দেন হাইকোর্ট। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে রাকিবুল।
রাকিবুলের আবেদনে আপিল বিভাগ তিন মাসের মধ্যে নিম্ন আদালতকে মামলাটির বিচার সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন। এরপর বিচার শেষে সাতক্ষীরার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত গত ৪ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় সব আসামিকে সাজা দিয়ে রায় দেন।
রায়ে হাবিবুল ইসলামকে কয়েকটি ধারায় ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন। এছাড়া সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তারসহ অপরাপর আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়।
পরে মামলা থেকে খালাস চেয় আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করে এবং জামিন চেয়ে আবেদন জানান।

উগ্রবাদ ছড়ানোর অভিযোগে মুফতি আমির হামজা আটক

0

ধর্মীয় উগ্রবাদ ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগে বিতর্কিত ইসলামি বক্তা মুফতি আমির হামজাকে আটক করেছে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)। সোমবার (২৪ মে) তাকে কুষ্টিয়া থেকে আটক করা হয়।
প্রসঙ্গত, গত ৫ মে তলোয়ার নিয়ে সংসদ ভবনে হামলা চালানোর চেষ্টারত সাকিব নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সাকিবকে আটকের পর শেরেবাংলা নগর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় সাকিবসহ আলী হাসান উসামা ও মাওলানা মাহমুদুল হাসান গুনবীকে আসামি করা হয়।
কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট সূত্রে জানা গেছে, সাকিবের কাছ থেকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ‘সাকিব মোবাইল ফোনে উগ্রবাদ বার্তা সংবলিত ভিডিও প্রচারকারী আলী হাসান উসামা, মাহমুদুল হাসান গুনবী, আমির হামজা, হারুন ইজহার প্রমুখ ব্যক্তির উগ্রবাদী জিহাদি হামলার বার্তা সংবলিত ভিডিও দেখে উগ্রবাদে আসক্ত হয়।’
ওই এজাহারে মুফতি আমির হামজার নাম ছিল। তার সূত্রে ধরেই তাকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিটিটিসি সূত্র।
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সদস্য মোজাম্মেল হক স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানান, রোববার বিকেলে মুফতি আমির হামজা বাড়িতে আসেন। এরপর সোমবার বিকালে তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।
মুফতি আমির হামজা কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ী ইউনিয়নের রিয়াজ সর্দারের ছেলে। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় মুফাসীর পরিষদের কেন্দ্রিয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তার বিরুদ্ধে ধর্মীয় উগ্রবাদ ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। ওয়াজের নামে তিনি ধর্মের অপব্যাখ্যা দেন বলে ধর্মীয় পণ্ডিতরা দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছেন।

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকের মৃত্যুতে আইনমন্ত্রীর শোক

0

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এমপি।
শোকবার্তায় মন্ত্রী জানান, হাবীবুল্লাহ সিরাজী ছিলেন অসাধারণ প্রতিভার অধিকারী। একজন প্রকৌশলী হয়েও তিনি একাধারে কবিতা, উপন্যাস ও শিশুসাহিত্য লিখেছেন। কবিতা ও কর্মে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও প্রগতিশীলতাকে চমৎকারভাবে উপস্থাপন করেছেন। কর্মগুণেই তিনি একুশে পদক, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারসহ অনেক পুরস্কার পেয়েছেন। সৃজনশীলতা ও কর্মের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্য জগতে চির স্মরণীয় হয়ে থাকবেন তিনি।
আইনমন্ত্রী শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজীর জীবনাবসান

0

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী আর নেই। শারীরিক নানা জটিলতা নিয়ে এক মাস হাসপাতালে থাকার পর সোমবার তার মৃত্যু হয়েছে। একুশে পদকে ভূষিত হাবীবুল্লাহ সিরাজীর বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন।
হাবীবুল্লাহ সিরাজীর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এক শোক বার্তায় তিনি বলেছেন, “হাবীবুল্লাহ সিরাজী কবিতা ও কর্মে মুক্তিযুদ্ধ এবং প্রগতিশীলতাকে তুলে ধরেছেন, যা পাঠকমহলে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।”

ঢাকার বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাত ১১টার দিকে হাবীবুল্লাহ সিরাজীর মৃত্যু হয় বলে বাংলা একাডেমির সচিব এ এইচ এম লোকমান জানিয়েছেন। “প্রায় এক মাস উনি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।

“শারীরিক নানা জটিলতা নিয়ে এপ্রিলের ২৫ তারিখ তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। এর আগে উনার শরীরের টিউমারের সার্জেরি ও এন্ডোসকপি করা হয়েছিল। বেশ কিছুদিন বাসায় চিকিৎসা নেওয়ার পর স্বাস্থ্যের অবনতি হলে ভেন্টিলেশন সাপোর্টে নেওয়া হয়।”

কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী ২০১৮ সালে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক নিযুক্ত হয়েছিলেন।

বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় শেষ শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে হাবীবুল্লাহ সিরাজীর মরদেহ রাখা হবে। জানাজার পর আজিমপুর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

হাবীবুল্লাহ সিরাজীর জন্ম ১৯৪৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর ফরিদপুর জেলার রসুলপুর গ্রামে।

ফরিদপুর জিলা স্কুল থেকে মাধ্যমিক, রাজেন্দ্র কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে স্নাতক ডিগ্রি নেন ১৯৭০ সালে।

পেশাজীবনে হাবীবুল্লাহ সিরাজী ১৯৭২ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত দেশ ও দেশের বাইরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন।

তিনি বাংলা একাডেমি এবং ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ার্সের ফেলো ছিলেন। ২০০৭-২০১৫ মেয়াদে জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি এবং সর্বশেষ উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেছেন। 

২০১৮ সালে ২০ ডিসেম্বর সরকার তাকে তিন বছর মেয়াদে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকের দায়িত্ব দেয়।

তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ৩২টি। এছাড়া তিনি দুটি উপন্যাস, দুটি প্রবন্ধ, একটি স্মৃতিকথা এবং ১০টির মতো ছড়াগ্রন্থ রচনা করেছেন।

হাবীবুল্লাহ সিরাজীর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে দাও বৃক্ষ দাও দিন, মোমশিল্পের ক্ষয়ক্ষতি, হাওয়া কলে জোড়া গাড়ি, নোনা জলে বুনো সংসার, স্বপ্নহীনতার পক্ষে, পোশাক বদলের পালা, বিপ্লব বসত করে ঘরে, ছিন্নভিন্ন অপরাহ্ন, সারিবদ্ধ জ্যোৎস্না, মিথ্যে তুমি দশ পিঁপড়ে, আমি জেনারেল ইত্যাদি।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি ২০১৬ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

জামিন পেলেন সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম

0

সরকারি নথি ‘চুরির চেষ্টার’ অভিযোগে ‘অফিসিয়াল সিক্রেটস’ আইনের মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে জামিন দিয়েছে আদালত।
রোববার ভার্চুয়াল আদালতে শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর হাকিম বাকী বিল্লা পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকা এবং পাসপোর্ট জমা দেওয়ার শর্তে তার জামিন মঞ্জুর করেন।
রোজিনার জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শুরু হয়েছিল গত বৃহস্পতিবার। তবে বিচারক সেদিন কোনো সিদ্ধান্ত না দিয়ে বিষয়টি রোববার আদেশের জন্য রাখেন।
রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আবদুল্লাহ আবু রোববার শুনানিতে বলেন, সাংবাদিক রোজিনাকে জামিন দেওয়া হলে তাদের আপত্তি নেই। তবে তার পাসপোর্ট যেন জমা রাখা হয়।
পরে বিচারক সেই শর্তেই রোজিনার জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দেন।   
রোজিনার পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী এহসানুল হক সমাজি ও আশফ উল আলম। তাদের সঙ্গে ছিলেন প্রশান্ত কর্মকার ও আমিনুল গণি টিটো।
তবে ভার্চুয়াল শুনানি হওয়ায় রোজিনাকে আদালতে আনা হয়নি। তাকে রাখা হয়েছে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে।

রাষ্ট্রীয় গোপন নথি ‘চুরির চেষ্টার’ অভিযোগে প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামকে গত ১৭ মে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের এক কর্মকর্তার কক্ষে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা আটকে রাখা হয়।
পরে রাতে তাকে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করে ব্রিটিশ আমলের অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ও দণ্ডিবিধির কয়েকটি ধারায় মামলা করে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ।
রোজিনা ইসলাম তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আর তার সহকর্মীরা বলেছেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ‘অনিয়ম-দুর্নীতি’ নিয়ে প্রতিবেদন করায় তাকে ‘হয়রানি’ করা হচ্ছে ব্রিটিশ আমলের এক আইন ব্যবহার করে।
সচিবালয়ে আটকে রাখার সময় রোজিনাকে ‘শারীরিকভাবে হেনস্তা’ করা হয় বলেও অভিযোগ করেছে তার পরিবার।
তাকে ‘হেনস্তা ও গ্রেপ্তারের’ প্রতিবাদে সারা দেশেই রাস্তায় নামেন ক্ষুব্ধ সাংবাদিকরা। দেশে ‘স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিয়ে’ প্রশ্ন তোলেন বিরোধী দলের নেতারা।
সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্ট- সিপিজে এবং রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস (আরএসএফ) রোজিনাকে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়ে বিবৃতি দেয়।
আর জাতিসংঘ এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলে, সাংবাদিকদের ‘হয়রানিমুক্তভাবে’ কাজ করার সুযোগ দিতে হবে।
রোজিনাকে কেন সেদিন দীর্ঘ সময় আটকে রাখা হল, সেই ব্যাখ্যা জানতে চায় বাংলাদেশের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। তথ্যসূত্র – বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

পল্লবীর সাহিনুদ্দিন হত্যার আসামি মনিরও ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

0

রাজধানীর পল্লবীতে সাহিনুদ্দিন হত্যা মামলার আসামি মনির গ্রেপ্তার হওয়ার পর গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানের মধ্যে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। শনিবার রাত ২টার দিকে পল্লবীর সাগুফতা হাউজিং এলাকায় গোলাগুলির ওই ঘটনা ঘটে বলে পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার ইফতেখারুল ইসলামের ভাষ্য।
এর আগে শুক্রবার ভোরে রূপনগর এলাকায় র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন এ মামলার আরেক আসামি মানিক।
ওই হত্যাকাণ্ডের একটি ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে মানিক ও মনিরকে সরাসরি হামলায় অংশ নিতে এবং সাহিনুদ্দিনের শরীরের বিভিন্ন অংশে কোপাতে দেখা যায় বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাষ্য।
পুলিশ কর্মকর্তা ইফতেখারুল জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মনিরকে শনিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে পল্লবীর ২২তলা গার্মেন্টসের পেছনে ঈদগাহ মাঠের পাশ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
“রাতেই মনিরকে নিয়ে পল্লবীর সাগুফতা হাউজিং এলাকায় অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে গেলে ডিবি পুলিশের সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি হয়। এসময় সে পালানোর চেষ্টা করলে গোলাগুলির মাঝে পড়ে গুলিবিদ্ধ হয়।”
পরে মনিরকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান অতিরিক্ত উপ-কমিশনার ইফতেখারুল ইসলাম।
ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
গত ১৬ মে বিকালে মিরপুর ১২ নম্বর সেকশনের ৩১ নম্বর সড়কে সাহিনুদ্দিনকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয় তার ছেলের সামনে। ওই ঘটনায় তার মা আকলিমা বেগম ২০ জনকে আসামি করে পল্লবী থানায় একটি মামলা করেন।
ঢাকার পল্লবীর উত্তর কালশীর সিরামিক এলাকার বাসিন্দা আকলিমার দুই ছেলের মধ্যে সাহিনুদ্দিন ছোট। বাউনিয়া মৌজার উত্তর কালশীর বুড়িরটেকের আলীনগর আবাসিক এলাকায় ১০ একর জমি রেখে গেছেন আকলিমার প্রয়াত স্বামী। সেই জমি দখল করতেই তার সন্তানকে খুন করা হয়েছে বলে আকলিমার অভিযোগ।
তিনি বলেছেন, ওই জমি দখলের চেষ্টা করে আসছিলেন হাভেলি প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের মালিক, লক্ষ্মীপুরের সাবেক এমপি এম এ আউয়াল। তিনি ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান ও তরীকত ফেডারেশনের সাবেক মহাসচিব।
এ হত্যা মামলায় প্রধান আসামি আউয়ালকে গত বৃহস্পতিবার ভোরে ভৈরবের একটি মাজার থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। পরদিন তাকে আদালতে হাজির করে চারদিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসবাদ করছে পুলিশ।
সাহিনুদ্দিন খুন হওয়ার পর আউয়ালসহ মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এছাড়া মামলার দুই আসামি কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হলেন। তথ্যসূত্র -বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

রোজিনা ইস্যুতে ‘দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের’ চেষ্টা চলছে,অভিযোগ তথ্যমন্ত্রীর

0

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের গ্রেপ্তার ইস্যুকে পুঁজি করে ‘দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের’ চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। এ জন্য তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
শনিবার মিন্টু রোডের সরকারি বাসভবনে ডিরেক্টর গিল্ডের নবনির্বাচিত কমিটির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এই কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, “বিএনপি যখন রোজিনা ইস্যুতে বক্তব্য দিতে থাকে, তখন বুঝতে হবে, এটিকে রাজনৈতিক রূপ দেয়ার অপচেষ্টা চলছে। রোজিনা ইস্যুকে পুঁজি করে দেশবিরোধী চিহ্নিত মহল ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে।
“কারো কর্মকাণ্ড যেন তাদের হাতে অস্ত্র তুলে না দেয়। এ নিয়ে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের চেষ্ট করা হচ্ছে। সবাইকে সতর্ক থাকার জন্য আমি আহ্বান জানাচ্ছি।”
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে রোজিনার স্বামীর ব্যবসায়িক সংশ্লিষ্টতা এবং নৌ-পরিবহন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার সঙ্গে অতীতে এমন ঘটনার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, “সেটি তদন্তেই বেরিয়ে আসবে।”
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা প্রসঙ্গে অপর এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, “মতের অমিল হলেই কাউকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা সকল রীতির বাইরে।”
রোজিনা ইস্যুতে জাতিসংঘের বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এক কর্মকর্তার সার্বজনীন গণমাধ্যমবিষয়ক বক্তব্যকে রোজিনার বিষয়ে জাতিসংঘের বক্তব্য বলে চালিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা হয়েছে।”
ডিরেক্টর গিল্ডের সভাপতি সালাহউদ্দীন লাভলু, সাধারণ সম্পাদক এস এম কামরুজ্জামান সাগরসহ নির্বাহী সদস্যরা এই সময় উপস্থিত ছিলেন। তথ্য সূত্র-বিডিনিউজ।

মানবতাই ধর্ম, মৃত্যু পথযাত্রী মুসলিম করোনা রোগীকে কলেমা পড়ে শোনালেন হিন্দু চিকিৎসক

0

ধীরে ধীরে নিভে যাচ্ছিল রোগীর জীবনপ্রদীপ। বুঝতে পারছিলেন আইসিইউতে ডিউটিতে থাকা চিকিৎসক ডা রেখা কৃষ্ণা। মৃত্যু পথযাত্রী ওই মুসলিম কোভিড রোগীর কানে কলেমা পড়ে শোনালেন কৃষ্ণা। তার পরেই মৃত্যু কোলে ঢলে পড়লেন ওই রোগী। হিন্দু চিকিৎসকের এহেন কাণ্ডে মুগ্ধ নেট দুনিয়া।
কেরলের পালাক্কাড জেলার পাটাম্বির এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ওই মহিলা কোভিড রোগী। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় টানা ২ সপ্তাহ ধরে তাঁকে রাখা হয়েছিল ভেন্টিলেশনে। তাতেও খুব বেশি উন্নতি হয়নি। গত ১৭ মে তাঁকে বের করা হয় ভেন্টিলেশন থেকে। পরিস্থিতির যে উন্নতির কোনও আশা নেই তা জানিয়ে দেওয়া হয় পরিবারকে।
হাসপাতালে আইসিইউতে ডিউটিতে ছিলেন ডা রেখা কৃষ্ণা। তিনি জানান, ‘বুঝতে পারছিলাম ওঁর সময় শেষ হয় আসছে। কাছে এগিয়ে গিয়ে ওঁর কানে কালেমা পড়লাম। এরপরই উনি একটা দীর্ঘ শ্বাস নিলেন। তার পরেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন। আগে থেকে পরিকল্পনা করে কিছু করিনি। হঠাৎ করেই মাথায় এসে গিয়েছিল ব্যাপারটা কারণ আমি বড় হয়েছি দুবাইয়ে। ফলে মুসলিমদের ধর্মীয় আচার আচরণ সম্পর্কে অনেকটাই জানতাম।’
রেখার ওই ব্যবহারে মুগ্ধ নেটিজেনরা। তবে অনেকেই তাঁর এই কাজকে অন্য ভাবেও দেখছেন। এনিয়ে ডাক্তার কৃষ্ণা বলেন,’আমি যা করেছি সেটাকে আমি কোনও ধর্মীয় আচার বলে মনে করি না। এটা একটা মানবিক কাজ। কোভিড রোগীদের একটা বড় সমস্যা হল তারা খুবই একলা বোধ করে থাকেন। তাই ওদের জন্য যতটুকু করা সম্ভব সেটাই করা উচিত। ডা. কৃষ্ণা জানান ‘হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন এই মুসলিম রোগী। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে ভেন্টিলেটর সহায়তায় রাখা হয়। পরিবারের কারো তার কাছে যাওয়ার অনুমতি ছিল না।
দুবাইভিত্তিক সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস জানিয়েছে, ভারতীয় বংশোদ্ভুত ডা. রেখা কৃষ্ণ বেড়ে উঠেছেন দুবাইয়ে। তাই সেখানকার ইসলামি সংস্কৃতির সঙ্গে তিনি ভালোভাবে পরিচিত হয়ে ওঠেন। তিনি ভারতের কেরালার পলাক্কাড জেলার সেভানা হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারে দায়িত্ব পালন করছেন।
খালিজ টাইমসকে মুঠোফোনে রেখা বলেন, ‘নিউমোনিয়া নিয়ে ওই রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। ১৭ দিন পর তার অবস্থা আরও খারাপ হয়। চিকিৎসকরা তার বাঁচার আশা ছেড়ে দেন। পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে তাকে ভেন্টিলেটর থেকে নামানো হয়। জীবনের শেষ মুহূর্তে আমি তার সঙ্গে ছিলাম।’
রেখা আরও বলেন, ‘ওই রোগী হাত-পা নাড়াচাড়া বন্ধ করে দেন। আমি অসহায় হয়ে দেখছিলাম। আমি জানতাম না তার শেষ স্মৃতি কী। আমি নিরবে তার জন্য প্রার্থনা করছিলাম। তারপর কালেমা শাহাদাত পাঠ করে শোনাই। এটি একটি ধর্মীয় নিয়ম তবে এটি মানবিক দায়িত্বও। আমি কলেমা পাঠ করে শোনানোর পরই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।’
ডা. রেখা বলেন, ‘আমি কেরালায় জন্মগ্রহণ করলেও বড় হয়েছি দুবাইয়ে। বাবা-মা দুবাইতে থাকেন। আমি দুবাই থেকে ভারতে চলে আসি এবং কেরালায় বাস শুরু করি। আমার স্বামীও একজন ডাক্তার। আমার বাবা-মা আমাকে সবসময় অন্য ধর্মকে সম্মান করতে বলতেন।’ কোনো পরিকল্পনা করে নয়, আকষ্মিকভাবেই তিনি ওই রোগীকে কালেমা শাহাদাত পাঠ করে শোনান বলে জানান ডা. রেখা কৃষ্ণ। (ভারতীয় পত্রিকা অবলম্বনে)।

সম্পর্কের অবনতি-অশান্তি? একটি শব্দেই মিলতে পারে সমাধান, বলছেন মনোবিদরা

0

যে কোনো সম্পর্কের ক্ষেত্রেই সব সময়ে মতের মিল হয় না। ছোট হোক বা বড়, প্রিয়জন, বন্ধু, আত্মীয় বা পরিবারের যে কোনো সদস্যের সঙ্গে যে কোনো বিষয় নিয়ে হতে পারে কথা কাটাকাটি, মনোমালিন্য। কারো বক্তব্য আপনার পছন্দ হয়নি, এমন হতেই পারে। রেগে গিয়ে দুটো কথা আপনিও বলে গিতে পারেন। তারপর যেটা হয়, তা হল ইগোর লড়াই। কে আগে ক্ষমা চাইবেন, তা নিয়েও চলতে থাকে মনের মধ্যে দ্বন্দ্ব। এর ফলে কিছু হোক বা না হোক, একটা সুন্দর সম্পর্কের অবনতি ঘটে। সেই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসার উপায় আছে। ছোট্ট একটি ‘সরি’ (Sorry) বললেই হতে পারে সমস্যার সমাধান। এমনটাই বলছেন মনোবিদরা।
১. যে কোনো লড়াই মুহূর্তে শেষ হয়ে যেতে পারে যদি প্রথমেই নিজের ভুলটা স্বীকার করে নেওয়া যায়। একটা ছোট্ট ‘সরি’ মন ভাল করে দিতে পারে। অপর প্রান্তে যিনি রয়েছেন তাঁর কথা মন দিয়ে শুনুন। বোঝার চেষ্টা করুন, আপনার বিপরীতে যিনি রয়েছেন, তিনি কী বলতে চাইছেন।

২. অনেক সময় এমন হয় যে আপনি আপনার ভুল বুঝে গিয়েছেন। কিন্তু রাগের মাথায় ক্ষমাও চাননি। তাহলে উপায়? কিচ্ছু না, ফোনে একটা সরি লিখে পাঠিয়ে দিন তাঁকে। কিংবা, বাড়িতে কোনো কাগজে লিখে রেখে দিন আশেপাশে কোথাও, যেখানে তাঁর নজর যাবে। দেখবেন খুব সহজে সমস্যার সমাধান অনেকটা হয়ে যাবে।

৩. শুধু ক্ষমা চাওয়া নয়, আপনি ভুলটা কেন করেছেন, ব্যাখ্যা দিন তারও। কারণ হতে পারে, আপনি যখন ক্ষমা চাইছেন, তখন অপর প্রান্তে যিনি থাকছেন, তাঁর কাছে বিষয়টা স্পষ্ট নাও হতে পারে। তাই নিজের কাজের কারণ অবশ্যই জানিয়ে দেবেন। যাতে কোনও রকম ভুল ধারণা না থাকে একে অন্যের প্রতি।

৪. ঝগড়া হওয়ার ক্ষেত্রে যখন ক্ষমা চাইছেন তখন কখনওই অতীত টেনে আনবেন না। যে কোনও সমস্যার ক্ষেত্রে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে একে অপরের অতীত তুলে কথা না বলাই ভালো।
৫. সবশেষে বলতেই হয়, যদি কাউকে আঘাত করে থাকেন তাহলে অনেক সময় হতে পারে আপনি ক্ষমা চাইলেও অপরজন সেই আঘাত ভুলতে পারছেন না। তাহলেও ভেঙে পড়বেন না। সময় দিন তাঁকে। যত্ন নিন নিজের সম্পর্ক (Relation) আরও সুন্দর করে । (বিদেশী পত্রিকা অবলম্বনে)।

ম্যারাডোনাকে হত্যার অভিযোগে ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

0

ফুটবল ঈশ্বর দিয়েগো ম্যারাডোনাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগে ৭ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলাও করেছেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তির দুই মেয়ে। তাদের দাবি হত্যা করা হয়েছে ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের মহাতারকাকে।
গত বছরের ২৫ নভেম্বর মারা যান আর্জেন্টাইন কিংবদন্তী। মৃত্যকালে তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। প্রাথমিকভাবে বলা হয়েছিল, হৃদক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান তিনি। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি তোলা হয়, পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে ম্যারাডোনাকে।
এরপর ম্যারাডোনার মৃত্যু নিয়ে শুরু হয় তদন্ত। স্যান ইসিডিরো আদালতের বরাতে ইএসপিএন জানিয়েছে, তার চিকিৎসায় গাফিলতি হয়েছিল।
মৃত্যুর আগে মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল ম্যারাডোনার। হত্যা মামলায় যেই ৭ জনের নাম জড়িয়েছে তারা প্রত্যেকেই চিকিৎসার সঙ্গে সম্পৃক্ত। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারকারী লিয়োপল্ডো লুক, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ অগাস্টিনো কোসাশভ এবং মনোবিজ্ঞানী কার্লোস ডিয়াজ। দুই জন নার্স ও একজন মেডিকেল অফিসার রয়েছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ৮ থেকে ২৫ বছরের জন্য কারাদণ্ড হতে পারে তাদের। আদালতের পক্ষ থেকে অভিযুক্তদের দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।