ঢাকা   শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩   সকাল ১০:০৪ 

Home Blog Page 126

আইনমন্ত্রীর মা’ বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহানারা হকের প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী আজ

0

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হকের মা ও বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহচর প্রখ্যাত আইনজীবী মরহুম সিরাজুল হকের স্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহানারা হকের প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী আজ । গতবছরের আজকের এই দিনে ৮৬ বছর বয়সে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে (পুরাতন অ্যাপোলো হাসপাতালে) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
২০১৯ সালের ২৬ অক্টোবর রাতে বনানীর বাসভবনে হার্ট অ্যাটাক ও ব্রেইন স্ট্রোক করেন জাহানারা হক। ওই রাতেই তাঁকে এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। তাকে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়।
আইনমন্ত্রীর পিতা বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার প্রধান আইনজীবী অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক ২০০২ সালের ২৮ অক্টোবর পরলোক গমন করেন।।

মুজিবনগর সরকারের ৫০ বছর পূর্তি হলো আজ, শপথ নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের প্রথম দিন শুরু

0

আজ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের ৫০ বছর পূর্তি হলো আজ।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এদিনে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা গ্রামের আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে। পরে এই বৈদ্যনাথতলাকেই ঐতিহাসিক মুজিবনগর হিসেবে নামকরণ করা হয়।

এর আগে একই বছরের ১০ এপ্রিল স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয়। এর ধারাবাহিকতায় ১৭ এপ্রিল বৈদ্যনাথতলায় এই সরকার শপথ গ্রহন করে। পরের দিন ১১ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ দেশবাসীর উদ্দেশে বেতার ভাষণ দেন, যা আকাশবাণী থেকে একাধিকবার প্রচারিত হয়। এ ভাষণে তিনি দেশব্যাপী পরিচালিত প্রতিরোধ যুদ্ধের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন। এছাড়াও ১৭ এপ্রিল মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের তারিখ নির্ধারিত হয়। তাজউদ্দিনের ভাষণের মধ্য দিয়েই দেশ-বিদেশের মানুষ জানতে পারেন বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম পরিচালনার লক্ষ্যে একটি আইনানুগ সরকার গঠিত হয়েছে। এরই পথপরিক্রমায় ১৭ এপ্রিল সকালে মুজিবনগরে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর বর্বরোচিত হামলা চালানোর পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেফতার হওয়ার আগে ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা করেন। পরে ১০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্র রূপে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা ঘোষণা করা হয়। একই সাথে প্রবাসী সরকারের এক অধ্যাদেশে ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণাকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন ও অনুমোদন করা হয়।
সদ্য প্রয়াত প্রধানমন্ত্রীর জন প্রশাসন বিষযক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রী পরিষদ সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি এক সাক্ষাতকারে জানিয়েছেন, ১০ এপ্রিল পাকিস্তানের নির্বাচিত জাতীয় এবং প্রাদেশিক পরিষদ সদস্যরা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি গোপন স্থানে মিলিত হয়ে প্রবাসী সরকার গঠন করেন। এতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি এবং সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপতি (অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি) নির্বাচিত করা হয়। সৈয়দ নজরুল ইসলাম পরে তাজউদ্দিন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেন।
মন্ত্রী সভার অন্য সদস্যরা হলেন, এম মনসুর আলী (অর্থ বাণিজ্য ও শিল্প) এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামান (স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষি)। পরবর্তি সময়ে বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রীসভার সবচেয়ে ঘৃনিত ব্যক্তি খন্দকার মোশতাক আহমদও (পররাষ্ট্র , আইন ও সংসদ) মন্ত্রী সভার সদস্য ছিলেন। জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী অস্থায়ী সরকারের মুক্তিবাহিনীর প্রধান কমান্ডার এবং মেজর জেনারেল আবদুর রব চীফ অব স্টাফ নিযুক্ত হন। মুজিবনগর সরকারকে ১৫টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে ভাগ করা হয়। এছাড়া কয়েকটি বিভাগ মন্ত্রিপরিষদের কর্তৃত্বাধীনে থাকে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় যুদ্ধরত অঞ্চলকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে প্রতিটিতে একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিয়োগা করা হয়। তবে ১০নং বা নৌ সেক্টরে কোন সেক্টর কমান্ডার ছিল না, কমান্ডোরা যখন যে এলাকায় অভিযান করতেন সে সেক্টরের কমান্ডারের অধীনে থাকত। এ ছাড়াও জেড ফোর্স, কে ফোর্স ও এস ফোর্স নামে তিনটি ব্রিগেড গঠন করা হয়। মেহেরপুরের সীমান্তবর্তী গ্রাম বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান এম.এন.এ এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী এম.এন.এ। নবগঠিত সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে এখানে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
এদিকে ১৭ এপ্রিল মুজিব নগর সরকারের মন্ত্রীরা শপথ নিলেও ১৮ এপ্রিল মন্ত্রী পরিষদের প্রথম সভায় মন্ত্রীদের দপ্তর বন্টন করা হয়। মুজিব নগর সরকারের সফল নেতৃত্বে ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিজয় অর্জনের মধ্যদিয়ে স্বাধীনতা লাভ করে। শুধু তাই নয়, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের এই প্রথম সরকারের কুটনৈতিক প্রচেষ্টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ এর ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। এর আগে ভারত এবং ভুটান এই সরকারকে স্বীকৃতি দেয়।

১৯৭১ সালে যেভাবে শপথ নিয়েছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা

0

১৭ই এপ্রিল ১৯৭১ – মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় এক আমবাগানে শপথ নেয় সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার।
শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের জেলে। তাঁর অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন মেহেরপুরে তাৎক্ষণিকভাবে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে।
সেখানে তিনি বলেন, ”সমবেত সাংবাদিক বন্ধুগণ এবং উপস্থিত জনসাধারণ, আপনাদের সামনে আমার মন্ত্রিসভার প্রধানমন্ত্রীকে আপনাদের সামনে সর্বপ্রথমে উপস্থিত করছি। জনাব তাজউদ্দীন আহমেদ।”
এ সময় সবাই হাততালি দিয়ে অভিনন্দন জানান।
প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমেদ ছাড়াও তিনি মন্ত্রী হিসাবে অনুষ্ঠানে হাজির করেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে।
সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান হিসেবে কর্নেল আতাউল গনি ওসমানীর নাম ঘোষণা করা হয়।
এই মুজিবনগর সরকারের অধীনেই পরিচালিত হয়েছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ।

মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা – যা পরে মুজিবনগর নামে পরিচিতি পায় – সেখানে অস্থায়ী সরকারের শপথ গ্রহণের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে যে অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়েছিল, তা আয়োজনের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন সেসময় মেহেরপুরের সাবডিভিশনাল অফিসার তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী।
মি. চৌধুরী বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা। তিনি বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন ওই অনুষ্ঠান আয়োজনের নানা খুঁটিনাটি কথা।
”আমি এবং আমার বন্ধু মাহবুব, আমাদের সহযোগিতায় তাজউদ্দীন সাহেব এবং ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলামকে আমরা সীমান্ত পার করে ভারতে নিয়ে গিয়েছিলাম,” বিবিসিকে জানাচ্ছিলেন তিনি।
”সেই সুবাদে তাজউদ্দীন সাহেবের সঙ্গে আমার পরিচয় এবং পরের দিকে আমার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। আমরা টেলিফোনে কলকাতার সঙ্গে মেহেরপুর চুয়াডাঙ্গার সংযোগ রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছিলাম।”
তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, ”এরই ধারাবাহিকতায় যখন সরকার গঠন করার প্রয়োজন দেখা দিল, তখন আমাকে বলা হলো যে অতিসত্বর সরকার গঠন করা হবে, তোমাদের দিক থেকে একটা প্রস্তুতি নাও। ধারণা দেয়া হলো যে ওই এলাকাটায় এটি গঠিত হতে পারে।”
”কিন্তু যুদ্ধের মধ্যে তখন আমরা পিছু হটতে শুরু করেছি। পাকিস্তান আর্মি যশোর থেকে আক্রমণ শুরু করেছে, চুয়াডাঙ্গায় বম্বিং শুরু করেছে। আর্টিলারির সহায়তায় তারা বেশ অগ্রসর হচ্ছে। টেকনিক্যাল রিট্রিট বলতে যেটা বোঝায়, আমরা সেটা এর মধ্যেই শুরু করে দিয়েছি।”
”এসব ঘটনার মধ্যেই আমাদের মাঝে মাঝে বলা হচ্ছে যে, তোমরা তৈরি থেকো, সরকার গঠন হতে পারে। এরকম সময়ে ১৫ই এপ্রিলের দিকে আমরা যখন মেহেরপুরে চলে এসেছি, তখন আমাকে খবর দেয়া হলো যে একটা জায়গা তোমরা বাছাই করো,” স্মৃতিচারণ করছিলেন মি. চৌধুরী।
তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীর কাছে প্রশ্ন ছিলো যে বৈদনাথতলার ওই স্থানটিকে বাছাই করার ক্ষেত্রে কোন বিষয়গুলো আমলে নেয়া হয়েছিল?
জবাবে তিনি বলেন, এমন একটি জায়গা বাছাই করতে বলা হয়েছিলো যেখানে ভারত থেকে সহজেই ঢোকা যায়, যে এলাকা শত্রুর দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে – বিশেষ করে আকাশ থেকে এবং বাংলাদেশের দিক বিবেচনা করলে একটু যেন দুর্গম হয়।
”লেফটেন্যান্ট কর্নেল চক্রবর্তী নামে বিএসএফের একজন কর্মকর্তা ছিলেন, তিনি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করলেন। এরই ধারাবাহিকতায় বৈদ্যনাথতলার আমবাগানটি বাছাই করা হলো। সেখানে আমবাগান থাকায় আকাশ থেকে সহজে দেখা যায় না। মেহেরপুর থেকে ১০/১২ কিলোমিটার দূরত্বে হলেও রাস্তাঘাট নষ্ট থাকায় সহজে যাওয়া যায় না। আবার ভারত থেকে সহজেই সেখানে প্রবেশ করা যায়।”
তিনি বলেন, পুরো বিষয়টির আয়োজন করা হয়েছিল খুবই গোপনে।
‘কী হবে সেটা কাউকে বলিনি। তখন আমাদের সীমান্ত এলাকায় রেগুলার ইপিআর নিয়ে গিয়েছিলাম, সেই সঙ্গে আনসারের একটি ছোট কন্টিনজেন্ট রেখেছিলাম – সীমান্তের প্রতীকী নিরাপত্তার জন্য।”
মি. চৌধুরী বলেন, ”তাদের কাছে গিয়ে আমরা বললাম যে, ভারতের দিক থেকে কয়েকজন লোক আসতে পারে। এখানে একটা জায়গায় অনুষ্ঠান হতে পারে, তোমরা তাদের সাথে যোগাযোগ রেখো এবং যা বলে করো। পরে খবর পাঠানো হলো যে ১৭ই এপ্রিল তোমরা প্রস্তুত থেকো।”
ওই সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আক্রমণের মুখে পিছু হটে মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা হয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়ার কৃষ্ণনগরে পৌঁছেন মাগুরার তৎকালীন মহকুমা প্রশাসক ওয়ালিউল ইসলাম এবং পাবনার প্রশাসক নুরুল কাদের।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের খবর তাদের কাছেও পৌঁছেছিল, বলছেন ওয়ালিউল ইসলাম।
বিবিসি বাংলাকে তিনি বলেন,”তখন মেজর ওসমান চুয়াডাঙ্গা থেকে তার হেডকোয়ার্টার মেহেরপুরে নিয়ে গেছেন। চুয়াডাঙ্গায় কিছু বোমাবর্ষণ হওয়ায় তারা জায়গা বদল করেছেন। ওখানে দুই দিন থাকার পরে আমরা যখন ভারতে প্রবেশ করি, তখন সন্ধ্যা পার হয়ে গেছে।”
”সেখান থেকে আমরা কৃষ্ণনগরে গেলাম – এটা ১৬ তারিখের কথা। নুরুল কাদের আমাকে বললেন, তুমি কাল সকাল সাড়ে ৮টার দিকে চলে এসো, কিছু কাজ আছে।”
‘আমি সাড়ে ৮টা-পৌনে ৯টার দিকে গেলে তিনি বললেন, নদীয়ার ডিএম (ডিস্ট্রিক ম্যাজিস্ট্রেট) খুঁজছে, তুমি একটু কথা বলো। আমি ফোন করলে তিনি বললেন, দেখুন আমাদের কাছে খবর আছে, আমাদের কাছাকাছি বাংলাদেশের ভেতরে আপনাদের সরকার শপথ নেবে। তো, আপনারা যারা এখানে আছেন, তাদের পাঠিয়ে দেয়ার জন্য আমি অনুরোধ পেয়েছি,” বলছেন মি. ইসলাম।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে সকালে।
তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী জানান, স্থান নির্বাচনের পর তাদের অনুষ্ঠান আয়োজনের যাবতীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হলো। ( রিপোর্টটি ২০১৯ সালে বিবিসি বাংলার ওয়েবসাইটে প্রকাশ হয়েছিল)।

চোখের জলে শেষ বিদায় জানানো হলো আব্দুল মতিন খসরুকে, সুপ্রিমকোর্টে জানাজা, শ্রদ্ধা জানিয়ে বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ

1

সহকর্মী আর শোভাকাঙ্খিদের চোখের জলে শেষ বিদায় জানানো হলো সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরুকে।
বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে কফিনবন্দি হয়ে আসেন আব্দুল মতিন খসরু। মাত্র একমাস আগে বারের নির্বাচনে বিপুল ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হন। নির্বাচিত হয়ে দায়িত্বও নিতে পারেন নি। এর আগেই ঘাতক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চলে গেলেন তিনি।

জনপ্রিয় আইনজীবী নেতা মতিন খসরুর এই অসময়ে চলে যাওয়া যেনো কেউই মেনে নিতে পারেন নি। তাইতো তাঁর কফিনবন্দি লাশ দেখে অনেকেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। করোনার বিধি-নিষেধ উপেক্ষা করে অনেকেই ছুটে আসেন প্রিয় নেতার জানাজায় অংশ নিতে।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, এলজিআরডি মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু, অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল হোসেন, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন ও অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেনসহ
সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতি, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, আইনজীবী ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা এতে অংশ নেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, সংসদ সদস্য পংকজ দেবনাথ।
জানাজার আগে আবদুল মতিন খসরুর ছেলে আবদুল মুনায়েম ওয়াসিফ তার বাবার জন্য সবার কাছে দোয়া চান। জানাজা শেষে এ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
পরে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও স্পিকারের পক্ষ থেকে তার কফিনে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
প্রধান বিচারপতি আপিল বিভাগের বিচারপতিদের নিয়ে, ডেপুটি স্পিকারের পক্ষে, আওয়ামী লীগের পক্ষে মাহবুব উল আলম হানিফ, আইনমন্ত্রী, অ্যাটর্নি জেনারেল, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি, কৃষকলীগ, ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগের আইন উপ-কমিটি, আবদুল মতিন খসরু অ্যাসোসিয়েটস, শ্রমিক লীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ ও ঢাকা আইনজীবী সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠন কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
জানাজা শেষে তার মরদেহ গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কয়েক দফা জানাজা শেষে নিজ গ্রামে দাফন করা হবে।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বুধবার (১৪ এপ্রিল) ৪টা ৫০ মিনিটে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে আবদুল মতিন খসরু ইন্তেকাল করেন।
জ্যেষ্ঠ এ আইনজীবী ২০২১-২০২২ সেশনের (মার্চে অনুষ্ঠিত) নির্বাচনে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
নির্বাচনের পর গত ১৫ মার্চ তিনি করোনা টেস্ট করান। টেস্টে পজিটিভ আসার পর ১৬ মার্চ তিনি সিএমএইচে ভর্তি হন। ২৮ মার্চ তাকে আইসিইউতে হস্তান্তর করা হয়। অবস্থার উন্নতি হলে ৩১ মার্চ তাকে কেবিনে নেওয়া হয়। পর দিন ১ এপ্রিল তার করোনা পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ আসে। এর মধ্যে ফের তার অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে নেওয়া হয়। সবশেষ গত মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) আবদুল মতিনকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।
উচ্চ আদালতের এ জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের মিরপুর গ্রামে ১৯৫০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের বাবা।

১৯৯১ সালে কুমিল্লা ৫- আসন থেকে আওয়ামীলীগের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তারপর ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৯ সালে মোট পাঁচ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
এর মধ্যে সপ্তম সংসদে (১৯৯৬-২০০১) আইনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সংসদে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিলের বিল তিনই উত্থাপন করেন। বর্তমান সংসদে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদে ছিলেন তিনি।
খসরুর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিচারিক কার্যক্রম বন্ধঃ

এদিকে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি আবদুল মতিন খসরুর মৃত্যুতে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আজ বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগে বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। সকালে আপিল বিভাগের ১ নম্বর বিচার কক্ষে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন এ সিদ্ধান্ত জানান।
শুরুতে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, ‘দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, হয়তো আপনারা জেনেছেন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সিনিয়র আইনজীবী আবদুল মতিন খসরু গতকাল বিকেল পৌনে পাঁচটায় ইন্তেকাল করেন। যেহেতু উনি বর্তমান সভাপতি, তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিনীত অনুরোধ করছি আজ কোর্টের কার্যক্রম বন্ধ রাখার জন্য।’
পরে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আজকে ওনার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আদালত বসবে না, আজ কোর্ট হবে না।’ এরপর অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস সমিতির পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।*

পরিস্থিতি দেখে আদালত বন্ধ বা চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান বিচারপতি,জানালেন আইনমন্ত্রী

0

করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী প্রভাবের মধ্যে আদালতের কার্যক্রম বন্ধ না চালু থাকবে, সে বিষয়ে প্রধান বিচারপতি সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে সমিতির নব নির্বাচিত সভাপতি ও সাবেক আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরুর জানাজা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
করোনায় একের পর এক আইনজীবীর মৃত্যুর পরও আদালত খোলা থাকবে কিনা তা জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, করোনার এই অবস্থায় আদালত বন্ধ বা চালু রাখার এখতিয়ার প্রধান বিচারপতির। কিন্তু আমার বিশ্বাস, করোনা ভাইরাসের তীব্রতা বা কমে যাওয়া বিবেচনা করে প্রধান বিচারপতি সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন।
এসময় আবদুল মতিন খসরু প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, আবদুল মতিন খসরু আওয়ামী লীগের একজন একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। তিনি ছাত্রলীগ করার সময় থেকে তাকে আমি চিনি। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। পাঁচবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৯৬ সালে প্রথম তিনি আইন প্রতিমন্ত্রী হন। এর ছয় মাস পর তিনি পূর্ণমন্ত্রী হন। ব্যক্তিগতভাবে তিনি আমাকে স্নেহ করতেন। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার সময় তিনি তখন আইনমন্ত্রী ছিলেন, কাজ শেষ করে তিনি সন্ধ্যাবেলা আসতেন, আমাদের কাজ শেষ হলে তিনি বাড়ি ফিরতেন। ১৯৯৬ সালে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিলের সময় তিনি সংসদে যে বক্তব্য দিয়েছিলেন তা আজও স্মরণীয়। সেদিন তার বক্তব্যে দেশের মানুষ কেঁদেছে। তার মৃত্যুতে আইন অঙ্গণে একটা বিরাট শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে।

 

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চলে গেলেন সাবেক আইনমন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরু

0

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি, সাবেক আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরু।
তার জুনিয়র (সহকারী আইনজীবী)ও ভাগ্নে তাসলিম আহমেদ খান জানিয়েছেন, বুধবার বিকালে তার মৃত্যু ঘোষণা করে চিকিৎসকরা।
মতিন খসরু গত ১৬ মার্চ থেকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন ছিলেন। মঙ্গলবার থেকে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন তিনি।
মতিন খসরুর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিন খসরু কুমিল্লা-৫ আসনে পাঁচবারের সংসদ সদস্য। ১৯৯৬-২০০১ আওয়ামী লীগ সরকারে তিনি আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হন।
১৯৭৮ সালে কুমিল্লা জজ কোর্টে আইন পেশায় যুক্ত হন আব্দুল মতিন খসরু। পরে ১৯৮২ সাল থেকে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগে নিয়মিত প্র্যাকটিস শুরু করেন।
তিনি ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ছিলেন।

করোনায় হার্টের রোগীদের অবস্থা আরও জটিল হয়ে যেতে পারে, আশঙ্কা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের

0

করোনা ভাইরাসের কারণে হার্টের রোগীদের পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। ভাইরাস সংক্রমণের ফলে হার্ট ফেলিওরেরে রোগীদের সমস্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
তবে যাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে, তাঁরা এখন রুটিন চেকআপে যাবেন না,
দরকার হলে অনলাইন কনসালটেশনের মাধ্যমে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়ার কথা বলা হয়েছে।
এমন আশঙ্কা কথা জানিয়েছেন ভারতের অ্যাপোলো হাসপাতালের  সিনিয়র কনসালটেন্ট ইনটারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট, ডক্টর বিকাশ মজুমদার।
তিনি বলেন, দেখুন হার্টের রোগে যাঁরা ভুগছেন ওষুধ চালিয়ে যাওয়া তাঁদের খুব জরুরি। ধরুন যাঁদের স্টেন বসানো রয়েছে হার্টে তাঁদের ক্ষেত্রে তো ওষুধ অত্যাবশ্যক। তাই লকডাউনের সময়ে ওষুধের সংকট দেখা দিলে খুবই মুশকিল। তবে আমার  কী মনে হয়  জানেন, আমরা একটু বেশিই ভয় পাচ্ছি। একসঙ্গে বেশি ওষুধ কিনে ফেলছি। সেটাও এই সংকটের একটা কারণ। যদিও প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করার ব্যবস্থা সরকার করছে।
তা, যাই হোক। এই সময়ে হার্টের রোগী যাঁরা বাড়িতে রয়েছেন, যাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে, রুটিন ভিজিটের জন্য তাঁদের এখন আর হাসপাতালে আসার প্রয়োজন নেই। মানে ধরুন, এই তিনমাস হয়ে গিয়েছে, এবার একবার ডাক্তারকে দেখিয়ে নেওয়া দরকার, এর কিন্তু কোনও দরকার নেই এখন। সে হাসপাতাল হলেও নয়, চেম্বার হলেও নয়।  তেমন কিছু জানার থাকলে আপনার ডাক্তারকে ফোন করুন নির্দ্ধিদায়।
আমরা এখন আমাদের হাসপাতালের তরফ থেকে অনলাইন কনসালটেশনের উদ্যোগ নিয়েছি। বিশেষ করে যাঁরা পুরনো রোগী, যাঁদের আমরা চিনি জানি তাঁদেরকে। সেক্ষেত্রে মেডিকেল কাউনসিল অব ইন্ডিয়া বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করেছে। একটা পোর্টাল থাকবে, সেখানে ভিডিও কলের মাধ্যসে কনসালটেশন চলবে। তবে সেখানে একটা বিষয় খুব পরিষ্কার থাকবে যে, আমরা যেহেতু রোগীকে সরাসরি পরীক্ষা করতে পারছি না, তার একটা ঝুঁকি থাকবে। আর দুপক্ষকেই সেই ঝুঁকি মেনে নিতে হবে।
তবে কারো যদি ইমার্জেন্সি কোনও পরিস্থিতি দেখা দেয়, তখন কিন্তু এই ব্যবস্থা চলবে না। সেক্ষেত্রে বাড়িতে বসে থাকা বাঞ্ছনীয় নয়। করোনার প্রকোপ চলছে বলে যে হার্ট অ্যাটাক হবে না তার তো কোনও গ্যারান্টি নেই। তাই আমরা যা বলে থাকি–  বুকে ব্যাথা যদি দশমিনিটের বেশি থাকে, আর বুকের মাঝখানে চাপ ধরে থাকে, জিভের নিচে সরবিট্রেট দেওয়ার পরও যদি তা না-কমে, তাহলে সবচেয়ে  কাছের কোনও হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে দেরি না-করে।
ডা. মজুমদার বলেন, আমি সবাইকে একটা কথাই বলছি, বাড়িতে থাকুন, ওষুধ গুলো চালিয়ে যান। আর সেরকম কোনও কিছু হলে অবশ্যই ইমার্জেন্সিতে আসুন।
তবে এক জায়গায় আমার একটা ভাবনা রয়েছে। বলা ভালো দুশ্চিন্তা। অনেক হার্ট ফেলিওরের রোগী আছেন।  যাঁদের শ্বাসকষ্ট থাকে, হার্টের পাম্পিং কম। তাঁদের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কিন্তু অন্যদের থেকে বেশি।  তাঁরা যখন শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন, তখন বোঝা মুশকিল হয়ে যায়, করোনার সংক্রমণের জন্য শ্বাসকষ্ট হচ্ছে নাকি হার্ট ফেলিওরের কারণে হচ্ছে।  এই একটা জায়গায় আমাদের চিন্তা রয়েছে। অন্যান্য হার্টের রোগীদের নিয়ে এই সমস্যা নেই।  সেক্ষেত্রে অবশ্যই দুটোর মধ্যে ফারাক করা সহজ হয়।  কিন্তু হার্ট ফেলিওরের রোগীদের ক্ষেত্রেই এই ধন্দটা কাজ করে।  আমরা আশঙ্কা করছি, আগামী কিছুদিনের মধ্যে হয়তো হার্ট ফেলিওরের রোগীদের সংখ্যা বেড়ে যেতে পারে ভাইরাল ইনফেকশনের জন্য । কারণ, যদি রোগীর করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হয় তাহলে হার্ট ফেলিওয়ের পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। আর যাঁদের হার্ট ফেলিওরের রোগ নেই, তাঁদেরও কিছু কিছু ক্ষেত্রে করোনাভাইরাসের জন্য় পাম্পিং এবিলিটি কমতে পারে।  ভাইরাল মায়োকার্ডাইটিস বলে একটা কনডিশন রয়েছে। যার থেকে জটিলতা বাড়তে পারে। আর  হার্ট ফেলিওর একটা ক্রনিক কনডিশন  বা রোগ, যা নিয়ে মানুষ বেঁচে থাকতে পারে। ভাইরাল সংক্রমণের ক্ষেত্রে এই রোগীদের সমস্যা আরও বেড়ে যায়। এবার করোনাভাইরাস কতটা হামলা করবে আগামিদিনে, তার ওপরই অনেক কিছু নির্ভর করবে।

পবিত্র কোরানের ২৬টি আয়াত নিষিদ্ধের দাবি সরাসরি খারিজ করলো ভারতের সুপ্রিম কোর্ট, রিজভি”র জরিমানা

0

ইসলামের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরানের ২৬টি আয়াত নিষিদ্ধ ঘোষণার দাবিতে করা একটি জনস্বার্থ পিটিশন সোমবার ভারতের সুপ্রিম কোর্ট সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে।
শুধু তাই নয়, এরকম একটি ‘সম্পূর্ণ অর্থহীন’ পিটিশন দাখিল করার জন্য আবেদনকারী সৈয়দ ওয়াসিম রিজভির ৫০,০০০ রুপি জরিমানাও করা হয়েছে।
সৈয়দ ওয়াসিম রিজভি উত্তরপ্রদেশের শিয়া ওয়াকফ বোর্ডের একজন সাবেক চেয়ারম্যান এবং দেশের শিয়া মুসলিম সমাজের একজন প্রভাবশালী নেতা।
গত ডিসেম্বরে তিনি কোরানের বিশেষ কয়েকটি আয়াত অসাংবিধানিক ঘোষণার দাবিতে শীর্ষ আদালতের শরণাপন্ন হয়েছিলেন। এই আয়াতগুলো মূল কোরানের অংশ নয় বলেও পিটিশনে দাবি করা হয়েছিল।

(ছবি-রিট আবেদনকারি শিয়া ধর্মিয় নেতা সৈয়দ রিজভি)
তার যুক্তি ছিল, এই আয়াতগুলি মুসলিমদের তরুণ প্রজন্মকে শিখিয়ে বিধর্মীদের, বিশেষত মূর্তিপূজায় বিশ্বাসীদের হত্যা করতে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী বিধর্মীদের ওপর হামলা চালানোর ‘সাফাই’ হিসেবে এই আয়াতগুলো কাজে লাগাচ্ছে বলেও যুক্তি দেওয়া হয়েছিল।
কিন্তু সুপ্রিম কোর্টে সোমবার প্রথম দিনের শুনানিতেই তিনজন বিচারপতির বেঞ্চ আবেদনটিকে ‘পুরোপুরি ভিত্তিহীন’ বলে নাকচ করে দিয়েছেন।
বেঞ্চের নেতৃত্বে ছিলেন জাস্টিস রোহিংটন নরিম্যান, তিনি এমনও প্রশ্ন তোলেন, “আবেদনকারী কি এই পিটিশন নিয়ে সত্যিই সিরিয়াস? আমরা তো বিশ্বাসই করতে পারছি না!”
অর্থহীন বিষয় নিয়ে মামলা রুজু করে আদালতের সময় নষ্ট করার জন্য আবেদনকারীর আর্থিক জরিমানা করারও সিদ্ধান্ত নেয় শীর্ষ আদালত।
তবে সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানির আগেই ভারতের নানা মহলে সৈয়দ ওয়াসিম রিজভির পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছিল।
অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের সাধারণ সম্পাদক মৌলানা মাহমুদ দরিয়াবাদী বিবৃতি দিয়ে বলেছিলেন, “পবিত্র কোরানের কোনও আয়াত মানুষকে সহিংসতায় প্ররোচিত করে বলে আমরা বিশ্বাস করি না।”
অল ইন্ডিয়া শিয়া পার্সোনাল ল বোর্ড এবং আরও নানা মুসলিম সংগঠনের পক্ষ থেকেও অভিযোগ আনা হয়েছিল, সৈয়দ ওয়াসিম রিজভি ‘সম্পূর্ণ প্রসঙ্গ-বহির্ভূতভাবে কোরানের অপব্যাখ্যা’ করার চেষ্টা চালাচ্ছেন।
ভারতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিঘ্নিত করার অভিযোগে মি রিজভিকে নোটিশ পাঠিয়েছিল দেশের জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশনও।
দক্ষিণ ভারতের আর্কটের নবাব মহম্মদ আবদুল আলিও বিবৃতি দিয়ে বলেছিলেন, ভারতের সুপ্রিম কোর্ট যদি এই আবেদনটি শুনানির জন্য গ্রহণ করে তাহলে সেটা হবে নাগরিকদের ধর্মীয় স্বাধীনতার লঙ্ঘন।
শুধু ভারতে নয়, প্রতিবেশী বাংলাদেশেও খেলাফত মজলিস-সহ বিভিন্ন ইসলামপন্থী সংগঠন কোরানের আয়াত নিষিদ্ধ করার দাবিকে ‘আল্লাহ-র সাথে চরম ধৃষ্টতার শামিল’ বলে বর্ণনা করেছিল।
গত মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরের সময় সে দেশে যে তীব্র বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ হয়েছিল, সেখানেও এই ইস্যুটিকে সামনে নিয়ে এসেছিল বিভিন্ন সংগঠন।
তবে সুপ্রিম কোর্টে মামলাটি অঙ্কুরেই বিনষ্ট হওয়ার পর এই বিতর্কের অবসান হবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
সোমবারের শুনানিতে আবেদনকারীর পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী আর কে রাইজাদা অবশ্য যুক্তি দিয়েছিলেন, মাদ্রাসা শিক্ষাকে একটা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আনার সীমিত লক্ষ্য নিয়েই এই পিটিশন দাখিল করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “আমার সাবমিশন হল এই বিশেষ আয়াতগুলো বিধর্মী বা কাফিরদের বিরুদ্ধে সহিংসতার হয়ে সওয়াল করে।”
“খুব অল্প বয়স থেকে যে বাচ্চাদের মাদ্রাসায় থেকে পড়াশুনো করতে হয়, তাদের এগুলো শিখিয়ে মগজধোলাই করা হয় – যা কখনওই কাম্য নয়”, যুক্তি দেন তিনি।
সুপ্রিম কোর্টের তিন সদস্যের বেঞ্চ অবশ্য এরপরও পরিষ্কার জানিয়ে দেয় তারা এই বিষয় নিয়ে কোনও তর্কবিতর্ক শুনতেও আগ্রহী নয়।
আবেদনকারীকে ৫০,০০০ রুপির প্রতীকি জরিমানা করে তারা আবেদনটিকে পত্রপাঠ খারিজও করে দেন। বিবিসি বাংলা।

আসামি কারাগারে রেখেই ভিডিও কনফারেন্সে রিমান্ড-জামিন শুনানি হবে

0

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় কারাগারে থাকা আসামিকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেখে রিমান্ড শুনানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে আসামিদের আদালত কক্ষে হাজির না করে কারাগারে রেখেই জামিন শুনানি করতে বলা হয়েছে।
সোমবার সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের এই আদেশে কথা জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনাভাইরাসের প্রার্দুভাবজনিত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জামিন শুনানি এবং মামলার অন্যান্য কার্যক্রমে কারাগার থেকে আসামিদের আদালতে হাজির করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
“বর্ণিতাবস্থায়, জামিন শুনানিকালে এবং মামলার অন্যান্য কার্যক্রমে হাজতি আসামিদের কারাগার হতে প্রিজনভ্যান বা অন্য কোনোভাবে আদালত কক্ষে হাজির না করে কারাগারে রেখেই জামিন শুনানি করতে হবে। অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রয়োজনে মামলার কার্যক্রম মুলতবি করতে হবে।”
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালে জামিন শুনানিকালে এবং মামলার অন্যান্য কার্যক্রমে হাজতি আসামিদের কারাগার হতে প্রিজনভ্যান বা অন্য কোনোভাবে আদালত কক্ষে হাজির না করার নির্দেশ প্রদান করা হল।”
আর রিমান্ড শুনানির বিষয়ে বলা হয়েছে, “হাজতি আসামির রিমান্ড শুনানির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কারাগারে ভিডিও কনফারেন্সের লিংক প্রেরণ করে শুনানি গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে কারাগার কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় ভার্চুয়ালি দেখে রিমান্ড শুনানি করতে পারবেন।”
এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে গত বছর মার্চে সরকারের ঘোষিত সাধারণ ছুটির সাথে সমন্বয় করে দেশের সব আদালতেও সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। তাতে দেশের বিচার ব্যবস্থা কার্যত বন্ধ হয়ে যায়।
পরে সুপ্রিম কোর্টের অনুরোধে মামলার বিচার, বিচারিক অনুসন্ধান, দরখাস্ত বা আপিল শুনানি, সাক্ষ্য বা যুক্তিতর্ক গ্রহণ, আদেশ বা রায় দিতে পক্ষদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে আদালতকে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষমতা দিয়ে গত বছর ৯ মে অধ্যাদেশ জারি করা হয়।
এরপর ১০ মে সুপ্রিম কোর্ট ভিডিও কনফারেন্সসহ অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমে আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ‘প্র্যাকটিস’ নির্দেশনা জারি করে। পরদিন দেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে প্রথম ভার্চুয়াল আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি কমতে থাকলে প্রথমে কিছু কিছু ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য বিধি মেনে শারীরীক উপস্থিতিতে নিম্ন আদালত চালু করা হয়। এক পর্যায়ে শারীরিক উপস্থিতির মাধ্যমে হাই কোর্টেও চালু করা হয় কয়েকটি বেঞ্চ। পাশাপাশি ভার্চুয়াল কোর্টও চালু থাকে। 
তবে দেশের সর্বোচ্চ আদালত অর্থাৎ আপিল বিভাগের দুটি বেঞ্চ এবং চেম্বার আদালত এখন পর্যন্ত ভার্চুয়ালিই চলছে। বিডিনিউজ।

আহমদ শফী হত্যা: বাবুনগরী-মামুনুলসহ ৪০ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট পিবিআইর

0

হেফাজতে ইসলামের সাবেক আমীর আহমদ শফীকে হত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে হেফাজতের আমীর বাবুনগরীসহ ৪০ জনকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। 
সোমবার (১২ এপ্রিল) এ বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছে পিবিআই। 
পিবিআইয়ের তদন্তে আহমদ শফী হত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে হেফাজতে ইসলামের আমীর বাবুনগরী, যুগ্ম আহ্বায়ক মামুনুল হকসহ ৪০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর আগে, গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর শাহ আহমদ শফী মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর তিন মাস পর গত ১৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ আদালতে তাকে মানসিক নির্যাতন করে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার অভিযোগ এনে মামলা করেন আল্লামা আহমদ শফীর শ্যালক মাইনুদ্দিন।
আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের দায়িত্ব দেন। পাশাপাশি এক মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়।
মামলায় হেফাজতে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক মামুনুল হকসহ ৩৬ জনকে নাম উল্লেখপূর্বক আসামি করা হয়। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৮০-৯০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামুনুল হক ছাড়াও মামলায় অন্য অভিযুক্তরা হলেন নাছির উদ্দিন মুনির, আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মীর ইদ্রিস, হাবিব উল্লাহ, আহসান উল্লাহ, জাকারিয়া নোমান ফয়েজী, নুরুজ্জামান নোমানী, আব্দুল মতিন, মো. শহীদুল্লাহ, মো. রিজওয়ান আরমান, মো. নজরুল ইসলাম, হাসানুজ্জামান, এনামুল হাসান ফারুকী, মীর সাজেদ, জাফর আহমদ, মীর জিয়াউদ্দিন, আহমদ, মাহমুদ, আসাদউল্লাহ, জোবায়ের মাহমুদ, এইচ এম জুনায়েদ, আনোয়ার শাহ, আহমদ কামাল, নাছির উদ্দিন, কামরুল ইসলাম কাসেমী, মোহাম্মদ হাসান, ওবায়দুল্লাহ ওবাইদ, জুবায়ের, মোহাম্মদ, আমিনুল হক, রফিক সোহেল, মোবিনুল হক, নাঈম, হাফেজ সায়েম উল্লাহ ও হাসান জামিল।
উল্লেখ্য, এ বিষয়ে তদন্ত করতে গত ১২ জানুয়ারি সকালে হাটহাজারী মাদ্রাসা ও ফটিকছড়ি বাবুনগর মাদ্রাসা পরিদর্শন করে পিবিআই টিম। পিবিআই চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তদন্তের দিন তিনি বলেন, তদন্তের অংশ হিসেবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে আমরা হাটহাজারী মাদ্রাসা, ফটিকছড়ি বাবুনগর মাদ্রাসা পরিদর্শন করেছি। পরিদর্শনকালে সেখানে সংশ্লিষ্ট যারা উপস্থিত ছিলেন তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। আরও যারা সংশ্লিষ্ট আছেন তাদের সঙ্গে আমরা পর্যায়ক্রমে কথা বলবো।