ঢাকা   শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩   সকাল ৬:২৯ 

Home Blog Page 145

আপরাধীর কোনো দল নেই, তাকে অপরাধী হিসেবেই দেখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

0

অপরাধী কোন দলের সেটা বিবেচনায় না নিয়ে তাকে অপরাধী হিসেবে দেখার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ১১৬, ১১৭ এবং ১১৮তম আইন ও প্রশাসন প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এই নির্দেশনা দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কতগুলো সমস্যা দেখা দেয় যেমন হঠাৎ এই যে ধর্ষণ, তারপর নারী নির্যাতন, কিশোর গ্যাং সৃষ্টি হলে। মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপনাদের যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। সেখানে কারও মুখ চেয়ে না…যারাই অপরাধী, অপরাধীকে অপরাধী হিসেবেই দেখবেন, এটাই আমরা কথা। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

“সে যে দলের হোক, যে কেউ হোক, অপরাধী অপরাধীই। কাজেই অপরাধী হিসেবে দেখে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিয়ে সমাজটাকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে হবে এবং সেটাই আপনারা করবেন।”
সরকারি কর্মচারীদের জীবনমান উন্নয়নে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, “দেশটাকে উন্নত করতে হলে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলার মতো উপযুক্ত কর্মচারী আমরা গড়ে তুলতে চাই, যেন মানুষ তার সেবাটা পায়। সেটাই আপনারা দেবেন। এটাই আপনাদের কাজ।”
১৯৭৫ সালের ২৬ মার্চ ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতির পিতার দেওয়া ভাষণের একটি অংশ উদ্ধৃত করে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, “তিনি বলেছিলেন- ‘আপনি চাকরি করেন আপনার মাইনে দেয় গরীব কৃষক, আপনার মাইনে দেয় ওই গরীব শ্রমিক, আপনার সংসার চলে ওই টাকায়, আমি গাড়ি চড়ি ওই টাকায়। ওদের সম্মান করে কথা বলুন। ইজ্জত করে কথা বলুন। ওরাই মালিক’।”

“অর্থাৎ কোন মানুষকে অবহেলার চোখে দেখবেন না বা তাদেরকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না। মানুষকে মানুষ হিসেবে সম্মান দিতে হবে।”

নিজের শৈশবের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “আমরা ছোটবেলা থেকে এটা শিখেছি। আমাদের বাড়ির ড্রাইভারকেও ড্রাইভার সাহেব বলতে হত, আপনি বলতে হত। আমাদের বাড়ির কাজের লোক কখনও চাকর-বাকর বলে বা হুকুম দিতে পারতাম না। এটা নিষিদ্ধ ছিল। আমার বাবা-মা আমাদেরকে দিতে দেননি, আমরা দেইনি। আমরা তাদেরকে বলতে গেলে.. কিছু চাইলে বলতে হবে এটা কি একটু দিতে পারবে? এখনও তাই করি। সেটাই আমাদের অভ্যাস হয়ে গেছে, আমরা সেটাই করি।”

সবাই যেন ন্যায়বিচার পায় সেদিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি দেওয়ার পাশপাশি জনগণের কাছে সেবা পৌঁছে দিয়ে তাদের জীবনমান উন্নত করতে কাজ করারও নির্দেশ দেন সরকার প্রধান।   

“আমাদের এটাই থাকবে আপনাদের কাছে আকাঙ্ক্ষা, আপনাদের যে মেধা, আপনাদের জ্ঞান, আপনাদের বুদ্ধি, মনন সেগুলো আপনারা কাজে লাগাবেন দেশ ও জাতির সেবায়। এদেশের মানুষ যেন নিরাপদ থাকতে পারে, উন্নত জীবন পেতে পারে আর বিশ্ব দরবারে আমরা যেন মাথা উঁচু করে চলতে পারি সম্মানের সাথে।”

জাতির পিতার জীবন সম্পর্কে কর্মকর্তাদের জানতে পরামর্শ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “কারণ এই দেশটাকে জানতে হলে আর দেশের উন্নয়নটা করতে হলে তার চিন্তা ভাবনাটাও জানা একান্তভাবে প্রয়োজন।”

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল রাখা এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

মহামারীতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেওয়ার পাশপাশি দেশবাসীকে সতর্ক থাকতেও নির্দেশনা দেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, “ভ্যাকসিন কেনার জন্য ইতিমধ্যে আমরা বুক করে ফেলেছি। ইনশাল্লাহ যখনই শুরু হবে আমরা তখনই বাংলাদেশ আনতে পারবে। তার প্রস্তুতিও আমাদের নিতে হবে। ইতিমধ্যে সেই বিষয়ে আমি নির্দেশনা দিয়েছি যে ভ্যাকসিনটা সংগ্রহ করা, রাখা এবং প্রয়োগ করা। প্রযোগ করার পর কি কি করনীয় এই বিষয়ে সমস্ত দিকনির্দেশনা আমার দেওয়া আছে। সেটা মেনেই আমাদেরকে এই অবস্থার থেকে উত্তরন ঘটাতে হবে।

অনুষ্ঠানে গণভবন প্রান্তে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এবং শাহবাগে বিসিএস প্রশাসন একাডেমি প্রান্তে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব শেখ ইউসুফ হারুন, বিসিএস প্রশাসন একাডেমির রেক্টর বদরুন নেছাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

অবসরের পর সরকারি চাকুরেদের অন্য পেশা-বিদেশ যেতে অনুমতি লাগবে না,পরিপত্র জারি

0

অবসরের পর বা অবসরোত্তর ছুটি (পিআরএল) শুরু হওয়ার পর অন্য প্র‌তিষ্ঠা‌নে চাকরি নেওয়া, অন্য পেশা গ্রহণ বা বিদেশযাত্রার ক্ষেত্রে সরকারের অনুমতি নেওয়ার দরকার নেই।
‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’ এর এই বিধানের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বুধবার পরিপত্র জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।
এতে বলা হয়ে‌ছে, চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ বা অবসরোত্তর ছুটি (পিআরএল) আরম্ভের পরও কোনো কোনো কর্মচারী বৈদেশিক বা বেসরকারি বা প্রকল্পে চাকরি গ্রহণ, অন্য কোনো পেশা গ্রহণ বা ব্যবসা পরিচালনা এবং বিদেশ যাত্রার জন্য অনুমতি বা পাসপোর্ট নবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করেন।
এতে বলা হয়, “সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৫২ ধারার বিধান মতে অবসর গ্রহণের পর সংশ্লিষ্ট কর্মচারী সরকার বা কোনো নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণমুক্ত থাকেন বিধায় এমন আবেদন নিষ্পত্তিতে শ্রম ও সময়ের অপচয় ঘটছে।”
প‌রিপ‌ত্রে বলা হ‌য়ে‌ছে, “আইনের ৫২ ধারায় বলা হয়েছে- চাকরি হইতে অবসরে গমনের পর ধারা চুক্তিভিত্তিক কর্মরত থাকা ব্যতীত কোনও ব্যক্তির বৈদেশিক বা বেসরকারি চাকরি বা কোনো প্রকল্পে চাকরি গ্রহণ, অন্য কোনো পেশা গ্রহণ, ব্যবসা পরিচালনা এবং বিদেশ যাত্রার জন্য সরকার বা কর্তৃপক্ষের অনুমতি গ্রহণের প্রয়োজন হইবে না। তবে শর্ত থাকে যে, সরকার বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে, অনুরূপ ভিন্ন চাকরি বা পেশা গ্রহণ, ব্যবসা পরিচালনা, বিদেশযাত্রা বারিত করিয়া বা উহার ক্ষেত্রে অনুমতি গ্রহণের বাধ্যবাধকতা আরোপ করিয়া আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
“এমতাবস্থায় চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পর অবসরত্তোর ছুটি আরম্ভের তারিখ থেকে সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি চুক্তিভিত্তিক কর্মরত থাকা ছাড়া, বৈদেশিক বা বেসরকারি চাকরি বা কোনো প্রকল্পে চাকরি গ্রহণ, অন্য কোনো পেশা গ্রহণ বা ব্যবসা পরিচালনা এবং বিদেশযাত্রা বা সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কার্যক্রম যেমন- নতুন পাসপোর্ট গ্রহণ ও পাসপোর্ট নবায়ন ইত্যাদির ক্ষেত্রে সরকার বা কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হবে না।”
সরকা‌রি চাক‌রি আইনের উল্লিখিত বিধান অনুসরণ করতে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর ও সংস্থাকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিডিনিউজের প্রধান সম্পাদকের স্থায়ী জামিন

0

দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় ঢাকার জজ আদালত থেকে স্থায়ী জামিন পেয়েছেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী।
ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ ইমরুল কায়েশ বুধবার তৌফিক ইমরোজ খালিদীর জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
হাই কোর্টের আগাম জামিনের মেয়াদ শেষে গত ২০ অক্টোবর এই আদালত থেকেই তৌফিক ইমরোজ খালিদীকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত জামিন দেওয়া হয়েছিল।
এবার তাকে স্থায়ী জামিন দেওয়া হল বলে দুদকের আইনজীবী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর শুনানি শেষে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান।
তৌফিক ইমরোজ খালিদীর পক্ষে জামিন শুনানি করেন ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি আওয়ামী লীগের আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট নজিব উল্লাহ হিরু ও ঢাকা বারের সাবেক সম্পাদক মিজানুর রহমান মামুন।
তাদের সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী নোমান হোসাইন তালুকদার, মো. এহসান হাবিব, মনির হোসেন, লাতিফুর রহমান ও শোয়েবুজ্জামান সুপ্ত।
শুনানিতে নজিব উল্লাহ হিরু বলেন, “২০ অক্টোবর আমাদেরকে আজ পর্যন্ত জামিন প্রদান করেছিলেন। জামিন স্থায়ী করতে আজ আমরা এসেছি।“
তখন দুদকের আইনজীবী আদালতকে বলেন, “জামিনের বিরুদ্ধে আমরা হাই কোর্টে গিয়েছি।”
বিচারক তখন জানতে চান, হাই কোর্ট জামিন স্থগিত করেছে কি না, কোনো কাগজপত্র আছে কি-না।
দুদকের আইনজীবী জানান, হাই কোর্ট জামিন স্থগিত করেনি। বিচারক তখন স্থায়ী জমিন মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্র বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা দিলো হাইকোর্ট, ঐতিহ্য হারিয়ে ফেলার চিন্তা আসে কোথা থেকে? প্রশ্ন জনমনে

0

মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রির উদ্যোগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে হাই কোর্ট।
সেই সময়ের কী পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র আছে, কী অবস্থায় আছে সে বিষয়ে আগামী ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলেছে আদালত।
এ বিষয়ে করা একটি রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের ভার্চুয়াল হাই কোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার রুলসহ এ আদেশ দেয়।

মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রি বা স্থানান্তর কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং জাতীয় ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য অবিলম্বে এইসব অস্ত্র সংরক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।
প্রতিরক্ষা সচিব, অর্থ সচিব, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সচিব এবং বাণিজ্য সচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না। তার সঙ্গে ছিলেন শামসুদ্দিন বাবুল, আইনুন্নাহার সিদ্দিকা লিপি ও শাহিনুজ্জামান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ রাসেল চৌধুরী।
‘মুক্তিযুদ্ধের অস্ত্র বেচতে চায় সরকার’ এই শিরোনামে গত ৫ অক্টোবর প্রথম আলোতে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত করে। সেটি যুক্ত করে আইনজীবী পান্না ও মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পক্ষ থেকে গত ১৫ অক্টোবর রিট আবেদনটি করা হয়।

সেখানে মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রির উদ্যোগে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়।

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বলা হয়, “মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত হয়েছে, এমন আগ্নেয়াস্ত্রগুলো সরকার বেচে দিতে চায়। সরকারের যুক্তি হচ্ছে এগুলো পুরোনো, অপ্রচলিত এবং যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে অকার্যকর। ফলে রাখার কোনো দরকার নেই। প্রাচীন নিদর্শন বা স্মৃতিচিহ্ন (অ্যান্টিক সুভ্যেনির) হিসেবে অস্ত্রগুলো কিনে নিতে আগ্রহ দেখিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি ও সুইজারল্যান্ডের একটি অস্ত্র আমদানিকারক কোম্পানি।

“পুরোনোর পাশাপাশি নতুন অস্ত্র ও গোলাবারুদ রপ্তানিরও উদ্যোগ রয়েছে সরকারের। প্রথম উদ্যোগটি নেওয়া হয় ১৬ বছর আগে। এ বিষয় নিয়ে আবারও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।”

ওই প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যে তৈরি ০.৩০৩ রাইফেল নম্বর-৪ এমকে-১; ৯ এমএম স্টেন এসএমজি এমকে-২ ও সিএম ৯ এমএম স্টেন এ১; ভারতে তৈরি ৭.৬২ এমএম এসটিআর এল১ এ১ /১ এ ১ ও রাইফেল জি-৩; পাকিস্তানে তৈরি ৪৪ এমএম হ্যান্ড লঞ্চার এম-৫৭; যুক্তরাষ্ট্র/রাশিয়া/জাপানে তৈরি পিস্তল ও রিভলবার ৭০০ এবং জার্মানি/যুক্তরাজ্য/ভারতে তৈরি এলএমজি এইচকে ১১ এ১ সিএএল ৭.৬২ * ৫১ রয়েছে রপ্তানি করতে চাওয়া পুরোনো অস্ত্রগুলোর মধ্যে।
আট শ্রেণি মিলিয়ে অস্ত্রের মোট সংখ্যা ২৭ হাজার ৬৬২টি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৪ হাজার ৪৫৪টি হচ্ছে ০.৩০৩ রাইফেল নম্বর-৪ এমকে-১। আর সবচেয়ে কম ১১৫টি হচ্ছে ৪৪ এমএম হ্যান্ড লঞ্চার এম-৫৭।
বিদ্যমান রপ্তানি নীতিতে বাংলাদেশ থেকে নতুন-পুরনো কোনো ধরনের অস্ত্র রপ্তানিরই সুযোগ নেই। বাংলাদেশ পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে ‘অস্ত্র ছাড়া সবকিছু’ নীতি অনুসরণ করে আসছে।

যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাবাস কি না, সুপ্রিমকোর্টের সিদ্ধান্ত ১ ডিসেম্বর,ঘোষণা হবে রিভিউর রায়

0

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মানে আমৃত্যু কারাবাস- আপিল বিভাগের এমন রায় ‘অসামঞ্জস্যপূর্ণ’ দাবি করে আসামিপক্ষ যে পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করেছিল, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামী মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর)।

প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন সাত বিচারকের পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এদিন রায় ঘোষণা করবে।

এ রায়েই জানা যাবে যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাবাস না নির্দিষ্ট বছরের সাজা। 

মঙ্গলবার রায়ের তারিখ ঘোষণার সময় ভার্চুয়াল আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে যুক্ত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

আর আসামীপক্ষে ছিলেন আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন ও আইনজীবী শিশির মনির।

গত বছর ১১ জুলাই প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চে শুনানি শেষে রিভিউ আবেদনটির রায় (সিএভি) অপেক্ষমান রেখেছিল।

তার আগে রিভিউ শুনানিতে সর্বোচ্চ আদালত পাঁচ অ্যামিচি কিউরির বক্তব্য শোনেন। তারা হলেন আইনজীবী রোকন উদ্দিন মাহমুদ, এ এফ হাসান আরিফ, আবদুর রেজাক খান, মুনসুরুল হক চৌধুরী ও এ এম আমিন উদ্দিন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মানে আমৃত্যু কারাবাস জানিয়ে আপিল বিভাগ যে রায় দিয়েছিল, তা ‘অসামঞ্জস্যপূর্ণ’ দাবি করে ২০১৭ সালের রিভিউ আবেদন করে আসামিপক্ষ।

তখন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছিলেন, এক হত্যা মামলার চূড়ান্ত বিচারে (ওই বছরের ফেব্রুয়ারিতে) দেওয়া ওই রায় আপিল বিভাগেরই আগের আরেকটি রায়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

সেদিন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ওই রায়ের কারণে আইনের ব্যাখ্যা নিয়ে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে। সঠিক বিবেচনায় ওই রায় দেওয়া হয়নি। বিভ্রান্তি দূর করার জন্য পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করা হয়েছে।

২০০১ সালে সাভারের ব্যবসায়ী জামান হত্যা মামলায় দুই আসামির আপিল শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা নেতৃত্বাধীন চার বিচারকের আপিল বেঞ্চ ওই রায় দেয়। সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশিত হয় ২০১৭ সালের ২৪ এপ্রিল।
রায়ে বলা হয়, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারা ও ৪৫ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হবে আমৃত্যু কারাবাস। এর ফলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত সবাইকে আমৃত্যু কারাগারে থাকতে হবে।

আপিল বিভাগের ওই রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন জমা দিয়েই সেদিন সংবাদ সম্মেলন করেন এ মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন।

তিনি বলেন, প্রচলিত ফৌজদারি আইন ও কারাবিধি অনুযায়ী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অর্থ ৩০ বছর সাজা। এরপর আসামি রেয়াত পেলে ওই সাজার সময় আরও কমে যাবে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫(ক) ধারা অনুযায়ী সাজার মেয়াদ থেকে বিচারিক সময়ের হাজতবাসের সময়ও বাদ যাবে।

খন্দকার মাহবুব আরও বলেছিলেন, বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানার নেতৃত্বে আপিল বিভাগ ২০১৩ সালে এক রায়ে বলেছে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অর্থ হল সাড়ে ২২ বছর কারাদণ্ড।

আপিল বিভাগের ওই রায় ও আইন বলবৎ থাকা অবস্থায় বিচারপতি সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের অপর রায় আসে; সেখানে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মানে ‘আমৃত্যু কারাদণ্ড’ বলা হয়।

“আপিল বিভাগের আগের রায় বাতিল না করেই এ রায় দেওয়া হয়েছে। ফলে রায়ের ব্যাখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। এছাড়া ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ (ক) ধারার কার্যকারিতা যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির ক্ষেত্রে স্থগিত করা সমীচীন হয়নি। এটা দূর হওয়া প্রয়োজন,” বলেছিলেন খন্দকার মাহবুব হোসেন।

এ কারণে রিভিউ আবেদন করা হয় বলে জানান তিনি।

জামান হত্যা মামলায় আপিলের রায়ে বলা হয়, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সাজা মওকুফ (রেয়াত) পাওয়ার কোনো অধিকার নেই। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি অন্য কোনো সুবিধা (রেয়াত) পাওয়ার দাবি করতে পারে না।

ব্রিটিশ আমলে করা আইন ও কারাবিধির বর্তমান প্রেক্ষাপটে নানা অসঙ্গতির কথা তুলে ধরতে গিয়ে বিচারপতি এস কে সিনহা আদালতের বাইরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নিয়ে বিভ্রান্তির কথা বলে আসছিলেন।

২০১৬ সালের ২৬ জুন গাজীপুরে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, “যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বলতে আপনারা মনে করেন ৩০ বছর। ধরে নেয়, সব জায়গায়। প্রকৃতপক্ষে এটার অপব্যাখ্যা হচ্ছে। যাবজ্জীবন অর্থ হল একেবারে যাবজ্জীবন, রেস্ট অফ দ্য লাইফ।”
এরপর আদালতে দেওয়া রায়েও একই মত প্রকাশ করেন তিনি।
ওই রায় প্রকাশের পরদিন তার ব্যাখ্যায় অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, আপিলে যাদের মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হবে, শুধু তাদের ক্ষেত্রেই আমৃত্যু কারাগারে কাটাতে হবে।
আর বিভিন্ন মামলায় যাদের যাবজ্জীবন সাজা হবে, তাদের মৃত্যু পর্যন্ত কারাগারে থাকতে হবে না। দণ্ডবিধি অনুযায়ী ৩০ বছর জেল খেটেই বের হবেন তারা।

ফটো সাংবাদিক কাজলের জামিন মিললো হাইকোর্টে, আরও দুই মামলার শুনানি হবে ১৫ ডিসেম্বর

0

সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখরের দায়ের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় হাই কোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন ফটো সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজল।

কাজলের জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাই কোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার তাকে জামিন দেয়। তার বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলার জামিন প্রশ্নে রুলের শুনানি হবে আগামি ১৫ ডিসেম্বর। মামলা দুটি হলো কামরাঙ্গীরচর ও হাজারীবাগ থানার।
 
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী রিপন বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারোয়ার হোসেন বাপ্পি। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

যুব মহিলা লীগের নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়ার ওয়েস্টিন হোটেলকেন্দ্রিক কারবারে ‘জড়িতদের’ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে গত ৯ মার্চ ঢাকার শেরেবাংলা নগর থানায় মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরীসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে এই মামলা করেন মাগুরা-১ আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখর।

ওই মামলা হওয়ার পর আসামির তালিকায় থাকা শফিকুল ইসলাম কাজল প্রায় দুই মাস নিখোঁজ ছিলেন। পরে গত ২ মে যশোরের বেনাপোল সীমান্ত থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে বিজিবি।

যশোর থেকে ঢাকায় আনার পর গত ২৩ জুন কাজলকে শেরেবাংলা নগর থানার ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিচারকের মুখোমুখি করা হয়। হাকিম আদালত সেদিন কাজলের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে।
এরপর গত ২৪ আগস্ট ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতও কাজলের জামিন আবেদন নাকচ করলে তিনি ৮ সেপ্টেম্বর হাই কোর্টে আবেদন করেন। সেই আবেদনে রুল শুনানি শেষে মঙ্গলবার তার জামিনের আদেশ এল।

রাজধানীতে রেজিস্ট্রেশন ছাড়া গাড়ী চালালেই ডাম্পিং, কড়া নির্দেশ পুলিশ কমিশনারের

0

রেজিস্ট্রেশন বিহীন গাড়ী চালালেই তা ডাম্পিং করবে পুলিশ। রাস্তায় কোনো যানবাহন থেকে চাঁদা ওঠানো যাবে না। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শফিকুল ইসলাম এই নির্দেশ দিয়েছেন।
ডিএমপি সদরদপ্তরে বৃহস্পতিবার পরিবহন মালিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের সংশ্লিষ্ট উপ-পুলিশ কমিশনারদের এ নির্দেশ দেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, রাস্তায় চাদাঁবাজি করলে গ্রেফতার করতে হবে। রাস্তায় কোন প্রকার চাঁদা উঠানো যাবে না। তবে মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের পরিচালন ব্যয় নির্বাহের জন্য নির্ধারিত সার্ভিস চার্জ উঠানো যাবে। ড্রাইভারদেরকে আইন মানার ক্ষেত্রে সচেতন করতে হবে।
পরিবহন মালিক সমিতির নেতারা ঢাকা শহরের ট্রাফিক শৃংখলা আনয়নে করণীয় সম্পর্কে আলোচানা করেন। মালিক সমিতির নেতারা ড্রাইভারদের ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানে বিআরটিএর সীমাবদ্ধতা ও জটিলতার কথা উল্লেখ করেন এবং বিষয়টি সু-নজরে দেখার জন্য পুলিশ কমিশনারের কাছে অনুরোধ জানান।
সভায় পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারা ঢাকা মহানগরীতে ট্রাফিক শৃংখলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে মালিকদের সহযোগিতা কামান করেন।
মতবিনিময় সভায় ডিএমপির উর্ধতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন পরিবহন মালিক সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণের বিরোধিতাকারী মামুনুল হক ও ফয়জুল করীমের কুশপুত্তলিকাদাহ, শাহবাগ অবরোধ

0

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মামুনুল হক ও চরমোনাই পীর ফয়জুল করীম কর্তৃক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ভাস্কর্য নির্মাণ বন্ধের হুমকির প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে প্রতিবাদ সমাবেশ ও কুশপুত্তলিকা দাহ শেষে বিক্ষোভ মিছিল করেছে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ।

শনিবার বিকেলে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ, কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো: আল মামুনের সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। বক্তব্য রাখেন ভাস্কর শিল্পী রাশা, গৌরব৭১ এর সাধারণ সম্পাদক এফএম শাহীন, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সনেট মাহমুদ, ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সভাপতি মিলন ঢালীসহ নেতারা। প্রায় এক ঘন্টা শাহবাগ অবরোধ করে রাখে সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

প্রতিবাদ সমাবেশে ভাস্কর শিল্পী রাশা বলেন, “সৌদিআরব, ইরানসহ বিশ্বের সব মুসলিম দেশে ভাস্কর্য রয়েছে। জাতির পিতার ভাস্কর্য অপসারণের দাবি যারা তুলেছে, সেই মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ না নিলে আমরা দেশ ও জাতির ‘সমূহ বিপর্যয়ের’ আশঙ্কা প্রকাশ করছি। আমরা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে মুজিববর্ষ উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য স্থাপনে বাধা প্রদান এবং স্থাপিত ভাস্কর্য ভেঙ্গে ফেলার ভয়ঙ্কর হুমকি দিয়েছে চিহ্নিত স্বাধীনতাবিরোধী, মৌলবাদী ও সাম্প্রদায়িক অপশক্তি।বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণের বিরোধিতাকারীরা কখনোই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী এহেন বক্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সংবিধান লঙ্ঘন করে জাতির পিতাকে অবমাননা করা হয়েছে। এদেরকে অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।”

মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো: আল মামুন বলেন,
“গত ১৩ নভেম্বর করোনাকালীন যাবতীয় বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করে তারা যেভাবে গেণ্ডারিয়ার ধূপখোলার মাঠে সমাবেশ করেছে এবং যে ভাষায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি বিষেদগার করেছে, তা রাষ্ট্রদ্রোহিতাতূল্য অপরাধ হলেও এখন পর্যন্ত এর বিরুদ্ধে সরকারি ব্যবস্থা কিংবা সরকারদলীয় কোনো প্রতিবাদ আমাদের নজরে পড়েনি। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা করা হয়েছে। এখনো পর্যন্ত আওয়ামী লীগ কোন আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানায়নি। আওয়ামী লীগের নীরবতা আমাদেরকে ব্যথিত করেছে। জাতির পিতার অবমাননাকারী ধর্ম ব্যবসায়ী মামুনুল হক ও ফয়জুল করীমকে দ্রুত গ্রেফতার করলে আমরা ধরে নিবো আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে দূরে সরে গেছে। আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধা পিতাদের ন্যায় একাত্তরের পরাজিত অপশক্তিদেরকেও আমরা রাজপথেই মোকাবিলা করবো। একাত্তরের পরাজিত অপশক্তির দোসররা তৌহিদী জনতার ব্যানারে প্রতিনিয়ত রাষ্ট্র বিরোধী ষড়যন্ত্র চলমান রেখেছে। লালমনিরহাট, কুমিল্লার মুরাদনগরের ঘটনা ও সম্প্রতি ধর্ম ব্যবসায়ী মামুনুল হকের বক্তব্য একই সূত্রে গাঁথা। ইসলাম শান্তির ধর্ম। কেউ অপরাধ করলে দেশের প্রচলিত আইনে তার বিচার হবে। দেশের আইন ও বিচার ব্যবস্থাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। লালমনিরহাটে সহিদুন্নবী জুয়েল নামে এক মুসলিমকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ইসলাম বিরোধী। কোন ধর্মই সহিংসতা ও মানুষ হত্যা সমর্থন করে না। ধর্মের নাম ব্যবহার করে এই উগ্রবাদী গোষ্ঠী দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এদের মূল উদ্দেশ্যে হচ্ছে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা। সকল ধর্মের মানুষদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ধর্মীয় স্বাধীনতা ভোগ করা প্রত্যেকটি মানুষের সাংবিধানিক অধিকার। ধর্মীয় সভাগুলোতে উস্কানিমূলক অপপ্রচার চালিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে। এহেন কর্মকাণ্ড কখনোই বরদাশত করবে না মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। ধর্মীয় উগ্রবাদ শক্ত হাতে দমন করতে হবে। কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী দণ্ডপ্রাপ্ত দেলোয়ার হোসেন সাঈদীকে চাঁদে দেখা যাচ্ছে বলে গুজব ছড়িয়ে যারা নাশকতা করে মানুষ হত্যা করেছিলো সেই মৌলবাদী অপশক্তিই সম্প্রতি ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে আবার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। এরা ইসলামের শত্রু। এরা কখনোই ইসলাম ধর্মের আদর্শ ধারণ করে না। ধর্মীয় লেবাশে রাষ্ট্র বিরোধী ষড়যন্ত্র করাই এদের মূল উদ্দেশ্য। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে এরা জঙ্গিবাদ রাষ্ট্র হিসেবে উপস্থাপন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। এরা দেশ ও জাতির শত্রু। একাত্তরের পরাজিত অপশক্তি পাকিস্তানের দোসররা এহেন ঘৃণ্য কর্মকাণ্ড দ্বারা বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা থামিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ধর্মের নামে এরা অপরাজনীতি শুরু করছে। ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের আবেগকে পুঁজি করে নিজেদের অসৎ উদ্দেশ্যে হাসিলের চেষ্টা করছে।”

আল মামুন আরো বলেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর অবমাননাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার না করলে শাহবাগসহ সমগ্র দেশে রাজপথ, রেলপথ ও সড়কপথ অবরোধ কর্মসূচী পালন করবে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ।আমরা লক্ষ্য করছি, করোনা সংকটেও কিছু ধর্মীয় লেবাশধারী দেশে করোনা নেই বলে প্রতিনিয়ত গুজব ছড়িয়ে সাধারণ মানুষদের জীবনকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিভিন্ন মাদ্রাসায় গত এক মাসে প্রায় ২৪ জন শিশু বলাৎকারের শিকার হয়েছে এবং ইতিমধ্যে ২ জন মৃত্যুবরণ করেছে। বলাৎকার ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে সম্পূর্ণ হারাম। অথচ ইসলামী দলগুলো বলাৎকারের বিরুদ্ধে কোন প্রতিবাদ করছে না। ধর্ষণের ন্যায় বলাৎকারের অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। বিভিন্ন ধর্মীয় সভায় ওয়াজের নামে গুজব ছড়ানো ও উস্কানিমূলক অপপ্রচার বন্ধ করার জন্য সরকারকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে। মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে। দেশের অনেক মাদ্রাসায় জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয় না, জাতীয় পতাকা ওড়ানো হয় না, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পড়ানো হয়না যা দেশের সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। সংবিধান বিরোধী এসব কর্মকাণ্ডই ধর্মীয় উগ্রবাদকে আরোও উসকে দিচ্ছে। মাদ্রাসাগুলোতে ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি দেশের ইতিহাস চর্চা বাধ্যতামূলক করতে হবে। অন্যথায় দেশপ্রেম ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু কে অবমাননা করার অপরাধে মামুনুল হক ও ফয়জুল করীমকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। অন্যথায় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ সমগ্র দেশে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে।”

মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ এর (৭) সাত দফা দাবি:

১। জাতির পিতাকে অবমাননা করার অপরাধে আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে ধর্ম ব্যবসায়ী মামুনুল হক ও ফয়জুল করীমকে গ্রেফতার করতে হবে।

২। দেশের প্রতিটি বিশ্বিবদ্যালয়,কলেজ ও জেলা, উপজেলায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ করতে হবে।

৩। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার লক্ষ্যে বাংলাদেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে।

৪। বিভিন্ন ধর্মীয় সভা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্মীয় উস্কানিমূলক গুজব ছড়ানো ও অপপ্রচারকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

৫। ধর্ষণের ন্যায় বলাৎকারের অপরাধে অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

৬। মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে এবং মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ওপর যৌন নিপীড়ন বন্ধে মনিটরিং সেল গঠন করে নজরদারি বাড়াতে হবে।

৭। মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত জাতীয় সংগীত বাজানো, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, শহীদ মিনার নির্মাণ ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতে হবে।

কসবার আড়াইবাড়ী দরবার শরীফের পীর সাহেবের মৃত্যুতে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের শোক

0

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার ঐতিহ্যবাহী আড়াইবাড়ী দরবার শরীফের পীর ও আড়াইবাড়ী ইসলামিয়া সাঈদিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন মাওলানা গোলাম সারোয়ার সাঈদীর করোনা ভাইরাসজনিত রোগ কোভিড ১৯ এ আক্রান্ত হয়ে শনিবার ভোরে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে (সাবেক এ্যাপেলো হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি…..রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৫৪ বছর।
তাঁর আকষ্মিক ও অকাল মৃত্যুতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন।
এক শোকবার্তায় আইনমন্ত্রী বলেন, মাওলানা গোলাম সারোয়ার সাঈদী এদেশের প্রখ্যাত বুজুর্গান আলেমে দ্বীন সৈয়দ আজগর আহাম্মদের দৌহিত্র। তাঁর পিতা মরহুম পীর গোলাম হাক্কানী সাহেবের স্থলাভিষিক্ত হয়ে গোলাম সারোয়ার সাঈদী সাহেব দুনিয়া ও আখেরাতের মুক্তির জন্য দ্বীনের দাওয়াত দিয়ে এলেম দান করেছেন।
মন্ত্রী শোক বার্তায় আরো বলেন, মাওলানা গোলাম সারোয়ার সাঈদী সাহেবের সাথে আমার ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক ছিলো। তাঁর মৃত্যুতে কসবাবাসী একজন ভালো মানুষকে হারালো। যে ক্ষতি পূরণ হবার নয়।

জাতীয় শ্রমিক লীগ সভাপতি মৃত্যুতে আইনমন্ত্রীর শোকঃ
এদিকে জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক মন্টুর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এমপি।
মন্ত্রী এক শোকাবার্তায় বলেন, মরহুম ফজলুল হক মন্টুকে তিনি দীর্ঘদিন ধরে চেনেন ও জানেন। তিনি আজীবন শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে কাজ করে গেছেন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। এজন্য তিনি চির স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
মন্ত্রী শোকাবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ: মজনুর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, কাঠগড়ায় আসামির চিৎকার চেঁচামেচি , রুদ্ধদ্বার কক্ষে রায় ঘোষণা

0

রাজধানীর কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় করা মামলায় একমাত্র আসামি মজনুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের জেল দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার( ১৯ নভেম্বর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল – ৭ এর বিচারক মোসাম্মৎ কামরুন্নাহার এই রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার সময় আসামি মজনুকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। আদালতের কাঠগড়ায় তোলার সময় মজনু চিৎকার চেঁচামেচি করতে থাকে। পুলিশ ও আইনজীবীদের অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন। চিৎকার করে মজনু বলেন, ‘আমি ধর্ষণ করিনি, আমি বাড়ি যাবো, আমাকে ছেড়ে দাও। এ সময় মজনু বলেন, আমি ধর্ষণ করি নাই, ধর্ষণ করেছে চারজন মিলে। পুলিশ তাদের ধরে নি। আমি গরিব দেখে আমাকে ধরেছে। আমার নাম মজনু পাগল। আমাকে ছেড়ে দেন। ‘
মজনু কাঁদতে কাঁদতে বলতে থাকেন,’ কারাগারে খালি মশা। আমারে খেতে দেয় না। আমারে ছেড়ে দেন। ঢাকা আর আসবো না। ‘

মজনুর চিৎকার চেঁচামেচিতে এক পর্যায়ে আদালত কক্ষে উপস্থিত সাংবাদিক ও আইনজীবীদের বাইরের বারান্দায় যেতে বলে শুধু সিনিয়র একজন আইনজীবীকে এজলাসে থাকার অনুমতি দেন বিচারক। পরে রুদ্ধদ্বার কক্ষে রায় ঘোষণা করেন বিচারক।
রায় ঘোষণার পর মজনুকে কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
গত ৫ জানুয়ারি বিমানবন্দর সড়কের কুর্মিটোলা বাসস্ট্যান্ডে বাস থেকে নেমে ফুটপাত দিয়ে যাচ্ছিলেন ঢাবি ছাত্রিটি। আর্মি গলফ ক্লাব মাঠ সংলগ্ন স্থানে পৌঁছালে আসামি মজনু পেছন থেকে গলা চেপে ধরে পাশের ঝোপের আড়ালে মাটিতে ফেলে গলা চেপে ধরেন। ভিকটিম চিৎকার করতে গেলে আসামি তাকে কিল-ঘুষি মেরে ভয়ভীতি দেখালে ভিকটিম অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তখন মজনু ভিকটিমকে অচেতন অবস্থায় ধর্ষণ করেন। মজনু একজন অভ্যাসগতভাবে ধর্ষণকারী। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে এসব।
এ ঘটনার পর র‌্যাব ৮ জানুয়ারি মজনুকে ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন শেওড়া বাসস্ট্যান্ডের পূর্ব পাশের পাকা রাস্তার ওপর থেকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর তার স্বীকারোক্তি মতে ভিকটিমের ব্যাগ, মোবাইল ফোন ও পাওয়ার ব্যাংক এবং ভিকটিমের ব্যবহৃত একটি জিন্সের প্যান্ট ও একটি জ্যাকেট উদ্ধার করা হয়।
৬ জানুয়ারি ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ধর্ষণের মামলা করেন।
আসামি মজনুকে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ১৬ জানুয়ারি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরপর থেকে মজনুকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়।
গত ১২ নভেম্বর ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক বেগম মোসাম্মৎ কামরুন্নাহার রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তি তর্কের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ধার্য করেন।
মামলার ২৪ সাক্ষীর মধ্যে ২০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা সম্ভব হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আফরোজা ফারহানা আহম্মেদ অরেঞ্জ জানান, ১৩ কার্যদিবসের মধ্যে মামলাটির বিচারকাজ শেষ হয়েছে। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি জানান, ক্যামেরা দেখে আসামি সিন ক্রিয়েট করেছে। ফলে বাধ্য হয়েই রুদ্ধদ্বার কক্ষে রায় ঘোষণা করা হয়েছে। মজনুর আইনজীবী ( সরকার থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত) রবিউল ইসলাম বলেন, রায়ে আমরা ন্যায় বিচার পাইনি। এর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।