ঢাকা   বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩   সন্ধ্যা ৭:২৫ 

Home Blog Page 21

গ্রামীণ টেলিকমের অর্থ আত্মসাৎ: দুদকের অনুসন্ধান টিম গঠন, জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে

0

গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলের অর্থ ও প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য তিন সদস্যের টিম গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনকে তদারককারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। টিম প্রধান করা হয়েছে উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধানকে। আর টিমে অপর দুই সদস্য হলেন সহকারী পরিচালক জেসমিন আক্তার ও নূরে আলম সিদ্দিকী। দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়ার পর সোমবার (১ আগস্ট) সংস্থাটির এই অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়। দুদকের অনুসন্ধানকালে গ্রামিণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠিাতা ও গ্রামিণ টেলিকমের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। এমন আভাস দেয়া হয়েছে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে।
এর আগে গত ২৮ জুলাই গ্রামীণ টেলিকম পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করার কথা জানান সংস্থাটির সচিব মো. মাহবুব হোসেন।
দুদক সচিব বলেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপ-মহাপরিদর্শক গ্রামীণ টেলিকম কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ সম্বলিত একটি প্রতিবেদন দুদকে পাঠান। ওই অভিযোগ সম্বলিত প্রতিবেদন কমিশন পর্যালোচনা করে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
অভিযোগগুলো হলো অনিয়মের মাধ্যমে শ্রমিক-কর্মচারীদের মধ্যে বণ্টনের জন্য সংরক্ষিত লভ্যাংশের ৫ শতাংশ অর্থ লোপাট।
শ্রমিক কর্মচারীদের পাওনা পরিশোধকালে অবৈধভাবে অ্যাডভোকেট ফি ও অন্যান্য ফি’র নামে ৬ শতাংশ অর্থ কর্তন।
শ্রমিক কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলে বরাদ্দ করা সুদসহ ৪৫ কোটি ৫২ লাখ ১৩ হাজার ৬৪৩ টাকা বিতরণ না করে আত্মসাৎ।
কোম্পানি থেকে ২ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের উদ্দেশে বিভিন্ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরের মাধ্যমে আত্মসাৎ।
নিয়োগ হওয়ার পরে আপনারাই জানতে পারবেন এর সঙ্গে কে কে সম্পৃক্ত। দুদক সূত্র জানায় অভিযোগ অনুসন্ধানকারী টিম গ্রামীণ টেলিকম কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের কাছ থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করবে। সব বিধিবিধান অনুসারণ করেই দুদক কার্যক্রম চালাবে যাতে কোনো বিতর্কেও সৃষ্টি না হয়।

আওয়ামীলীগের আয় বেড়েছে, ব্যয় কমেছে

0

২০২১ সালে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের আয় হয়েছে ২১ কোটি ২৩ লাখ ৪৬ হাজার ১০৬ টাকা। আর ২০২১ সালে দলটির ব্যয় হয়েছে ৬ কোটি ৩০ লাখ ১৯ হাজার ৮৫২ টাকা। আগের বছর ২০২০ সালে মোট আয় ছিল ১০ কোটি ৩৩ লাখ ৪৩ হাজার ৫৩৩ টাকা। আর ২০২০ সালে মোট ব্যয় ছিল ৯ কোটি ৯৪ লাখ ৪৯ হাজার ৯৩১ টাকা। এ হিসাবে, আওয়ামী লীগের আয় বেড়েছে ১০ কোটি ৯০ লাখ ২ হাজার ৫৭৩ টাকা। ফলে ব্যয় কমেছে ৩ কোটি ৬৪ লাখ ৩০ হাজার ৭৯ টাকা। রোববার নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেয়া দলটির হিসাব থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ এইচ এন আশিকুর রহমানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল এদিন সকালে ইসি সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকারের কাছে দলের ২০২১ সালের অডিট রিপোর্ট জমা দেন। আয়ের প্রধান খাত দেখানো হয়েছে, সম্পত্তি থেকে আয় এবং মনোনয়ন ফরম ও প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ ফরম বিক্রি।
ব্যয় হ্রাসের কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, ২০২০ সালে কোভিড অতিমারির কারণে দলীয় নেতাকর্মীদের আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছিল। কিন্তু নগদ অর্থ বিতরণের পরিমাণ কম ছিল। আর ব্যয়ের প্রধান খাত দেখানো হয়েছে, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন ভাতা, সংগঠন পরিচালন ব্যয়, অফিস ভাড়া, প্রচার ও প্রকাশনা বাবদ ব্যয়।
প্রতিনিধি দলে ছিলেন- প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বুড়ুয়া, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান ও অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য জাফরুল শাহরিয়ার জুয়েল।
অডিট রিপোর্টে আরও বলা হয়, ২০২১ সালে আওয়ামী লীগের বছর শেষে উদ্বৃত্ত ছিল ১৪ কোটি ৯৩ লাখ ২৬ হাজার ২৫৪ টাকা। আর ২০২০ সালের তুলনায় ১৪ কোটি ৫৪ লাখ ৩২ হাজার ৬৫৩ টাকা বেশি আছে।
এ ছাড়া ২০২১ পঞ্জিকা বছরে আওয়ামী লীগের বছর শেষে ব্যাংকে স্থিতি ছিল ৭০ কোটি ৪৩ লাখ ৭০ হাজার ১৬৬ টাকা। আগের বছর অর্থাৎ ২০২০ সাল শেষে স্থিতি ছিল ৫০ কোটি ৭৬ লাখ ৩৭ হাজার ১৯৪ ঢাকা।

সরকারি কর্মকর্তাদের অপ্রয়োজনীয় বিদেশযাত্রা বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে রিট

0

সরকারি আদেশ অমান্য করে সরকারি কর্মকর্তাদের অপ্রয়োজনীয় বিদেশযাত্রা বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। রোববার জনস্বার্থে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন রিটটি দায়ের করেন।
পরে তিনি জানান, রিট আবেদনটির ওপর বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হতে পারে। রিট আবেদনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, দুদকসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।
সরকারি প্রজ্ঞাপন অমান্য করে একজন মন্ত্রীর পিএস বিদেশে গেছেন। এভাবে অনেক কর্মকর্তা সরকারি প্রজ্ঞাপন অমান্য করে বিদেশে যাচ্ছেন বলেও রিট আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে।
এর আগে, গত ১২ মে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফর বন্ধের বিষয়ে পরিপত্র জারি করে সরকার।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, করোনা–পরবর্তী অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও বর্তমান বৈশ্বিক সংকটের প্রেক্ষাপটে পুনরায় আদেশ না দেয়া পর্যন্ত এক্সপোজার ভিজিট, শিক্ষা সফর, এপিএ এবং ইনোভেশনের আওতামুক্ত ভ্রমণ ও ওয়ার্কশপ বা সেমিনারে অংশগ্রহণসহ সব ধরনের বৈদেশিক ভ্রমণ বন্ধ থাকবে। এ আদেশ উন্নয়ন বাজেট ও পরিচালন বাজেট উভয় ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

চাঁদপুরের বালুখেকো সেই সেলিম খানের বিরুদ্ধে মামলা করবে দুদক

0

সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ৩৪ কোটি টাকা রাখার দায়ে চাঁদপুরের ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) আলোচিত চেয়ারম্যান সেলিম খানের বিরুদ্ধে মামলা করবে দুদক। রোববার সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে দুদকের সচিব মো. মাহবুব হোসেন এ তথ্য জানান।
চাঁদপুর সদরের ১০ নম্বর লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সেলিম খানের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সরকারি অর্থ আত্মসাৎসহ তাঁর জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের অনুসন্ধান করছে দুদক। তাঁর বিরুদ্ধে প্রস্তাবিত চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি অধিগ্রহণে কারসাজি এবং মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে সরকারের বিপুল আর্থিক ক্ষতি করার প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছেন দুদকের কর্মকর্তারা।
দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে সেলিম খানের নামে চাঁদপুর সদর উপজেলায় ৪ দশমিক ২১ একর (কৃষি-অকৃষি), নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ১০ তলা বাড়ি, ঢাকার কাকরাইলে ৪ তলা বাড়ি ও ১টি ফ্ল্যাট, ২টি জিপ গাড়ি, ৪টি ড্রেজার, ১টি শটগান, স্বর্ণালংকারসহ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ২০ কোটি ৬৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা মূল্যের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।
দুদকের সচিব মাহবুব হোসেন জানান, সেলিম খানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় কমিশনের অনুমোদনক্রমে তাঁর বরাবর সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন।
দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণী যাচাই শেষে সম্পদ বিবরণীতে ৬৬ লাখ ৯৯ হাজার ৪৭৭ টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদের তথ্য গোপন এবং অবৈধ উপায়ে মোট ৩৪ কোটি ৫৩ লাখ ৮১ হাজার ১১৯ টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলের প্রমাণ মেলে। এ জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪–এর ২৬ (২) ও ২৭ (১) ধারায় কমিশন একটি মামলা করার অনুমতি দেয়।
এর আগে গত এপ্রিলে দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সেলিম খানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন আদালত।

শপথ নিলেন ১১ অতিরিক্ত বিচারপতি

0

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে নতুন নিয়োগ পাওয়া ১১ জন অতিরিক্ত বিচারপতি শপথ নিয়েছেন। রোববার বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।
শপথ নেয়া বিচারপতিরা হলেন- পিআরএল ভোগরত জেলা ও দায়রা জজ মো. শওকত আলী চৌধুরী, কুমিল্লার জেলা ও দায়রা জজ মো. আতাবুল্লাহ, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আমিনুল ইসলাম, সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট মো. আলী রেজা, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. বজলুর রহমান, ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ, টাঙ্গাইল জেলা ও দায়রা জজ ফাহমিদা কাদের, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. বশির উল্লাহ, সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট এস এম মাসুদ হোসেন দোলন ও সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট এ কে এম রবিউল হাসান।
এর আগে দুপূরে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে তাদের নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৮ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে নিম্নোক্ত ১১ জন ব্যক্তিকে অনধিক দুই বছরের জন্য বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগ করেছেন। এ নিয়োগ শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।

ধর্মীয় সহিংসতা ঠেকাতে জেলা-উপজেলা, ইউপি পর্যায়ে কমিটি গঠন

0

ধর্মীয় সহিংসতা ঠেকাতে দেশের সব জেলা– উপজেলা,ইউনিয়ন পর্যায়ে ‘সামাজিক সম্প্রীতি কমিটি’ নামে কমিটি গঠন করেছে সরকার। জেলা পর্যায়ের কমিটিতে জেলা প্রশাসককে প্রধান করা হয়েছে। ২৩ সদস্যের কমিটিতে সংশ্লিষ্ট জেলার সব সংসদ সদস্য ও জেলা পরিষদের প্রশাসককে উপদেষ্টা রাখা হয়েছে। পুলিশ সুপার এ কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন।
উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়েও আলাদা সামাজিক সম্প্রীতি কমিটি গঠন করা হয়েছে। উপজেলা কমিটির নেতৃত্বে রাখা হয়েছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে। ২৪শে জুলাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে তিনটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করে দেয়া হয়। উপজেলা পর্যায়ের কমিটিতে সদস্য রাখা হয়েছে ২৪ জনকে। সংশ্লিষ্ট উপজেলার সংসদ সদস্যকে রাখা হয়েছে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ওই কমিটির উপদেষ্টা হবেন। ১৪ সদস্যের ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিটিতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রধান হবেন। সদস্যসচিব করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের সচিবকে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কমিটির সদস্যরা তাদের নিজ নিজ এলাকায় সম্প্রীতি সমাবেশ করবেন
ধর্মীয় উগ্রবাদ, জঙ্গিবাদ, সহিংসতা ও সন্ত্রাসবাদকে প্রতিহত করতে প্রয়োজনীয় প্রচার কার্যক্রম চালাবেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার রোধে মানুষকে সচেতন করে তুলবেন। মসজিদ, মন্দির, গির্জাসহ সব উপাসনালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কমিটি সহযোগিতা করবে।

জনগণকে দ্রুত ন্যায়বিচার প্রদানে বিচারকদের প্রতি আইনমন্ত্রীর আহবান

0

জনগণকে দ্রুত ন্যায়বিচার প্রদানের প্রতি গুরুত্বারোপ করে বিচারকদের উদ্দেশ্যে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, মামলার বিচার করতে দেরি হলে ন্যায়বিচার শব্দের ন্যায় কথাটি আস্তে আস্তে অনেক ঝাপসা হয়ে যায়।এই ঝাপসাটা হতে দিবেন না। যখন পরিষ্কার থাকে তখনই যাতে মামলাটা শেষ হয়, সেই কাজটা আপনারা করবেন। সেই সাথে মামলা নিষ্পত্তির হার বাড়াবেন।আমি জনগণের একজন প্রতিনিধি হিসেবে আপনাদের কাছে এটুকু অনুরোধ করছি। আইনজীবীদের সাথে বিচারকদের সুসম্পর্ক থাকলে মামলা নিষ্পত্তির হার বাড়বে এবং বিচার বিভাগ শক্তিশালী হবে বলে মনে করেন তিনি।
শনিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর ধানমন্ডির একটি রেস্টুরেন্টে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস এসোসিয়েশনের আয়োজনে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ারকে দেয়া এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। মো. গোলাম সারওয়ারকে আইন ও বিচার বিভাগে পূর্ণাঙ্গ সচিব হিসেবে পদায়ন উপলক্ষ্যে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে স্বাধীন করার চেস্টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অন্যতম চাওয়া ছিল, জনগণকে ন্যায়বিচার পাইয়ে দেয়া। কারণ তিনি কখনও ন্যায়বিচার পাননি।এমনকি মৃত্যুর পরও ন্যায়বিচার পাননি। সেক্ষেত্রে আজকে আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হচ্ছে, বিচার বিভাগকে এমনভাবে সাজানো, যাতে বাংলাদেশের জনগণের দ্রুত ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার পূরণ হয়। তিনি বলেন, এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আনিসুল হক বিচারকদের উদ্দেশ্যে বলেন, বিচার বিভাগের স্বার্থে আপনারা সরকারের কাছে বা রাষ্ট্রের কাছে যেটাই চাইবেন, সেটা দিয়ে দেয়া হবে। বিনিময়ে দ্রুত ন্যায়বিচার চাই্। তিনি বলেন, আমরা পাকিস্তান আমলে দেখেছি, ১৯৭৫ সালে সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে ও জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করার পর দেখেছি, কোন বিচার হয়নি। এইসব হত্যার বিচার না হওয়াটা আমাদের মনে ও হৃদয়ে রক্তক্ষরণ করেছে। জনগণের এই রক্তক্ষরণ আপনারা বন্ধ করবেন। মি. হক বলেন, জনগণের টাকা-পয়সায় দেশ চলে, তাদের পরিশ্রমে, তাদের মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কাজ করার কারণে আমরা এই অবস্থানে আছি। তাই তাদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তিকে নিশ্চিত করতে হবে। আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ হলো নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগের সেতু বন্ধন। এই সেতু বন্ধন যাতে আরও দৃঢ় হয়, বিচারকদের যাতে কোনো অসুবিধা না থাকে, সেই লক্ষ্যে আমাদের কাজ করতে হবে, বলেন আইনমন্ত্রী। বিচার বিভাগ স্বাধীন থাকলে সঠিকভাবে ন্যায়বিচার দিতে পারবে-একথা তিনি যেমন বিশ্বাস করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও তেমনি বিশ্বাস করেন। এমনকি জাতির পিতাও এই বিশ্বাসকে ধারণ করে বাংলাদেশের জন্ম দিয়েছিলেন, বলেন মি. হক। আইনমন্ত্রী বিশ্বাস করেন, বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে চলার জন্য নেতৃস্থানীয় এবং প্রত্যেকটা পদে সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তা থাকা উচিৎ। তাছাড়া যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে এমন কর্মকর্তা থাকা প্রয়োজন। মো. গোলাম সারওয়ার দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করার কারণেই আইন ও বিচার বিভাগের সচিব পদে আসীন হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এসোসিয়েশনের সভাপতি এ এইচ এম হাবিবুর রহমান ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, যুগ্ম সচিব ও এসোসিয়েশনের মহাসচিব বিকাশ কুমার সাহা, ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ, নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব (আ্ইন) মাহাবুবার রহমান সরকার, আইন ও বিচার বিভাগের উপসচিব শেখ গোলাম মাহবুব, কাস্টম, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপীলেট ট্রাইব্যুনালের সদস্য- বিচার(জেলা জজ) মো. সোহেল আহমেদ, বান্দরবান জেলার জেলা ও দায়রা জজ ফজলে এলাহি ভূঁইয়া, নারায়ণগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ মুন্সি মশিউর রহমান, ঢাকার সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবর রহমান, মো. সোহেল আহমেদ বক্তব্য রাখেন।

ই-নামজারিতে স্বাক্ষরবিহীন কিউআর কোডযুক্ত ডিসিআর ও খতিয়ান চালু

0

ই-নামজারিতে স্বাক্ষরবিহীন কিউআর কোডযুক্ত ডিসিআর ও খতিয়ান চালু করা হয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানিয়ে বলা হয়, ই-নামজারি প্রক্রিয়ায় প্রণীত খতিয়ান ও ডিসিআর-এর নতুন ফরমেটে কিউআর কোড সংযুক্ত করা হয়েছে। কিউআর কোডযুক্ত ডিসিআর ও খতিয়ানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা নাজিরের ম্যানুয়াল স্বাক্ষরের দরকার হবে না।
ভূমিসেবাকে জনবান্ধব করতে ভূমির সকল সেবাকে ডিজিটাইজড করা হচ্ছে। এই লক্ষ্যে ই-মিউটেশন প্রক্রিয়ায় প্রণীত খতিয়ান ও ডিসিআরের নতুন ফরমেটে কিউআর কোড সংযুক্ত করা হয়েছে। কিউআর কোডযুক্ত ডিসিআর ও খতিয়ান ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে প্রদত্ত ডিসিআর ও খতিয়ানের সমতুল্য এবং আইনগতভবে বৈধ ও সর্বক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য ও ব্যবহারোপযোগী।
কিউআর কোডযুক্ত ডিসিআর ও খতিয়ান প্রাপ্তির পর ভূমি অফিস থেকে ম্যানুয়াল ডিসিআর, খতিয়ান সংগ্রহ করার প্রয়োজ নেই।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভূমিসেবা কাঠামো অথবা সরাসরি ই-নামজারি ওয়েবসাইটে গিয়ে কিউআর কোড স্ক্যান করে কিউআর কোডযুক্ত অনলাইন ডিসিআর এবং কিউআর কোডযুক্ত অনলাইন খতিয়ানের বৈধতা সহজেই যাচাই করা যাবে। ইতিমধ্যে এই সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে। বাসস।

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের খসড়া প্রস্তাবে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত নেয়ার পরামর্শ

0

ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইপিএবি) আয়োজনে নীতি সংলাপ এবং এর প্রভাব (তামাক এবং লিংকেজ সেক্টর)’ শীর্ষক একটি নীতি সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর হোটেল শেরাটনে ‘এতে শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিল্প খাতের উর্ধতন কর্মকর্তা ও তামাক শিল্পখাতের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।
আইপিএবি ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন সেক্টরের সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে নিয়মিত সংলাপ আয়োজন করে আসছে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক জনমত যাচাইয়ের জন্য প্রকাশিত তামাক খাতে প্রযোজ্য আইনের সংশোধনী প্রস্তাবসমূহের উপর বিশ্লেষণ ও মতামত উপস্থাপন করেন।
বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনটি ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ও সর্বশেষ ২০১৩ সালে সংশোধিত হয় এবং পরবর্তীতে ২০১৫ সালে এই আইনের বিধি চূড়ান্ত করা হয়। বর্তমানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই আইনের অধিকতর সংশোধন আনয়নের লক্ষ্যে একটি খসড়া প্রস্তুত করেছে, যার মধ্যে ধূমপান এলাকার ব্যবস্থা বিলুপ্তিকরণ,তামাক কোম্পানিগুলোর সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচী (সিএসআর) নিষিদ্ধকরণ, ই-সিগারেট নিষিদ্ধকরণ,তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয়ের জন্য পৃথকভাবে লাইসেন্স গ্রহণ, ফেরি করে তামাকজাত পণ্য বিক্রি নিষিদ্ধকরণ, সিগারেটের একক শলাকা বিক্রি নিষিদ্ধকরণ ইত্যাদিসহ বেশ কিছু প্রস্তাব আনা হয়েছে। বক্তারা অনেকে অভিযোগ করেন, তামাক সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন সভায় সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিনিধি ও এসোসিয়েশনগুলোর মতামত নেওয়া হয়নি। তারা সব ধরনের অংশীজনদের মতামত গ্রহণের অনুরোধ করেন।
বক্তারা বলেন, প্রস্তাবিত আইনটি কার্যকর হলে তামাকখাতের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ৬০ থেকে ৭০ লাখ মানুষ এবং সংশ্লিষ্ট নিম্ন ও মধ্যম আয়ের ব্যবসায়ী জনগোষ্ঠী অসুবিধায় পড়বে। পাশাপাশি দেশি-বিদেশী বিনিয়োগ কমে যাবে। এর ফলে সরকারের রাজস্ব আয় কমবে যা বিশ্বব্যাপী চলমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সামর্থ্যকে হ্রাস করবে।
সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের সাবেক অধ্যাপক ও অর্থনীতিবিদ ড. হারুনুর রাশিদ। আলোচক ছিলেন ফরেন ইনভেস্টর্স চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র নির্বাহী পরিচালক টি আই এম নুরুল কবির,বহুজাতিক কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান রবি’র চিফ কর্পোরেট ও রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার ব্যারিস্টার সাহেদ আলম, এফবিসিসিআই পরিচালক আনোয়ার সাদাত, সিনিয়র সাংবাদিক তালাত মামুন, ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এস এম রশিদুল ইসলাম প্রমূখ। আইপিএবির প্রেসিডেন্ট শামসুল আলম মল্লিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপটি পরিচালনা করেন আইপিএবির ডিরেক্টর জেনারেল মো. আজিজুর রহমান। (বাসস)|

বাংলাদেশি তরুণের সঙ্গে সমকামিতা: মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্টের ভাই গ্রেফতার

0

বাংলাদেশি এক তরুণের সঙ্গে সমকামিতায় জড়িত থাকার অভিযোগে মালদ্বীপে এক আইনজীবীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার নাম আহমেদ নাজিম আবদুল সাত্তার। যিনি মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও দেশটির পার্লামেন্টের বর্তমান স্পিকার মোহাম্মদ নাশিদের ভাই।
সামাজিক মাধ্যমে ফাঁস হওয়া এক ভিডিওতে নাজিম রাজধানী মালেতে বসবাসরত ২৫ বছর বয়সী তরুণ বাংলাদেশি নাগরিক মোঃ আলমগীরের সাথে যৌন ক্রিয়াকলাপে জড়িত থাকাবস্থায় ধরা পড়েছিলেন। আলমগীর সেখানে সমকামি হিসেবে কাজ করে থাকেন।
মালদ্বীপের গণমাধ্যম ‘আভাস’ এ খবর জানিয়ে বলেছে, ভিডিওটি ফাঁস হওয়ার পর নাজিমকে প্রথমে থানায় ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে মামলা করা হলে তাকে গ্রেফতার ও পাসপোর্ট জব্দ করা হয়। পুলিশের আবেদনে আদালত তাকে ৭ দিনের জন্য রিমান্ড মঞ্জুর করে।
উল্লেখ্য, গত জুন মাসে মালদ্বীপে বেশ কয়েকটি ভিডিও ফাঁস হয়েছিল, যেগুলোতে আলমগীরকে মালদ্বীপের বেশ কয়েকজন হাই-প্রোফাইল পুরুষের সাথে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হতে দেখা গিয়েছে এমন অভিযোগ রয়েছে। ওইসব পুরুষদের মধ্যে নাজিম, কর্নেল নাশিদ এবং মাদক নিয়ন্ত্রণ বিভাগে কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুল রহমান রাফিউ রয়েছেন।
এদিকে, গত ১২ জুলাই বাংলাদেশি নাগরিক মোঃ আলমগীরকে মালদ্বীপের বেশ কয়েকজন পুরুষের সাথে সমকামী কার্যকলাপে লিপ্ত হওয়ার ভিডিও ফাঁস হওয়ার কারণে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলে দেশটির গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছিল। তার বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেইলিং এবং পুরুষদের সঙ্গে অবৈধ যৌন সম্পর্কের অভিযোগ ছিল। ভিডিওগুলো আলমগীর-ই রেকর্ড করেছিল। এ ঘটনায় তোলপাড় চলছে মালদ্বীপে।