ঢাকা   শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩   রাত ৮:২৪ 

Home Blog Page 58

রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণ, আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলেসহ সব আসামি খালাস

0

রাজধানীর বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদসহ পাঁচজনকেই খালাস দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর ) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক বেগম কামরুন্নাহার এ রায় ঘোষণা করেন।
খালাসপ্রাপ্ত বাকিরা হলেন, নাঈম আশরাফ (পুলিশের কাছে এস এম হালিম নামে চিহ্নিত), সাফাত আহমেদের বন্ধু সাদমান সাকিফ, দেহরক্ষী রহমত আলী ও গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন।

এর আগে দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। এর কিছুক্ষণ পরেই রায় পড়া শুরু করেন বিচারক এবং পুরো রায় পড়েন।
রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, “তদন্ত কর্মকর্তা প্রভাবিত হয়ে এ মামলায় অভিযোগপত্র দিয়েছেন। ভিকটিমদের ডাক্তারি রিপোর্টে কোনো সেক্সুয়াল ভায়োলেশনের বিবরণ নেই। ভিকটিমের পরীধেয়তে পাওয়া ডিএনএ নমুনা আসামিদের সঙ্গে মিললো না। … ৩৮ দিন পর এসে তারা বললো ‘রেপড হয়েছি’, বিষয়টি তদন্ত কর্মকর্তার বিবেচনা করা উচিত ছিল।”
তা না করে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতের ‘পাবলিক টাইম নষ্ট’ করেছেন পর্যবেক্ষণ দিয়ে বিচারক বলেন, পুলিশ যেন ঘটনার ৭২ ঘণ্টা পরে কোনো ধর্ষণের মামলা না নেয়।
গত ২৭ অক্টোবর রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু সিনিয়র আইনজীবী বাসেত মজুমদার মারা যাওয়ায় আদালতের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। তাই বিচারক রায় ঘোষণার জন্য ১১ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।
গত ৩ অক্টোবর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষ হয়।
২০১৭ সালের ৭ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের (ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার) পরিদর্শক ইসমত আরা এমি পাঁচ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেন। ওই বছরের ১৯ জুন একই ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।
অভিযোগপত্রে আসামি সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ ওরফে এইচ এম হালিমের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (১) ধারায় ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। এছাড়া মামলার অন্য তিন আসামি সাফাত আহমেদের বন্ধু সাদমান সাকিফ, দেহরক্ষী রহমত আলী ও গাড়িচালক বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে ওই আইনের ৩০ ধারায় ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ রাত ৯টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত অভিযুক্তরা মামলার বাদী, তার বান্ধবী ও বন্ধুকে আটকে রাখে। অস্ত্র দেখিয়ে ভয় প্রদর্শন ও অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করেন। বাদী ও তার বান্ধবীকে জোর করে একটি কক্ষে নিয়ে যায় আসামিরা। বাদীকে সাফাত আহমেদ ও তার বান্ধবীকে নাঈম আশরাফ একাধিকবার ধর্ষণ করে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, সাদমান সাকিফকে দুই বছর ধরে চেনেন মামলার বাদী। তার মাধ্যমেই ঘটনার ১০ থেকে ১৫ দিন আগে সাফাতের সঙ্গে দুই শিক্ষার্থীর পরিচয় হয়। ওই দুই শিক্ষার্থী সাফাতের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যান। সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী তাদের বনানীর ২৭ নম্বর রোডে রেইনট্রি হোটেলে নিয়ে যান। হোটেলে যাওয়ার আগে বাদী ও তার বান্ধবী জানতেন না যে সেখানে পার্টি হবে। তাদের বলা হয়েছিল, এটা একটা বড় অনুষ্ঠান, অনেক লোকজন থাকবে। অনুষ্ঠান হবে হোটেলের ছাদে।
সেখানে যাওয়ার পর তারা কাউকে দেখেননি। সেখানে আরও দুই তরুণী ছিলেন। বাদী ও তার বান্ধবী সাফাত ও নাঈমকে ওই দুই তরুণীকে ছাদ থেকে নিচে নিয়ে যেতে দেখেন। এসময় বাদীর বন্ধু ও আরেক বান্ধবী ছাদে আসেন। পরিবেশ ভালো না লাগায় তারা চলে যেতে চান। এসময় অভিযুক্তরা তাদের গাড়ির চাবি শাহরিয়ারের কাছ থেকে নিয়ে নেয় এবং তাকে মারধর করেন। ধর্ষণের সময় গাড়িচালককে ভিডিও করতে বলেন সাফাত। বাদীকে নাঈম আশরাফ মারধর করেন।
রায়ের প্রতিক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আফরোজা ফারহানা আহমেদ অরেঞ্জ বলেন, “আমরা আদালতে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছি এ মামলার বিচারে। আদালত ঘটনা এবং নথিপত্রের চুলচেরা বিশ্লেষণ করে মামলার রায় দিয়েছেন। মামলার সত্যায়িত কপি পাওয়ার পরে আমরা কী করব, সেই সিদ্ধান্ত নিব।”
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, “সাক্ষ্যপ্রমাণ এখানে হাজির করার পরও মেডিকেলে রিপোর্ট, ডিএনএ রিপোর্ট, ২২ জনের সাক্ষী, ঘটনাস্থল, ২২ ধারায় বাদীর জবানবন্দি এবং সব কিছুর আলোকে এটা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। এবং মাননীয় আদালত চূড়ান্তভাবে খালাস প্রদান করেছেন। আমরা আনন্দিত।”

করোনা ভাইরাসের মুখে খাওয়ার ওষুধ মলনুপিরাভির সম্পর্কে যা জানা গেলো

0

বাংলাদেশের বাজারে এসেছে করোনা ভাইরাস বা কোভিড চিকিৎসায় মুখে খাওয়ার প্রথম ঔষধ মলনুপিরাভির। দেশের বেশ কয়েকটি ওষুধ কোম্পানি ইতিমধ্যে এর বাজারজাত শুরু করেছে। আর দেশের ঔষুধ প্রশাসনও এর অনুমোদন দিয়েছে। মলনুপিরাভির এর কার্যকারিতা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াসহ বিস্তারিত জানিয়েছে বিবিসির এক প্রতিবেদনে। বিবিসি বাংলায় প্রচারিত প্রতিবেদনটি পাঠকের স্বার্থে তুলে ধরা হলো।
বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস এই ঔষধটি ‘এমোরিভির ২০০’ নামে মঙ্গলবারই বাজারে এনেছে বলে বিবিসি জানতে পেরেছে।
এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালসের বরাত দিয়ে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর বলছে, বুধবার নাগাদ তাদের তৈরি মলনুপিরাভির বাজারে চলে আসবে।
আর স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস বিবিসিকে জানিয়েছে, তারা দু-তিনদিনের মধ্যেই ঔষধটি বাজারে নিয়ে আসতে পারবে।
স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের বিপনন বিভাগের পরিচালক আহমেদ কামরুল আলম বিবিসিকে জানিয়েছেন, তারা প্রতিটি পিলের দাম ৫০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে রাখবেন বলে পরিকল্পনা করছেন।
তিনটি প্রতিষ্ঠানকেই মলনুপিরাভির উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের অনুমোদন এরই মধ্যে দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে ঔষধটির জরুরি ব্যবহার ও উৎপাদনের অনুমোদন দেয়ার কথা জানান।
তিনি বলেন, “কোভিডের চিকিৎসায় জরুরি ব্যবহারের জন্য অ্যান্টি-ভাইরাল হিসেবে মুখে খাওয়ার ঔষধ মলনুপিরাভিরকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।”
মোট ১০টি প্রতিষ্ঠান এই ঔষধটি প্রস্তুত ও বাজারজাত করার আবেদন করেছিল। বেক্সিমকো, স্কয়ার ও এসকেএফকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে, বাকী সাতটি প্রতিষ্ঠানও অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানায় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
এর আগে মলনুপিরাভিরকে রোগীদের জন্য ব্যবহারের অনুমোদন দেয় যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।
মলনুপিরাভির একটি অ্যান্টিভাইরাল ঔষধ যা কোভিডের বিরুদ্ধে কার্যকর।

মলনুপিরাভির কী?

মলনুপিরাভির একটি ট্যাবলেট বা বড়ি। করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় এই ঔষধটি দিনে দুইবার ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদেরকে দেয়া হয়। মূলত এই ঔষধটি ফ্লু এর চিকিৎসার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল অনুযায়ী, এই ঔষধটি রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুঝুঁকি অর্ধেক কমিয়ে দেয়।
করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় এটাই প্রথম ঔষধ যেটি শিরায় প্রয়োগ নয় বরং মুখে সেবন করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ঔষধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক, শার্প এন্ড ডোম (এমএসডি) এবং রিজব্যাক বায়োথেরাপিউটিকস-এর তৈরি করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় এটিই মুখে খাওয়ার প্রথম ঔষধ।
যুক্তরাজ্য এরইমধ্যে ঔষধটির চার লাখ ৮০ হাজার কোর্স কিনতে সম্মত হয়েছে। আশা করা হচ্ছে যে, নভেম্বরেই এর প্রথম চালান আসবে।
যুক্তরাজ্যের জাতীয় গবেষণার আওতায় প্রাথমিকভাবে এই ঔষধটি টিকা নেয়া এবং না নেয়া-দুই ধরণের রোগীদেরকেই দেয়া হবে। তাদের থেকে পাওয়া তথ্যের বিশ্লেষণের পরই এই ঔষধটি সম্পর্কে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
রোগীর মধ্যে কোভিডের উপসর্গ দেখা দেয়ার পাঁচ দিনের মধ্যে ঔষধটি দেয়া গেলে সবচেয়ে ভাল ফল পাওয়া যায়।
কিভাবে কাজ করে মলনুপিরাভির?

নতুন এই চিকিৎসায় ভাইরাসের একটি নির্দিষ্ট এনজাইমকে লক্ষ্য করে কাজ করে। ওই এনজাইমটি ব্যবহার করে ভাইরাসটি নিজের মতো আরো ভাইরাস তৈরি করে সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
এই ঔষধটি ভাইরাসটির জেনেটিক কোডে একটি ত্রুটি তৈরি করবে যা ভাইরাসটিকে বিভাজিত হতে বাধা দেয়। যার কারণে দেহে ভাইরাসের পরিমাণ কমে যায় এবং এর কারণেই রোগের তীব্রতাও কমে যায়।
মার্ক বলছে, এই চিকিৎসা পদ্ধতিটি ভাইরাসটির নতুন ভ্যারিয়ান্টের উপরও সমানভাবে কার্যকর হওয়ার কথা।
যুক্তরাজ্যের ঔষধ এবং স্বাস্থ্যসেবা সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক সংস্থা এমএইচআরএ জানায়, এই ট্যাবলেটটি সেসব রোগীদের ব্যবহারের অনুমোদন দেয়া হয়েছে যাদের মৃদু থেকে মাঝারি উপসর্গ রয়েছে এবং কমপক্ষে একটি স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে যেমন স্থূলতা, বার্ধক্য, ডায়াবেটিস কিংবা হৃদরোগ।
সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী জুন রাইন বলেন, “কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এই ঔষধটি নতুন হাতিয়ার হিসেবে যোগ হল।”
তিনি বলেন, “এটি এই রোগের জন্য বিশ্বের প্রথম অনুমোদিত অ্যান্টি-ভাইরাল যা শিরায় না দিয়ে মুখে খাওয়া যেতে পারে।”
“এটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর মানে কোভিড-১৯ একটি গুরুতর পর্যায়ে যাওয়ার আগেই হাসপাতালের বাইরেই এর মাধ্যমে চিকিৎসা সম্ভব।”

কতটা কার্যকর?

বাংলাদেশের ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানান, মলনুপিরাভির ঔষধটি কোভিডের চিকিৎসায় রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি এবং মৃত্যুহার অর্ধেক কমিয়ে আনতে পারে।
বিবিসি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, সম্প্রতি কোভিড আক্রান্ত ৭৭৫ জন রোগীর ওপর মলনুপিরাভিরের ক্লিনিকাল ট্রায়াল পরিচালনা করা হয়েছে। এতে যা পাওয়া গেছে তা হলো:

•যাদের ঔষধ দেয়া হয়েছিল তাদের মধ্যে ৭.৩% হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল

•যা ১৪.১ % রোগীকে দেয়া সাধারণ পিলের তুলনায় অর্ধেক।

•মলনুপিরাভির যাদেরকে দেয়া হয়েছিল তাদের কারো মৃত্যু হয়নি। তবে পরীক্ষায় অন্য ঔষধ রোগীদের মধ্যে আটজন কোভিড-এ মারা গিয়েছিল।
ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের এই ফলাফলগুলি একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এখনও পিয়ার-রিভিউ বা পর্যালোচনা করা হয়নি।
তবে তথ্য-উপাত্ত থেকে যে বিষয়টি জানা যায় সেটি হচ্ছে ঔষধটির কার্যকারিতা পাওয়ার জন্য উপসর্গ দেখা দেয়ার পর পরই মলনুপিরাভির সেবন করতে হবে। এর আগে এরইমধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের উপর পরিচালিত একটি গবেষণা আশানুরূপ ফল না আসার কারণে স্থগিত করা হয়।
ঔষধটির অনুমোদনের নথিতে, এমএইচআরএ সুপারিশ করে যে, কোভিড পরীক্ষায় পজিটিভ আসার পর যত দ্রুত সম্ভব ঔষধটি সেবন শুরু করতে হবে। উপসর্গ দেখা দেয়া শুরু হওয়ার পাঁচ দিনের মধ্যে ব্যবহার শুরু করার পরামর্শ দেয়া হয়।
কিংস কলেজ লন্ডনের অধ্যাপক পেনি ওয়ার্ড, যিনি এই গবেষণায় জড়িত ছিলেন না, তিনি বলেছেন: “যদি এই ফলাফল যুক্তরাজ্যের জনসংখ্যার উপরও একইভাবে কাজ করে, তবে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হয় এমন রোগীর সংখ্যা অর্ধেক হয়ে যেতে পারে এবং মৃত্যুর সংখ্যা অনেক কমে যেতে পারে।”
“সম্ভবত মনে হচ্ছে যে এটি রোগের জটিলতার সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের ব্যবহারের জন্য সীমাবদ্ধ রাখা হবে – উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, বয়স্ক ব্যক্তি যারা হৃদরোগ, ফুসফুস বা কিডনি রোগ, ডায়াবেটিস বা ক্যান্সারসহ অন্য রোগে ভুগছেন।”
যুক্তরাজ্য ছাড়া অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ কয়েকটি দেশও মলনুপিরাভির ক্রয়ে চুক্তি করেছে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে কি?

এই ঔষধটির খুব জটিল কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান।
তিনি বলেন, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে স্বাভাবিক ধরণের কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন, মাথাব্যথা, বমি এবং মাথা ঝিমঝিম করার মতো হালকা থেকে মাঝারি ধরণের প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।
তবে এগুলো জটিল কিছু নয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ঔষধ প্রশাসনের অনুমোদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে এই ঔষধটি সেসব রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে যারা ১৮ বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি বয়সী।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সুপারিশ ছাড়া কোন রোগীকে নিজে নিজে মলনুপিরাভির কিংবা অন্য কোন ঔষধ গ্রহণ থেকে বিরত থাকারও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

কেউ আইনের ঊর্ধে নয়, তবে আমি খুশী নই- আইনমন্ত্রী

0

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। তবে বিচার বিভাগের জন্য দিনটি সুখকর নয়। আই এম নট ভেরি হ্যাপি। দুর্নীতির দুই মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সাজার রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “যেহেতু তিনি আইনের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন, আমি মোটেও আজকে খুশি নই।
“কিন্তু এটাও সঠিক, অন্যায় করলে তাকে তার শাস্তি পেতেই হবে। আদালত তার অপরাধ পেয়েছে, রায় দিয়েছে।”
বাংলাদেশে কোনো প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে এ ধরনের মামলার নজির নেই বলে জানান আইনমন্ত্রী।
আনিসুল হক বলেন, “যে সরকার বা রাষ্ট্র কর্তৃক গুরুত্বপূর্ণ কোনো দায়িত্বে নিযুক্ত থাকে, তাকে সেই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হয়। এটাই আজকের রায় থেকে শেখার বিষয়বস্তু।”
দেশের আইনব্যবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, “১৯৭৫ সাল থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত আমরা দেখেছি, এই দেশে জাতির পিতাকে তার সপরিবারে হত্যা করলেও একটা মামলা হয় না। এই সংস্কৃতি থেকে আমরা বের হয়ে এসেছি।
“পর্যায়ক্রমে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা, জেল হত্যা মামলা, মানবতাবিরোধী এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং অন্যান্য দুর্নীতির বিচার- এইসবের মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে, দেশে এখন আইনের শাসন আছে।”
সাংবাদিকদের আইনমন্ত্রী বলেন, “অন্যায় করলে আইন আদালতও তার নিজস্ব গতিতে চলবে। অন্যায় করলে কোনোভাবেই পার পাওয়া যাবে না।”

দুর্নীতির দায়ে সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার ১১ বছরের কারাদণ্ড

0

ব্যাংক থেকে চার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাত ও পাচারের মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাকে দুটি ধারায় ১১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালতে। এসকে সিনহাই বাংলাদেশের প্রথম সাবেক প্রধান বিপারপতি, যিনি দুর্নীতিতে দোষী সাব্যস্ত হলেন। গত চার বছর ধরে তিনি বিদেশে অবস্থান করছেন।
ঢাকার ৪ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম মঙ্গলবার আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।
ফারমার্স ব্যাংকের (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) এই ঋণ আত্মসাতের মামলার ১১ আসামির মধ্যে আটজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত, খালাস পেয়েছেন দুজন।
সাত আসামি হলেন- ফারমার্স ব্যাংকের অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতী ওরফে বাবুল চিশতী, ব্যাংকের সাবেক এমডি একেএম শামীম, সাবেক এসইভিপি গাজী সালাহউদ্দিন, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. লুৎফুল হক, টাঙ্গাইলের বাসিন্দা মো. শাহজাহান ও একই এলাকার নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা।
এর মধ্যে শাহজাহান ও নিরঞ্জন চন্দ্র সাহাকে মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
এর আগে দুই দফা রায় ঘোষণার দিন পরিবর্তন হয়। দ্বিতীয় দফায় গত ২১ অক্টোবর রায় প্রস্তুত না হওয়ায় এবং প্রথম দফায় গত ৫ অক্টোবর বিচারক অসুস্থ থাকায় রায় ঘোষণা হয়নি। 
গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ (দুদক) ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য প্রথম দফায় ৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়।
এ মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা, ব্যাংকের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সাফিউদ্দিন আসকারী, টাঙ্গাইলের বাসিন্দা রনজিৎ চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রী সান্ত্রী রায় পলাতক রয়েছেন। 
আদালত সূত্র জানায়, ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ফারমার্স ব্যাংক থেকে ঋণের নামে চার কোটি টাকা পে-অর্ডারের মাধ্যমে এসকে সিনহার ব্যক্তিগত হিসাবে স্থানান্তরের অভিযোগে গত বছরের ১০ জুলাই মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 
তদন্ত শেষে একই বছরের ৯ ডিসেম্বর দুদক পরিচালক মো. বেনজীর আহমেদ আদালতে মামলার চার্জশিট দাখিল করেন। 
গত বছরের ১৩ আগস্ট মামলায় এসকে সিনহাসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ (অভিযোগ) গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। গত ২৪ আগস্ট এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। ২১ সাক্ষীর মধ্যে ২০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে।
সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় নিয়ে নজিরবিহীন টানাপড়েনের মধ্যে ছুটি নিয়ে বিদেশ যাওয়ার পর ২০১৭ সালের ১১ নভেম্বর সেখানে থেকেই পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছিলেন এস কে সিনহা। আর কখনও কোনো প্রধান বিচারপতির পদত্যাগ বাংলাদেশ দেখেনি।  
পদত্যাগের চার বছর পূর্ণ হওয়ার ঠিক দুদিন আগে আত্মসাতের এ মামলায় তার সাজার রায় এল, যে অভিযোগ তিনি অস্বীকার করে এসেছেন।
এস কে সিনহা বিদেশে যাওয়ার দুই বছর পর এ মামলা দায়ের করেছিল দুদক। এরপর গতবছর ১৩ অগাস্ট ১১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়। এসকে সিনহাকে পলাতক দেখিয়েই এ মামলার বিচার চলে। 

মন্দিরে হামলা-লুটপাট, ভিডিও দেখে চারজনকে গ্রেফতার, লুটের বিপুল সামগ্রী উদ্ধার

0
লুট হওয়া মন্দিরের মূল্যবান সামগ্রী।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের চৌমুহনী এলাকার শ্রী শ্রী রাধামাধব জিউর মন্দিরে হামলা ও লুটপাটে জড়িত চারজনকে ভিডিও ফুটেজ দেখে গ্রেফতার করেছে র‍্যপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।
এসময় তাদের কাছ থেকে লুট হওয়া মন্দিরের বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। গত দুদিন রাজধানীর ডেমরা, নারায়ণগঞ্জ ও নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো- মো. মনির হোসেন ওরফে রুবেল (২৮), জাকের হোসেন ওরফে রাব্বি (২০), মো. রিপন (২১) ও মো. নজরুল ইসলাম ওরফে সোহাগ (৩৬)।

গ্রেফতার চার দুবৃত্ত।

তাদের কাছ থেকে মন্দির থেকে লুট হওয়া সাতটি পিতলের প্রতিমা, তিনটি সিদুঁরে কৌটা, ২০টি বাতির কৌটা, দুটি দ্রুপতি, পাঁচটি পঞ্চ বাতির দানি, দুটি হাত ঘণ্টাসহ পূজার বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। সোমবার দুপুরে রাজধানীর কাওরান বাজার র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।
তিনি বলেন, কুমিল্লায় ঘটে যাওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি স্বার্থান্বেষী মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক তথ্য প্রচার করে জনসাধারণের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার চেষ্টা চালায়। গত ১৫ অক্টোবর নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানার চৌমুহনী এলাকায় দুষ্কৃতিকারীরা শ্রী শ্রী রাধামাধব জিউর মন্দিরে হামলা ও লুট চালায়। ঘটনার কিছু ভিডিও ফুটেজ বিভিন্ন মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ ঘটনায় বেগমগঞ্জ থানায় একাধিক মামলা হয়। ঘটনার পর হামলা ও লুটকারীদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করতে র‌্যাব গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে।
‘এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-১১ ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রোববার রাত থেকে অভিযান শুরু করে। রাজধানীর ডেমরা, নারায়ণগঞ্জের বন্দর ও নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থেকে চৌমুহনীর মন্দিরে হামলা ও লুটপাটে জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করে।’
কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, গ্রেফতার রুবেল, রাব্বী ও রিপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে উসকানিমূলক বক্তব্যে প্ররোচিত হয়ে প্রত্যক্ষভাবে হামলায় অংশগ্রহণ করে। হামলার পরবর্তীতে গ্রেফতার এ তিনজন দুটি বস্তায় মন্দিরের বিভিন্ন পিতলের পূজার সামগ্রীসহ লুট করে নিয়ে যায়। তারা ধাতব জিনিসগুলো বিক্রির পরিকল্পনা করছিল। মন্দিরে মালামাল লুট করার সময় রুবেলের ভিডিও ফুটেজ মিডিয়াতে ভাইরাল হয়। গ্রেফতার রুবেল, রাকিব, রিপন ও সোহাগ বিভিন্ন পেশায় জড়িত। রুবেলের বিরুদ্ধে বেগমগঞ্জ থানায় চুরি ও ছিনতাইয়ের মামলা রয়েছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে র‌্যাব কর্মকর্তা খন্দকার আল মঈন বলেন, গ্রেফতার মনির হোসেন সরাসরি হামলায় জড়িত ছিলেন। বাকি তিনজনও তাদের সঙ্গে ছিলেন।
তাদের রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে জানতে চাইলে কমান্ডার মঈন বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আমরা এমন কোনো তথ্য পাইনি। মূলত তারা বিভিন্ন বক্তব্যে প্ররোচিত হয়ে এ হামলায় অংশ নেন। আগে তারা বিভিন্ন সময়ে ছিনতাইয়ে জড়িত ছিল। পেশায় তারা কেউ ট্রাক ড্রাইভার, কেউ বাসের হেলপার।’ আল মঈন জানান, গ্রেফতার রুবেল, রাব্বী ও রিপন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের উসকানিমূলক বক্তব্যে প্ররোচিত হয়ে প্রত্যক্ষভাবে হামলায় অংশগ্রহণ করে। হামলার পর গ্রেফতার হওয়া এ তিনজন দু’টি বস্তায় করে মন্দিরের বিভিন্ন পিতলের পূজার সামগ্রীসহ মূল্যমান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়।
এক প্রশ্নের জবাবে আল মঈন বলেন, গ্রেফতার হওয়া মনির হোসেন সরাসরি হামলায় জড়িত ছিলেন। বাকি তিনজনও তাদের সঙ্গে ছিলেন। মূলত তারা বিভিন্ন বক্তব্যে প্ররোচিত হয়ে এ হামলায় অংশ নেন।
নোয়াখালীর চৌমুহনীতে হামলার আগে রংপুর, চাঁদপুর, চট্টগ্রামে হামলার ক্ষেত্রেও ফেসবুকে উসকানি ছড়িয়ে মন্দিরে হামলা করা হয়েছে বলেও জানায় র‌্যাব। খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘মন্দিরে হামলার ঘটনা ও সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

‘ভ্যাক্স’কে চলতি বছরের সেরা ইংরেজি শব্দ ঘোষণা অক্সফোর্ড ডিকশনারির

0

ভাষা ভেসে বেড়ায় মানুষের মুখে মুখে। পৃথিবীর যে কোনও জীবীত ভাষাই আসলে সমকালীন সমাজের আয়না। তাই কালস্রোতেই বাতিল হয়ে যায় বহু শব্দ, জন্ম হয় কলোকিয়াল নতুন শব্দের। সময়ের দাবিতে প্রতিদিনের কথোপকথনে ফিরে ফিরে আসে যে শব্দ, তাকেই বছরের সেরা শব্দের তকমা দিয়ে থাকে অক্সফোর্ড ইংরেজি ডিকশনারি কর্তৃপক্ষ। ২০২১ সালে সেই শিরোপা পেল ‘ভ্যাক্স’ (Vax) শব্দটি। যা ভ্যাকসিন (Vaccine) শব্দটির সংক্ষিপ্ত রূপ।
২০২০ সাল থেকে করোনা ভাইরাসে বিপর্যস্ত হয় গোটা পৃথিবী। স্বাভাবিক ভাবেই ওই বছরে সবথেকে বেশি ব্যবহৃত শব্দগুলির মধ্যে ছিল ‘প্যান্ডেমিক’ ও ‘লকডাউন’। তবে গত বছরে আলাদা করে কোনও শব্দকে সেরা হিসেবে বেছে নেয়নি অক্সফোর্ড কর্তৃপক্ষ। তবে চলতি বছরে ‘ভ্যাক্স’ শব্দটিকে বছরের সেরা শব্দ হিসেবে বেছে নেয়া হল। অক্সফোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত বছরের তুলনায় ৭২ গুণ বেশি ব্যবহৃত হয়েছে ‘ভ্যাক্স’ শব্দটি। মহামারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে করোনার ভ্যাকসিনই একমাত্র অস্ত্র। মানুষের জীবনে তার অবিকল্প ব্যবহারই শব্দটির বহুল ব্যবহারের অন্যতম কারণ। ফলে সেই শব্দের সবচেয়ে বেশি করে উচ্চারিত হওয়াই স্বাভাবিক।

ইংরেজি ভাষায় ১৭৯৯ সালে অন্তর্ভুক্ত হয় ‘ভ্যাকসিন’ শব্দটি। পেছন পেছন অন্তর্ভুক্ত হয় ‘ভ্যাকসিনেশন’, ‘ভ্যাকসিনেট’ ইত্যাদি শব্দও। ল্যাটিন শব্দ ভ্যাকা (Vacca) থেকে এসেছে ‘ভ্যাকসিন’ শব্দটি। যে শব্দের হল অর্থ গরু। পদার্থবিদ এডওয়ার্ড জেনার স্মল পক্সে টিকা আবিষ্কার করেছিলেন আঠারো শতকে। যার পর বদলে গিয়েছিল গোটা বিশ্বের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো। এরপরই ব্যবহার বাড়তে থাকে ‘ভ্যাকসিন’ শব্দটির। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অভিধানে স্থায়ী জায়গাও করে নেয় শব্দটি।
‘ভ্যাক্স’ বা ‘ভ্যাকসিনে’র সমার্থক শব্দ হল ‘জ্যাব’। যেটিও গত বছরের অন্যতম জনপ্রিয় শব্দ ছিল। জানিয়েছে অক্সফোর্ড ইংরেজি ডিকশনারি কর্তৃপক্ষ। উল্লেখ্য, অক্সফোর্ড কর্তৃপক্ষ ২০১৩ সালে ‘সেলফি’কে বর্ষসেরা শব্দের তকমা দিয়েছিল। ভারতীয় পত্রিকা সংবাদ প্রতিদিন অবলম্বনে।

ধর্ষণ মামলায় শাকিলের আগাম জামিন, চার সপ্তাহ পর আত্মসমর্পন করতে হবে বিচারিক আদালতে

0

ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় একাত্তর টেলিভিশনের সাংবাদিক শাকিল আহমেদের আগাম জামিন মঞ্জুর করেছে হাইকোর্ট। তবে চারসপ্তাহ পর তাকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে। সোমবার বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি খিজির হায়াত সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে জামিন আবেদন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
গত ৪ নভেম্বর এক নারী চিকিৎসক বাদী হয়ে গুলশান থানায় শাকিল আহমেদের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। মামলায় বলা হয়, সম্প্রতি তার সঙ্গে সাংবাদিক শাকিল আহমেদের সম্পর্ক হয়। গত আগস্টে শাকিল তাকে বিয়ে করার কথা বলে গুলশানের একটি আবাসিক হোটেলে দেখা করেন। সেখানে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়। পরে সেপ্টেম্বরে একই হোটেলে আবারো তারা মিলিত হন। একপর্যায়ে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। পরে শাকিল কৌশলে তার গর্ভপাত ঘটান। এরপর শাকিল তাকে আর বিয়ে করতে রাজি হননি।
মামলায় শাকিল আহমেদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ভ্রূণ হত্যার অভিযোগ আনা হয়। এই মামলায় আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে আগাম জামিনের আরজি জানান শাকিল। আদালতে শাকিল আহমেদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুরাদ রেজা, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মাসুদ বেগ। মামলার বাদী ও তার আইনজীবী এম সারোয়ার হোসেন শুনানিতে অংশ নেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মহিউদ্দিন দেওয়ান। হাইকোর্টের জামিন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করা হবে বলে জানিয়ৈছেন বাদির আইনজীবী সারোয়ার হোসেন।

বাস ভাড়া বাড়লো, প্রজ্ঞাপন জারি

0

জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় বাস ও মিনিবাসের সর্বোচ্চ ভাড়া বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। রোববার সন্ধ্যায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
এতে বলা হয়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৪ এর ২ এর প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার ডিজেলের মূল্য বাড়ানোর কারণে ডিজেল চালিত বাস ও মিনিবাসের সর্বোচ্চ ভাড়া পুনঃনির্ধারণ করেছে।
আন্তঃজেলা ও দূরপাল্লার রুটে চলাচলকারী বাস ও মিনিবাসের ক্ষেত্রে প্রতি যাত্রীকে প্রতি কিলোমিটারে এক টাকা ৪২ পয়সার স্থলে এক টাকা ৮০ পয়সা সর্বোচ্চ ভাড়া দিতে হবে।
এছাড়া ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে চলাচলকারী বাস ও মিনিবাসের ক্ষেত্রে প্রতি যাত্রীকে প্রতি কিলোমিটারে যথাক্রমে এক টাকা ৭০ পয়সার স্থলে দুই টাকা ১৫ পয়সা ও এক টাকা ৬০ পয়সার স্থলে দুই টাকা পাঁচ পয়সা ভাড়া দিতে হবে। পাশাপাশি বাস ও মিনিবাসের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ভাড়া যথাক্রমে সাত টাকার স্থলে ১০ টাকা ও পাঁচ টাকার স্থলে আট টাকা করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, ঢাকা টান্সপোর্ট কোঅর্ডিনেশন অথরিটির (ডিটিসিএ) আওতাধীন জেলার (নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ ও ঢাকা জেলা) অভ্যন্তরে চলাচলকারী বাস ও মিনিবাস উভয় ক্ষেত্রে প্রতি যাত্রীকে প্রতি কিলোমিটারে এক টাকা ৬০ পয়সার স্থলে দুই টাকা পাঁচ পয়সা দিতে হবে।
প্রস্তুতকারক বা বিআরটিএ কর্তৃক অনুমোদিত আসন সংখ্যা কমিয়ে আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য বাস বা মিনিবাসের আসন সংখ্যা পুনর্বিন্যাস করা হলে আনুপাতিকভাবে ভাড়ার হার নির্ধারিত হবে। সেক্ষেত্রে রুট পারমিট অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ/যাত্রী ও পণ্য পরিবহন কমিটি) থেকে আনুপাতিকভাবে ভাড়ার হার অনুমোদন করিয়ে নিতে হবে।
এ ভাড়া বাড়ানো গ্যাস, অকটেন ও পেট্রোল চালিত যানবাহনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। এছাড়া ভাড়ার এ হার সোমবার থেকে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে গত বুধবার ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ৮০ টাকা করে দেয় সরকার। এর প্রতিক্রিয়ায় গত শুক্রবার থেকে গণপরিবহনের পাশাপাশি পণ্য পরিবহনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন মালিকরা।
রোববার গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) বনানীর প্রধান কার্যালয়ে বৈঠক হয়। সেখানে বাস-মিনিবাসের ভাড়া প্রায় ২৭ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ীই পরে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার।

পূর্ণাঙ্গ রায়ের আগে ফাঁসি কার্যকর করা যাবে না : আপিল বিভাগ

0

পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার আগে কোনো আসামির মৃত্যুদণ্ড যাতে কার্যকর করা না হয়, সেজন্য অ্যাটর্নি জেনারেলকে কারা মহাপরিদর্শকের সঙ্গে কথা বলতে বলেছে আপিল বিভাগ।
সর্বোচ্চ আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের আগেই এক আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়া চলছে বলে তার আইনজীবী আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে রোববার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন এই নির্দেশনা দেন।
গত সপ্তাহে এক আইনজীবীর বরাত দিয়ে কিছু গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তির আগেই দুই ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে চার বছর আগে।
এ নিয়ে সমালোচনার মধ্যে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেন, ওই খবর ‘সঠিক নয়’। ফাঁসি কার্যকরের ক্ষেত্রে আইনের ব্যত্যয় ঘটেনি।
রোববার আপিল বিভাগের কার্যক্রম শুরু হলে আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন একটি মামলার কথা উল্লেখ করলে প্রধান বিচারপতি বলেন, “হ্যাংগিংয়ের (ফাঁসি) মামলা নিয়ে কত সমালোচনা হচ্ছে! ২০০৬ সালের মামলা শুনতে লিস্টে নিয়ে এসেছি। ২০০৬, ২০০৭ ও ২০০৮ সালের মামলাগুলোর পর ২০১৫ সালেরগুলো প্রায় শেষ করেছিলাম। এখন দেখা যায়, ২০১৩ সালের কিছু বাকি রয়েছে।”
আইনজীবী হেলাল উদ্দিন মোল্লা তখন আদালতকে বলেন, তার মক্কেলের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হওয়ার আগেই ফাঁসি কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
“অ্যাডভান্স অর্ডারের কারণে তাকে ফাঁসি দিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। অথচ এখন পর্যন্ত আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় বের হয়নি। রিভিউ (পুনর্বিবেচনা) আবেদন করা হবে, তার আগে ফাঁসি যাতে না দেওয়া হয় সেজন্য আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”
গত ১৬ অগাস্ট ওই রায় দেওয়া হয় জানিয়ে এ আইনজীবী বলেন, সেখানে তিন আসামিকে যাবজ্জীবন এবং একজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়।
প্রধান বিচারপতি এ সময় জানতে চান, আসামিপক্ষ রিভিউ আবেদন করেছে কি না।
আইনজীবী হেলাল উদ্দিন মোল্লা তখন বলেন, “ওকালতনামা পাইনি। ডিসির মাধ্যমে এখন ওকালতনামা পেতে ১০ দিন লাগে। অ্যাডভান্স অর্ডারের জন্য আসামির প্রাণভিক্ষার আবেদন খারিজ হয়েছে। এখনো রায়ে সই হয়নি।”
বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী তখন বলেন, যাদের মৃত্যুদণ্ড থেকে যাবজ্জীবন হয়েছে তাদের ক্ষেত্রে অ্যাডভান্স অর্ডার দেওয়া হয়েছে, যাতে তাদের কারাগারে কনডেম সেল থেকে সাধারণ কারা কক্ষে নেওয়া হয়। আপিল বিভাগের ওই রায়ে এখনো সই হয়নি।
আইনজীবী হেলাল উদ্দিন মোল্লা বলেন, “অথচ আদেশ কুষ্টিয়ার বিচারিক আদালতে গেছে। সেখান থেকে দণ্ড কার্যকর করতে কাশিমপুর কারাগারে মৃত্যু পরোয়ানা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।“
প্রধান বিচারপতি এ সময় বলেন, “পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার আগে তো হবে (দণ্ড কার্যকর) না।”
পরে তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিনকে বলেন, “আপনি আইজি প্রিজন্সকে বলবেন পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার আগে যাতে দণ্ড কার্যকর করা না হয়।”
সেই সঙ্গে আসামিপক্ষের আইনজীবীকে চেম্বার বিচারপতির কাছে আবেদন (রিভিউ আবেদনের জন্য) জমা দিতে বলেন প্রধান বিচারপতি।
এ পর্যায়ে বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী বলেন, “সাধারণভাবে একটি কথা বলে দিতে পারেন আইজি প্রিজন্সকে। সবার চূড়ান্ত স্বাক্ষরের আগে রায় পূর্ণাঙ্গ হয় না।”
তখন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, “সচিবকে বলছি, উনাকেও বলে দেব।”
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে এক কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে ২০০৪ সালের মার্চ মাসে এ মামলা দায়ের করা হয়। বিচার শেষে ২০০৯ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দেয় কুষ্টিয়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।
পাঁচ আসামি হলেন- কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার লালনগর গ্রামের খয়ের আলীর ছেলে শুকুর আলী, আব্দুল গনির ছেলে কামু ওরফে কামরুল, পিজাব উদ্দিনের ছেলে নুরুদ্দিন সেন্টু, আবু তালেবের ছেলে আজানুর রহমান ও সিরাজুল প্রামাণিকের ছেলে মামুন হোসেন।
ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল শুনানি শেষে হাই কোর্ট আসামিদের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে।
হাই কোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন আসামিরা। গত বুধবার আপিল বিভাগ শুকুর আলীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে রায় দেয়।
আর অন্য তিন আসামি নুরুদ্দিন সেন্টু, আজানুর রহমান ও মামুন হোসেনের দণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাদের কনডেম সেল থেকে সাধারণ সেলে স্থানান্তরের নির্দেশ দেয় সর্বোচ্চ আদালত। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

ধর্ষণের অভিযোগে একাত্তর টিভির সাংবাদিক শাকিলের বিরুদ্ধে মামলা

0

বেসরকারি চ্যানেল একাত্তর টেলিভিশনের হেড অব নিউজ শাকিল আহমেদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে এক নারী বাদী হয়ে গুলশান থানায় এ মামলা করেন।
মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশের গুলশান বিভাগের উপকমিশনার মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, মামলায় শাকিল আহমেদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং ভ্রূণ হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার বরাত দিয়ে গুলশান থানা–পুলিশ বলেছে, সম্প্রতি এক নারী চিকিৎসকের সঙ্গে শাকিল আহমেদের সম্পর্ক হয়। গত আগস্টে শাকিল ওই নারীকে বিয়ে করার কথা বলে গুলশানের একটি আবাসিক হোটেলে দেখা করেন। সেখানে তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক হয়। পরে সেপ্টেম্বরে একই হোটেলে তাঁরা দেখা করেন। একপর্যায়ে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। পরে শাকিল কৌশলে ওই নারীর গর্ভপাত ঘটান। এরপর শাকিল তাঁকে আর বিয়ে করতে রাজি হননি।
পুলিশ উপকমিশনার আসাদুজ্জামান বলেন, ‘শাকিল আহমেদকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। ধর্ষণের অভিযোগ করা ওই নারীর এখন ডাক্তারি পরীক্ষা করা হবে।’
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে শকিল আহমেদের মুঠোফোনে বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ১১টার দিকে যোগাযোগ করা হয়। তবে তিনি ফোন ধরেননি। সূত্র-প্রথম আলো।