ঢাকা   শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩   রাত ৪:৫৮ 

Home Blog Page 64

সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় জড়িতদের আইনী সহায়তা না দেয়ার আহবান

0
সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে সুপ্রিমকোর্টে আইনজীবীদের সমাবেশ।

দেশের বিভিন্ন স্থানে পূজা মণ্ডপ, হিন্দুদের ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও নাশকতায় জড়িতদের আইনি সহায়তা না দিতে আইনজীবীদের প্রতি আহবান জানানো হয়েছে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে।
বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি আয়োজিত ‘সংঘাত নয়, ঐক্যের বাংলাদেশ চাই’ শীর্ষক এক সম্প্রীতি সমাবেশে আইনজীবীরা এ আহবান জানান।
তবে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসে ক্ষতিগ্রস্তদের আইনি সহায়তা দেয়ার জন্য আইনজীবীদের প্রতি আহবান জানানো হয়েছে।
সমিতির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শফিক উল্যার সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, কোষাধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট ড. ইকবাল করিম, সদস্য মাহফুজুর রহমান রোমান, এবিএম. শিবলী সাদেকীন, মিন্টু কুমার মন্ডল, মুনতাসির উদ্দিন আহমেদ, সাবেক সম্পাদক ড. বশির আহমেদ, সাবেক সম্পাদক ড. মো. মোমতাজউদ্দিন আহমেদ মেহেদী, সাবেক সহ-সম্পাদক মো. মোতাহার হোসেন সাজু, আইনজীবী নেতা অ্যাডভোকেট আবদুন নুর দুলাল, অ্যাডভোকেট শাহ মঞ্জুরুল হক প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশে চলমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট, অগ্নিসংযোগ, লুটপাটের সঙ্গে জড়িত এবং তাদের মদদদাতা স্বাধীনতাবিরোধী ধর্মান্ধ জামাত-শিবির ও তাদের দোসর যারা জড়িত, তাদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী আন্দোলন জোরদার করতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, আইনজীবীসহ সব ধর্ম, বর্ণ, পেশার বিবেকবান মানুষ, আলেম-ওলামাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য যার যার অবস্থান থেকে ভূমিকা রেখে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে হবে।
এছাড়াও সব ধর্মের মধ্যে সম্প্রীতি বৃদ্ধির জন্য দলমতের ঊর্ধ্বে থেকে ভূমিকা রাখা এবং ভবিষ্যতে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস প্রতিরোধে সরকারের পাশাপাশি সচেতন সব নাগরিককে সজাগ থাকার জন্য সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে আহবান জানানো হয়।
সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শফিক উল্যা তার বক্তব্যে বলেন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও অ্যাটর্নি জেনারেল বিদেশে অবস্থান করেও চলমান পরিস্থিতির বিষয়ে সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর রাখছেন এবং সমাবেশের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও পরামর্শ দিয়েছেন।

সিলেটে কাজী হাবিব হত্যা মামলার রায়: অভিযুক্ত সব ছাত্রলীগ নেতাকর্মী খালাস

0

২০১৬ সালে ছাত্রলীগের অন্তর্দ্বন্দ্বে সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী কাজী হাবিবুর রহমানকে কুপিয়ে হত্যা মামলার রায়ে প্রধান অভিযুক্ত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় এক নেতাসহ সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার সিলেটের অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মমিনুননেছা এই মামলার রায়ে অভিযুক্ত ১১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সবাইকে খালাস দেন বলে জানিয়েছেন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর নূরে আলম সিরাজী।
তিনি বলেন, ‘২১ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন। এ সময় অভিযুক্তদের মধ্যে ৮ জন আদালতে হাজির ছিলেন। তবে রায় ঘোষণার সময় বাদীপক্ষ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে কেউ উপস্থিত ছিলেন না।’
খালাস পাওয়া আসামিদের মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত হোসাইন মোহাম্মদ সাগর সম্প্রতি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে পদ পেয়েছেন। বাকিরাও ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।
তারা হলেন আউয়াল আহমদ, আশিক উদ্দিন ওরফে আশিক সিকদার, মইনুল ইসলাম, জুবায়ের আহমদ, নাহিদ হাসান, ইলিয়াস আহমদ, নয়ন রায়, বশির উদ্দিন আহমদ ওরফে তুহিন, শহিদুর রহমান ও আলাউর খান।
মামলার বিবরণীতে বলা হয়েছে, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের মিছিলে যাওয়ায় ২০১৬ সালের ১৯ জানুয়ারি কুপিয়ে হত্যা করা হয় কাজী হাবিবুর রহমানকে। হাবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী এবং ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন।
হত্যার পরদিন হাবিবের ভাই কাজী জাকির কোতোয়ালী থানা ১১জনকে অভিযুক্ত করে মামলা করেন। অভিযুক্তদের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করা হয়েছিল। তাদের সবাইকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারও করা হয়।
মামলার তদন্তে পরপর ৩ জন তদন্ত কর্মকর্তা কাজ করেন এবং সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা অখিল চন্দ্র দাশ ২০১৭ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ২০১৮ সালের ৯ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত মামলার ২১ জন সাক্ষী মধ্যে ১০ জন সাক্ষ্যপ্রদান করেন।

হাজীগঞ্জে মণ্ডপে হামলা: আদালতে জামাত নেতার স্বীকারোক্তি

0

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে পূজামণ্ডপে ভাঙচুর ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত সাবেক শিবির সভাপতি ও জামাত নেতা মো. কামাল উদ্দিন আব্বাসি (৪০) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের নামও জবানবন্দিতে প্রকাশ করেছেন তিনি।
চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ভিডিও ফুটেজ দেখে শনাক্ত করার পর বুধবার রাতে মো. কামাল উদ্দিন আব্বাসিকে গ্রেফতার করা হয়। আদালতে তিনি হামলায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তার সঙ্গে হামলায় জড়িত অন্যান্যদের নামও তিনি প্রকাশ করেছেন। তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ আরও বলেন, ‘আমরা হাজীগঞ্জের ঘটনায় এ পর্যন্ত ১০টি মামলা নিয়েছি। তার মধ্যে ২টি মামলা পুলিশ বাদী হয়ে করেছে। বাকি ৮টি মামলা বিভিন্ন পূজামণ্ডপের দায়িত্বপ্রাপ্তরা করেছেন। এসব মামলায় প্রায় ৫ হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে।’
‘ঘটনার পর থেকে এ পর্যন্ত জামাত নেতা ও সাবেক শিবির সভাপতি মো. কামাল উদ্দিন আব্বাসিসহ ২৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের সবাই এখন জেল হাজতে আছেন। বাকি আসামিদেরও ভিডিও ফুটেজ দেখে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এছাড়া ফেসবুকে উসকানিমূলক পোস্ট দেয়ার কারণে ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে,’ বলে জানান পুলিশ সুপার।

সাউথ বাংলা ব্যাংকের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত শুরু

0

দেশে বিদেশে বিভিন্ন কোম্পানি খুলে ‘বিপুল পরিমাণ অর্থ’ আত্মসাতের অভিযোগে সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের চেয়ারম্যান এস এম আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার দুদকের উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধানকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরিফ সাদেক জানিয়েছেন।
দুদকের অভিযোগ, আমজাদ হোসেন ক্ষমতার অপব্যবহার করে নামে-বেনামে দেশে বিদেশে বিভিন্ন কোম্পানি খুলে সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের খুলনা সদর ও কাটাখালী শাখা ব্যবহার করে আমদানি-রপ্তানি ও ঋণের আড়ালে নানাবিধ দুর্নীতি, অনিয়ম, জালিয়াতির মাধ্যমে আমানতকারীদের বিপুল পরিমান অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।
এর আগে গত ৫ জানুয়ারি ঋণ জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগের প্রাথমিক অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে আমজাদ হোসেনের নামে থাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শেয়ার হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশনে চিঠি দিয়েছিল দুদক।
ওই চিঠিতে বলা হয়, “আমজাদ হোসেন সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কর্মাস ব্যাংকের শেয়ারসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বিক্রি করার চেষ্টা করছেন। এসব অর্থ অবৈধ প্রক্রিয়ায় দেশের বাইরে পাচারের চেষ্টা করছেন, যা মানিলন্ডারিংয়ের অপরাধ।” গত বছরের জানুয়ারিতে এস এম আমজাদ হোসেন ও তার স্ত্রী সুফিয়া আমজাদ এবং মেয়ে তাজরির বিদেশে যাওয়ার ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেয় দুদক।
খুলনা অঞ্চলের অন্যতম শিল্প প্রতিষ্ঠান লকপুর গ্রুপের মালিক এস এম আমজাদ হোসেন। তার মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে লকপুর ফিশ প্রসেস কোম্পানি লিমিটেড, বাগেরহাট সিফুড ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড, শম্পা আইস অ্যান্ড কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেড, রুপসা ফিশ অ্যান্ড অ্যালাইড ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড, মুন স্টার ফিশ লিমিটেড, খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেড, খুলনা এগ্রো এক্সপোর্ট প্রাইভেড লিমিটেড, ইস্টার্ন পলিমার লিমিটেড, মেট্রা অটো ব্রিকস লিমিটেড, খুলনা বিল্ডার্স লিমিটেডসহ আরও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে এ শিল্প গ্রুপটির।

সহিংসতায় উসকানি,কেরানীগঞ্জ থেকে ইসলামী বক্তা গ্রেফতার

0

কুমিল্লায় কোরআন শরীফ অবমাননার অভিযোগ তুলে পূজা মণ্ডপে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা দিন উসকানিমূলক বক্তব্য দেয়ার অভিযোগে এক ইসলামী বক্তাকে গ্রেফতার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ- সিআইডি।
বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যার চুনকুটিয়া পূর্বপাড়া (আমিনপাড়া) জামে মসজিদের সামনে থেকে আব্দুর রহিম বিপ্লবী (৩৯) নামে এই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়।
সিআইডির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কুমিল্লার ঘটনার জের ধরে চাঁদপুরে একই দিনে হামলার ঘটনা ঘটে। সেখানে কয়েকজনের মৃত্যু হয়।
“এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে ইসলামী বক্তা আব্দুর রহিম বিপ্লবী ওইদিনই এক ওয়াজ মাহফিলে উসকানিমূলক বক্তব্য রাখেন।”
কুমিল্লা ও চাঁদপুরের ঘটনায় তিনি ‘পুলিশকে দায়ী এবং দোষী’ করে ‘অপমানজনক, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য, অবজ্ঞা এবং উগ্র বক্তব্য’ প্রচার করেন। তার বিরুদ্ধে পল্টন মডেল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা হয়েছে।বিডি নিউজ।

করোনায় বাংলাদেশে ৩ কোটি ৭০ লাখ শিশুর ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে : ইউনিসেফ ও ইউনেস্কোর রিপোর্ট

0

করোনা মহামারীর কারণে পড়াশোনার ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় বাংলাদেশে ৩ কোটি ৭০ লাখ শিশুর ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে পড়েছে।
মঙ্গলবার জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক প্রতিষ্ঠান ইউনিসেফ এবং শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো প্রকাশিত এশিয়ায় শিক্ষা খাতের ওপর করোনা ভাইরাসের প্রভাব ও মোকাবিলা কার্যক্রম বিষয়ক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ শীর্ষক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ২০২০ সালের প্রথম দিকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ মহামারি আকার ধারণ করার পর থেকে স্কুল বন্ধ থাকায় বাংলাদেশে ৩ কোটি ৭০ লাখ শিশুর এবং দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও পূর্ব এশিয়াসহ এশিয়ার প্রায় ৮০ কোটি শিশুর পড়াশোনা ব্যাহত হয়েছে।
প্রতিবেদনটি শিশুদের পড়াশোনার ওপর মহামারির অব্যাহত প্রভাব এবং তা মোকাবিলায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সরকারের গৃহীত কর্মসূচি ও উদ্যোগের কথা তুলে ধরে। যখন সাধারণত শিশুদের বার্ষিক ছুটি থেকে স্কুলে ফেরার কথা সেই সময়ে এই প্রতিবেদনে নিরাপদ হওয়া মাত্রই স্কুলগুলো খুলে দেয়ার জন্য সরকারগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। কিছু দেশে যেমন ফিলিপাইনে মহামারির পুরো সময়ে স্কুলগুলো বন্ধ রাখা হয় যা এখনও বহাল আছে এবং সে কারণে প্রাক-প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যায়ের ২ কোটি ৭০ লাখ শিক্ষার্থীর সশরীরে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে প্রতিবেদিনে উল্লেখ করা হয়।
বাংলাদেশে গত ১২ ই সেপ্টেম্বর স্কুলগুলো পুনরায় খুলে দেয়ার আগ পর্যন্ত মহামারির পুরোটা সময় সেগুলো বন্ধ ছিল যে কারনে শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে । এমনকি বর্তমান সময়ে, যখন পৃথিবী ২০২১ সালের শেষ প্রান্তিকে প্রবেশ করেছে, তখনও এই অঞ্চল জুড়ে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ছড়িয়ে পড়ার কারণে দ্বিতীয় বছরের মতো স্কুল বন্ধ থাকছে বলে উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয় এভাবে ক্রমাগত স্কুল বন্ধ থাকার সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়গুলোর পরিণতি অত্যন্ত গুরুতর যার মধ্যে রয়েছে পড়াশোনার ক্ষতি, মানসিক দুর্দশা, স্কুলের খাবার ও নিয়মিত টিকা না পাওয়া, কাঠামোগত শিক্ষা থেকে ঝরে পড়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি এবং শিশুশ্রম ও বাল্য বিবাহ বৃদ্ধি। এই ভয়াবহ পরিণতিগুলোর মধ্যে অনেকগুলো ইতিমধ্যেই অসংখ্য শিশুকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং অনেকগুলো আগামী বছরগুলোতে বোধ করা হবে বলে ইউনিসেফ ও ইউনেস্কো সতর্ক করেছে ।
পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ইউনিসেফের পরিচালক মার্কোলুইজি কোরসি এ বিষয়ে বলেন শিক্ষা সেবার ব্যাঘাত শিশুদের ওপর, বিশেষ করে সবচেয়ে ঝুঁকির মুখে থাকা শিশুদের ওপর যে প্রভাব ফেলেছে তা উপেক্ষা করার কোন উপায় নাই। তিনি বলেন পুরো একটি প্রজন্মের ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে রয়েছে তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নিরাপদে বিদ্যালয়গুলো পুনরায় চালু করার বিষয়টি নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। অন্যথায়, পড়াশোনার এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা কঠিন হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন । ভয়েস অফ আমেরিকা।

শ্রীলংকায় গরু জবাই নিষিদ্ধের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন, আসছে কঠোর আইন

0

শ্রীলংকার সরকার একটি খসড়া আইন অনুমোদন করেছে যেখানে সে দেশে গরু জবাই নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকার বলছে, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে শ্রীলংকার গবাদি দুগ্ধ-শিল্প উপকৃত হবে।
মন্ত্রিসভায় প্রস্তাবটি পাশ হওয়ার পর খসড়া আইনটিকে অনুমোদনের জন্য এখন সংসদে তোলা হবে। সমালোচকদের উদ্ধৃত করে বিবিসি সংবাদদাতারা জানাচ্ছেন, শ্রীলংকার সংখ্যালঘু মুসলমানদের লক্ষ্য করে আইনটি তৈরি করা হয়েছে। কারণ তারাই গোমাংসের প্রধান ভক্ষক। শ্রীলংকার কট্টরপন্থী সিংহলী বৌদ্ধ গোষ্ঠীগুলি গোমাংস নিষিদ্ধ করার সরকারি প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে বলে তারা বলছেন।
শ্রীলংকা একটি বৌদ্ধ সংখ্যাগুরু দেশ। জনসংখ্যার ৭০ শতাংশ লোক এই ধর্মের অনুসারী। কিন্তু দেশের বেশিরভাগ মানুষই মাংসভোজী। তবে বৌদ্ধদের একাংশ গরুকে পবিত্র-জ্ঞান করেন এবং তারা গোমাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকেন। তবে সেদেশের জনসংখ্যার ১০% মুসলমান। এরা সহ খ্রিস্টান, কিছু বৌদ্ধ এবং হিন্দুরাও গরুর মাংস খান। সরকারের সমালোচকরা বলছেন, শ্রীলংকার গোমাংসের ব্যবসা এবং হালাল সার্টিফিকেশনের নিয়ন্ত্রণ মুসলমানদের হাতে। ফলে এরাই এই প্রস্তাবিত আইনে ক্ষতিগ্রস্ত হতে যাচ্ছেন।
তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, গরু জবাই বন্ধ করার পক্ষে বিভিন্ন দল অবস্থান নিয়েছে। তাদের যুক্তি, কৃষিকাজ এবং দুগ্ধ শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় গরু দেশে নেই।
শ্রীলংকায় গরু জবাই নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব প্রথম উঠেছিল ২০০৯ সালে। সে সময় একজন সংসদ সদস্য ভিজেদাসা রাজাপাক্সে এসংক্রান্ত একটি প্রস্তাব সংসদে তুলেছিলেন। তবে সে সময় প্রস্তাবটি সংসদে গৃহীত হয়নি। এরপর ২০১২ সালে ক্যান্ডি শহরের কর্তৃপক্ষ পৌর এলাকার মধ্যে গরু জবাই নিষিদ্ধ করে। পরের বছর এনিয়ে বিতর্কটি তীব্র আকার ধারণ করে যখন গরু জবাই নিষিদ্ধ করার দাবিতে একজন বৌদ্ধ ভিক্ষু নিজের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন।
এরপর কট্টরপন্থী দুটি সিংহলী বৌদ্ধ সংগঠন, সিনহালা রাভায়া এবং বদু বালা সেনা, একে তাদের আন্দোলনের একটি প্রধান বিষয়বস্তুতে পরিণত করে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাক্সে ২০১৬ সালের প্রস্তাবটিকে নতুন করে সংসদে তুলে আনেন এবং আইন প্রক্রিয়ার কাজ শুরু করেন।বিবিসি বাংলা।

প্রভাবশালীদের সুরক্ষা দিতেই প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে শাস্তি নিশ্চিত করা হয় না: টিআইবি

0

সাম্প্রতিক সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। রাজনৈতিক দোষারোপের ঘেরাটোপেই এসব ঘটনা আটকে থাকে। এসব ঘটনার বিচার না হওয়ায় এ ধরনের সহিংসতা ঘটছে। সহিংসতায় জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, দুর্গাপূজায় কুমিল্লার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশের একাধিক স্থানে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর সাম্প্রদায়িক হামলা বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ মাঠ প্রশাসন ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর শতাধিক মামলায় কয়েক হাজার আসামি করা হয়েছে। কিন্তু চিরাচরিত রাজনৈতিক দোষারোপের বাইরে এখন পর্যন্ত প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি।
ইফতেখারুজ্জামান বলেন, গত এক দশকে তিন হাজারের বেশি সাম্প্রদায়িক হামলার কোনো ঘটনাতেই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির তথ্য পাওয়া যায়নি। সাম্প্রদায়িক শক্তির প্রতি রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি হামলাকারীদের উসকে দিচ্ছে। অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে না পারলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ অসম্ভবই থেকে যাবে।
কুমিল্লার ঘটনার পরে ১৫ অক্টোবর শুক্রবার বিজয়া দশমীর দিনে ১২ ঘণ্টার বেশি সময় মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখা এবং মূলধারার গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার না করার সমালোচনা করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক। তিনি বলেন, প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে নয়, তাৎক্ষণিকভাবে প্রকৃত অপরাধীকে আইনের আওতায় আনলে পরিস্থিতি এত দূর গড়াত না।
ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অতীতে রামু, উখিয়া, নাসিরনগর, সুনামগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় ক্ষমতাসীনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা–কর্মীদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিটি সহিংসতার পেছনেই কোনো না কোনো স্বার্থান্বেষী ও প্রভাবশালী মহলের যোগসাজশ আছে। কিন্তু পর্দার পেছনের কুশীলবরা অদৃশ্য আঙুলের ইশারায় সব সময়ই ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। প্রভাবশালীদের সুরক্ষা দিতেই প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে শাস্তি নিশ্চিত করা হয় না।
বিভিন্ন সময়ের সাম্প্রদায়িক হামলার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ না করার সমালোচনা করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, প্রতিবেদন প্রকাশ না করার চর্চা বাদ দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বন্ধ করতে হবে। ভবিষ্যতে যেন আর এমন ঘটনা না ঘটে, সে জন্য সুনির্দিষ্ট ও বাস্তবায়নযোগ্য কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের দাবি জানায় টিআইবি।

দুর্নীতি: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক প্রকৌশলী,স্ত্রীসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

0

ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে ৬ কোটি ১৭ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নজরুল ইসলামসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ দুদকের উপপরিচালক আশীষ কুমার কুণ্ডু বাদী হয়ে মামলাটি করেন বলে সংস্থাটির জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরিফ সাদেক জানিয়েছেন।
অপর আসামিরা হলেন- নজরুল ইসলামের স্ত্রী সৈয়দা তামান্না শাহেরীন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহযোগী তামান্নার বড় ভাই সৈয়দ হাসান শিবলী।
এজাহারে বলা হয়, দুদকের অনুসন্ধানে আসামি নজরুল ইসলামের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ হিসাবে আট কোটি ৩৮ লাখ ১৩ হাজার ৯৩৭ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়।
“এর মধ্যে দুই কোটি ৩৮ লাখ ১৩ হাজার ৯৩৭ টাকা তার বেতনভাতা, চাকরি জীবনের সঞ্চয়, পূর্বের আয় ও ব্যাংক সুদ হিসাবে প্রাপ্ত গণ্য করা হলেও ছয় কোটি টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ মর্মে প্রমাণ পায় দুদক।”
মামলায় আরও বলা হয়, ইস্টার্ন ব্যাংকের প্রিন্সিপাল শাখায় নজরুল ইসলাম ২০১৯ সালের ৬ জানুয়ারি একই বছরের ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এক বছরে ১৪টি এফডিআর হিসাবে মোট আট কোটি টাকা নগদ জমা করেছেন। এছাড়াও তার নামে যমুনা ব্যাংকের বৈদেশিক বাণিজ্য শাখার ব্যাংক হিসাবে আট লাখ ৭৪ হাজার ৫৩৭ টাকা জমার তথ্য পাওয়া যায়।
ব্যাংকে আট কোটি টাকা নগদ জমা হওয়ার বিষয়ে কোনো গ্রহণযোগ্য বক্তব্য, ব্যাখ্যা, তথ্য-প্রমাণ এবং রেকর্ডপত্র নজরুল ইসলাম উপস্থাপন করতে পারেননি বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।
এজাহারে বলা হয়, “একজন সরকারি কর্মচারির নামে ব্যাংক হিসাবে আট কোটি টাকা নগদ জমা হওয়ার বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা না থাকায় এ অর্থ ঘুষ ও দুর্নীতিলব্ধ এবং এর অবৈধ উৎস গোপন করার লক্ষ্যে নগদে এফডিআর করে মানিলন্ডারিং করা হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়।”
এসব বিষয় যাচাই-বাছাই করে নজরুল ইসলামের নামে ছয় কোটি ১৭ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ পাওয়া গেছে বলে মামলায় উল্লেখ করে বলা হয়, এসব অর্থ গোপন করে পরবর্তিতে ব্যাংকে জমা করতে তামান্না শাহেরীন ও হাসান শিবলী সহযোগিতা করেছেন।বিডি নিউজ।

কলেজ ছাত্রকে তুলে নিয়ে জোর করে বিয়ে করার অভিযোগ তরুণীর বিরুদ্ধে

0

পটুয়াখালীতে এক তরুণীর বিরুদ্ধে জোর পূর্বক তুলে নিয়ে বিয়ে করার অভিযোগে মামলা করেছেন একজন কলেজ ছাত্র।
পটুয়াখালীর আদালতে এই মামলা দায়েরের পর আদালত সেটি এজাহার হিসাবে গ্রহণ করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।
এদিকে ওই তরুণী স্ত্রীর সম্মান দাবি করে কলেজ ছাত্রটির বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন। ওই কলেজ ছাত্র পটুয়াখালীর একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী। তরুণীও ঢাকায় পড়ালেখার পাশাপাশি বেসরকারি গবেষণার চাকরি করেন। এই বিয়ের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে।
মামলায় যে অভিযোগ:
মামলায় একজন তরুণীকে প্রধান আসামী করে অজ্ঞাতনামা ছয় সাত জনকে আসামী করা হয়েছে। পটুয়াখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৩ অক্টোবর দায়ের করা ওই মামলায় বলা হয়েছে, পটুয়াখালী সরকারি কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ওই ছাত্রকে তরুণী অনেকদিন ধরে ফোনে এবং সামাজিক মাধ্যমে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। তাতে ছাত্রটি রাজি না হওয়ায় তার চোখ বেঁধে তাকে অপহরণ করা হয়। এরপর অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গিয়ে সাত আটজন ব্যক্তি বলপূর্বক একটি নীল কাগজে স্বাক্ষর করতে তাকে বাধ্য করে। এ নিয়ে একটি কাবিননামা তৈরির পায়তারা করা হচ্ছে বলে তারা সন্দেহ করছেন।
এই বিষয়ে কলেজ ছাত্রের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল নোমান বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, ”আমার মক্কেলকে যে জোর করে বিয়ে করা হয়েছে, সেটা ভিডিও দেখলেই প্রমাণ হয়ে যায়। সেখানেই বোঝা যাচ্ছে যে, এই বিয়েতে আমার মক্কেল রাজি নন। তাকে জোর করে ভয়ভীতি দেখিয়ে কাগজে স্বাক্ষর নেয়া হয়েছে।”
তাই এর বিচার চেয়ে তারা আদালতে মামলা করেছেন।
পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মোঃ মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পর মামলাটি এজাহার হিসাবে গ্রহণ করা হয়েছে। এখন এ নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

অভিযুক্ত তরুণী যা বলছেন:
যে তরুণীর বিরুদ্ধে জোর করে বিয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে, সেই তরুণী গত ১৫ই অক্টোবর থেকে স্ত্রীর পরিচয়ের দাবিতে কলেজ ছাত্রের গ্রামের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন।
জোর করে বিয়ের অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন ওই তরুণী।
তিনি বিবিসি বাংলাকে টেলিফোনে বলছেন, ” গত বছর (২০২০) এপ্রিল মাস থেকেই ওই ছেলের সঙ্গে আমার প্রেম। আমরা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে একত্রে বাসাতেও থেকেছি। এখন শুনতে পেয়েছি, আরেকটি মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক আছে। এই কথা আমার বড়ভাই, স্বজনদের জানানোর পর তারা ছেলের সঙ্গে কথা বলে। সে নিজের ইচ্ছাতেই বিয়ে করেছে।” তরুণীর দাবি, ঢাকার রায়ের বাজারের একটি কাজী অফিসে তাদের বিয়ে হয়েছে। গত তিনদিন ধরে তিনি ছেলের বাড়িতে এসে উঠেছেন।
”আমার যাই হোক, আমাকে মেরে ফেললেও আমি এখানেই থাকবো,” তিনি দাবি করেন।
ভাইরাল ভিডিওতে যা দেখা গেছে:
এই ঘটনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যমে।
ভিডিওটি সেই সময়ের বলে নিশ্চিত করেছেন তরুণীটি। এই ভিডিওর একটি কপিও আদালতে মামলার সঙ্গে জমা দেয়া হয়েছে।
ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একজন তরুণী একটি নীল কাগজের বইতে স্বাক্ষর করছেন। পাশেই তরুণ ছাত্রটি বসে রয়েছেন। পেছনে একজন দাঁড়িয়ে তার ঘাড় চেপে তাকে সোজা তাকিয়ে থাকতে বাধ্য করছে।
সেখানে আরও কয়েকজনের উপস্থিতি দেখা যায়।
স্বাক্ষর করার পর একজন লাল শার্ট পরিহিত ব্যক্তি প্রথমে মেয়েটিকে মিষ্টি খাইয়ে দেন। এরপর তরুণের মুখে জোর করে মিষ্টি দেয়া হলে তিনি সেটা ফেলে দেন। তখন তাকে সেই ফেলে দেয়া মিষ্টি উঠিয়ে খাওয়ার জন্য ধমক দেন লাল শার্ট পরা ব্যক্তি। বিবিসি বাংলা।