ঢাকা   রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩   দুপুর ১২:৩৬ 

Home Blog Page 86

বগুড়ায় মন্দিরে ঢুকে প্রতিমা ভাঙচুর

0

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার একটি কালীমন্দিরে রাতের আঁধারে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা জানান, সোমবার (৯ আগস্ট) দিবাগত রাতের কোনো একসময়ে দুর্বৃত্তরা মন্দিরে ঢুকে কালী ও শিব প্রতিমা ভাঙচুর করে বলে জানিয়েছেন তারা।
উপজেলার চণ্ডিজান দক্ষিণপাড়া কালীমন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দাস জানান, মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) সকালে মন্দিরে ঢুকে দেখি যে, বেদি থেকে কালীর প্রতিমা সরিয়ে মন্দিরের বাইরে ফেলে দেয়া হয়েছে। ভাঙচুর করা হয়েছে প্রতিমার বিভিন্ন অংশ। বেদিতে থাকা কালীর দুই সহচরী ডাকিনী-যোগিনী এবং শিবের প্রতিমাও ভাঙচুর করে দুর্বৃত্তরা।
শেরপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, দুপুরে ঘটনা জানার পর মন্দির পরিদর্শন করেছি। এখানকার স্থানীয় সকল ধর্মের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণ অবস্থানে বসবাস করছেন ওই এলাকায়। এলাকার লোকজনও এরকম ঘটনায় বিস্মিত হয়েছেন।
কারা এই ঘটনার সাথে জড়িত, সেটি খতিয়ে দেখতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে বলেও জানান শেরপুর থানার ওসি।

পরীমনি কাণ্ডে থানায় সিটি ব্যাংকের জিডি

0

পরীমনি, মডেল পিয়াসা কাণ্ডে চাঁদাবাজি ও প্রতারণার আশঙ্কায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে সিটি ব্যাংক লি.। সোমবার ব্যাংকটির হেড অব কোর্ট অপারেশন গাজী এম শওকত হাসান রাজধানীর গুলশান থানায় এই জিডি করেন। জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান।
জিডিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি কয়েকটি গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একজন অভিনেত্রীর বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে কয়েকটি ব্যাংকের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পেশার বেশ কিছু মানুষের জড়িত থাকার বিষয়ে তথ্য প্রচারিত হচ্ছে। এসব সংবাদের মধ্যে দ্য সিটি ব্যাংক লি.-এর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জড়িত রয়েছেন বলেও মিথ্যা তথ্য প্রচারিত হয়েছে। এই তথ্যকে পুঁজি করে সমাজের কিছু স্বার্থন্বেষী ব্যক্তি, অসাধু শ্রেণির প্রতারক ও চাঁদাবাজ শ্রেণির লোক বিচ্ছিন্নভাবে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাজেহাল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত আছে অথবা থাকতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।
এরূপ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিবর্গ এবং একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করে সিটি ব্যাংকের সুনাম ক্ষুন্ন করাসহ ব্যাংক থেকে অবৈধ উপায়ে অর্থ লাভের আশায় বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের হয়রানি করতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। অজ্ঞাতনামা স্বার্থান্বেষী মহলের এসব কর্মকাণ্ডে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা, মানসিক উদ্বেগের সৃষ্টি হচ্ছে।

শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা : সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

0

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি ইয়াসিন আলীকে (৪২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার চায়টা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর খায়রুল কবীর জানান, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা মামলার সাড়ে ৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি ইয়াসিন আলী দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও তিনটি মামলা রয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট সাতক্ষীরার কলারোয়ায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা চালান তৎকালীন ক্ষমতাসীন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এই মামলায় সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবও দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

হাইকোর্টে ৫৩টি বেঞ্চে বুধবার থেকে ভাচুর্য়ালি বিচারকাজ চলবে

0

হাইকোর্ট বিভাগে বিচারকাজ পরিচালনার জন্য ৫৩টি বেঞ্চ গঠন করে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। আগামি বুধবার থেকে এসব বেঞ্চে শারীরিক উপস্থিতি ছাড়া ভার্চুয়ালি বিচার কাজ পরিচালিত হবে। এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতি সোমবার নির্দেশনা জারি করেছেন।
নির্দেশনায় বলা হয়, দেশব্যাপী করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধ কল্পে শারিরীক উপস্থিতি ব্যতিরেকে আগামী ১১ আগস্ট বুধবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ‘আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার আইন-২০২০’ এবং এ সংক্রান্তে জারি করা প্রাকটিস নির্দেশনা অনুসরণ করে তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে ভার্চুয়ালি হাইকোর্ট বিভাগে বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
গঠিত বেঞ্চের মধ্যে ৩১ টি রয়েছে দ্বৈত বেঞ্চ ও ২২ টি একক বিচারপতির বেঞ্চ। তারা হলেন বিচারপতি মুহাম্মদ আবদুল হাফিজ ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলী (দ্বৈত বেঞ্চ), বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার (দ্বৈত বেঞ্চ) বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী (একক বেঞ্চ) বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি কাজী ইজারুল হক আকন্দ(দ্বৈত বেঞ্চ ) বিচারপতি মো: আসফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি ইকবাল কবির( দ্বৈত বেঞ্চ) বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি কাজী জিনাত হক ( দ্বৈত বেঞ্চ) বিচারপতি মো: রইস উদ্দিন ও বিচারপতি মো: সোহরাওয়ার্দী (দ্বৈত বেঞ্চ) বিচারপতি মো: ইমদাদুল হক আজাদ ( একক বেঞ্চ) বিচারপতি মো: আতাউর রহমান খান (একক বেঞ্চ) বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম (একক বেঞ্চ) বিচারপতি মো: রেজাউল হক , বিচারপতি মো: বদরুজ্জামান ( দ্বৈত বেঞ্চ) বিচারপতি শেখ আব্দুল আউয়াল ( একক বেঞ্চ) বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী (দ্বৈত বেঞ্চ) বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামান ( দ্বৈত বেঞ্চ), বিচারপতি এ কে এম আবদুল হাকিম ও বিচারপতি ফাতেমা নজিব ( দ্বৈত বেঞ্চ) বিচারপতি মো: মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হক (দ্বৈত বেঞ্চ) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো:মোস্তাফিজুর রহমান (দ্বৈত বেঞ্চ) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি মো: খায়রুল আলম (দ্বৈত বেঞ্চ) বিচারপতি মো: রেজাউল হাসান (একক বেঞ্চ) বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিন ( দ্বৈত বেঞ্চ) , বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ ও বিচারপতি এএসএম আবদুল মোবিন( দ্বৈত বেঞ্চ) , বিচারপতি এ এন এম বশিরউল্লাহ (একক বেঞ্চ) , বিচারপতি আব্দুর রব ও বিচারপতি মোহাম্মদ সেলিম ( দ্বৈত বেঞ্চ), বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি মো: আতোয়ার রহমান (দ্বৈত বেঞ্চ) , বিচারপতি শেখ মো: জাকির হোসেন ও বিচারপতি খিজির হায়াত ( দ্বৈত বেঞ্চ) , বিচারপতি মো: হাবিবুল গণি ও বিচারপতি মো: রিয়াউদ্দিন খান (দ্বৈত বেঞ্চ), বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর (একক বেঞ্চ) , বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি আহমেদ সোহেল ( দ্বৈত বেঞ্চ) , বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিল (দ্বৈত বেঞ্চ), বিচারপতি মো: রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ইবাদত হোসেন( দ্বৈত বেঞ্চ) , বিচারপতি মো: খসরুজ্জামান ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামান (দ্বৈত বেঞ্চ), বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীম) , বিচারপতি মো: নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এস এম মুজিবুর রহমান ( দ্বৈত বেঞ্চ) ,বিচারপতি আকরাম হোসেন চৌধুরী (একক বেঞ্চ) , বিচারপতি আশরাফুল কামাল (একক বেঞ্চ) , বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মুহম্মদ মাহবুবু উল আলম (দ্বৈত বেঞ্চ) , বিচারপতি মো: মুজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো: কামরুল হোসেন মোল্লা( দ্বৈত বেঞ্চ) , বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ( দ্বৈত বেঞ্চ) বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ(একক বেঞ্চ), বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার (একক বেঞ্চ), বিচারপতি এ কে এম সাহিদুল হক (একক বেঞ্চ) , বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি মো: আখতারুজ্জামান ( দ্বৈত বেঞ্চ) , বিচারপতি মো: জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাস (দ্বৈত বেঞ্চ) , বিচারপতি আবু তাহের মো: সাইফুর রহমান ও বিচারপতি মো: জাকির হোসেন (দ্বৈত বেঞ্চ) , বিচারপতি মাহমুদুল হক (একক বেঞ্চ) , বিচারপতি জাফর আহমেদ (একক বেঞ্চ), বিচারপতি কাশেফা হোসেন (একক বেঞ্চ) , বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী( একক বেঞ্চ) , বিচারপতি মো: সেলিম (একক বেঞ্চ) বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান (একক বেঞ্চ) ,বিচারপতি সরদার মো; রাশেদ জাহাঙ্গীর (একক বেঞ্চ) , বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম( একক বেঞ্চ), বিচারপতি মো: মাহমুদ হাসান তালুকদার( একক বেঞ্চ)।

পরীমনি, পিয়াসাদের সঙ্গে নাম জড়িয়ে ব্ল্যাকমেইলের চেষ্টা করছে একটি চক্র

0

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে গ্রেফতার হওয়া চিত্রনায়িকা পরীমনি, মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা ও মরিয়ম মৌ’র সঙ্গে সমাজের বিশিষ্টজনের ছবি বা ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে একটি গ্রুপ ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করছে । এর সঙ্গে জড়িত এসব চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নিবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম ।
সোমবার (৯ আগস্ট) দুপুরে ডিএমপির সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক আলাপকালে এসব কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশনস্) কৃষ্ণপদ রায়, উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মোঃ ফারুক হোসেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, গ্রেপ্তারকৃত নায়িকা ও মডেলদের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে এমন ব্যক্তিদের তালিকার কথা বলে একটি চক্র চাঁদাবাজিতে নেমেছে। এই চক্রটি সমাজের বিশিষ্টজনদের কাছে ফোন করে তালিকার তাদের নাম থাকাসহ তাদের ছবি বা ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি করছে বলে তথ্য পেয়েছে পুলিশ। কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি এই ধরনের চাঁদাবাজির শিকার হওয়ার কথা পুলিশকে জানিয়েছে। এমনকি একজন ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা চেয়ে চিঠি দেয়ার ঘটনাও ঘটেছে। চাঁদা না দিলে গণমাধ্যমে তার নাম প্রকাশ করার হুমকি দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, মডেল-অভিনেত্রী গ্রেফতারের পর একটি চক্র তালিকার কথা বলে সমাজের বিশিষ্টজনদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক ছড়িয়েছে। আমরা চাই না করোনাকালে এমন আতঙ্ক ছড়াক এবং বিনা কারণে কারো সম্মানহানি ঘটুক। কেউ যাতে মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার না হন সে জন্য সকলকে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে। যারা ইতিমধ্যে গ্রেফতার হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কিছু আইনে মামলা হয়েছে। সেই মামলাগুলোই তদন্ত করছে পুলিশ।
তিনি চাঁদাবাজদের কল রেকর্ড করতে ভুক্তভোগীদের পরামর্শ দেন। এসব কল রেকর্ড পরে পুলিশের কাছে জমা দিতে বলেন। পাশাপাশি এই চাঁদাবাজদের বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশকে তথ্য জানাতে অনুরোধ করেন। যারা চাঁদাবাজির বাণিজ্যে নেমেছে তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার।

পুলিশের কাছে গিয়ে যৌন নিপীড়নের শিকার গৃহবধূ

0

স্বামীর অত্যাচার থেকে বাঁচতে এক নারী সাহায্য চেয়েছিলেন পুলিশের। কিন্তু সাহায্য করার নামে এক পুলিশ কর্মকর্তার হাতে যৌন নির্যাতনের শিকার হতে হলো এই নারীকে। ঘটনাটি ঘটেছে রাজশাহী মহানগরীতে।
নির্যাতনের শিকার ওই নারীর পরিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সরকারি জরুরি সেবার নম্বরে ফোন করে সাহায্য নিয়ে পুলিশের কাছে গিয়েও যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ (১৮)। রাজশাহী নগরের বোসপাড়া পুলিশ ফাঁড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. শামীমকে সোমবার প্রত্যাহার করা হয়েছে।
নগরের বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিবারণ চন্দ্র বর্মণ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। ওই গৃহবধূর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নগরের এক হোটেল কর্মচারীর মেয়ে স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়ে বাবার বাড়িতে ফিরে আসেন। তাঁর বাবা চাচ্ছিলেন যেকোনোভাবে মেয়েটা যেন স্বামীর সংসারে টিকতে পারে। এ জন্য ৪ আগস্ট সরকারি জরুরি সেবার নম্বর ৯৯৯–এ ফোন করে পুলিশের সহযোগিতা চান। পরে নগরের বোসপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মো. শামীম তাঁদের বাসায় যান। তিনি মেয়েটির স্বামীর নির্যাতনের বর্ণনা শোনেন। স্বামীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তিনি মেয়েটিকে পুলিশ ফাঁড়িতে দেখা করতে বলেন। মেয়েটি রোববার দুপুরে তাঁর মাকে সঙ্গে করে পুলিশ ফাঁড়িতে যান। এ সময় বাইরে একজন সেন্ট্রি ছিলেন। ভেতরে এএসআই শামীম একাই ছিলেন। তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় কথা বলার জন্য মেয়েটির মাকে শামীম বাইরে যেতে বলেন। মেয়েটির মা বাইরে এসে দাঁড়ানোর কিছুক্ষণ পরেই মেয়েটি চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে বাইরে বের হয়ে এসে তাঁর মাকে বলেন, ওই পুলিশ তাঁকে যৌন নিপীড়ন করেছেন। মেয়েটির বাবা বলেন, তখন বেলা ২টা ৩৬ মিনিট। তাঁর স্ত্রী ফাঁড়ির সামনে থেকে ফোন করে তাঁকে ঘটনার কথা জানান। তিনি সঙ্গে সঙ্গে আবার ৯৯৯–এ ফোন করেন। তারা তাঁকে বোয়ালিয়া থানায় এসে অভিযোগ করতে বলেন। ওই দিন বিকেলেই বোয়ালিয়া থানায় এসে মেয়ের মা বাদী হয়ে এএসআই শামীমের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। ওই দিন রাতেই স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয়ে একটি সালিস ডাকা হয়। সেখানে এএসআই শামীম মেয়েটির বাবার হাত ধরে ক্ষমা চান। কিন্তু মেয়েটির বাবা তাঁর সঙ্গে মীমাংসা করতে রাজি হননি।
মেয়েটির বাবার অভিযোগ, ওই সালিসে কোনো আপসনামা লেখা হয়নি এবং তাঁরা তাতে সইও করেননি। কিন্তু শামীম বোয়ালিয়া থানায় ভুয়া সই করে একটি আপসনামা জমা দেন।
ওয়ার্ড কাউন্সিলর আরমান আলী বলেন, তাঁর কার্যালয়ে এএসআই শামীম মেয়েটির বাবার হাতে ধরে ক্ষমা চেয়ে বলেছেন, তিনি তেমন কোনো অন্যায় করেননি। তারপরও তিনি ক্ষমা চাচ্ছেন।
এ বিষয়ে জানাতে মেয়েটির বাবা সোমবার দুপুরে সরাসরি রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি খুলে বলেন। পুলিশ কমিশনার তাঁদের বোয়ালিয়া থানার ওসির কাছে পাঠান।
ওসি নিবারণ চন্দ্র বর্মণ প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা আপসের কথা অস্বীকার করছেন। তাঁদের অভিযোগের এখন তদন্ত হবে। ইতিমধ্যেই এএসআই শামীমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। খবরের সূত্র- প্রথম আলো।

সুপ্রিম কোর্ট ও ঢাকা বারে টিকা কেন্দ্র হচ্ছে, অ্যাটর্নি জেনারেলকে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

0
Office of the Attorney General at the Idaho State Capitol Building in Boise, Idaho.

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি এবং ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে করোনার টিকা গ্রহণের জন্য বিশেষ দুটি কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। দুই বারে টিকাকেন্দ্র স্থাপনের জন্য অ্যাটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ এম আমিন উদ্দিন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে চিঠি দিয়ে অনুরোধ জানিয়েছিলেন। সারাদেশের আইনজীবীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করোনার টিকা দেয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছেও অনুরোধ জানিয়েছিলেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।
অ্যাটর্নি জেনারেলের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৫ আগস্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তেরর পরিচালকের নেতৃত্বে একটি টিম সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবন পরিদর্শন করেন। তারা টিকাকেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই করেন। সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির নেতারা চান অন্তত ১৫ দিনের জন্য যেনো টিকাকেন্দ্র হয় যাতে সব আইনজীবী টিকা নিতে পারেন।
রোববার (৮ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ও লাইন ডাইরেক্টর এমএনসিএন্ডএএইচ এবং কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনা টাস্কফোর্স কমিটির সদস্য সচিবের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে টিকাকেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
অধিদপ্তরের পরিচালককে (এমআইএস ও লাইন ডাইরেক্টর, এইচআইএস এন্ড ই-হেলথ) কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়ে সুপারিশ জানিয়ে চিঠিতে বলা হয়েছে, অ্যাটর্নি জেনারেল গত ৫ আগস্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে একটি পত্র প্রেরণ করেন। পরে তিনি (অ্যাটর্নি জেনারেল) সুপ্রিম কোর্টের ১০ হাজারের বেশি আইনজীবী এবং ঢাকা আইনজীবী সমিতির ২৫ হাজার ৩৩২ জন আইনজীবীর জন্য কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনেশনের (টিকাদান) লক্ষ্যে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ও ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে অস্থায়ীভাবে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনেশন কেন্দ্র স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক লোকবল, ভ্যাকসিন ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সামগ্রী প্রদান করে কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম অতিদ্রুত চালু করার জন্য অনুরোধ করেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ বিষয়ে সম্মতি প্রদান করেন। একইসঙ্গে ওই কেন্দ্রসমূহকে সুরক্ষা ওয়েবসাইটে অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চিঠিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক কল্যাণ ট্রাস্ট আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

0

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০২১ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার (৯ আগস্ট) ভার্চ্যুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে জানান, আগের অধ্যাদেশকে বদলে নতুন এই আইন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, এককালীন চাঁদা দিয়ে প্রাথমিকের শিক্ষকদের এই ট্রাস্টের সদস্য হতে হয়। এরপর শিক্ষকদের পাশাপাশি তাদের পোষ্যরা এখান থেকে সুবিধা পান। কোনো শিক্ষক মারা গেলে তার নাবালক, প্রতিবন্ধী বা বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন সন্তানেরা এই ট্রাস্ট থেকে সহায়তা পাবেন।
সরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি অনুদান হিসেবে কিছু দিলে ট্রাস্ট তা গ্রহণ করতে পারবেন। বিধি দিয়ে বিষয়গুলো নির্ধারণ করে দেওয়া হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক এর ভাইস চেয়ারম্যান হবেন। ট্রাস্টি বোর্ডে আটজন তিন বছরের জন্য দায়িত্বে থাকবেন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হবেন ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান।

খুলনায় হিন্দুদের মন্দির বাড়িঘরে হামলার ঘটনায় থমথমে পরিস্থিতি, আরও একজন গ্রেফতার

0

খুলনার রূপসা উপজেলার শিয়ালি গ্রামে মন্দির, হিন্দু মালিকানাধীন দোকানপাট ও বসতভিটায় হামলার ঘটনার পর পুরো এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এলাকা জুড়ে পুলিশ ও র‍্যাব মোতায়েন রাখা হয়েছে।
এদিকে ভাঙচুর ও সহিংসতায় জড়িত থাকার অভিযোগে রোববার রাতে আরও একজনকে গ্রেফতারের কথা জানিয়েছেন রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সরদার মোশাররফ হোসেন।
এ নিয়ে মোট ১১ জনকে গ্রেফতার করা হলো। গ্রেফতার হওয়া সবাই পার্শ্ববর্তী চাঁদপুর গ্রামের বাাসিন্দা বলে তিনি জানান।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গত শনিবার সন্ধ্যার দিকে উত্তেজিত জনতা হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার কথা জানায়।
পরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ মহানগর, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ, ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা ।

এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দারা হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অভিযুক্তদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেছেন।
রূপসা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাসনিম জানিয়েছেন, যারা ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছেন তাদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে।
ভাংচুর করা মন্দির ও শ্মশানের সংস্কার করা হবে এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিগগিরই মেরামতের কাজ শুরু করা হবে।
এছাড়া পুরো এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় হিন্দু মুসলমানদের মধ্যে হৃদ্যতা বজায় রাখতে তারা কাজ করছেন বলেও তিনি জানান।
স্থানীয় সাংবাদিকদের পাঠানো কিছু ছবিতে দেখা গেছে, সেখানকার অন্তত ৪টি মন্দিরের প্রতিমা, শ্মশানের নানা উপকরণ, ছোট দোকান, এবং একটি বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে।
স্থানীয় এক ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন, হামলাকারীরা তার বাড়ি থেকে স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে গেছে।
ওই ঘটনায় রূপসা উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শক্তিপদ বসু ২৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরো ২০০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
রূপসারে উপজেলা ও পৃলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, শুক্রবার সন্ধ্যায় মসজিদে নামাজ চলার সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যরা ‘গান-বাজনা’ করছিলেন – এমন এক অভিযোগে দুই পক্ষের মধ্যে বাদানুবাদ হয়। তবে রূপসার ইউএনও বলেন, ওই দ্বন্দ্বের সমাধান সেদিনই হয়ে গিয়েছিল এবং ওই ঘটনার সাথে শনিবারের হামলার সম্পর্ক নেই। বিবিসি বাংলা।

মুনিয়ার মৃত্যু: বসুন্ধরার এমডিকে অব্যাহতি দিয়ে পুলিশের ফাইনাল রিপোর্টের শুনানি ১৭ আগস্ট

0

কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়ার ‘আত্মহত্যায় প্ররোচনার’ মামলায় বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরকে অব্যাহতির সুপারিশ করে দেয়া পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণের বিষয়ে শুনানি হবে আগামী ১৭ আগস্ট।
মুনিয়ার বোন মামলার বাদী নুসরাত জাহান তানিয়া সেদিনই ওই চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ওপর তার না-রাজি (অনাস্থা) আবেদন আদালতে দাখিল করতে পারবেন।
পুলিশের দেয়া প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে না-রাজি আবেদন জমা দেয়ার একটি আবেদন করেছিলেন তানিয়ার আইনজীবীরা। রোববার সেই আবেদনের শুনানি করেই আদালত এ তারিখ ঠিক করে দেয়।
বাদীর অন্যতম আইনজীবী ব্যরিস্টার এম সরোয়ার হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, কোভিড আর লকডাউনের কারণে মুনিয়ার বোন আদালতে আসতে পারেননি। তাছাড়া মামলার সত্যায়তি কপিও এখনো সরবরাহ করা হয়নি।
“সে কারণে আমরা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ না করে না-রাজি আবেদনটি জমার জন্য যেন সময় দেয়া হয়, সেই দরখাস্ত করি। শেষ পর্যন্ত আমরা সেই দরখাস্তের শুনানি করতে পেরেছি। শুনানি করেছেন আমাদের আইনজীবী দলের সদস্য মাসুদ সালাউদ্দিন।”
পরে আদালত পুলিশের নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই মো. আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, “আগামী ১৭ অগাস্ট চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণের শুনানির জন্য দিন রাখা হয়েছে। সেদিন বাদী ইচ্ছা করলে না-রাজি আবেদন দাখিল করতে পারবেন।”
আইনজীবী সরোয়ার হোসেন জানান, গত ২৯ জুলাই মামলার ধার্য তারিখেই মামলার বাদি না-রাজি আবেদন জমা দিতে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির হয়েছিলেন। কিন্তু লকডাউনে আদালতের নিয়মিত কার্যক্রম বন্ধ থাকায় তা জমা নেয়া হয়নি। আলোচিত এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গত ১৯ জুলাই আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন ’ দাখিল করেন।
গত ১৯ এপ্রিল রাতে গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় ২১ বছর বয়সী মোশারাত জাহান মুনিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সেই রাতেই আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে আনভীরের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা করেন ওই তরুণীর বোন নুসরাত জাহান তানিয়া।
সেখানে বলা হয়, ‘বিয়ের প্রলোভন’ দেখিয়ে সায়েম সোবহান আনভীর সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন মুনিয়ার সঙ্গে। ওই বাসায় তার যাতায়াত ছিল। কিন্তু বিয়ে না করে তিনি উল্টো ‘হুমকি’ দিয়েছিলেন মুনিয়াকে।
অভিযোগের বিষয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কখনো কথা বলেননি বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি। এপ্রিলের শেষ দিকে তার আগাম জামিনের জন্য হাই কোর্টে একটি আবেদন করা হলেও মহামারীর মধ্যে লকডাউনে সে আবেদনের শুনানি তখন আর হয়নি।
ওই প্রতিবেদন নিয়ে আপত্তির কারণ ব্যাখ্যা করে বাদীর আইনজীবী বলেন, “নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের শুধুমাত্র ৯(১) ধারার ধর্ষণ নয়, ধর্ষণের ফলে উদ্ভূত বিষয় ৯(২) ধারায় সঙ্গে আসবে। আসবে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারাও। ধর্ষণজনিত কারণে আত্মহত্যা এখানে আসে।”
মুনিয়া ঢাকার মিরপুর ক্যান্টনম্যান্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি কুমিল্লার মনোহরপুরে; পরিবার সেখানেই থাকেন। মৃত্যুর মাস দুয়েক আগে এক লাখ টাকায় ভাড়া নেওয়া ওই ফ্ল্যাটে উঠেছিলেন তিনি।
মুনিয়ার মৃতদেহ উদ্ধারের পর সেখান থেকে তার মোবাইলফোনসহ বিভিন্ন ধরনের আলামত উদ্ধার করে পুলিশ, যার মধ্যে ছয়টি ডায়েরি ছিল। সিসিটিভির ভিডিও পরীক্ষা করে মুনিয়ার ফ্ল্যাটে আনভীরের যাতায়াতের ‘প্রমাণ পাওয়ার’ কথাও সে সময় পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল।
আইনজীবী সরোয়ার হোসেন বলেন, “তদন্ত কতৃপর্ক্ষ সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে তার বিশ্লেষণ ও পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে উল্লেখ করেনি। অটোপসি রিপোর্ট দেখেননি অথবা গুরুত্ব দেননি। তদন্তে কী পাওয়া গেল তা নিয়ে বাদীর সঙ্গে আলাপ আলোচনাও করেননি।
“আমরা ২৯ জুলাই দুটো আবেদন নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু আদালত সেগুলো গ্রহণ না করে আমাদের ফিরিয়ে দিয়ে বলেছে, আদালত খুললে তা নেয়া হবে।”