ঢাকা   সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩   রাত ১:৪৬ 

Home Blog Page 96

জীবন জীবিকার মধ্যে ব্যালেন্স প্রতিষ্ঠার জন্য সরকার লকডাউন শিথিল করেছে: আইনমন্ত্রী

0

জনগণের জীবন এবং জীবিকার মধ্যে ব্যালেন্স প্রতিষ্ঠা করার জন্য সরকার লকডাউন শিথিল করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক। 

‘সরকার ঈদের আগে লকডাউন ও বিধিনিষেধ শিথিল করে করোনাকে সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য যে ব্যবস্থা করেছে, তাতে শেষ পর্যন্ত দেশ মৃত্যু উপত্যকায় পরিণত হতে পারে’-বিএনপির এমন মন্তব্যের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, সারা পৃথিবীতে করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে মানুষের জীবন-জীবিকার মধ্যে বিরাট চাপ পড়ছে। সরকার জনগণের সেবার জন্য, জনগণ যাতে ভালোভাবে থাকে সেজন্য জনগণকে সময়ে সময়ে ঘরে রাখতে হয়। আবার জনগণের জীবিকার জন্যেও সরকারকে সচেষ্ট থাকতে হয়, সচেতন থাকতে হয়। জনগণের জীবন এবং জীবিকার মধ্যে ব্যালেন্স প্রতিষ্ঠা করার জন্য যা যা করা দরকার সরকার তাই করছে।

শনিবার সকালে আখাউড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল, মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খতিবদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা মুসলমানদের সবচেয়ে বড় দুইটি আনন্দের দিন। ঈদুল আযহার সময় মানুষ আল্লাহর নামে পশু কোরবানি দেয়। এটা সারা বিশ্বের মুসলমানের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেই কোরবানির ঈদ পালন করার জন্য যদি একটু শিথিল করা হয় তাহলে সেটা কি অন্যায়?
 
এ ছাড়া মানুষের জীবন-জীবিকার মধ্যে ব্যালেন্স আনা সরকারের কাজ বলে মন্তব্য করেন তিনি। 

‘সরকার ঈদের আগে বিধিনিষেধ শিথিল করে দেশ মৃত্যু উপত্যকায় পরিণত হতে পারে’ বলে যারা মন্তব্য করেছেন তারা কতটা বিবেকবান?- প্রশ্ন ছুড়ে দেন আনিসুল হক।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোমানা আক্তার, পৌর মেয়র তাকজিল খলিফা কাজল, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাশেম ভূঁইয়া, উপজেলা সহকারী কমিশন (ভূমি) মো. সাইফুল ইসলাম, ওসি মিজানুর রহমানসহ উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসার ইমাম, মুয়াজ্জিম ও খতিবগণ। সেখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সাথে কোরবানির ঈদ উদযান করার জন্য ইমামদের প্রতি আহবান জানান আনিসুল হক।

পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ জেএমবি জঙ্গিদের আশ্রয়দাতা রাহুল সেন গ্রেফতার, তার আইনজীবী স্ত্রী নজরদারিতে

0

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ এমন এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে যার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সদস্যদের আশ্রয় প্রশ্রয় দেয়ার যোগসূত্র পাওয়া গেছে। গ্রেফতার এই ব্যক্তির নাম রাহুল কুমার সেন ওরফে লালু সেন। তার স্ত্রী বাংলাদেশী নাগরিক এবং একজন আইনজীবী। তাকে জেরা করে একাধিক বিস্ফোরক তথ্য পেয়েছে কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাক্স ফোর্স ,এসটিএফ। এমন খবর দিয়েছে ভারতের পত্রপত্রিকা।
গত বৃহস্পতিবার বারাসত তাকে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছ থেকে দুটো ল্যাপটপ, একটি আইপ্যাড, দুটো মোবাইল ফোন এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছে।
এসটিএফ জানায়, বাংলাদেশ থেকে পশ্চিমবঙ্গে আসা জঙ্গিদের টাকার যোগান দিতে লালু। এমনকি তারা কোথায় থাকবে, কোথায় আত্মগোপন করবে, নতুন পরিচয়পত্র তৈরি, সব দায়িত্ব সামাল দিতো সে।
পুলিশ জানিয়েছে লালু মূলত জঙ্গিদের ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করে দেওয়া এবং আশ্রয়ের বন্দোবস্ত করত। সেক্ষেত্রে লালু ঠিক কতজনকে এই ব্যবস্থা করে দিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের নজরে লালুর স্ত্রীর ভূমিকাও। লালুর স্ত্রী আদৌ তার স্বামীকে জঙ্গি কার্যকলাপে সহায়তা করত কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
কলকাতা পুলিশের এসটিএফ লালুকে জেরা করে মোট ২২টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের খোঁজ পেয়েছে। ওই অ্যাকাউন্টগুলির মাধ্যমে জেএমবির সঙ্গে লালু টাকা আদানপ্রদান করত বলে বলে তথ্য পেয়েছে পুলিশ। এছাড়াও তার কাছ হুন্ডির মাধ্যমে টাকা আসত বলে আগেই জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। জানা যায়, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ভারতে জঙ্গিদের গা ঢাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করত সে। তৈরি করে দিত ভুয়ো পরিচয়পত্র। ঠিক কতজনকে এভাবে লালু পশ্চিমবঙ্গে ঢুকতে সাহায্য করেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও লালুর স্ত্রীর গতিবিধির দিকে নজর রাখা হয়েছে। পুলিশ জানায়, লালুর স্ত্রী সাথী সেন বাংলাদেশের বাসিন্দা। তিনি পেশায় বাংলাদেশের আইনজীবী। সেই সূত্রে একাধিকবার বাংলাদেশে গিয়েছে লালু। তার স্ত্রী সাথী স্বামীকে সম্পূর্ণরূপে জঙ্গি কার্যকলাপে সহায়তা করেছে বলেই মনে করছে গোয়েন্দারা।
এছাড়াও জেএমবির অন্যতম নেতা আনোয়ার আলি ওরফে হৃদয়ের সঙ্গেও লালুর যোগসূত্র খুঁজে পাচ্ছেন তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, মাসদুয়েক আগে হৃদয় উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতে এসেছিল। সেই সময় প্রায় সপ্তাহখানেক লালুর বাড়িতে ছিল সে। পরে যদিও কোনও একটি গুরুত্বপূর্ণ ফোন আসে হৃদয়ের কাছে। তারপরই সে সোজা বাংলাদেশে চলে যায়। কে ফোন করেছিল তাকে, ঠিক কী কথোপকথন হয়েছিল হৃদয়ের তা এখনও জানা যায়নি। কলকাতা পুলিশের এসটিএফ সে বিষয়ে খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করছে। হৃদয় তার ব্যবহৃত ল্যাপটপ এবং আইপ্যাডটি ফেলে যায় লালুর বাড়িতে। সেগুলি পরীক্ষা নিরীক্ষা করে কোনও তথ্য পাওয়া যায় কিনা, সেদিকেই তাকিয়ে তদন্তকারীরা।

ইভ্যালি গ্রাহক ও সরবরাহকারীদের কাছ থেকে অগ্রীম যে পরিমাণ টাকা নিয়েছে তার হদিস মিলছে না – বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি

0

ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ইভ্যালি গ্রাহক ও সরবরাহকারীদের কাছ থেকে অগ্রীম যে পরিমাণ টাকা নিয়েছে তার কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মি. মুনশি বলেন, “তারা মানুষের কাছ থেকে যে পরিমাণ টাকা নিয়েছে এবং তাদের সাপ্লায়ারদের কাছ থেকে যে পরিমাণ টাকা নিয়েছে, তার মোট অঙ্ক প্রায় ৩০০ কোটি টাকার বেশি। কিন্তু প্রাথমিক তদন্তে তাদের কাছে সেই টাকার অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।”

“তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় বাংলাদেশ ব্যাংক ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত পরিচালনা করে।”
তদন্ত শেষে গ্রাহকদের ও সাপ্লায়ারদের কাছ থেকে নেয়া টাকার খুব সামান্য অংশের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে বলে জানান মি. মুনশি।
“সেজন্যই প্রশ্ন উঠেছে যে এই বিশাল দায় কীভাবে তারা শোধ করবে?”
ইভ্যালি এর মধ্যে যেই পরিমাণ টাকা গ্রাহক ও ব্যবসায়িক পার্টনারদের কাছ থেকে নিয়েছে, তা ফেরৎ পাওয়ার নিশ্চয়তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন বাণিজ্য মন্ত্রী।
“তাদের ফান্ড কোথায় রেখেছে, অন্য কোনো উৎস আছে কিনা সেটা তদন্তের পর জানা যাবে। তবে এখন সেই পরিমাণ টাকার কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।”
এ বছরের জানুয়ারি মাসে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ ও ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের একটি প্রতিবেদনে উঠে আসে যে পণ্য বেচাকেনার ক্ষেত্রে ইভ্যালি আইন ভঙ্গ করেছে।
এর পর জুন মাসে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি তদন্ত দল ইভ্যালির কার্যক্রমের কিছু অনিয়ম চিহ্নিত করে প্রতিবেদন দাখিল করে।
এর পরদিনই বেশ কয়েকটি ব্যাংক ইভ্যালি সহ আরো কয়েকটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ ওঠার ভিত্তিতে সেসব প্রতিষ্ঠানের সাথে লেনদেন বাতিল করে।
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির বিরুদ্ধে দুদক সহ বিভিন্ন সংস্থা যখন নানা অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে, তখন আগাম টাকা দিয়েছেন, এমন গ্রাহকদের পণ্য সরবরাহ পাওয়ার ব্যাপারে নতুন করে উদ্বেগ বা সংকট তৈরি হয়েছে।
গ্রাহকদের অনেকে অভিযোগ করেছেন, ইভ্যালির সাথে যোগাযোগ করে কোন সাড়া মিলছে না এবং তারা প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয় বন্ধ পাচ্ছেন।
রুবাইয়াত হাসান নামের একজন গ্রাহক জানান, মে মাসের শেষদিকে একটি মোটরসাইকেল কেনার জন্য ইভ্যালিতে প্রায় তিন লাখ টাকা দেন। প্রতিশ্রুতি মত ৪৫ দিনের মধ্যে পণ্য ডেলিভারি না দেয়ায় ইভ্যালির কাস্টমার কেয়ার নম্বরে যোগাযোগ করেও সাড়া পাননি।
তবে ইভ্যালির মুখপাত্র শবনম ফারিয়া বিবিসি বাংলাকে জানান, তাদের কাস্টমার কেয়ার সার্ভিস এখনও ২৪ ঘণ্টা চালু আছে।
মিজ ফারিয়া বলেন, “লকডাউন থাকার কারণে আমাদের অফিসে কেউ যাচ্ছে না, আমরা হোম অফিস করছি। কিন্তু আমাদের ডেলিভারি চালু আছে এবং কাস্টমার কেয়ার ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে।”
বিবিসি বাংলার প্রতিবেদক এসময় কাস্টসার কেয়ারে ফোন করে কোনো উত্তর না পাওয়ার বিষয়ে জানতে চান মিজ ফারিয়ার কাছে।
এই প্রশ্নের উত্তরে মিজ ফারিয়া বলেন, “আমরা খুব কঠিন সময় পার করছি। অনেকে অনেক কিছু নিয়ে ভীত, তারা ফোন করে বিভিন্ন বিষয়ে খবর জানতে চাইছে। তাই ফোন অনেক সময় ব্যস্ত দেখাচ্ছে। কিন্তু আসলে সবসময় ফোন ব্যস্ত থাকছে, বিষয়টা তেমন নয়।”

ভার্চুয়াল শুনানিতে প্রযুক্তিগত সমস্যা, কলকাতা হাই কোর্ট কর্তৃপক্ষকে শো-কজ বিচারপতির, বললেন ন্যায়বিচারের শপথ নিয়েছি

0

বিচার পাওয়ার আশায় বা বিচার পেতে যাঁরা আদালতে আসেন, বিচারপতি সাধারণত তাঁদের দোষগুণ বিচার করেন। তার পর তিনি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে রায় দেন। এ বার কোনও বিচারপ্রার্থী নন, বিচারপতি স্বয়ং নিজেকে ও আদালতকে দোষী দাগিয়ে কাঠগড়ায় তুললেন, রায়ও দিলেন। শুক্রবার এমনই ঘটনার সাক্ষী থাকল কলকাতা হাই কোর্ট। ভার্চুয়াল শুনানিতে ব্যাঘাত ঘটার কারণেই বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের রোষের মুখে পড়ে হাই কোর্ট কর্তৃপক্ষ। শুধু তাই নয় সেন্ট্রাল প্রোজেক্ট কো-অর্ডিনেটরকে শো-কজ করেন বিচারপতি। এমনকি এই ঘটনায় জড়ানো হয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দলকেও।
করোনা পরিস্থিতির কারণে দেশের অন্যান্য আদালতের মতো কলকাতা হাই কোর্টেও চলছে ভার্চুয়াল মাধ্যমে শুনানি। শুক্রবার হাই কোর্টের সাত নম্বর কোর্টে বিচার করছিলেন বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য। অনলাইনে অংশগ্রহণ করেন আইনজীবীরাও। সেই সময় প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দেয়। ফলে বন্ধ হয়ে যায় শুনানি। এজলাসে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেন বিচারপতি। অবশেষে পরিষেবা ঠিক না হওয়ায় ভার্চুয়াল পরিচালকদের উপর রুষ্ট হন বিচারপতি। অসন্তোষের সুরে তিনি বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে ভার্চুয়াল মাধ্যমে শুনানি হচ্ছে। কিন্তু এটা দুর্ভাগ্যজনক যে আদালত যথাযথ ন্যায়বিচার সরবরাহ করতে ন্যূনতম পরিষেবা ও সংযোগ দিতে অক্ষম।” বিচারপতি আরও বলেন, “আমি এ জাতীয় সার্কাসের অংশ থেকে নিজেকে প্রত্যাখ্যান করছি। কারণ আদালত ও বিচারকদের থাকার জন্য শীততাপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) কক্ষের বাইরে অনেক মেহনতি মানুষ রয়েছেন। যাঁরা এই রোদ্দুরে, ধুলাবালি মাখা অবস্থায়ও বিচারের বাণী গুনছেন। আমি ওই মানুষদের ন্যায়বিচার দেওয়ার শপথ নিয়েছি। তাই যতক্ষণ না সমস্যাগুলি পুরোপুরি সমাধান হয়, ততক্ষণ আমি খালি স্টেজ শো করতে কোর্টে বসতে পারব না।”
শুধু এখানেই থেমে থাকেননি বিচারপতি ভট্টাচার্য। ভার্চুয়াল মাধ্যম দেখভালের দায়িত্বে থাকা সেন্ট্রাল প্রোজেক্ট কো-অর্ডিনেটরকে তিনি শো-কজও করেন। তিনি বলেন, “এই ধরণের সমস্যা দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী হাই কোর্টের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করতে পারে। আমি এই আদালতের অংশ হিসাবে এর জন্য নিজেকে ব্যক্তিগত ভাবে দোষী বলে মনে করি। যে কোনও কারণেই হোক এটা আদালতের কাজে বাধা এবং হস্তক্ষেপ করা। তাই এটা অপরাধ হিসাবে গণ্য হতেই পারে। তাছাড়া এই ধরণের ঘটনা এই প্রথম নয়, আগেও একাধিকবার ঘটেছে। তারপরও নিজেদের ত্রুটি সংশোধন করেনি কো-অর্ডিনেটর। তাই তাদেরকে কেন আদালত অবমাননার দায়ে পড়তে হবে না তার জবাবে শো-কজ নোটিস দেওয়া হবে
এই ঘটনায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি বিন্দল ও হাই কোর্টের রেজিস্টার জেনারেলও দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বিচারপতি ভট্টাচার্য। তিনি নির্দেশ দেন, তাঁর আদেশের প্রতিলিপি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির পাশাপাশি আদালতের রেজিস্টার জেনারেলকেও দেওয়া হবে। এই সমস্যার দ্রুত সমাধান চান বলেও জানান বিচারপতি ভট্টাচার্য। বিষয়টি নিয়ে বিচার চলার কথাও জানিয়েছেন তিনি। শনিবার এ বিষয়ে বিচারের দিন ধার্য করেছেন বিচারপতি। আনন্দ বাজার পত্রিকা অনলাইনের সৌজন্যে ।

অধস্তন আদালতের বিচারকসহ সবাইকে করোনার টিকা নিতে প্রধান বিচারপতির নির্দেশনা

0

করোনা মহামারি প্রতিরোধে অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালগুলোর বিচারক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সকলকে টিকা (ভ্যাকসিন) গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।
শুক্রবার (১৬ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালসমূহের বিচারক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে যারা এখনও কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন গ্রহণ করেননি, তাদেরকে নিবন্ধন সম্পন্ন করে আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন গ্রহণ করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো।
‘বাংলাদেশের প্রত্যেক জেলার জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর এলাকার মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, অধীনস্থ বিচারক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারক তার এবং তার অধীনস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোভিড-১৯ টিকাদান কার্ডের কপি সংগ্রহপূর্বক ভ্যাকসিন গ্রহণ সংক্রান্ত তথ্যাবলী সংযুক্ত ছক অনুযায়ী আগামী ১২ আগস্টের মধ্যে সফটকপি এবং হার্ডকপি অত্র কোর্টের রেজিষ্ট্রার, হাইকোর্ট বিভাগের নিকট প্রেরণ করতেও বিজ্ঞপ্তিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

রাজধানীতে মাদক বিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৬০, বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার

0

রাজধানীতে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ৬০ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর বিভিন্ন থানা গোয়েন্দা বিভাগ।
গ্রেফতারের সময় তাদের হেফাজত থেকে ১৪,৪২৪ পিস ইয়াবা, ২০০ গ্রাম ১৪০ পুরিয়া হেরোইন, ৮ কেজি ৭০০ গ্রাম গাঁজা ও ১২০ ক্যান বিয়ার উদ্ধার করা হয়।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত মাদক বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টা থেকে শুক্রবার সকাল ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতারসহ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪১ টি মামলা রুজু হয়েছে।

আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা এসি আকরামের মৃত্যু

0

বহুল আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা এসি আকরাম মারা গেছেন। পিচ্চি হান্নান, মুরগী মিলন, সুব্রত বাইনের মতো শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে আলোচনায় আসা পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আকরাম হোসাইন শুক্রবার সকালে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
আকরাম হোসাইন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া গ্রামের মরহুম মৌলভী হাবিবুর রহমানের ছেলে। দুপুরে সাবেক এ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন তার ছোট ভাই সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোর্শেদ আলম দুলাল।
দুলাল জানান, কয়েক বছর আগে আকরাম হোসাইনের কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়। গত ৭ জুলাই তার কিডনিতে সমস্যা হলে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ওই দিন সন্ধ্যায় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
শুক্রবার বাদ আছর হুগড়া হাবিব কাদের উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নামাজে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয় পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আকরাম হোসাইনকে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল হাসান আরিফের বিরুদ্ধে নির্যাতন করে পুত্রবধূর পেটের বাচ্চা নষ্টের অভিযোগ, আটকে রাখা হয়েছে আরেক শিশু সন্তানকে

0

সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ ও তার স্ত্রী-সন্তানের বিরুদ্ধে লাথি মেরে বাচ্চা নষ্ট, গর্ভপাত এবং নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন তার পুত্রবধূ মাধবী আক্তার নীলা। একই সঙ্গে তার মেয়েকে জোরপূর্বক কানাডা পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।

শুক্রবার মিরপুরের আরামবাগে নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ এফ হাসান আরিফের ছেলে মোয়াজ আরিফের স্ত্রী নীলা। ২০১৮ সালের ৩১ মার্চ পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়েছিল।
সংবাদ সম্মেলনে মাধবী আক্তার নীলা বলেন, এ এফ হাসান আরিফের ছেলে মোয়াজ আরিফের সঙ্গে ২০১৮ সালের ৩১ মার্চ পারিবারিকভাবে আমার বিয়ে হয়। বিয়ের পর স্বামী-সন্তান নিয়ে আমি সুখেই ছিলাম। বর্তমানে আমার বড় মেয়ের বয়স দুই বছর। সুখের সংসারে সমস্যা শুরু হয় আমার বড় সন্তানকে নিয়ে। আমার শ্বশুর ও শাশুড়ি আমার বড় মেয়েকে কানাডায় তাদের মেয়ের কাছে পাঠিয়ে দিতে চেয়েছিল। আমার ননদের কোনো সন্তান না থাকায় তারা আমার সন্তানকে কানাডা পাঠাতে চেয়েছিল। কিন্তু আমি রাজি হইনি। এরপর থেকেই আমার ওপর অত্যাচার ও নির্যাতন শুরু হয়। আমি দুই সন্তানের জননী। তবে এর আগে গত বছর অন্তঃসত্ত্বা থাকা অবস্থায় আমার স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ি নির্যাতনের এক পর্যায়ে আমার পেটে লাথি মেরে বাচ্চা নষ্ট করে ফেলেন। পরবর্তী সময়ে ৯৯৯-এ কল দিলে পুলিশ আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তিতে সহায়তা করে। সে সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমার ডিএনসি করে।

সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ এফ হাসান আরিফের পুত্রবধূ নীলা অভিযোগ করেন, অত্যাচার-নির্যাতনের মধ্যেই আমি আবার তৃতীয়বারের মতো অর্থাৎ গত বছরের অক্টোবরে অন্তঃসত্ত্বা হই। তৃতীয়বারের মতো আমার অন্তঃসত্ত্বার খবর স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ি জানার পরই গর্ভপাত করতে চাপ দিতে থাকেন। কিন্তু আমি কোনোভাবেই তাদের চাপের কাছে নতি স্বীকার করিনি। এক পর্যায়ে তারা আমাকে বাসার ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করতে জোর করেন। কিন্তু আমি রাজি না হওয়ায় শ্বশুর-শাশুড়ির নির্দেশে আমাকে সেদিন অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন স্বামী মোয়াজ আরিফ। নির্যাতনের সময় আমি ৩৫ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা ছিলাম।
তার অভিযোগ, এ এফ হাসান আরিফ সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল হওয়ায় আইনের অপব্যবহার করে নয় মাস অন্তঃসত্ত্বা থাকাবস্থায় তাকে মামলা দিয়ে জেলে পাঠিয়ে দেন। তার আইনজীবী জামিনের জন্য বার বার আবেদন করেও ব্যর্থ হন। সবশেষ কারাগারে থাকা অবস্থায় গত মাসের প্রথম সপ্তাহে পুলিশি হেফাজতে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে তার দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম হয়। পর দিন জামিনের জন্য আবেদন করলে আদালত জামিন মঞ্জুর করেন। তারপর হাসপাতাল থেকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
মোয়াজ আরিফের স্ত্রী নীলা আরও বলেন, বর্তমানে আমার দুই বছরের সন্তানকে জোর করে আলাদা রেখেছেন তারা। আমি বার বার আমার সন্তানের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েও পারিনি। আমার দাবি, সন্তান এখনও অনেক ছোট। যখন ও বুঝতে পারবে তখন তাকে নিয়ে যাক। এখন তো কথাও বলতে পারে না। আমি আমার সন্তানকে ফিরে পেতে চাই। এছাড়া শ্বশুর-শাশুড়ির নির্যাতন থেকে মুক্তি চেয়ে স্বামী-সন্তানের সুখের সংসার ফিরে পেতে প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য চাইছি।
এ প্রসঙ্গে জানতে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
এর আগে গত জুন মাসে নির্যাতন, ভ্রুণ হত্যা ও দুই বছরের সন্তানকে আটকে রাখার অভিযোগে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এএফ হাসান আরিফের ছেলে মোয়াজ আরিফের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন নীলা। রাজধানীর নিউমার্কেট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলাটি দায়ের করেন তিনি। যদিও সে সময় এসব অভিযোগ করেন মোয়াজের বাবা হাসান আরিফ। তিনি দাবি করেছিলেন, নীলা স্বামীর সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। আগের বিয়ের তথ্য গোপন করে মোয়াজকে বিয়ে করেছেন। এটি তার চতুর্থ বিয়ে। তাকে ডিভোর্স দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মোবাইলে সাড়া দেননি নীলার স্বামী মোয়াজ আরিফ। তবে তার বাবা হাসান আরিফ তার মুখপাত্র অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল নোমানের মাধ্যমে জানান, নীলার প্রতিটি অভিযোগ মিথ্যা।
এ বিষয়ে রমনা জোনের ডিসি সাজ্জাদুর রহমান বলেছিলেন, ঘটনার সত্যতা সাপেক্ষে আসামি আইন আমলে আসবে। এবং যা যা ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, সব

আফগানিস্তানে পুলিৎজারজয়ী রয়টার্সের ভারতীয় সাংবাদিক নিহত

0

আফগানিস্তানের কান্দাহারে তালেবান ও আফগান সরকারি বাহিনীর সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে নিহত হয়েছেন পুলিৎজার জয়ী বার্তা সংস্থা রয়টার্সের ভারতের প্রধান ফটো সাংবাদিক দানিশ সিদ্দিকী। তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন ভারতে নিযুক্ত আফগানিস্তানের রাষ্ট্রদূত ফরিদ মামুন্দজাই।
শুক্রবার একটি টুইটবার্তায় তিনি জানান, গত রাতে কান্দাহারে আমার বন্ধু দানিশ সিদ্দিকির মৃত্যুর খবরে আমি শোকাহত। আফগান বাহিনীর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে ছিলেন ভারতীয় এ পুলিৎজার পুরস্কারজয়ী সাংবাদিক। কাবুলে যাওয়ার দু’সপ্তাহ আগে ওনার সঙ্গে দেখা করেছিলাম আমি। তার পরিবার এবং রয়টার্সের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানের যুদ্ধ পরিস্থিতির ছবি তুলতে দানিশ কয়েকদিন আগে সেখানে গিয়েছিলেন। আফগান সেনাবাহিনীর সঙ্গে থেকে কাজ করছিলেন তিনি। শুক্রবার সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, কান্দাহারের স্পিন বোলডাক জেলায় সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে তিনি নিহত হয়েছেন।
আফগানিস্তানের সংবাদমাধ্যম তোলো নিউজ জানিয়েছে, কান্দাহারের স্পিন বলডাক জেলায় সংঘর্ষ চলাকালীন মৃত্যু হয়েছে দানিশের। বুধবার ওই স্পিন বলডাক এলাকায় পাকিস্তান সীমান্ত বরাবর একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রসিং দখল করে নিয়েছে তালেবানরা।
জানা গেছে, আফগানিস্তান থেকে নিয়মিত ছবি ও খবর পাঠাচ্ছিলেন দানিশ। এক পুলিশ কর্মকর্তাকে উদ্ধারের জন্য আফগানি স্পেশাল ফোর্সের একটি অভিযান নিয়ে খবর করেছিলেন। দানিশের রিপোর্টে একাধিক ছবি ছিল। তার তোলা ছবিতে দেখা গিয়েছিল, কীভাবে আফগানি বাহিনীর গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে তালেবানরা। নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন। তাতে জানিয়েছিলেন, আফগান স্পেশাল ফোর্সের যে গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন তিনি, তাতে রকেট হামলা চালানো হয়। রকেট হামলার দৃশ্যও তার ভিডিওতে ধরা পড়েছিল।
পাকিস্তান-অধ্যুষিত বালুচিস্তানের চামানের সঙ্গে আফিগানিস্তানের যোগাযোগ রয়েছে। ওই সীমান্তটি আফগান সরকারের অর্থ উপার্জন, আন্তঃসীমান্ত যাতায়াত এবং বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও বৃহস্পতিবার আফগান বাহিনীর তরফে জানানো হয়, স্পিন বলডাক এলাকা পুনদর্খল করা হয়েছে। তবে সেই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে তালেবানরা।

নেত্রকোণায় উদীচী কার্যালয়ে বোমা মেরে ৮ জনকে হত্যা মামলা ; কাশিমপুর কারাগারে জেএমবির জঙ্গি পনিরের ফাঁসি কার্যকর

0

ষোল বছর আগে নেত্রকোণায় উদীচীর কার্যালয়ে বোমা হামলা চালিয়ে ৮ জনকে হত্যা মামলার আসামি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সদস্য আসাদুজ্জামান চৌধুরী ওরফে পনিরের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে গাজীপুরের কাশিমপুর কারা
বৃহস্পতিবার রাত ১১টা এক মিনিটে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় বলে সিনিয়র জেল সুপার মো. গিয়াস উদ্দিন জানান।
পনির ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া থানার শাখা কানাইকরস্থান এলাকার ফজলুল হক চৌধুরীর ছেলে। ২০১৯ সালের নভেম্বরে তার ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন সর্বোচ্চ আদালত খারিজ করে দেয়।
জেল সুপার গিয়াস উদ্দিন বলেন, “রাতে পনিরকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার লাশ রাত সোয়া ১টার দিকে পুলিশ পাহারায় তার গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়।”
২০০৫ সালের ৬ ডিসেম্বর নেত্রকোণার উদীচী ও শতদল শিল্পী গোষ্ঠীর কার্যালয়ে চালানো আত্মঘাতী বোমা হামলায় আটজন নিহত ও ৪০ জন আহত হন। ওই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে নেত্রকোণা থানায় দুটি মামলা করে।
হত্যা মামলার রায়ে ২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি আসামি আসাদুজ্জামান পনির, সালাউদ্দিন ওরফে সোহেল ও ইউনুছ আলীকে মৃত্যুদণ্ড দেয় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২।
মামলার অপর আসামি সিদ্দিকুর রহমান বাংলা ভাই ও আতাউর রহমান সানির অন্য মামলায় ফাঁসি কর্যকর হওয়ায় তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়। এ ছাড়া বাংলা ভাইয়ের স্ত্রী ফারজানাকে খালাস দেয় আদালত।
নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আসামি পনির আপিল করেন। ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে হাই কোর্ট নিম্ন আদালতের মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখে।
জেএমবি সদস্য পনির হাই কোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন, যা ২০১৬ সালের ২৩ মার্চ আপিল বিভাগ খারিজ করে দেয়। পরে তার রায় পুনর্বিবেচনার আবেদনও নাকচ হয়ে গেলে দণ্ড কার্যকরের বাধা কাটে।
বিস্ফোরক আইনের আরও দুটি মামলায় পনিরের ২০ বছর করে কারাদণ্ড এবং একটি মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড হয়েছিল।