
লেকশোর হোটেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী তারেক শামস এবং তার সহযোগী এম এ মাসুদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রতারণার অভিযোগে ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছেন ঢাকার একটি আদালত।
৩১ আগস্ট ঢাকার ৪ নম্বর অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনায়েদ এ আদেশ দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, কাজী তারেক শামস তার সহযোগী এম এ মাসুদের সহায়তায় বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা ও স্মৃতিভ্রমে আক্রান্ত বাবা কাজী শামসুল হকের দুর্বল অবস্থার সুযোগ নিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে লেকশোর হোটেলের শেয়ার নিজেদের নামে লিখে নেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই-বোনেরা আদালতে মামলা দায়ের করেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার আল মামুন রাসেল বলেন,
“আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে পিতার অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে উত্তরাধিকারীদের বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে প্রতারণার মাধ্যমে সব শেয়ার নিজেদের নামে লিখে নেয়। মামলাটি দুই দফা সিআইডি তদন্ত করে প্রতারণার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে। সেই প্রতিবেদন ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে বিজ্ঞ আদালত মামলা আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন। এবং সমন জারি করার পর ও আসামীরা বিজ্ঞ আদালতে উপস্থিত হননি বিদায় বিজ্ঞ আদালত ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছে। আমরা বিশ্বাস করি, এই আদেশের মাধ্যমে বাদীপক্ষ ন্যায়বিচার পাওয়ার পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে।”
আদালত তার আদেশে উল্লেখ করেন, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৬ (বিশ্বাসভঙ্গ), ৪২০ (প্রতারণা) এবং ১০৯ (প্ররোচনা/সহায়তা) ধারার অপরাধের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। ফলে আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে মামলাটি বিচারার্থে আমলে নেন এবং দুই আসামির বিরুদ্ধে সমন জারির নির্দেশ প্রদান করেন। এবং এবং সমন জারি করার পর ও আসামীরা বিজ্ঞ আদালতে উপস্থিত হননি বিদায় বিজ্ঞ আদালত ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছে।

