
বুড়িগঙ্গার পানি দূষণ বন্ধের জন্য নদীর তীরে যে কোন প্লাস্টিক বা অন্যান্য বর্জ্য ফেলে রাখা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট।
হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের এক রিট পিটিশনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১০ সালে হাইকোট রায় দিয়ে বেশ কিছু নির্দেশনা দেয়।
উক্ত আদালতের রায় থাকা সত্বেও সম্প্রতি ডেইলি স্টার পত্রিকায় প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয় লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচর থানা এলাকার ইসলামবাগে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে শত শত প্লাস্টিক বর্জ্যসহ অন্যান্য বর্জ্য রাখা হয়েছে। সময়ের ব্যবধানে সেগুলো পানিতে মিশে পানি দূষণ করবে এবং আদালতের আদেশ হয়ে যাবে অকার্যকর।
এই সংবাদ সংযুক্ত করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে একটি আবেদন দাখিল করা হয় গত ৩০ শে আগস্ট। বুধবার এর ওপর শুনানি শেষে বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদ আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বুড়িগঙ্গার তীরে ইসলামবাগ এলাকায় থাকা প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য অপসারণের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের ডিজি বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান, ঢাকার ডিসি, লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কে নির্দেশ দেন। একই সাথে আদালত উক্ত আদেশ বাস্তবায়ন করে চার সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
এইচ আর পি বি এর পক্ষে আবেদনকারী হলেন মোহাম্মদ ছারওয়ার আহাদ চৌধুরী।
শুনানিতে এইচআরপিবি এর পক্ষের সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন বুড়িগঙ্গার পানি দূষণের কারণে ঢাকার পরিবেশ মারাত্মক দূষিত হচ্ছে। এইচ আর পি বি এর দায়েরকৃত মামলায় হাইকোর্ট অনেকগুলা নির্দেশনা দিয়েছেন, তা সত্ত্বেও ঢাকার ইসলামবাগ এলাকায় নদীর তীরে শত শত প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলে রাখা হয়েছে যা বুড়িগঙ্গার পানিতে পড়ে দূষণ বৃদ্ধি পাবে।
তাকে সহায়তা করেন অ্যাডভোকেট সঞ্জয় মন্ডল এবং এডভোকেট নাছরিন সুলতানা। সরকার পক্ষে ছিলেন ডি এ জি খান জিয়াউর রহমান।

